নতুন রূপে লকড়বগ্গা ছবিতে ব্যবহৃত রবি ঠাকুরের গান 'পুরনো সেই দিনের কথা' গানটি মুক্তি পেল রুটসে

কলকাতা, ১০ জানুয়ারিঃ লকড়বগ্গা ভারতের এমন একটি প্রথম অ্যাকশন ফিল্ম যা একজন পশুপ্রেমিক সংগঠনের সদাসতর্ক ও সজাগ সদস্যের গল্প বলে। কলকাতার প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবির প্রথম প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয় কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে।


ছবিটির মুখ্য চরিত্র অংশুমান ঝা, ঋদ্ধি ডোগরা, মিলিন্দ সোমান, পরেশ পাহুজা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "পুরানো সেই দিনের কথা" গানটির নয়া আঙ্গিক লঞ্চ করার জন্য কলকাতায় আসেন। রুটস-এ আয়োজিত হয় এই অনুষ্ঠান। এই রবীন্দ্রসংগীতটির নয়া রূপদান করেছেন বেলজিয়ান মায়েস্ট্রো সাইমন ফ্রান্সকুয়েট।


এই উপলক্ষে অংশুমান ঝা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'পুরানো সেই দিনের কথা' গানটিকে নতুন করে কম্পোজ করেছেন ফ্রান্সকুয়েট। গানটি গেয়েছেন শ্রুতি পাঠক। কলকাতার শ্রোতারা এই ২১ শতকে রবি ঠাকুরের গানের নব আঙ্গিকের একটি ক্লাসিকের প্রথম উপস্থাপনা শুনতে পাবেন। অংশুমান আরও বলেন ১৩ জানুয়ারি অর্জুনের সঙ্গে দেখা হবে। কিন্তু আমি যেন আর অপেক্ষা করতে পারছিনা"।

ঋদ্ধি ডোগরা যোগ করেছেন, "লকড়বগ্গা সত্যিই একটি বিশেষ চলচ্চিত্র - এতে অ্যাকশন থ্রিল রয়েছে। অক্ষরা, আমার চরিত্রটি নায়ক এবং প্রতিপক্ষের মধ্যে একটা রহস্য রোমাঞ্চ মুহূর্তের জন্ম দেয়। এটি স্পষ্টতই আমার বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশের জন্য বিশেষ একটা প্ল্যাটফর্ম"।

মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, মিলিন্দ সোমান বলেন, - "লকড়বগ্গার মতো একটি অনন্য অ্যাকশন ফিল্মের অংশ হতে পারাটা রোমাঞ্চকর। গল্প এবং চরিত্রের প্রতিটি দিক সুচিন্তিত। স্ক্রিপ্টে একটি মার্শাল আর্ট হিসাবে ক্রাভ মাগা অন্তর্নিহিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আংশুমান ক্রাভ মাগায় প্রচুর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং কোরিওগ্রাফি বিশেষভাবে এই মার্শাল আর্টকে তুলে ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমি একজন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক এবং আংশুমানের বাবার চরিত্রে অভিনয় করছি। শুটিংয়ের সময়সূচী ছিল যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। আবেগপ্রবণ মানুষদের সাথে কাজ করা আমি সবসময়ই উপভোগ করেছি।

এটি এমন একটি চরিত্র যা আমি আগে কখনও অভিনয় করিনি - একজন বাঙালি বাবা এবং একজন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করা এক অনন্য অভিজ্ঞতা সূচিত করে"।

Edited By

Swarnali Goswami

ইকল রানের চতুর্থ সংস্করণের সূচনা করলেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কম

কলকাতা, ৮ জানুয়ারিঃ ফ্রেন্ডস অফ ট্রাইবালস সোসাইটির যুব শাখা আজ কলকাতার গোদরেজ ওয়াটারসাইডে তাদের বার্ষিক ইভেন্ট ইকল রানের আয়োজন করেছিল। যেখানে ৩৫০০০ এর বেশি অংশগ্রহণকারী নির্বাচিত সময়ের জন্য দৌড়ে অংশ নেন। ২১কিমি, ১০ কিমি, ৫ কিমি দৌড় ছাড়াও ছিল কোন নির্দিষ্ট সময় ছাড়াই তিন কিলোমিটার দৌড়। সব বয়সী মানুষ এই দৌড়ে অংশ নেন।

ইকল দৌড়ের উদ্বোধন করেন মেরি কম, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও অলিম্পিয়ান বক্সার এবং এতে উপস্থিত ছিলেন: ব্রিজেশ দামানি, জাতীয় স্নুকার চ্যাম্পিয়ন এবং এশিয়ান গেমসের রৌপ্য পদক বিজয়ী; সজন বনসাল, এমডি, স্কিপার লিমিটেড; সৃজন ভজনকা, চেয়ারম্যান, সেঞ্চুরি প্লাইবোর্ড; অজয় পাটোদিয়া, সিএফও, ডলার ইন্ডাস্ট্রিজ লি.; প্রদীপ কুমার টোডি, লাক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এমডি; অনিরুদ্ধ মোদী, ডিরেক্টর, ইডেন গ্রুপ; বিমল সারাওগী, আনমোল ইন্ডাস্ট্রিজ; সুরেন্দ্র আগরওয়াল, এমডি, অস্টিন প্লাইউড; রমেশ সারাওগী, ই-ওয়েন্টের এমডি; বিজয় কুমার আগরওয়াল, এডিবল গ্রুপের এমডি; আনমোল বিস্কুট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিমল চৌধুরী। রমেশ বাগলা, লজিক্যাল ল্যাম্পস প্রা. লিমিটেড; ইশু হিরাওয়াত, দ্বিতীয় রানার আপ, মিসেস ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল 2022; করণ কাক্কাদ, রিভার্স ফ্যাক্টরের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও; যুবিকা ধর, যোগ রত্নমণি; শিবানী আগরওয়ালা, কেটলবেল চ্যাম্পিয়ন; আশিস বাজাজ, সাইক্লিস্ট; রাহুল দেব বোস, অভিনেতা; দেবাশীষ সেন, MD, WBHIDCO Ltd.; অজিত ক্র তেতে, ডিআইজি বিএসএফ; মনোগ্যা লোইওয়াল, সিনিয়র সাংবাদিক ও অ্যাঙ্কর; অ্যাড্রিয়ান প্র্যাট, ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল ইউএসএ-কলকাতা এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, ইকল যুবর সভাপতি শ্রী গৌরব বাগলা বলেন, “একটি দৌড় সম্পূর্ণ করা যে কারোর জন্য একটি বড় ব্যাপার। আপনার দৌড়ের প্রতিটি পদক্ষেপে যদি কারও জীবন পরিবর্তন করার সম্ভাবনা নিশ্চিত করে, তাহলে তা আপনাকে আরও গর্বিত করতে পারে। কলকাতাবাসীদের কাছে ইকল রান আরও চিত্তাকর্ষক করে তোলে। দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের দেওয়া হয় টিশার্ট, মেডেল, গুডি ব্যাগ এবং খাবারের বাক্স। বিজয়ী ও রানার্স আপদের স্মারক দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সংস্থার ইউটিউব চ্যানেলে (FTSBharat) সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।

মূল সদস্য:

গৌরব বাগলা- ইকল যুব সভাপতি; বিকাশ পোদ্দার - সচিব; ইকল, যুব বোর্ডের সদস্যরা - অভয় কেজরিওয়াল, অঙ্কিত দেওয়ান, রৌনক ফাতেসারিয়া, ঋষভ সারাওগি, রোহিত বুচা, বিনয় চুগ, যোগেশ চৌধুরী, মনমোহন মালানি, শ্যাম পাটোয়ারি এবং বৈভব পান্ডিয়া। এই অনুষ্ঠানের দুর্দান্ত সাফল্যের পিছনে এই মূল দলটি ছিলেো। অনুষ্ঠানটি FTS সভাপতি; কিশান কেজরিওয়ালের নির্দেশনায় সংগঠিত হয়েছিল - নীরজ হারোদিয়া - এফটিএস সেক্রেটারি এবং একল যুব পরামর্শদাতা; প্রদীপ রাওয়ালওয়াসিয়া - এসএইচএসএস সভাপতি এবং সুভাষ মুরারকা এসএইচএসএস সম্পাদক।

