মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কারণে পরিবেশ আরও খারাপ হলে ব্যবস্থা নেবে কোর্ট, ট্রাইব্যুনালের জন্য একটি কমিটি গঠন করতে হবে
- The Conveyor
- Apr 6
- 2 min read

৬ এপ্রিল, ২০২৬: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে হল এসআইআর মামলার শুনানি। সেখানে নির্বাচন কমিশন জানায়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন। তারা জানিয়েছে, এই সংক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। এই মন্তব্যের জেরে পরিবেশ আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কমিশনের আইনজীবী। সু্প্রিম কোর্ট জানিয়েছে, প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করা হবে। আগামী ১৩ এপ্রিল বিকেল ৩টেয় পরবর্তী শুনানি।
কমিশন আজ রাতেই পুরো তালিকা প্রকাশ করতে পারবে। শুধুমাত্র ডিজিটাল সিগনেচার আপলোড করার জন্য পোর্টাল ৭ এপ্রিল পর্যন্ত খোলা থাকবে। শীর্ষ আদালত আজ জানায়, বিচারকদের দেওয়া কারণ-সহ সব কিছু খতিয়ে দেখে নিজেদের প্রক্রিয়া তৈরি করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ট্রাইবুনাল। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে তিন জন প্রাক্তন সিনিয়র প্রধান বিচারপতি বা বিচারপতিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করতে হবে। এই কমিটি একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ঠিক করবে, যা ১৯টি ট্রাইবুনালকেই বাধ্যতামূলক ভাবে অনুসরণ করতে হবে। ওই কমিটি আরও সিদ্ধান্ত নেবে, সব আপিল কি শুধুমাত্র কলকাতাতেই দাখিল করতে হবে, না কি অন্য জায়গাতেও তা করা যাবে। এই কমিটি আগামিকালের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি নির্ধারণ করবে। যাতে আপিলগুলির নিষ্পত্তি দ্রুত করা যায়- বলে আশা করছে আদালত।
ট্রাইব্যুনালের জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে অ্যাডিশনাল CEO হিসেবে নিয়োগ করা হলো আইএএস বিভু গোয়েলকে। তিনি নোডাল অফিসার হিসেবে কাজ করবেন বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন, অ্যাপলেট ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি এবং হাইকোর্টের মধ্যে সিঙ্গল পয়েন্ট অফ কন্টাক্ট হিসেবে কাজ করবেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের তরফে যা যা বিজ্ঞপ্তি, নির্দেশিকা পাঠানো হবে সেটা নির্দিষ্ট সময়ে বিচারপতিদের কাছে পৌঁছনোর দায়িত্বও পালন করবেন তিনি। বিচারপতিরা যখন যেরকম প্রশ্ন তুলবেন বা যখন যে বিষয়ে নজর রাখার কথা বলবেন, সেগুলি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করবেন। গোটা ট্রাইব্যুনালের প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্যই নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হলো বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।






Comments