top of page

যুদ্ধের শেষে আমেরিকার অবস্থান কেমন হবে? এটাই কিন্তু বড় প্রশ্ন

স্বর্ণালী গোস্বামী

8 Mar 2026

বিশ্ব রাজনীতিতে কেমন পরিবর্তন আসে, আমেরিকা কী আদৌ নিজেকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে ধরে রাখতে সক্ষম হয়, নাকি 'শুয়েকিন' - এর ভবিষ্যদ্বাণীর তৃতীয়টিও ফলে যায়

পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির কাছে ইরান ‘পরাজিত’ বলে শনিবার দাবি করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুঁশিয়ারি দিলেন, ইরানে খুব জোরে আঘাত করা হবে। ইরানের খারাপ আচরণের কারণে, যে এলাকা এবং গোষ্ঠীকে এই মুহূর্তের আগে লক্ষ্যবস্তু করার কথা বিবেচনা করা হয়নি, তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং নিশ্চিত মৃত্যুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাদের দেশে কোনও হামলা হলে তার যোগ্য জবাব দেবে ইরান। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পরেই জানিয়ে দিল তেহরান। ওদিকে শনিবার মাঝরাতে নিউ ইয়র্ক সিটির মুসলিম মেয়র জোহরান মামদানির বাসভবনের সামনেই বিক্ষোভ দেখাল মুসলিম ও অভিবাসী বিরোধীরা। শুধু তাই নয়, সেখানে এলোপাথাড়ি বোমা হামলাও হয় বলে অভিযোগ।

আসলে এই ইরান- ইসরায়েল- আমেরিকার যুদ্ধে আমেরিকা শুরুতে ভেবেছিল দুইদিনের মধ্যেই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটবে। কিন্তু বাস্তবে তা কিন্তু হচ্ছেনা। মিথ্যে বলবনা, সাধারণ মানুষও তেমনটাই ভেবেছিল হয়ত। বেশিরভাগই ভেবেছিল, বলাই যায়। কিন্তু অত সহজে তা যে হবে না, সেটা ইরান বুঝিয়ে দিচ্ছে। আজকেই ফেসবুকের একটা পোস্টে পড়ছিলাম, ভাইরাল হয়েছেন ‘চীনের নস্ত্রাদামুস’খ্যাত অধ্যাপক শুয়েকিন জিয়াং। ২০২৪ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে তিনি যে তিনটি বড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তার দুটি এরই মধ্যে হুবহু মিলে গেছে। এখন তাঁর তৃতীয় ও সবচেয়ে ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী—‘ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে। আসলে বর্তমানে তেলের সংকট কাটিয়ে ওঠাই সবার কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু গোটা বিশ্বের জিও পলিটিক্স টাই পাল্টে যেতে পারে এই শুয়েকিন এর কথা বা বলা ভালো ভবিষ্যদ্বাণী ফলে গেলে।



যদিও আজ আমি ভেবেছিলাম নারীকেন্দ্রিক কিছু লিখব। যেহেতু নারী দিবস। খোমেইনী নিহত হবার পর চারদিকে দেখছিলাম ইরানে নারীদের দুরবস্থার জন্য দায়ী করে অনেকেই আমেরিকার এই সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানিয়েছিল। আমি নিজেও যে ইরানী নারীদের দুরবস্থার ব্যাপারে ওয়াকিবহাল নই তা একেবারেই নয়। তো ভাবলাম, এই লেখায় না হয় আজ ইরানে নারীদের অবস্থা নিয়ে কিছু তথ্য পেশ করা যাক।

প্রথমেই বলি বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিকে গত বছর নভেম্বরের একটি প্রতিবেদনে কি বেরিয়েছিল-


"ইরানে পশ্চিমা রক সংগীত নিষিদ্ধ, নিষিদ্ধ নারীদের ধূমপান কিংবা প্রকাশ্যে নৃত্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, তেহরানে নিষিদ্ধ নারীদের চুল খোলা রাখা। বাধ্যতামূলক হিজাব আইন অনুযায়ী নারীদের পুরো মাথা ও শরীর ঢেকে রাখতে হয়। শুধু মুখ ও কবজির নিচের অংশ মুক্ত রাখা যায়। প্রকাশ্যে নারীর কান বা কনুই দেখা গেলেও সেটি অপরাধ বলে গণ্য হতে পারে। তবে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তেহরানে মাসা আমিনি নামের এক তরুণীকে ‘অশোভনভাবে হিজাব’ পরার অভিযোগে আটক করে দেশটির নৈতিকতা পুলিশ। মাসার মৃত্যু হয় তাদের হেফাজতেই। যার প্রতিক্রিয়ায় ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কয়েক মাসব্যাপী আন্দোলন। ওই আন্দোলন ইরানের জনজীবনকে বদলে দিয়েছে গভীরভাবে। হিজাবের মতো বড় নীতিগত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে গোটা শাসনব্যবস্থা যেন স্থবির হয়ে পড়ছে।