ফ্রেন্ডস অফ ট্রাইবালস সোসাইটির সম্পর্কে:

ফ্রেন্ডস অফ ট্রাইবালস সোসাইটি (এফটিএস) হল একটি অলাভজনক, বেসরকারী, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যা সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ শিশুদের উন্নতির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা ৭৮৩২৪ টি এক শিক্ষক স্কুল চালাচ্ছে - যা "ইকল বিদ্যালয়" নামে পরিচিত। যা ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামে ২০,৬৩,৫৯৮ শিশুকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান করে। ইকল একটি শিশুর সামগ্রিক বিকাশের দিকে মনোনিবেশ করে এবং তাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা পুরো গ্রামকে উন্নত করে। আমরা ভারত জুড়ে ৩৮টি চ্যাপ্টারে কাজ করি, সদর দফতর কলকাতা। এই সংস্থা মর্যাদাপূর্ণ গান্ধী শান্তি পুরস্কার ২০১৭-এর প্রাপক। ভারতের মাননীয় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শ্রী রাম নাথ কোবিন্দ এবং ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণের সন্মান অর্জন করেছে।

Edited By

Swarnali Goswami

সানমার্গ আলোচনা চতুর্থ সংস্করণ - "বাদ- সংবাদ" - পঙ্কজ ত্রিপাঠীর সঙ্গে

কলকাতা, ৬ জানুয়ারিঃ পূর্ব ভারত থেকে সর্বাধিক প্রচারিত হিন্দি সংবাদপত্র সানমার্গ। দীর্ঘ ৭৫ বছরের খবর পরিবেশনার ঐতিহ্য রয়েছে এই বহুল প্রচারিত হিন্দি সংবাদপত্রটির। "সত্যের পথ" অনুসরণ করাই এই সংবাদপত্রের মূল অঙ্গীকার। গণতান্ত্রিক চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছে এই সংবাদপত্র। সেই ঐতিহ্য কে সামনে রেখেই আয়োজিত হয়েছে সানমার্গ ডায়ালগ ৪র্থ সংস্করণ - "বাদ- সংবাদ"।

বাদ- সংবাদ - বিভিন্ন পটভূমির বুদ্ধিজীবীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম। যাতে সুসংহত মতামত প্রকাশ করা যায়। আজ কলকাতার জে ডব্লিউ ম্যারিয়ট-এ একটি মনোজ্ঞ আলোচনা সভায় দর্শকদের মধ্যেও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সানমার্গ - বাদ- সংবাদ - এর চতুর্থ সংস্করণ যেখানে প্যানেলিস্টরা আলোচনা করেন "সংরক্ষণ - একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ তৈরি করে না"। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন: পঙ্কজ ত্রিপাঠী, বলিউড অভিনেতা। অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন প্যানেলিস্টের দ্বারা আলোকিত হয়েছিল যেমন: উদিত রাজ, সভাপতি, অসংগঠিত শ্রমিক ও কর্মচারী কংগ্রেস; গুরু প্রকাশ, জাতীয় মুখপাত্র, বিজেপি; সুবোধ কান্ত সহায়, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; ডাঃ পীযূষ দ্বিবেদী, পরমহংসিনী আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা; ডঃ তারা দুগ্গার, সাহিত্যিক; নয়না মোর, সেলিব্রিটি মোটিভেশনাল স্পিকার; সঞ্চালনা করেছেন: মনোজ্ঞা লোইওয়াল, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যেমন: বিবেক গুপ্ত, বিধায়ক ও চেয়ারম্যান - সানমার্গ গ্রুপ; রুচিকা গুপ্তা, নির্বাহী পরিচালক - সানমার্গ গ্রুপ; ভিকি রাজ সিকারিয়া, সাম্পান গ্রুপ; অমিত সারাওগী, এমডি আনমোল ফিডস প্রাইভেট লিমিটেড; সিএস (ড.) অ্যাড. মমতা বিনানি, MSME ডেভেলপমেন্ট ফোরাম WB এর প্রেসিডেন্ট; নিশান্ত আগরওয়াল, অস্টিন প্লাইউডের পরিচালক; নরেশ আগরওয়াল, কুশল ভারত গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অন্যান্য অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, মিসেস রুচিকা গুপ্তা, নির্বাহী পরিচালক এবং চিফ হ্যাপিনেস অফিসার সানমার্গ গ্রুপ বলেন, “সানমার্গ সবসময় একটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করতে বিশ্বাসী, তা হল যে জিনিসগুলি সমাজে গভীর প্রভাব বিস্তার করে। বাদ- সংবাদ সেই যাত্রার আরেকটি মাইলফলক। এটি পূর্ব ভারতে একমাত্র হিন্দি বিতর্ক সভা। এই প্যানেল ডিসকাশনে সর্বদা এমন বিষয়গুলি তুলে ধরা হয় যা নিয়ে বিশ্ব আলোচনা করে কিন্তু কেউ উত্থাপন করার সাহস করে না। বছরের পর বছর ধরে আমাদের দেশের উজ্জ্বল বক্তারা এমন বিষয়গুলি উত্থাপন করেছেন যা জ্বলন্ত সমস্যাগুলির সমাধান করে এবং যা তরুণ এবং প্রবীণদের উপর প্রভাব ফেলে। এই বছর পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে আমাদের প্যানেলিস্টদের একজন হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের অন্যান্য সম্মানিত অতিথি যেমন গুরু প্রকাশ, উদিত রাজ, শুভ কান্ত সহায়, পীযূষ দ্বিবেদী, তারা দুগার, নয়না মোর। আমাদের মডারেটর হলেন অত্যন্ত প্রতিভাবান মনোজ্ঞা লোইওয়াল এবং আমরা আশা করি যে আমরা এই জ্বলন্ত বিষয় নিয়ে আমাদের দর্শকদের মনে প্রভাব তৈরি করতে পারব।

সানমার্গ সম্পর্কে:

সানমার্গ ভারতের পূর্বাঞ্চলে প্রচারিত একটি সুপরিচিত হিন্দি সংবাদপত্র। ১৯৪৬ সালে স্বামী কার্পাত্রী জি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। সানমার্গ অখিল ভারতীয় রাম রাজ্য পরিষদের মত প্রকাশের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মানবতা এবং ন্যায়পরায়ণতার মতো গুণাবলীর প্রচারের জন্য সনমার্গ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সানমার্গ শহর জুড়ে প্রচারিত হয় যেখানে হিন্দি সংবাদপত্র পাঠকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে ইংরেজি পাঠকের চেয়ে বেশি। সানমার্গের প্রধান সংস্করণগুলির মধ্যে রয়েছে পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা, শিলিগুড়ি এবং রাঁচি। তাই এটা খুবই স্বাভাবিক যে সানমার্গ পূর্ব ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদপত্রের মর্যাদায় পৌঁছাতে পেরেছে।

Edited By

Swarnali Goswami

সুমিত কাদেল - ফিল্ম ক্রিটিক এবং ফিল্ম ট্রেড অ্যানালিস্ট ইন্ডাস্ট্রিতে ১০ বছর পূর্ণ করেছেন

কলকাতা, ৪ জানুয়ারী, ২০২৩: সুমিত কাদেল একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র সমালোচক, বাণিজ্য বিশ্লেষক এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে চলচ্চিত্র পর্যালোচনা, বাণিজ্য পরিসংখ্যান এবং বক্স অফিস আপডেট দেওয়ার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তাঁর ফিল্ম রিভিউ এবং ট্রেড অ্যানালিসিস সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রিন্ট এবং অনলাইনে প্রকাশিত হয়। তিনি জাতীয় টেলিভিশনে সংবাদ বিতর্ক সভাতেও উপস্থিত হন।

তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা কলকাতায়, চলচ্চিত্রের প্রতি বরাবরই তার অনুরাগ ছিল তাঁর। তিনি চলচ্চিত্র সমালোচক এবং ব্যবসা বিশ্লেষক হিসেবে চলচ্চিত্র শিল্পের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন এবং ভারত জুড়ে অনুষ্ঠিত বহু চলচ্চিত্র ইভেন্টে সম্মানিত হন। সুমিতের বরাবরই চলচ্চিত্রের প্রতি অনুরাগ ছিল এবং তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের বিভিন্ন কারুশিল্প যেমন নির্দেশনা, নকশা, স্ক্রিপ্ট, কাস্টিং এবং অভিনয় দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। যখন তিনি স্কুলের ছাত্র ছিলেন, তখনই তিনি নিজের চলচ্চিত্রের প্রতি অনুরাগ বিষয়টিকে অনুধাবন করতে শুরু করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সুমিতের প্রচুর ফলোয়ার রয়েছে। টুইটার এবং ফেসবুকে তাঁর ১.৫ লক্ষেরও বেশি ফলোয়ার এবং ইনস্টাগ্রামে ১.৬৫ লক্ষেরও বেশি। বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং অভিনেতা যেমন করণ জোহর, রাকেশ রোশন, কার্তিক আরিয়ান এবং আরও অনেকে তাঁকে বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অনুসরণ করেন।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বায়োপিক 'ম্যায় অটল হুঁ'-র ফার্স্ট লুক প্রকাশ

বিশ্ব এই মুহূর্তে ভারতের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন উদযাপন করছে। এই উপলক্ষেই ভানুশালী স্টুডিওস লিমিটেড এবং লিজেন্ড স্টুডিওস তাদের ছবির জন্য পংকজ ত্রিপাঠীর, অটল জি হিসেবে ফার্স্ট লুক প্রকাশ করল।

'ম্যায় অটল হুঁ' ছবিটি আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন রকম দিক যেমন কবি, নেতা, রাষ্ট্রনায়ক, মানবিক দিক নিয়ে তৈরী হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নির্মাতারা জানিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর বায়োপিকে পংকজ ত্রিপাঠীকে আমরা অটল জি-র ভূমিকায় দেখতে পাব। কাজেই দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন, অটল জি-র চেহারায় পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে কেমন লাগছে দেখতে। অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর, অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন উপলক্ষে নির্মাতারা 'ম্যায় অটল হুঁ' - এর প্রথম মোশন পোস্টার রিলিজ করলেন।

জাতীয় পুরস্কার প্রাপক পরিচালক রবি যাদবের পরিচালনায় এবং উৎকর্ষ নৈথানির লেখনীতে ফিল্মটি আগামী ২০২৩ এর ডিসেম্বরে মুক্তি পাবে। মোশন ভিডিও অ্যানাউন্স এর পক্ষে ফিল্মটির সঙ্গীতে সুর দিয়েছেন সেলিম সুলেমান, গান লিখেছেন সমীর এবং গান গেয়েছেন সোনু নিগম।

ম্যায় অটল হুঁ ফিল্মটি উপস্থাপনা করছে ভানুশালী স্টুডিওস লিমিটেড এবং লিজেন্ড স্টুডিওস, প্রযোজনা করছেন বিনোদ ভানুশালী, সন্দীপ সিং, শ্যাম খান এবং কমলেশ ভানুশালী, সহ প্রযোজনায় রয়েছেন জিশান আহমেদ এবং শিব শর্মা।


Pankaj Tripathi on Instagram: "न कभी कहीं डगमगाया न कभी कहीं सर झुकाया मैं एक अनोखा बल हूँ मैं अटल हूँ | - पंडित धीरेन्द्र त्रिपाठी अवसर मिला है इस विलक्षण व्यक्तित्व को पर्दे पर अभिव्यक्त करने का। भावुक हूँ। कृतज्ञ हूँ। #MainAtalHoon सिनेमाघरों में, दिसंबर २०२३। @ravijadhavofficial @vinod.bhanushali @officialsandipssingh @utkarshnaithani @salimmerchant @sulaiman.merchant @sonunigamofficial @sameeranjaanofficial #KamleshBhanushali @i.samkhan @Zeeshan_ahmad0001 @iamShivvsharma @bsl_films @officiallegendstudios @hitz.music.official"Pankaj Tripathi shared a post on Instagram: "न कभी कहीं डगमगाया न कभी कहीं सर झुकाया मैं एक अनोखा बल हूँ मैं अटल हूँ | - पंडित धीरेन्द्र त्रिपाठी अवसर मिला है इस विलक्षण व्यक्तित्व को पर्दे पर अभिव्यक्त करने का। भावुक हूँ। कृतज्ञ हूँ। #MainAtalHoon सिनेमाघरों में, दिसंबर २०२३। @ravijadhavofficial @vinod.bhanushali @officialsandipssingh @utkarshnaithani @salimmerchant @sulaiman.merchant @sonunigamofficial @sameeranjaanofficial #KamleshBhanushali @i.samkhan @Zeeshan_ahmad0001 @iamShivvsharma @bsl_films @officiallegendstudios @hitz.music.official". Follow their account to see 146 posts.

Written By

Swarnali Goswami

বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল ICAI র ৪৭ তম আঞ্চলিক সম্মেলন

কলকাতা, ২৪ডিসেম্বরঃ কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর দুই দিন ধরে অনুষ্ঠিত হল দ্য ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়ার (ICAI) ইস্টার্ন ইন্ডিয়া রিজিওনাল কাউন্সিল দ্বারা আয়োজিত ৪৭ তম আঞ্চলিক সম্মেলন। সব মিলিয়ে সারা ভারতের ২৫০০ এরও বেশি সদস্য দুদিনের এই সন্মেলনে যোগ দেন। এ বছর সম্মেলনের থিম ছিল "উত্তিষ্ঠত জাগ্রত" যার অর্থ হল অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগ্রত করা।

ICAI এবং EIRC দ্বারা আয়োজিত ৪৭ তম আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন CA (Dr) দেবাশিস মিত্র, মাননীয় সভাপতি, ICAI এবং অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: CA রঞ্জিত কুমার আগরওয়াল, কাউন্সিল সদস্য, ICAI; CA রবি কুমার পাটওয়া, চেয়ারম্যান, ICAI-এর EIRC এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

এই উপলক্ষে, CA (Dr) দেবাশিস মিত্র, মাননীয় সভাপতি, আইসিএআই তার ভাষণে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রযুক্তির বিকাশের ওপর জোর দেন। তিনি সম্মেলনের কার্বন নিরপেক্ষতার দিকটির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন G20 সামিট 2023-এ সভাপতিত্ব করবে ভারত। অনেক সম্ভবনার দরজা খুলবে। তিনি "এক পৃথিবী এক পরিবার এক ভবিষ্যত" নীতির কথা বলেন। এই মহৎ উদ্দেশ্যের প্রতি ভারতের নেতৃত্ব এবং ইনস্টিটিউটের প্রচেষ্টাকে যুক্ত করার কথা বলেন। তিনি বলেন যে ICAI তার ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জাতির সেবা এবং সমাজের উন্নতির জন্য কাজ করে যাবে।

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সির পেশাটি প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যা বর্তমানে এই পেশাকে প্রভাবিত করছে। এই পরিবর্তনগুলির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবসার জন্য বিশ্বস্ত উপদেষ্টা হিসাবে ক্লায়েন্টদের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন উপায়ে ক্রমাগত তা বিকশিত এবং অভিযোজিত হচ্ছে।

