১০ দিনের ইডি হেফাজতে বিনেশ চান্দেল, প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব ইডি- র
- The Conveyor
- Apr 14
- 1 min read

১৪ এপ্রিল, ২০২৬: কয়লাকাণ্ডে ১০ দিনের ইডি হেফাজতে আইপ্যাক সহপ্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেল। আর্থিক তছরূপ ও বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে বিনেশের বিরুদ্ধে। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা নিয়ে হাওয়ালা মারফত বাইরে পাঠানো হয়েছে। ইডির বক্তব্য, অন্তত ৫০ কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ হয়েছে। থার্ড পার্টি থেকে টাকা নিয়ে হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন করা হত। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতেই বিনেশের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছিল ইডি। বিনেশের গ্রেফতারির পরপরই আদালতে পেশ করা হয় তাঁকে। মধ্যরাতে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত সেশন জাজের বেঞ্চে পেশ করা হয় আইপ্যাক কর্তাকে। ভোর পর্যন্ত চলে শুনানি। তাঁকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠান বিচারক। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ৩৩ শতাংশের অংশীদার। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর অধীনে একটি মামলায় তিনি তদন্তাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক- এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আইপ্যাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগের তদন্তে নেমে ইডি প্রতীকের ভাই পুলকিত জৈন এবং স্ত্রী বার্বি জৈনকে ১৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বুধবার ডেকে পাঠিয়েছে। দিল্লিতে সংস্থার সদর দফতরে যেতে বলা হয়েছে আইপ্যাক কর্তার স্ত্রী এবং ভাইকে। উল্লেখ্য, পুলকিতও আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত। ওই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি ওই মামলাতেই কলকাতায় আইপ্যাকের দফতর এবং সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রতীকের কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই সময় সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। খালি হাতে ঢুকে যান প্রতীকের বাড়িতে। তারপর সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন। পরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিস থেকে একগুচ্ছ নথি তোলা হয় গাড়িতে। তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে ইডির সেই আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনির্দিষ্ট কালের জন্য তা পিছিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে শীর্ষ আদালত।









Comments