এই পরিবর্তনের প্রকৃত কৃতিত্ব সাধারণ ইরানি নারীদের প্রাপ্য। ধীরে হলেও তাঁরা দৃঢ়ভাবে শাসনের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এভাবে তাঁরা নিজেদের সামাজিক স্বাধীনতা বাড়িয়েছে। কঠিন সংগ্রামের অর্জিত স্বাধীনতা তাঁরা সহজে ত্যাগ করবে না। এমনকি শাসনব্যবস্থার ভেতরের অনেকেও বুঝতে শুরু করেছেন যে দিনবদলের সময় এসেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি তার তিনটি আদর্শিক স্তম্ভের একটি হারাতে যাচ্ছে।"


- আরাশ আজিজি (প্রথম আলো)





আরও একটি লেখা বা প্রতিবেদন আমার নজরে এল। বলা ভালো খুঁজে বের করলাম। সেটাও গত বছরের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন, যা বেরিয়েছিল 'হিউম্যান রাইটস ওয়াচ' নামে একটি এনজিও র তরফে। সেটি কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থা। আসুন সেটাও দেখে নিই-


'২০২৩ সালে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা পাঁচটি দেশের মধ্যে অন্যতম দেশ ছিল ইরান এবং ২০২৪ সালেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা সে দেশ বেশি ছিল। জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ইরান সরকার ৪০০ জনেরও বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। ৭ আগস্ট, সরকার দুটি কারাগারে ২৯ জন বন্দীর ওপর গণহত্যা চালায় ; ঘেজেল হেসার কারাগারে ২৬ জন এবং কারাজ কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তদের মধ্যে ১৭ জন "পূর্বপরিকল্পিত হত্যার" জন্য দণ্ডিত, ৭ জন মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত এবং ২ জন আফগান নাগরিক ধর্ষণের জন্য দণ্ডিত। ইরানি কর্তৃপক্ষ সমাবেশ এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা কঠোরভাবে সীমিত করে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসকরা শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর তাদের কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২০২৪ সালে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শান্তিপূর্ণ বক্তব্য রাখার জন্য কমপক্ষে ৩০ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘটনা সংকলন করেছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ বাধ্যতামূলক হিজাব আইন কার্যকর করার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। তারা জনসমক্ষে হিজাব না পরার জন্য সেলিব্রিটি সহ নারী ও মেয়েদের বিচার করেছে ; হিজাববিহীন যাত্রীদের ট্র্যাফিক সাইন জারি করেছে; এবং হিজাব আইন মেনে না চলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং সন্তান সম্পর্কিত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নারীরা গভীর বৈষম্যের সম্মুখীন হন। নাগরিক আইনের অধীনে, একজন স্বামীর পরিবারের বসবাসের স্থান বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে এবং তিনি যদি মনে করেন যে এটি "পারিবারিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে", তাহলে তিনি তার স্ত্রীকে কিছু পেশা থেকে বিরত রাখতে পারেন। পাসপোর্ট আইনের অধীনে, একজন বিবাহিত মহিলা তার স্বামীর লিখিত অনুমতি ছাড়া পাসপোর্ট পেতে বা দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে পারবেন না, যিনি যে কোনও সময় এই অনুমতি প্রত্যাহার করতে পারেন। নাগরিক আইন অনুসারে, মেয়েদের ১৩ বছর বয়সে এবং ছেলেদের ১৫ বছর বয়সে এবং বিচারকের অনুমতি পেলে তাদের কম বয়সে বিয়ে করার অনুমতি রয়েছে। ইরানে নির্যাতন প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার জন্য পারিবারিক হিংসার বিরুদ্ধে কোনও আইন নেই। প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে ২০ মার্চ থেকে ২০ জুনের মধ্যে, ইরানের বিভিন্ন শহরে কমপক্ষে ৩৫ জন নারী ও মেয়ে তাদের পুরুষ পরিবারের সদস্যদের হাতে নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে পাঁচজন তেহরানে। ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে, স্টপ ফেমিসাইড ইরান (SFI) ইরানে ৯৩টি নারীহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।'


- হিউম্যান রাইটস ওয়াচ





উপরোক্ত দুটি প্রতিবেদন থেকে অবশ্যই সম্যক একটি ধারণা পাওয়া যায় ইরানে নারীদের অবস্থান সম্পর্কে। এছাড়াও আমি বেশ কয়েক বছর হল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব দেখছি, কলকাতায়। প্রতি বছর ইরানের ছবি আসে। এবং বেশ কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে আমি পরিচিত, তাঁদের কাজের মাধ্যমে। তার মধ্যে অবশ্যই আব্বাস কিয়ারোস্তামি, মাজিদ মাজিদি, জাফর পানাহি, আসগর ফরহাদি প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও আমি একটি ছবি দেখেছিলাম সম্ভবত ২০২২/ ২৩ সালে। কলকাতায় এসেছিলেন ইরানি মহিলা চলচ্চিত্র পরিচালক তাঁর নিজের ছবি নিয়ে। আমার এই মুহূর্তে তাঁর নাম বা তাঁর ছবির নাম মনে পড়ছেনা। তবে তাঁর কথা এবং ছবিটি কিন্তু মনে দাগ কেটে গিয়েছিল। ওদের দেশের নারীদের অবস্থান নিয়েই সাধারণ মানুষদের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে ছিল ছবিটা।

