শহরে দিনভর কমিশনের ফুল বেঞ্চ- চাপানউতোর কমিশন এবং তৃণমূলের

৯ মার্চ, ২০২৬: আসন্ন নির্বাচন হতে পারে এক বা দুই দফায়। উল্লেখ্য, রবিবার রাতে কলকাতায় এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সকালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন জ্ঞানেশ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়ালও। তাঁদের পৌঁছোনোর আগে থেকেই মন্দিরের সামনে বিক্ষোভ চলছিল। কালো পতাকা হাতে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলছিলেন অনেকে।
সোমবার দুপুরে প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরেই শুরু হয়েছে জেলাশাসকদের নিয়ে ফুল বেঞ্চের বৈঠক। জানা গিয়েছে, রাজ্যে এসআইআরের কাজে কয়েক জন আধিকারিকের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট কমিশন। কমিশনের একটি সূত্রের দাবি, রাজ্য এবং কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের বৈঠকে জ্ঞানেশের হুঁশিয়ারি, ‘‘পদক্ষেপ করুন। না হলে শুধু চা নিয়েই বসে থাকতে হবে।’’ একই সঙ্গে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই), বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আবগারি, মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থাও (নার্কোটিক্স) কমিশনের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে। ওই সময় কলকাতার প্রাক্তন সিপি এবং বর্তমান ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীতও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশের ‘কোপে পড়েন।’ এর পর আবগারি দফতরকে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, মদের উৎপাদন যাতে স্বাভাবিকের থেকে বেশি না-হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে উৎপাদক সংস্থাগুলির সঙ্গে কথা বলে। সীমান্ত এলাকায় মদ উৎপাদন বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, অবৈধ অর্থ উদ্ধারে আরবিআই কেন তৎপর হতে পারছে না, তা নয়েও প্রশ্ন তোলে কমিশন।
আধিকারিকদের ধমক দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফুঁসে উঠে মমতা। বলেন, ‘অফিসারদের যাঁরা ভয় দেখাচ্ছেন, তাঁরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। এখানকার মানুষ মাথানত করে না। ভোটার দু’মাস পরেও জবরদস্তি করবেন। আমাদের অফিসাররা ট্যাক্টফুলি হ্যান্ডল করে নেবেন।’ ২০২১ সালের নির্বাচনে আট দফায় ভোট হয়েছিল। এ বার এক বা দুই দফায় ভোট করার ব্যাপারে আর্জি জানানো হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে।
তবে, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ”আজকের বৈঠকে আমরা সন্তুষ্ট। পশ্চিমবঙ্গ প্রস্তুত ভোটের জন্য।” শুধু তাই নয়, ১৫ মার্চ বা তার পর ভোট ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। কমিশন সূত্রে এমনও জানানো হয়েছে।









Comments