top of page

পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করার দায়িত্ব বর্তালো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাঁধে


কলকাতা, ৫ মে. ২০২৬: বাংলায় ২০৭ আসনে বিজেপির বিপুল জয়ের পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাঁধে বড় দায়িত্ব তুলে দিল দল। পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে রাজ্যের হবু বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার কাজে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে তাঁকে। পাশাপাশি এই কাজের জন্য সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পড়শি রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে। আগামিকাল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসে নেতা বাছাই করা হবে।

বিজেপি দল সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক হয়েছিল রাজনাথকেই বিধায়ক দলের নেতা বাছাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু, শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজনাথ নন, বিধায়ক দলের নেতা বাছবেন খোদ অমিত শাহ। ফলপ্রকাশের পরের দিনই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়ে দিল, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দলের পরিষদীয় দলনেতা বাছার প্রক্রিয়ায় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে শাহকে। বিভিন্ন রাজ্যে পরিষদীয় দলনেতা বাছাই প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষক হিসাবে সর্বভারতীয় স্তরে দলের প্রথম সারির মুখদেরই বাছা হয়। কিন্তু অমিত শাহকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়ার ঘটনা খুবই কম। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন এবং এই জয়কে যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা এই সিদ্ধান্ত থেকে আরও এক বার স্পষ্ট হল।

সূত্রের খবর, আগামিকাল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসে নেতা বাছাই করা হবে। চূড়ান্ত করা হবে ক‍্যাবিনেটও। বুধবার সকালের বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত করা হবে। তারপরই কলকাতা যাবেন রাজনাথ। তারপর প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে হবে পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠক। আগামী এক থেকে দু দিনের মধ‍্যে সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিজেপি পার্লামেন্টারি বোর্ডের মিটিং হবে। আর পার্লামেন্টারি বোর্ডেই মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। এই সিদ্ধান্তের পরেই বিধায়ক দলের সঙ্গে বৈঠক হবে। আগামী ৯ তারিখ অর্থাৎ ২৫ বৈশাখ, কবিগুরুর জন্মদিনের দিন শপথ নিতে চলেছে বাংলার নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার।

প্রসঙ্গত, ২৬-এ ‘মিশন বাংলা’র পুরোভাগে সামিল ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্বাচন পর্বে প্রচার, স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ ও দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করতে একটানা বাংলাতেই ছিলেন তিনি। একমাসে মোট ২৯টি জনসভা ও ১১টি রোড শো করেছেন তিনি। বিজেপির ‘সংকল্প পত্র’ ও ‘তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জশিট’ কর্মসূচিও আত্মপ্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাত ধরে। তাই বাংলায় বিজেপি সরকারের নয়া অধ্যায়ের শুভারম্ভতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বর্তাল শাহের হাতেই, মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

ক্ষমতায় এলে নবান্ন নয়, সরকার পরিচালিত হবে মহাকরণ থেকে, একাধিক ইন্টারভিউতে এমনটাই জানিয়েছিেলন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টচার্য। এখন দেখার, মহাকরণের জীর্ণ দশার মুক্তি ঘটিয়ে নতুন পথ চলা শুরু করে কি না বিজেপি সরকার। পাশাপাশি রাস্তায় রাস্তায় সিগনালের জন্য নিয়মানুসারে হলুদ রং ফেরত আসতে চলেছে বলেও জানান রাজ্য সভাপতি। এদিকে বিজেপির জয়ের পরেই নবান্নেও দেখা গেল বিরল ছবি। সরকারি কর্মচারীদের জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে শোনা যায়। গেরুয়া আবিরে সরকারি কর্মচারীদের বরণ করা হয়। প্রতিটি ফ্লোরেই সরকারি কর্মচারীদের বাইরে বেরিয়ে একসাথে স্লোগান দিতে দেখা যায়।



 
 
 

Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating

Top Stories

প্রতিদিনের খবর এবং বিভিন্ন ফিচার ভিত্তিক লেখা, যেখানে খবরের সত্যতা তথা লেখনীর উৎকৃষ্টতা প্রাধান্য পায়। ফিচার ছাড়াও যে কোনও রকম লেখনী শুধুমাত্র উৎকৃষ্টতার নিরিখে গুরুত্ব পাবে এই সাইটে

Thanks for subscribing!

  • Whatsapp
  • Youtube
  • Instagram
  • Facebook
  • Twitter

The Conveyor

bottom of page