বিশ্ব অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান জটিল হয়ে উঠছে, ব্যবসাসায়িক সংস্থাগুলি তাদের আর্থিক পরামর্শ এবং নির্দেশিকা প্রদানের জন্য CA-এর উপর নির্ভর করছে।

এইজন্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের বিশ্বব্যাপী ঘটে যাওয়া পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং পরিবর্তিত পরিবেশে কাজ করার জন্য নিজেকে খাপ খাওয়াতে হবে।

সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল সামাজিক অডিট এবং সামাজিক স্টক এক্সচেঞ্জ। সোশ্যাল স্টক এক্সচেঞ্জ হল একটি শেয়ার যা বেসরকারী এবং অলাভজনক খাতগুলিকে পরিচালনা করার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহে তাদের সাহায্য করবে৷ কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার যুগে, দুটি বিষয়ই খুব প্রাসঙ্গিক।

বর্তমানে আরো একটি প্রাসঙ্গিক বিষয় হল সাসটেইনেবিলিটি এবং ইএসজি। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকা অন্যতম লক্ষ্য। আমাদের পরিবেশ-বান্ধব লক্ষ্যগুলি অর্জনের জন্য কাদের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি তা জানা দরকার। তিনটি নীতির মধ্যে সঠিক ভারসাম্য খোঁজা দীর্ঘমেয়াদী কর্পোরেট কৌশলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়া উচিত বলে কনফারেন্সে আলোচ্য বক্তারা মনে করেন।

সম্মেলনের নেতৃত্বে ছিলেন EIRC, CA এর চেয়ারম্যান রবি কুমার পাটওয়া। অংশগ্রহণকারীরা বলেন এই দুদিনের সন্মেলন তাঁদের অনেক সমৃদ্ধ করেছে।

Edited By

Swarnali Goswami

'নেফ্রোকেয়ার ইন্ডিয়া' ওয়াকথনের মাধ্যমে প্রথম বছর উদযাপন করছে 'কিডনির জন্য হাঁটুন'

কলকাতা ১৬ নভেম্বরঃ নেফ্রোকেয়ার ইন্ডিয়া ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তার এক বছরের পথ চলা সম্পূর্ণ করল। নিয়মিত ৩০ মিনিটের দ্রুত হাঁটা যা কিডনিকে সুস্থ রাখে এটি মাথায় রেখে সংস্থার পক্ষ থেকে ওয়াকথনের মাধ্যমে আয়োজন করা হয় 'আপনার কিডনির জন্য হাঁটুন'। এই ওয়াকথনে প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণকারীর সাথে সেলিব্রিটিরাও পা মিলিয়ছিলেন। নিয়মিত হাঁটার মত স্বাস্থ্যকর অনুশীলনের ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য।

নেফ্রোকেয়ার থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে হোটেল গোল্ডেন টিউলিপে গিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানের পর ছিল চা পানের ব্যবস্থা এবং ডঃ প্রতিম সেনগুপ্তের একটি বার্তা। অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন যাঁদের মধ্যে হলেন নেফ্রো কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ড. প্রতিম সেনগুপ্ত; দিব্যেন্দু বড়ুয়া, দাবা গ্র্যান্ডমাস্টার; ডাঃ নিবেদিতা চ্যাটার্জি, আইএলএস গ্রুপ অফ হসপিটালের সিইও; মালদ্বীপের কনস্যুলেট জেনারেল রামকৃষ্ণ জয়সওয়াল; জয়দীপ দাস, উপসচিব, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়; দেবাশীষ দত্ত, মোহনবাগান ক্লাব সম্পাদক; সৈকত বিশ্বাস, চেম্বার অব কমার্স বেঙ্গল চ্যাপ্টার এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। ইভেন্টটি ম্যাপ 5 ইভেন্টস দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

Nephrocare: একটি সহানুভূতিশীল কিডনির যত্ন নেওয়ার প্রতিষ্ঠান, Nephro Care India Pvt. লিমিটেড হল সবচেয়ে সম্মানিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি, যা সবচেয়ে নিবিড়ভাবে কিডনি রোগের রোগীদের যত্ন নেওয়ার উপর গুরুত্ব দেয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে এই প্রতিষ্ঠানের পথ চলা শুরু শুরু হয়েছিল বিশিষ্ট এবং উল্লেখযোগ্য নেফ্রোলজিস্ট ডঃ প্রতিম সেনগুপ্তের হাত ধরে।

কিডনি রোগ, একটি নীরব মহামারী: কিডনি রোগ একটি নীরব মহামারী। যার ফলে গোটা দেশে বাড়ছে রেনাল ফেলিওর রোগীর সংখ্যা। ভারতে ১১ জনের মধ্যে ১জন ভারতীয় রেনাল ফেলিওরের শিকার হতে পারেন।

ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ কিডনি সমস্যার প্রধান কারণ। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের ৩০% তাদের জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে দীর্ঘস্থায়ী রেনাল রোগের শিকার হন। পেইন কিলারের অপব্যবহার ভারতে রেনাল ফেইলিউরের তৃতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ। রোগটি তার প্রাথমিক পর্যায়ে নীরব থাকে তবে লক্ষণগুলি তখনই দেখা যায় যখন কিডনির কার্যকারিতার ৭০% নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রতি বছর ২ লাখেরও বেশি লোক এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ (ESRD) তালিকায় নাম লেখান। যাদের জীবন টিকিয়ে রাখতে ডায়েলিসিসের সহায়তা প্রয়োজন।

বার্ষিক এত বিপুল সংখ্যক রেনাল ফেলিওরের সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য সীমিত সংস্থান রয়েছে। অনুমান করা হয় যে প্রায় প্রতি ৭২,০০০ রেনাল ফেলিওরের রোগীদের জন্য মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। যা আক্ষরিক অর্থে অসম্ভব। রেনাল ট্রান্সপ্লান্টেশন ইউনিট এবং ডায়েলিসিস সেন্টারও পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম নয়। প্রতিরোধ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ, এবং ভারত জুড়ে ব্যাপক রেনাল কেয়ার সুবিধা তৈরি করাই এই নীরব মহামারী মোকাবিলার একমাত্র কার্যকর উপায়। যেখানে NephroCare প্রতিদিন একটি সময় একটি দিন তার লক্ষ্যে অবিচল হয়ে কাজ করে চলেছে।

মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, নেফ্রোলজিস্ট, নেফ্রো কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ড. প্রতিম সেনগুপ্ত বলেন, “আমরা রোগীদের একটি অনন্য উপায়ে চিকিৎসা করি। আমাদের লক্ষ্য হল সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যাপক এবং সহানুভূতিশীল চিকিৎসা প্রদান করা। প্যাথলজি এবং ল্যাবরেটরি রিপোর্টিং এর উপর ভিত্তি করে অনেক অনুসন্ধানের পর শুরু হয় চিকিৎসা। আমাদের ল্যাবরেটরি রোগীর শারীরিক অসুস্থতা সম্পর্কে তথ্য দেয়। নেফ্রো কেয়ার ইন্ডিয়াতে আমরা রোগের এই সমস্ত দিকগুলিকে বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করি এবং রোগীকে একটি সামগ্রিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করি। Nephro Care India তে পরিদর্শনকারী যে কেউ, এই প্রতিষ্ঠানে এলে দেখতে পাবেন সমস্ত চিকিৎসক এবং পরিচর্যাকারীরা রোগীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যর মত ব্যবহার করেন।

Edited By

Swarnali Goswami

অস্কারের জন্য মনোনীত ‘হাওয়া’-র প্রচারে কলকাতায় নাজিফা তুশি এবং পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন

