সংসদীয় দলও হাতছাড়া তৃণমূলের, চালু হয়ে গেল 'আয়ুষ্মান ভারত'
- The Conveyor
- 4 days ago
- 2 min read

কলকাতা, ৮ জুন, ২০২৬: লোকসভাতেও তৃণমূলের সংসদীয় দল হাতছাড়া হল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এনডিএয়ের শরিক হতে চেয়ে চিঠি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন সাংসদ। সূত্রের খবর, আজ বেলায় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার সেই চিঠি জমা দিয়েছেন। তাতে মোট ২০ জন সাংসদের স্বাক্ষর আছে। লোকসভার ২৮ জন তৃণমূল সাংসদের মধ্যে ২০ জনই মমতাকে ছেড়ে যোগ দিলেন বিদ্রোহী শিবিরে।
বিদ্রোহীদের নেতৃত্বে রয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় পদক্ষেপ এড়াতে বিদ্রোহীদের দলের সাংসদদের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। কাজেই লোকসভায় তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপের দাবি তোলা সম্ভব নয় তৃণমূলের পক্ষে। যখন দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-কে এককাট্টা দেখাতে বৈঠকে বসেছেন মমতা, সনিয়া গান্ধী, অখিলেশ যাদবেরা। ঠিক সেই সময়েই তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন ধরল। মমতার হাতছাড়া হয়ে গেল লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দল।
তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক হিসাবেই স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন কাকলি। যদিও দলীয় বৈঠকে কাকলির বদলে কল্যাণকে চিফ হুইপ ঘোষণা করেছিলেন মমতা। কিন্তু অধিবেশন না চলার কারণে আনুষ্ঠানিক ভাবে তা স্পিকারের দফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে জানানো হয়নি। ফলে নিজের পদের ‘সদ্ব্যবহার’ করেছেন কাকলি। স্বতন্ত্র ব্লক হিসেবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের সাংসদদের সঙ্গে তাঁরা লোকসভায় বসতে চান বলে স্পিকারের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। অর্থাৎ ওই বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের আসল তৃণমূল হিসেবে দাবি করেননি বা আলাদা কোনও দল গঠনের ঘোষণা করেননি বা সরাসরি বিজেপি যোগ দিতে চাননি, বরং বাইরে থেকে একটি 'ব্লক' গঠন করতে চান বলে সূত্রের খবর। তাঁরা নতুন কোনও দল গড়ছেন না বা 'আসল' তৃণমূল হিসেবে দাবি করছেন না।
লোকসভার স্পিকারকে তৃণমূলের বিদ্রোহীদের এই চিঠি পাঠানোর কথা প্রকাশ্যে আসার আগে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে যান বিদ্রোহী সাংসদেরা। ঘটনাচক্রে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সোমবার সকালে দিল্লিতে গিয়েছেন। দুপুরে ভূপেন্দ্রর বাড়িতে যান তিনিও।
পশ্চিমবঙ্গে চালু হল কেন্দ্রীয় সরকারের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প। সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্যের সেই মউ সই হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎপ্রকাশ নড্ডা-সহ কেন্দ্র এবং রাজ্যের আমলারা।









Comments