ট্রাইবুনালে আবেদনকারীররা ভোট দিতে পারবেন না, জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা বহাল
- The Conveyor
- 7 days ago
- 1 min read

১৩ এপ্রিল, ২০২৬: ট্রাইবুনালে আবেদনকারীররা ভোট দিতে পারবেন না এবার বিধানসভা নির্বাচনে। জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ট্রাইব্যুনালের আবেদনকারীদের ভোটদানের আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। তিনি বলেন, 'সেটার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আমরা যদি সেই অনুমতি দিই, তাহলে যাঁদের নাম (ভোটার তালিকায়) অন্তর্ভুক্ত আছে, তাহলে তাঁদের ভোটদানের অধিকার স্থগিত করে দিতে হবে।' এই প্রসঙ্গেই সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের অন্যতম সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, '৩৪ লাখ আবেদন আছে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির রিপোর্টে সেটাই বলেছে।' প্রধান বিচারপতি বলেন, 'আমরা এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করে দিতে পারি না, যেখানে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারকদের ওপর বোঝা চাপানো হয়।'
এদিন ২০০২-এর তালিকায় নিজের অথবা পরিবারের সদস্যদের নাম থাকলেও কেন এসআইআর-এ ভোটারদের নাম কাটা যাচ্ছে অথবা তাঁদের নথি জমা দিতে হচ্ছে, সোমবার নির্বাচন কমিশনকে সেই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি কমিশনের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘বিহারের এসআইআর-এর সময় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ২০০২ সালের তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে তাঁদের কোনও নথি জমা দিতে হবে না৷ ২০০২-এর তালিকাই ছিল মানদণ্ড। জবাবে কমিশনের আইনজীবী বলেন, কিন্তু তাদের প্রমাণ করতে হবে যে তারা ২০০২ তালিকার একই ব্যক্তি। কমিশনের আইনজীবীর কথা শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, ‘আপনারা নিজেদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসছেন।'
সোমবার মোথাবাড়ি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত জুডিশিয়াল অফিসার ও তাঁর পরিবারের লোকজনের নিরাপত্তা বহাল থাকবে। অন্য দিকে, এই ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় জানানোর ব্যাপারেও পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। এই বিষয়ে NIA- র তরফে সম্মতি দিয়েছেন ASG ঐশ্বর্য ভাট্টি। ‘সুপরিকল্পিত’ ভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।








Comments