বিজেপি ও কালীঘাট তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত মুকুন্দপুর

কলকাতা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: বিজেপি ও তৃণমূল, বলা ভালো কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত মুকুন্দপুর। আহত হলেন প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, নেত্রী উপাসনা চৌধুরী। মঙ্গলবার দফায় দফায় চলল হামলা, মারধর, ভাঙচুর। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল গোটা এলাকা। বিজেপি কর্মীদের মারের চোটে হুমায়ুনের চোখ-মুখ ফেটে গিয়েছে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থীদের অভিযোগ, যাদবপুর এলাকায় তাদের বেশ কয়েকটি কার্যালয় দখল করেছে বিজেপি। তার প্রতিবাদে মঙ্গলবার মুকুন্দপুরে তারা মিছিল করতে গেলে চড়াও হন বিজেপি কর্মীরা। তা নিয়েই ঝামেলা। তবে মিছিলে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন পার্টি অফিস দখলমুক্ত করার দাবিতে মিছিল বের করেন মুকুন্দপুরের স্থানীয় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। সেখানেই যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা-সহ একাধিক হেভিওয়েট নেতা। ছিলেন উপাসনাও। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা মত্ত অবস্থায় তাঁদের মিছিলের উপরে হামলা চালায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে দাবি করেছে, ‘বিজেপির গুন্ডারা’ তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। এমনকি, মহিলাদেরও ছাড়েনি। তারা লিখেছে, বিজেপির ‘রাজনৈতিক হিংসার এটাই রূপ’। তৃণমূলের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান উপাসনার বাড়িতে হামলার পাশাপাশি তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ, রাস্তার উপরেই রীতিমতো মারপিট শুরু করে দেন বিজেপি ও কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাস্তায় নামে পুলিশ। দুই পক্ষকেই সরিয়ে দেন তাঁরা।
তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। রাজ্যে পদ্মশিবিরের মুখপাত্র সপ্তর্ষি চৌধুরীর দাবি, এটা তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফল। তিনি বলেন, ‘দলের একটা অংশ সব পেয়েছে। আর একটা অংশ কিছুই পাইনি। সেই নিয়েই নিজেরা মারপিট করেছে।’ এর সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।









Comments