যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পক্ষকে যত্র- তত্র দেওয়াল লিখন থেকে বিরত থাকার আবেদন জানালেন উপাচার্য
- The Conveyor
- 7 days ago
- 1 min read

কলকাতা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: যাদবপুরে দেওয়াল লিখনে বিধিনিষেধ। সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে বিল্ডিং, গেট ও সরকারি পরিকাঠামোয় লেখা বা মতপ্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার আর্জি জানালেন উপাচার্য। ক্যাম্পাসে দেওয়া লিখনের জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দফতর থেকে একটি আবেদনপত্র প্রকাশ করে পড়ুয়া, শিক্ষক, কর্মী-আধিকারিক, গবেষক-সহ সকলের কাছে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা ও মর্যাদা বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন জানানো হয়েছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি দেওয়াল লিখনের পক্ষে নন। এ বার সরাসরি সবপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন তিনি। আবেদনপত্রে উপাচার্য উল্লেখ করেছেন, জাতীয় আন্দোলনের চেতনা থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গড়ে ওঠা। শিক্ষা, আত্মনির্ভরতা, বৌদ্ধিক চর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক পরিসর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সেই ঐতিহ্য বজায় রেখেই ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। তবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে দেওয়াল লিখন বা অন্যান্য উপায়ে মতপ্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ব্যবহারের সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও কোনও লেখা বা বক্তব্য যাতে উস্কানিমূলক, অবমাননাকর, আপত্তিকর না হয়, এবং তা যেন কোনও ভাবেই দেশবিরোধী বা জাতীয় ঐক্য ও অখণ্ডতার পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত না হতে পারে সেই বিষয়েও সচেতন থাকার কথা বলেছেন তিনি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রবিবার কর্তৃপক্ষ দেওয়ালের একাংশে চুনকাম করে দেওয়ার পর সোমবার সকালেই সেখানে ফুটে ওঠে নতুন লিখন। তার দায়িত্ব অবশ্য নেয়নি এসএফআই। বরং সোমবার তারা পালন করেছে ‘দেওয়াল দখল’ কর্মসূচি। সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএফআই ‘টেক ব্যাক ইয়োর ওয়ালস’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এসএফআই ছাত্র সদস্যরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিও এঁকেছেন। এখন দেখার, এই আবেদনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা নিজেদের অবস্থান কি রাখেন।
একথাও ঠিক, দেশের জাতীয়তাবাদের পরিপন্থী তেমন কিছু দেওয়াল লিখন হিসেবে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা থাকলে তা মোটেও দৃষ্টিসুখকর নয়।









Comments