‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করল পাকিস্তান, ভারতের 'ধীরে চলো' নীতি
- The Conveyor
- 2 days ago
- 2 min read

২১ জানুয়ারি, ২০২৬: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করল পাকিস্তান। তাদের বিদেশ দফতর থেকে বুধবার এই মর্মে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক দেশ ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রস্তাব খারিজ করেছে তিনটি দেশ। পাকিস্তান ছাড়াও ট্রাম্পের প্রস্তাব ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছে ইজরায়েল, আর্জেন্টিনা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরিন, বেলারুস, মিশর, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, কসোভো, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ভিয়েতনাম।
ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পর্ষদ’ গঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, গাজা-ইসরায়েলের যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে শান্তি পরিকল্পনার ২০টি দফা পূরণে ‘অত্যাবশ্যকীয় ভূমিকা পালন’ করার জন্য শান্তি পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। শান্তি পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাম্প নিজেই থাকবেন। এছাড়া পর্ষদের সদস্য হিসেবে অন্যদের আছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠন করা এই পর্ষদে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছে পাকিস্তান এবং ভারত ও।
ভারতের মতো যে দেশগুলি আমন্ত্রণ পেয়েছে কিন্তু এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি, তার মধ্যে অন্যতম ব্রিটেন। এ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে চিন, ক্রোয়েশিয়া, রাশিয়া, ইটালি, জার্মানি, প্যারাগুয়ে, সিঙ্গাপুর, স্লোভেনিয়া, তুরস্ক, ইউক্রেনের মতো দেশ। ফ্রান্স, সুইডেন এবং নরওয়ে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগদানের প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে।
বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার জন্য কাজ করবে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’। প্রাথমিক ভাবে তা শুরু হবে গাজা দিয়ে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, গাজার সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে অন্য আঞ্চলিক বিরোধগুলি নিয়েও কাজ করবে ‘বোর্ড অফ পিস’। কিন্তু এর সঙ্গে রাষ্ট্রপুঞ্জের সংঘাত প্রকট হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। কারণ, বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার জন্য আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী হিসাবে রাষ্ট্রপুঞ্জ সক্রিয়। তার পরেও আমেরিকাকে মাথায় রেখে নতুন করে ‘বোর্ড অফ পিস’ গঠনের প্রয়োজনীয়তা কেন পড়ছে, প্রশ্ন উঠছে।
কাজেই এই স্পর্শকাতর বিষয়ে ভারত 'ধীরে চলো' নীতি নিয়ে উচিত কাজই করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব দিক বিবেচনা করে, পরিস্থিতি বিচার করে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। সংবাদসংস্থা পিটিআই সরকারি সূত্র উল্লেখ করে জানিয়েছে, ট্রাম্পের প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ বলার আগে কয়েকটি সংবেদনশীল বিষয় নয়াদিল্লি বিবেচনা করছে। তাই সিদ্ধান্ত জানাতে দেরি হচ্ছে।













Comments