কলকাতা ১৫ডিসেম্বরঃ 'হাওয়া' ছবিটি যা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন হাওয়া এনেছে, এখন সারা ভারতে প্রদর্শিত করা হচ্ছে। এটি ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২-এ কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২-এ ভারতের বাকি অংশে মুক্তি পাবে। বুধবার কলকাতায় একটি সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যাতে উপস্থিত ছিলেন: নাজিফা তুশি, অভিনেত্রী; মেজবাউর রহমান সুমন, পরিচালক; শ্রেয়াশী সেনগুপ্ত, সিইও সাউথ ইস্ট এশিয়া কন্টিনেন্টাল এন্টারটেইনমেন্ট পিটিই লিমিটেড (সিইপিএল) সিঙ্গাপুর; অজয় কুমার কুন্ডু, সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স বাংলাদেশের নির্বাহী প্রযোজক। ছবিটির মূল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর উপস্থিত থাকার কথা ছিল, কিন্তু তাঁর বাবার গুরুতর অসুস্থতার কারনে শেষ মুহূর্তে তিনি আসতে পারেননি।

ফিল্মটির প্রযোজনা সংস্থা সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড ঘোষণা করেছে যে ফিল্মটি ভারত জুড়ে সিঙ্গাপুরের সংস্থা কন্টিনেন্টাল এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড (CEPL) দ্বারা রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে সম্প্রচারিত করা হবে৷

'হাওয়া', মিথ, ফ্যান্টাসি এবং রহস্য-থ্রিলার ফিল্ম, ২৯ জুলাই, ২০২২-এ বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার পরপরই দেশের চলচ্চিত্র ভক্তদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছিল। মুক্তির চার মাস পরেও এটি এখনও প্রেক্ষাগৃহে রয়েছে, ব্যবসা করছে।

চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের যথেষ্ট প্রশংসা পেয়েছে এবং বহু আন্তঃসীমান্ত চলচ্চিত্র উৎসব এবং প্রবাসী ইভেন্টে দেখানো হয়েছে। এই ছবিটি আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৯৫ তম একাডেমি পুরস্কারে (অস্কার) 'সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম' বিভাগে মনোনীত হয়েছে। CEPL-এর অধীনে সিঙ্গাপুরে অত্যন্ত সফলভাবে চলার পর, ছবিটি এখন রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে ভারতে মুক্তি পাবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চচ্চিত্র উৎসব উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই 'হাওয়া' কলকাতায় দেখানো হয়েছে, এবং তা যথেষ্ট সমাদৃত হয়েছে সাধারণ দর্শকদের মধ্যে। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও ছবিটিও স্পেশাল স্ক্রিনিং বিভাগে দেখানো হবে। চলচ্চিত্র উৎসব ছাড়াও সর্বসাধারণের জন্য সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলে আরও মানুষের কাছে পৌঁছবে এই ছবি এবং সকলের তা দেখার সুযোগ হবে।

ভারতে 'হাওয়া'-র এই বড় মাইলফলকের প্রত্যাশায়, সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেডের নির্বাহী প্রযোজক শ্রী অজয় কুমার কুন্ডু তাঁর উচ্ছ্বাস গোপন করেননি। তিনি বলেন, “এই মুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কিছু সৃজনশীল মানুষের গর্বিত মুহূর্তের সাক্ষী হবে বাংলাভাষাভাষী প্রত্যেকে। সারা বিশ্বের আরও অনেক বাংলাভাষী মানুষের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবো আমরা। এই ছবির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের প্রতিবেশী দেশে বাংলা চলচ্চিত্রের অনেক দর্শক রয়েছে। আমি মনে করি বাংলাদেশীদের চাহিদা বাড়াতে 'হাওয়া' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখানে চলচ্চিত্র এবং তাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বাজার তৈরি করবে”।

CEPL-এর সিইও (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) শ্রেয়শী সেনগুপ্ত, বলেন "ভারত সহ বেশ কয়েকটি দেশে 'হাওয়া' প্রদর্শিত হওয়ার অধিকার অর্জন করেছে। ভারতে 'হাওয়া'-র মুক্তি এবং বাংলাদেশ-ভারত মিডিয়া এই ছবির প্রচার করে ব্যবসার পথ প্রশস্ত করেছে ইতিমধ্যেই বিষয়বস্তুর উপর ধারণার আদান-প্রদান হয়েছে এবং এটি ইন্দো- বাংলা সহযোগিতার জন্য নতুন পথ খুলে দিয়েছে। আমরা ভারতে রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্টের একটি শক্তিশালী অংশীদারত্ব দেখতে পাচ্ছি”।

ফেসকার্ড প্রোডাকশনের ব্যানারে মেজবাউর রহমান সুমনের গল্প ও সংলাপে 'হাওয়া'র চিত্রনাট্য লিখেছেন মেজবাউর রহমান সুমন, সুকর্ণ শাহেদ ধীমান ও জাহিন ফারুক আমিন। এতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুশি, সরিফুল ইসলাম রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল প্রমুখ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন।

'হাওয়া' কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গে ১৬ ডিসেম্বর এবং ভারতের বিভিন্ন শহরে ৩০ ডিসেম্বর ইংরেজি সাবটাইটেল সহ মুক্তি পাবে।

রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট সম্পর্কে: রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট হল ভারতের অন্যতম প্রধান ফিল্ম এবং বিনোদন কোম্পানি যা ফিল্ম স্ট্রিমিং, টিভি, অ্যানিমেশন, গেমিং এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে বিষয়বস্তু তৈরি এবং বিতরণে নিযুক্ত। আন্তর্জাতিকভাবে, রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট ২০০৯ সাল থেকে ড্রিমওয়ার্কস স্টুডিও গঠনে আইকনিক ফিল্ম প্রযোজক ও পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে এবং এই সম্পর্কটি বেশ কয়েকটি সফল প্রোডাকশানের জন্ম দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, দ্য পোস্ট, ২০১৯ গোল্ডেন গ্লোব এবং অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র, গ্রীন বুক। এটি ২০২০ একাডেমি পুরস্কার মনোনীত এবং গোল্ডেন গ্লোব বিজয়ী।

Edited By

Swarnali Goswami

সঞ্জয় লীলা বনশালির ম্যাজিকে ফের মেতে উঠবে সঙ্গীত, তাঁর নতুন প্রকাশিত অ্যালবাম "Sukoon"-এর মাধ্যমে

তাঁর ছবির মতোই সঞ্জয় লীলা বনসালির সঙ্গীতও যথেষ্ট চর্চিত বিদগ্ধ মহলে। এটা সর্বজনবিদিত, সঞ্জয় তাঁর ছবির মতোই সঙ্গীতেরও বিভিন্ন পরত নিয়ে ভাবনা- চিন্তা করেন এবং সেই কারণেই তাঁর সঙ্গীত গোটা সিনেমা জুড়ে রাজ করে। বাজিরাও মস্তানীর গানগুলির দৃশ্যায়নও সমান মনোমুগ্ধকর সিনেমার মত। 'পদ্মাবৎ' ছবির সঙ্গীতের জন্য তিনি বেস্ট মিউজিক ডিরেক্টর হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন।

সঞ্জয় লীলা বনসালি শুধুমাত্র যে বিশ্বে দাপিয়ে বেড়ানো গায়ক/গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল এবং অরিজিৎ সিং কেই তুলে এনেছেন তাই নয়, 'গুজারিশ' থেকে 'গাঙ্গুবাঈ কাঠিওয়াড়ি' অব্দি প্রতিটি ছবিতে সংগীতকে কিভাবে সিনেমার অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরা যায় তার প্রমাণও রেখেছেন।

এবারে শ্রোতারা তাঁর ওরিজিনাল অ্যালবাম 'Sukoon' শুনবেন। দীর্ঘ দুই বছর ধরে গানগুলি নিয়ে কাজ করেছেন সঞ্জয়। এই অ্যালবামটি সুরের সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরকে নিয়ে রচিত গীতিকাব্যও বলা যায়।

