top of page

এবার থেকে শহরের স্টেশন বা বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি পাওয়া যাবে 'যাত্রী সাথী' অ্যাপ-এর মাধ্যমে


কলকাতা, ৩১ জুলাই: হাওড়া স্টেশনে প্রিপেইড ট্যাক্সি বুথ বন্ধ করে দেওয়া হল। বলা যেতে পারে বাইরে থেকে আগত যাত্রীরা আর কোনও জায়গা থেকেই প্রিপেইড ট্যাক্সি পাবেন না। রাজ্য পরিবহণ দফতরের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তুলে নেওয়া হচ্ছে হাওড়া স্টেশনের সামনে থাকা প্রিপেইড ট্যাক্সি বুথগুলি। আর লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বুথ থেকে স্লিপ নিয়ে ট্যাক্সিতে চড়তে হবে না হাওড়া স্টেশনে। গোটা ব্যবস্থা বদলে ফেলতে চলেছে রাজ্য পরিবহণ দফতর।

বাজারে এসে গিয়েছে 'যাত্রী সাথী' অ্যাপ। ইয়েলো ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাজারে আনা হয়েছে এই নয়া অ্যাপ। এখন থেকে হলুদ ট্যাক্সি বুক করতে গেলে ফোনে অবশ্যই থাকতে হবে এই অ্যাপ। ট্রেনের মধ্যে বসে কিংবা স্টেশন থেকেই ‘যাত্রী সাথী’ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন যাত্রীরা। অন্যান্য অ্যাপ ক্যাবের মতো এখানেও ওটিপি আসবে। তা দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে ট্যাক্সি। শোনা গিয়েছে হাওড়া স্টেশনে পার্কিং ফি বাবদ ওলা, উবার চালকরা যে অতিরিক্ত ভাড়া নেন, যাত্রী সাথী অ্যাপে বুক করা ট্যাক্সি তা নেবে না।

হাওড়া স্টেশনের পুরনো এবং নতুন কমপ্লেক্সের বাইরে দুটি করে চারটি এই ধরনের প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথ ছিল। যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ট্যাক্সি বুকিং করে গন্তব্যে যেতেন। বর্তমানে সেখানে প্রি-পেইড ট্যাক্সি বুথে তালা লাগানো। আপাতত এই ধরনের সিস্টেম চালু হয়েছে হাওড়া স্টেশন, শিয়ালদা স্টেশন, কলকাতা বিমানবন্দর, সাঁতরাগাছি স্টেশন এবং কলকাতা স্টেশনে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় ওই বুথ থেকেই স্বেচ্ছাসেবকেরা যাত্রীদের স্মার্টফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করে দিচ্ছেন। এর ফলে বুথের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। যাত্রীদের বুকিং পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগছে।

কিন্তু অনেকের কাছেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নেই। ফলে তাঁরা ট্যাক্সি বুকিং করতে না পেরে বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন এবং বাসে করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। তাতে তাঁরা খুবই সমস্যায় পড়েছেন। তবে যদি কোনও যাত্রীর স্মার্টফোন না থাকে, তাহলে বুথ থেকেই ট্যাবের মাধ্যমে বুকিং করে দেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকেই ওটিপি নাম্বার ড্রাইভারকে দিয়ে যাত্রীদের ট্যাক্সিতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ওই কাজে হাওড়া সিটি পুলিশের ট্রাফিক অফিসার এবং কনস্টেবল ছাড়াও সিভিক ভলান্টিয়াররা সাহায্য করছেন।


Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating

Top Stories

bottom of page