বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টার মধ্যে যে সমস্ত নথি কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হয়নি, সেগুলি বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের দিতে হবে

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: মঙ্গলবারের শুনানির পরে বুধবারও সর্বোচ্চ আদালতে কমিশনের তরফে মেনশন করা হল বাংলার এসআইআর মামলার। নতুন করে কিছু নির্দেশের ব্যাখ্যা দেওয়া হল। মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে যে বিভ্রান্তি রয়েছে, তারও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যে সমস্ত নথি পাওয়া গিয়েছে কিন্তু এখনও নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হয়নি, সেগুলি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টার মধ্যেই এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের হাতে তুলে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ইআরও এবং এইআরও-দের এমনটাই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছে, ভোটারের জন্মের তারিখ বা বাবা-মায়ের পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে শুধু অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা হবে না। আধারের মতোই স্ট্যান্ড অ্যালোন নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে না। মাধ্যমিকের পাশ সার্টিফিকেটের সঙ্গে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে বয়সের এবং অভিভাবকত্বের প্রমাণপত্র হিসেবে।
২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ যতটা সম্পন্ন হবে, তার ভিত্তিতেই ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তার পর ধাপে ধাপে বাকি তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন। এখনও পর্যন্ত ৫৩২ জন বিচারককে এসআইআরের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, পুরো প্রক্রিয়াটি সময়ে শেষ করার জন্য প্রায় দু’হাজার বিচারক প্রয়োজন।









Comments