মোট ৯টি গানের মাধ্যমে এই অ্যালবামটি পুরোনো দিনের মেলোডিকে আজকের প্রজন্মের কাছে মেলে ধরবে। রশিদ খান, শ্রেয়া ঘোষাল, আরমান মালিক, সাহিল হাদা, পাপোন, প্রতিভা বাঘেল এবং মধুবন্তী বাগচী মিলিতভাবে অ্যালবামটি স্পেশাল করার জন্য নিজেদের সেরাটা দিয়ে গান গেয়েছেন।

"গালিব হোনা হ্যায় গানটি গেয়ে আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি। বিশেষ করে সঞ্জয় লীলা বনসালি স্যারের শুরে গান গাওয়াই এক সম্মানের ব্যাপার। প্রত্যেকে নিজেদের সঙ্গে এই অ্যালবামটির যোগসূত্র খুঁজে পাবেন"- জানাচ্ছেন আরমান মালিক।

সঞ্জয় লীলা বনসালির মুভি দেবদাস দিয়ে নিজের ডেবিউ করেছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, যিনি এখনও সমানভাবে গেয়ে চলেছেন গাঙ্গুবাঈ কাঠিওয়াড়ি অব্দি। তিনি এখানে "তু ভি চাঁদ, করার" গেয়েছেন, জানালেন, এখনও নিজেকে খুঁজে পান সঞ্জয় এর সংগীতের মধ্যে। পাপোন গেয়েছেন "দর্দ পত্থরো কো", "গম না হোনে" গানে আলাদাই আমেজ এনেছেন রশিদ খান। প্রতিভা বাগেল এখানে গেয়েছেন "হর এক বাত" গানটি। সইল হাদা গিয়েছেন "মুসকুরাহট, শিবা তেরে"। এছাড়াও "শিবা তেরে" ফিমেল ভয়েস-এ গেয়েছেন মধুবন্তী বাগচী।

অ্যালবামটি বর্তমানে সবকটি স্ট্রিমিং অ্যাপস-এ পাওয়া যাচ্ছে।

Written By

Swarnali Goswami

'সালাম ভেঙ্কি'র প্রচারে কলকাতায় কাজল, বিশাল এবং পরিচালক রেবতী

কলকাতা, ৮ডিসেম্বরঃ আগামীকাল শুক্রবার কাজল এবং বিশাল জেঠওয়া অভিনীত 'সালাম ভেঙ্কি' রিলিজ করছে। রেবতী পরিচালিত ফিল্মটি প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে ৯ডিসেম্বর ২০২২ থেকে। এই উপলক্ষ্যে সালাম ভেঙ্কি টিম কলকাতায় তাদের প্রচার পর্ব সেরে গেল ৫ ডিসেম্বর।

সুপারস্টার কাজল, বিশাল জেঠওয়া এবং ছবির পরিচালক রেবতী একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে তাদের ছবির সম্পর্কে মিডিয়াকে সুন্দরভাবে বোঝালেন। ছবিটি সত্য ঘটনার ওপর করে একটি যুবককে ঘিরে, যে নিজের জীবনটা তুমুল উদযাপনের করতে চায়, তার শারীরিক পরিস্থিতির প্রতিকূলতা সত্ত্বেও। এর পাশাপাশি ফিল্মে একটি মায়ের স্ন্তাজের জন্য ত্যাগ এবং অপরিসীম ভালোবাসাকেও যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারছেন এবং অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারছেন।


Connekkt Media র উপস্থাপনায়, Suuraj Sinngh, Shraddha Agrawal, এবং Varsha Kukreja র প্রযোজনায় BLIVE Productions এবং RTAKE Studios এর ব্যানারে ও রেবতীর পরিচালনায় 'সালাম ভেঙ্কি' আগামীকাল ৯ ডিসেম্বর ২০২২ মুক্তি পাচ্ছে বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে।

Written BY

Swarnali Goswami

"লাইমলাইট সিভিডি ডায়মণ্ডস"-এর নতুন শোরুম উদ্বোধনে উজ্জ্বল শহর কলকাতা

কলকাতা, ৪ ডিসেম্বরঃ 'লাইমলাইট' হল ভারতের নেতৃত্বস্থানীয় জুয়েলারি ব্র্যান্ড। যেখানে সন্ধান মেলে ল্যাবে তৈরি CVD হীরে খচিত গহনা। মুম্বাইতে ফ্ল্যাগশিপ স্টোর সহ একটি স্বদেশী বিলাসবহুল ব্র্যান্ড এবং দিল্লি, ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ ও অন্যান্য ২০ টি শহর জুড়ে যার সমৃদ্ধ উপস্থিতি।

লাইমলাইট ভারতে হীরের গয়নাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে৷ ফোরাম মলে কলকাতার কেন্দ্রস্থলে একটি দর্শনীয় স্টোরের মাধ্যমে, লাইমলাইট পূর্বাঞ্চলে তার খুচরো বিক্রিকে সম্প্রসারিত করেছে।

এইদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য নুসরত জাহান, ময়ূরভঞ্জ ওড়িশার রাজকন্যা অক্ষিতা ভাঞ্জদেও এবং অভিনেত্রী মৃণালিকা ভাঞ্জদেও। উপস্থিত ছিলেন বিনীতা শাহ ডিরেক্টর, লাইমলাইট কলকাতা স্টোর, পঙ্কজ জালান, ডিরেক্টর লাইমলাইট কলকাতা স্টোর।

একটি আন্তর্জাতিক বিলাসবহুল বুটিক স্টেরটি একটি সমসাময়িক স্থাপত্য ও নকশায় নিজের গর্বিত উপস্থিতি জানান দেয়। যা নতুন যুগের প্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যবাহী সূক্ষ্ম গহনার নিখুঁত মিশ্রণকে প্রতিফলিত করে। আজকের ক্রেতাদের কাছে যা সবচেয়ে আকর্ষণীয়। উপভোক্তারা সূক্ষ্ম সলিটায়ার গহনার পরিসীমা এবং একটি বিস্ময়কর FIRST EVER Hologram ডিসপ্লের অভিজ্ঞতা পাবেন। যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি।

এর পাশাপাশি, লাইফটাইম বাইব্যাক, ১০০% এক্সচেঞ্জ গ্যারান্টি, ডিজাইন কাস্টমাইজেশন, ইএমআই সুবিধা সহ ব্র্যান্ডের গ্রাহক পরিষেবাগুলি গ্রাহকদের মধ্যে আরও আস্থা জাগিয়ে তোলে।

লাইমলাইট সিভিডি হীরে হল পরিবেশ-বান্ধব। যেগুলি একেবারে খাঁটি কিন্তু একই সাথে পরিবেশ-বান্ধব কারণ সেগুলি খনন করা হয় না বরং ঠিক একই ভাবে ল্যাবে তৈরি হয়৷ তাই তারা বিপুল জমি এবং বহু গ্যালন জল সংরক্ষণ করে যা খনিতে উত্তোলনের সময় ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমান সময়ে পরিবেশ এবং আমাদের বসবাসকারী এই গ্রহের জন্য আমাদের মনোযোগ এবং যত্ন প্রয়োজন। এছাড়াও যেহেতু সেগুলি খনন করা হয় না, তাই তারা খনির খরচ বাঁচায় এবং সেইজন্য পকেট বান্ধবও হয় মানের সাথে কোন আপস ছাড়াই।

রাজকুমারী অক্ষিতা বলেছেন, "আমি মনে করি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে একটি হল মানবাধিকারের সমস্যা যা সাধারণত খনি থেকে উত্তোলিত হীরের থেকে আসে। ল্যাবে উত্থিত হীরে খনন করা হয় না বরং এর মূলে উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি রয়েছে যা সামাজিক এবং পরিবেশগত ক্ষতি সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করে।

"আমি সর্বদা আমার বাবা-মা, দাদু -ঠাকুমার কাছ থেকে শুনেছি যে কোহিনূর হল আমাদের পরিচিত সবচেয়ে সুন্দর হীরে এবং আজ আমি প্রকৃতপক্ষে এই বিষয়ে শিক্ষিত হয়েছি যে সেই কোহিনূর হীরের বিশুদ্ধতা আসলে প্রতিটি সিভিডির বিশুদ্ধতা। ডায়মন্ড টেকনোলজিতে এটা করতে পারা খুবই চিত্তাকর্ষক!” রাজকুমারী মৃণালিকা দাবি করেন।

সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরাত জাহান বলেন "আমি ল্যাবে উৎপন্ন হীরের গহনা পছন্দ করি। হুবহু একই হীরে কিন্তু মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস নেই, তবুও এটি টেকসই এবং পরিবেশ রক্ষা করে! এবং অবশ্যই ভারতে তৈরি!! আমি মনে করি প্রতিটি ভারতীয় মহিলা তাদের নিজস্ব, টেকসই ভারতে তৈরি হীরে পরতে গর্বিত হবে। আমি লাইমলাইট টিমকে কলকাতায় এই ধারণা নিয়ে আসার জন্য অভিনন্দন জানাই এবং তাদের শুভকামনা জানাই।”

Edited By

Swarnali Goswami

"ইটারনাল সাউন্ডস" সঙ্গীতের জগতে নয়া উত্তরাধিকার - এর গ্র্যান্ড লঞ্চ

কলকাতা, ১৭ নভেম্বরঃ সঙ্গীতে ভারতের একটা নিজস্ব উত্তরাধিকার আছে। রাগাশ্রয়ী, আধুনিক, ভক্তিগীতি সকল ক্ষেত্রেই বহু সঙ্গীতজ্ঞ নিজেদের সুনাম তুলে ধরেছেন।


৫০, ৬০, ৭০ এবং ৮০ এর দশক ছিল ভারতীয় সঙ্গীতের স্বর্ণযুগ। সেই যুগে সৃষ্ট ধ্রুপদী, চলচ্চিত্র ও লোকসংগীতের মহান উত্তরাধিকার আজও আমরা বহন করে চলেছি।


এই চিন্তাভাবনাকে সঙ্গী করে "ইটারনাল সাউন্ডস" নামে একেবারে নতুন একটি সঙ্গীত সত্তা গঠন করা হয়েছে। যা আজ Tata 88 East এ লঞ্চ করা হল। ভারতীয় সঙ্গীতের সুমহান ঐতিহ্যকে বহন করে নিয়ে যাওয়াই হল "ইটারনাল সাউন্ডস" এর মূল লক্ষ্য।


এই চিন্তা ভাবনার মূল রূপকাররা হলেন :


১. শ্রী উৎসব পারেখ - আর্থিক বাজারের গুরু

২. শ্রী মায়াঙ্ক জালান - শিল্পপতি

৩. শ্রী গৌরাঙ্গ জালান – জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা

৪. শ্রী বিক্রম ঘোষ – সঙ্গীত গুরু


সঙ্গীতের প্রতি আবেগ এবং অন্তর্নিহিত বিশ্বাস থেকেই এই চার সঙ্গীতপ্রেমী জন্ম দিলেন ইটারনাল সাউন্ডস এর। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পন্ডিত বিক্রম ঘোষ, বলেন, "অধিকাংশ মানুষ বর্তমান সময়ে কেবলমাত্র গান তৈরিতে মনোনিবেশ করে যা ঋতুর মতই তাৎক্ষণিক। 'ইটারনাল সাউন্ডস' এর দৃষ্টিভঙ্গি হল স্থায়ী সঙ্গীত তৈরিতে মনোনিবেশ করা। এখানে উল্লেখ করার মতো কিছু সঙ্গীতজ্ঞ হলেন হরিহরন, ঊষা উত্থুপ, সোনু নিগম, শান, কবিতা শেঠ, মহালক্ষ্মী আইয়ার। ধ্রুপদী ঘরানায় আমরা পন্ডিত বিশ্বমোহন ভট্ট, পন্ডিত অজয় চক্রবর্তী, ওস্তাদ রশিদ খান, পন্ডিত রনু মজুমদার, কাউশির সঙ্গে কাজ করব। আরও অনেকে আছেন যাঁদের সাথে আমরা অনেক নতুন সুরের জন্ম দেব। আমরা জন ম্যাক লাফলিন, নোরাহ জোন্স, রিকি কেজ, অনুষ্কা শঙ্কর, গ্রেগ এলিস, স্টিভের মতো কয়েকজন বিশিষ্ট শিল্পীর (তাদের সম্মতির উপর নির্ভর করে) সাথে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কাজ করতে চাই। যে সৃষ্টি ভারতকে গ্র্যামি এনে দিতে পারে"।

এই উপলক্ষে, মিঃ মায়াঙ্ক জালান, এমডি, কেভেনটার এগ্রো লিমিটেড বলেন, “আমরা এমন সঙ্গীত তৈরি করতে চাই, যা ভারতীয় সঙ্গীতের আসল নির্যাস তুলে ধরে। .সমকালীন ট্রেন্ড মেনে তাৎক্ষণিক হিট করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা আশা করি আগামী বছরগুলোতে আমরা আমাদের শ্রোতাদের অনেক মূল্যবান সঙ্গীত উপহার দিতে পারব।”


শ্রী উৎসব পারেখ, চেয়ারম্যান,( SMIFS ক্যাপিটাল মার্কেটস লিমিটেড) বলেন, “ইটারনাল সাউন্ডস-এ, আমরা বিশ্বাস করি যে মহান প্রতিভা চিরকালই বিদ্যমান। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে লোকেরা এখনও বিভিন্ন ঘরানার উপযুক্ত সংগীতের আমেজের অপেক্ষা করবে"।

কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে 'তানিষ্ক মিয়া'র ষষ্ঠ নতুন স্টোর উদ্বোধন

২১ অক্টোবর, কলকাতাঃ ভারতের অন্যতম ফ্যাশনেবল জুয়েলারি ব্র্যান্ড তানিষ্কের মিয়া, কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে নতুন স্টোরের পথ চলা শুরু হল আজ থেকে। এই আউটলেটে খুচরো বিক্রি উপলব্ধ হবে।

টাইটান কোম্পানি লিমিটেডের জুয়েলারি ডিভিশনের সিইও মিসেস রিচা শর্মা এবং মিস্টার অজয় চাওলা আজ স্টোরগুলির উদ্বোধন করেন। নতুন স্টোরের উদ্বোধন উপলক্ষে যে কোন সামগ্রীতে ২০% ছাড়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। অফারটি ২১শে অক্টোবর থেকে ২৩শে অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত চলবে।

৫০০ স্কোয়ারফুট বিস্তৃত নয়া এই স্টোরে মিলবে ১৪ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেট গহনা। নানা ধরনের স্টোন, সোনা এবং দৃষ্টিনন্দন হিরের গয়না পাওয়া যাবে এখানে।

ট্রেন্ডি এবং মার্জিত কালেকশনের জন্য পরিচিত একটি ব্র্যান্ড হিসেবে,খ্যাতি তানিষ্কের। তানিষ্কের মিয়ার কানের দুল, আংটি, নেকলেস, চুড়ি এবং ব্রেসলেটের কিছু আকর্ষণীয় ডিজাইন রয়েছে, যা অনন্যভাবে তৈরি করা হয়েছে। সূক্ষ্মভাবে তৈরি করা গয়নাগুলির সূক্ষ্মকাজ, বৈচিত্রের দাবি রাখে।

মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, অভিনেত্রী মিসেস রিচা শর্মা বলেন, "পার্ক স্ট্রিটে আমার প্রিয় এবং সবচেয়ে ট্রেন্ডি সূক্ষ্ম জুয়েলারি ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে একটি পাওয়া সত্যিই রোমাঞ্চকর। সমসাময়িক গয়না কেনাকাটার জন্য এটি একটি ওয়ান স্টপ গন্তব্য হতে পারে। মিয়ার লোভনীয় ডিজাইনের বিস্তৃত পরিসর রয়েছে এবং দোকানের অভিজ্ঞতাও মন জয় করার জন্য যথেষ্ট।

