অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ, কারন নিয়ে ধোঁয়াশা
- The Conveyor
- 8 minutes ago
- 2 min read

কলকাতা, ২৫ মে, ২০২৬: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ। 'শান্তিনিকেতনে' সোমবার দুপুরে প্রবেশ করলেন কয়েক জন পুলিশকর্মী। তাঁদের কয়েক জন ছিলেন সাধারণ পোশাকে। কয়েক জন পরেছিলেন সাদা উর্দি। তবে কী কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পুলিশ গিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। একটি সূত্রের দাবি, ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি পক্ষ থেকে আধিকারিকদের একটি দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছে। কিছু ক্ষণ পরেই বাড়ির ভিতর থেকে একটি মনিটর নিয়ে বেরিয়ে যান পুলিশকর্মীরা। তার পর সেই মনিটর তুলে দেওয়া হয় একটি সাদা গাড়িতে, যাতে লেখা ছিল ‘কলকাতা পুলিশ’। সেটি কোথায় নিয়ে যাওয়া হল, তাও স্পষ্ট নয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কোনও জবাব দেননি আধিকারিকরা।
পুলিশকর্মীরা অভিষেকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে একটি গাড়ি সেখানকার গ্যারেজ থেকে বেরিয়ে যায়। সেই গাড়িটি লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার নামে নথিভুক্ত। শান্তিনিকেতন বাড়িটিও ওই সংস্থার নামেই পুরসভায় নথিভুক্ত রয়েছে। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর বাবা-মা এবং অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে থাকা একাধিক সম্পত্তিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ তুলে নোটিস দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। সেই ঘটনার সূত্রেই এ দিন অভিষেকের বাড়িতে পুলিশ পৌঁছল কি না, তা নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছে।
অভিষেকের দু’টি ঠিকানায় অবৈধ নির্মাণ হয়েছে, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে জোড়া নোটিস পাঠিয়েছে কলকাতা পুরসভা। দু’টি নোটিসের প্রথমটি পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। দ্বিতীয় নোটিসটি লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডসের নামে গিয়েছে, যার পরিচিতি অভিষেকের সংস্থা হিসাবে। এর পর কলকাতা পুরসভার কাছে ১০ দিন সময় চেয়েছে অভিষেকের সংস্থা লিপ্স এন্ড বাউন্ডস। শনিবার সন্ধ্যায় ওই সংস্থার তরফে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগকে এই আবেদন করে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। গতকালই কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছিলেন, নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য পুরসভার থেকে সময় চেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। প্রসঙ্গত গত শুক্রবার মেজাজ হারিয়ে অভিষেক বলেন, “বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে বলা হোক, তার পর উত্তর দেব।” এরই মধ্যে কলকাতা পুরসভার অ্যাসিসর-কালেক্টর (দক্ষিণ) দফতরের তরফে ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি রোডের সম্পত্তি সংক্রান্ত এক নোটিস জারি করে।









Comments