শুনানিতে যাতে অযথা হয়রানি না হয়, তার জন্য নির্দেশিকা জারি কমিশনের

কলকাতা, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫: ২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে৷ অথচ নির্বাচন কমিশন বিএলও-দের নথি যাচাইয়ের জন্য যে অ্যাপ দিয়েছে, তাতে সেই ভোটারের নাম নেই৷ এমন বহু ভোটারকেই প্রথম দিন শুনানির জন্য ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন৷ ফলে অযথা হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন ভোটাররা৷ এই ধরনের ভোটারদের আর শুনানিতে ডাকা হবে না বলে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন৷
জেলাশাসকদের একটি নির্দেশিকায় কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটারদের শুনানিতে ডেকে পাঠানোর জন্য যদি এই ধরনের নোটিস ইস্যু হয়ে থাকে তাহলে সেই নোটিশ ইআরও, এইআরও- দের কাছেই রেখে দিতে হবে৷ প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই ২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও বিএলও অ্যাপে অনেক ভোটারের নাম নেই বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জেলাশাসকদের জানানো হয়েছে৷ পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের হয়রানি কমাতেও পদক্ষেপ করেছে কমিশন৷ ৮৫ বছর অথবা তার ঊর্ধ্বে বয়স এমন যে ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের শুনানি বাড়ি গিয়েই করবে কমিশন৷ এ বিষয়েও জেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে৷
এদিকে SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে অভিষেক জানালেন, ৩১ ডিসেম্বর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। মোট ১ কোটি ৩৬ লক্ষ মানুষকে শুনানির সময়ে প্রমাণপত্র দিতে হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্যে। এই ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের নাম প্রকাশের দাবি করেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, ‘ইলেকশন কমিশনের কাছে যদি লুকােনোর কিছু না থাকে তা হলে তালিকা বের করছেন না কেন?’ অভিষেকের দাবি, ‘কীসের কারণে এই এক কোটি ৩৬ লক্ষ মানুষ লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি পাওয়া গিয়েছে। আমরা জানতে চাই। মানুষ তো জানতেই পারছেন না। আমরা ৩১ তারিখ সময়সীমা দিয়ে আসব। যদি এই তালিকা প্রকাশ না হয়, তা হলে কমিশনের অফিস ঘেরাও হবে।’ এছাড়াও নতুন বছরে ২ জানুয়ারি থেকেই রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করে দিচ্ছেন অভিষেক। ২ জানুয়ারি বারুইপুর, ৩ জানুয়ারি জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে যাবেন তিনি। রয়েছে জনসভা ও রোড শোয়ের কর্মসূচি।









Comments