রাজ্যের মন্ত্রীদের দফতর বন্টন সম্পন্ন হল বুধবার
- The Conveyor
- 2 days ago
- 2 min read

কলকাতা, ১০ জুন, ২০২৬: নতুন সরকারের এক মাস পূর্তি হয়ে গেছে। এবারে মন্ত্রীদের দফতর বন্টনও সম্পন্ন হল। মঙ্গলবার নবান্নে দীর্ঘ বৈঠকের পর মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত করা হল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ ৪১ জন মন্ত্রীর কে কোন দফতর পেয়েছেন, সেই তালিকা ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছে নবান্ন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ। পরিষদীয় বিষয়ক দফতরও দেওয়া হয়েছে তাঁর হাতেই। শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাপস রায়কে।। অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, সরকারি উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন দফতরও দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অর্থ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বপন দাশগুপ্তকে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং পাচ্ছেন পরিবহণ ও শ্রম দফতরের দায়িত্ব। শিক্ষা দফতরকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দায়িত্বে থাকছেন সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। স্কুলশিক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক বর্মণকে। কৃষি দফতরের দায়িত্ব পাচ্ছেন বিজেপির আদি মুখ দুধকুমার মণ্ডল। বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী হচ্ছেন মনোজ ওঁরাও। পূর্ত দফতর পাচ্ছেন অজয় পোদ্দার, গৌরীশঙ্কর ঘোষের হাতে দেওয়া হয়েছে অনগ্রসর শ্রেণি উন্নয়ন দফতর। জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার দফতরও পেয়েছেন তিনি। অরূপকুমার দাস হলেন সেচ ও জলপথ মন্ত্রী। তথ্যপ্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উদ্যানপালন দফতরের মন্ত্রী হলেন কল্যাণ চক্রবর্তী।
তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন গত ১ জুন। তাঁদের মধ্যে মালতি রাভা রায়কে নারী ও শিশুকল্যাণ দফতর, সমাজকল্যাণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, স্বনিযুক্তি, প্রকল্প পর্যবেক্ষণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। রাজেশ মাহাতো হলেন প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ, উপভোক্তা বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে ইন্দ্রনীল খাঁকে।
১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর কে কোন দফতর পাচ্ছেন, তা-ও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু। উচ্চশিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে হরেকৃষ্ণ বেরাকে। অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন আনন্দময় বর্মণ। আবাসন দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে কলিতা মাজিকে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন সুমনা সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বিশাল লামাকে। অশোক দিন্ডাকে করা হয়েছে কৃষিবিপণন, ক্ষুদ্র-কুটির-মাঝারি শিল্প, বস্ত্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী।
পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টনের পর নিশীথ পেয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন ও কৃষি বিপণন দফতর থাকছে দিলীপের হাতে। অগ্নিমিত্রার হাতে থাকছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব। অশোককে খাদ্য ও সরবরাহ এবং সমবায় দফতর দেওয়া হয়েছে। ক্ষুদিরাম পেয়েছেন আদিবাসী ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর।
এগুলি বাদে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য বিষয়ক দফতর, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর, ত্রাণ এবং উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দফতর, বিদ্যুৎ দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর। পাশাপাশি যে দফতরগুলি বাকি মন্ত্রিদের মধ্যে বণ্টিত হচ্ছে না, সেগুলিও থাকছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতেই।









Comments