কিন্তু যুদ্ধের পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে শুধু নারীদের নিয়ে লেখার মধ্যে আজকের লেখা সীমাবদ্ধ রাখলে বড্ড একপেশে হয়ে যাবে ব্যাপারটা বলেই আমার মনে হল। তাই শুরু যেমন করেছিলাম যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে, আরও একটু সেই কথাই বলে শেষ করব। একটু ইরান নিয়ে কথা বলা যাক। ইরানে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ইসলামি শরিয়া আইন যাতে পুরোদস্তুর বজায় থাকে তা দেখার দায়িত্ব সর্বোচ্চ নেতার। একই সঙ্গে মুসলিমদের স্বার্থ রক্ষা করা ও পশ্চিমের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব থেকে শিয়া মুলুকটিকে মুক্ত রাখবেন তিনি। সহজ কথায়, ‘বিলায়ত অল-ফকীহ’ হল এমন একটি শাসনপদ্ধতি যেখানে এক জন শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসাবে কাজ করেন, যাতে রাষ্ট্র পরিচালনার কোনও সিদ্ধান্তই ইসলামি আদর্শের বাইরে না যায়।

কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘বিলায়ত আল-ফকীহ’কে শুধুমাত্র ধর্মীয় শাসন বলে উল্লেখ করা পুরোপুরি ঠিক নয়। এখন এটি একটি সুসংগঠিত সামরিক ও রাজনৈতিক জোটের কেন্দ্রবিন্দু। আমেরিকা মনে করে, যত ক্ষণ এই ব্যবস্থা টিকে থাকবে, তত ক্ষণ পশ্চিম এশিয়ায় তাদের একক আধিপত্য ফিরে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এই মতাদর্শটি বিশ্বাস করে যে, মুসলিম বিশ্বের ওপর পশ্চিমি দেশগুলি যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে রেখেছে, তার শিকল ভাঙতে হবে। আর এই ‘বিলায়ত অল-ফকীহ’ হল ওয়াশিংটনের কাছে আঞ্চলিক স্বার্থের জন্য একটি বড়সড় হুমকি। লেবাননের হিজবুল্লা, ইরাকের হাশদ আল-শাবি এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও এই মতাদর্শের ছাতার তলায় আশ্রয় নিয়েছে। এই সশস্ত্র গোষ্ঠীরা নিজের দেশের চেয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ‘ফতোয়া’ বা আদেশকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এই অন্ধ আনুগত্য আমেরিকার মিত্র দেশগুলির (সৌদি আরব, ইজরায়েল) স্থিতিশীলতা নষ্ট করে দিতে পারে বলে ওয়াশিংটন মনে করে। এই ধরনের কট্টরপন্থী ও বিপ্লবী মতাদর্শ যদি অন্যান্য মুসলিম দেশেও জনপ্রিয় হয়ে যায়, তবে আমেরিকার প্রভাব-প্রতিপত্তিতে ফাটল দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। এছাড়াও পশ্চিম এশিয়ার দেশটির সঙ্গে চিন ও রাশিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণ। তাঁরা এখন কেবল ধর্মীয় শক্তিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। সুপার পাওয়ার দেশটির সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে কৌশলগত জোটের পথে এগিয়ে গিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে দেখার, কিভাবে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এগোয় বা কতদিন ধরে এই হুমকি- প্ৰতিহুমকি এবং হামলা- পাল্টা হামলা চলে! তার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব রাজনীতিতে কেমন পরিবর্তন আসে, আমেরিকা কী আদৌ নিজেকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে ধরে রাখতে সক্ষম হয়, নাকি 'শুয়েকিন' - এর ভবিষ্যদ্বাণীর তৃতীয়টিও ফলে যায়! যদি তাই হয়, তাহলে কিন্তু ভারত বিশ্ব রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে নিজেকে মেলে ধরবে। শুয়েকিন নিজেও তাই বলে গেছেন। দেখা যাক, সময় বলবে শেষ কথা।

প্রতিদিনের খবর এবং বিভিন্ন ফিচার ভিত্তিক লেখা, যেখানে খবরের সত্যতা তথা লেখনীর উৎকৃষ্টতা প্রাধান্য পায়। ফিচার ছাড়াও যে কোনও রকম লেখনী শুধুমাত্র উৎকৃষ্টতার নিরিখে গুরুত্ব পাবে এই সাইটে

Thanks for subscribing!

  • Whatsapp
  • Youtube
  • Instagram
  • Facebook
  • Twitter

The Conveyor

bottom of page