উদ্বোধনের সময়, মিয়া এবং তানিষ্কের জোনাল বিজনেস হেড অলোক রঞ্জন বলেন, “আমরা কলকাতায় আরেকটি মিয়া স্টোর চালু করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। আমাদের গ্রাহকদের জন্য ব্যতিক্রমী গয়না পছন্দ এবং তা কেনাকাটা করার জন্য আমাদের নিরন্তর প্রচেষ্টা চলে। নতুন দোকানে কিছু ট্রেন্ডি ফ্যাশনেবল এবং রুচিশীল সংগ্রহ রয়েছে যা প্রতিটি মহিলাকে সম্পূর্ণ করবে যারা নিজেকে এই কালেকশনের মাধ্যমে তুলে ধরবেন। ক্রেতাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

তানিষ্কের মিয়া সম্পর্কে

তানিষ্কের ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার নিয়ে গড়ে ওঠা মিয়া সাহসী, আধুনিক এবং ট্রেন্ডি গয়নার একটি ব্র্যান্ড। তরুণদের হৃদয় জয় করা এবং স্টাইলিশ মিয়া সোনার গয়না তৈরি করে। ডিজাইনে যা অনন্য, স্বল্পমূল্য এবং অত্যন্ত বহুমুখী। বিস্তৃত পরিসরের বৈশিষ্ট্যযুক্ত, মিয়ার সংগ্রহগুলি অনায়াসে প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য আপনার সৌন্দর্যকে তুলে ধরার জন্যই ডিজাইন করা হয়েছে। 18kt এবং 14kt সোনায় তৈরি মিয়া লাইন অফ জুয়েলারিতে ১৫০০ টিরও বেশি ডিজাইন রয়েছে যার দাম ২৯৯৯/- টাকা থেকে শুরু হয়৷ মিয়া ৭৮টি স্বতন্ত্র স্টোরের একটি নেটওয়ার্ক এবং তানিষ্কের শীর্ষস্থানীয় স্টোরগুলিতে উপস্থিত রয়েছে।

Edited By

Swarnali Goswami

মা দুর্গার বিদায়বেলায় 'মহম্মদ আলী পার্কে'র পুজো মন্ডপে মহিলারা মেতে উঠলেন সিঁদুর খেলায়

সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্কে সাংস্কৃতিক সংসদ ও সন্মার্গ আয়োজিত দশেরা উপলক্ষ্যে ৫০ ফুট লম্বা রাবণের কুশপুত্তলিকা দাহ

কলকাতা, ৫ অক্টোবরঃ বিজয়া দশমীতে মা উমা ফিরে যাচ্ছেন কৈলাশে নিজের সংসারে। সেই উপলক্ষ্যে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের উদ্দেশ্যে রাবণের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর মধ্যে দিয়ে হয় দশেরা পালন।

দশেরায় শহরের সবচেয়ে উঁচু কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর ঐতিহ্য বজায় রেখে, সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদ কমিটি এবং সন্মার্গ, সেন্ট্রাল পার্ক ৫ অক্টোবর সল্টলেক এলাকায় ৫০ ফুট লম্বা রাবণ এবং ৪০ ফুট মেঘনাদ ও কুম্ভকর্ণের কুশপুতুল দাহ করে।

এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল মন্দের অবসান এবং ভালোর বিজয় উদযাপন। পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মধ্যে একটি ইতিবাচক সংযোগ স্থাপন করা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন: শ্রী সৌরভ গাঙ্গুলী, বিসিসিআই সভাপতি; শ্রী ফিরহাদ হাকিম, কলকাতার মাননীয় মেয়র; সুজিত বোস, দমকল প্রতিমন্ত্রী; বিবেক গুপ্ত, বিধায়ক; প্রদীপ টোডি, সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি; ললিত বেরিওয়ালা, সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদের মার্গদর্শক; নিতিন সিংহী, সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদের সেক্রেটারি, অশোক টোডি, চেয়ারম্যান লাক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং অন্যান্য অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি শ্রী প্রদীপ টোডি বলেন, “এই বছর আমাদের প্রধান অতিথি হিসেবে শ্রী সৌরভ গাঙ্গুলিকে পাওয়া সত্যিই বিশেষ একটা অনুভূতি ছিল। মন্দের অবসান এবং শুভ শক্তির জয় উদযাপনের জন্য আমরা সেন্ট্রাল পার্কের মাঠে বিশেষ ব্যবস্থা করেছিলাম। রাবণের ৫০ ফুট লম্বা কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর পাশাপাশি আমরা অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি পৃথক আতসবাজি শোয়েরও আয়োজন করেছিলাম।

সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদের মার্গদর্শক ললিত বেরিওয়ালা বলেন, “আমরা দশেরার অনুষ্ঠানের দশম বছর উদযাপন করেছি যা এবার পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বিজয়া দশমী বার্ষিক দুর্গা পূজা উৎসবের সমাপ্তি হিসাবে, দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালনের বার্তা দিতে দেশে রাবনের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়। আমরা বিভিন্ন রাজ্যের শিল্পী নিয়োগ করেছি অনুষ্ঠানের সময় পারফর্ম করার জন্য। ২৫০০০ এর বেশি মানুষ এতে অংশ নেন।

সল্টলেক সাংস্কৃতিক সংসদ সম্পর্কে:

সল্টলেক সংস্কৃতিক সংসদ হল সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অংশের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য নিবেদিত একটি সংস্থা। স্কুল, দাতব্য চিকিৎসালয়, রক্তদান শিবির, বই বিতরণ অনুষ্ঠান, গণ বিবাহ ইত্যাদি বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সংশ্লিষ্ট সেবার মতো সুবিধা দিয়ে যাচ্ছি।

Edited By

Swarnali Goswami

"কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশনস" (CISCE) এর জাতীয় ক্রীড়া ও গেমস টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২ এর সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা, ১ অক্টোবরঃ ভারতীয় স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (CISCE) ব্যবস্থাপনায় আজ কলকাতার বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনে সমাপ্ত হল জাতীয় ক্রীড়া ও গেমস টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২।

সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক ছিল এই টুর্নামেন্টের মুখ্য আয়োজক, যা আয়োজিত হল ২৪- ৩০ সেপ্টেম্বর অব্দি। ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নেন। মোট ২৪০ জন প্রতিযোগী অনূর্ধ্ব ১৪, ১৭ এবং ১৯ বিভাগে প্রতিনিধিত্ব করেন। এই টুর্নামেন্টের বিজয়ীরা সরাসরি "খেলো ইন্ডিয়া" গেমসে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

৩০ সেপ্টেম্বর বিটিএ গ্রাউন্ড এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান এবং সমাপ্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ফুটবলার মিঃ সঈদ রহিম নবী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নীতিন কীর্তনে, টেনিস খেলোয়াড় ( স্বর্ণপদক প্রাপ্ত), শ্রী অরিজিৎ বসু, ডেপুটি সেক্রেটারি (অর্থ), শ্রী রঞ্জন মিত্তর, ফিউচার ফাউন্ডেশন স্কুলের অধ্যক্ষ এবং CISCE গেমসের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী, শ্রী সুজয় বিশ্বাস, সভাপতি, অ্যাসোসিয়েশন অফ স্কুলস ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট, এবং রাম মোহন মিশন স্কুলের অধ্যক্ষ; শ্রী অজয় চোপড়া, সচিব ও প্রশাসক, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক, শ্রী অনিল শ্রীবাস্তব, অধ্যক্ষ, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক, মিসেস প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, সভাপতি সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, মিসেস বিপাশা দাস, প্রধান শিক্ষিকা সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল সহ অন্যান্য অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

মিঃ রনি সরকার, হেড কোচ বিটিএ-এর তত্ত্বাবধানে সমস্ত খেলাগুলি সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য, সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বিটিএ জাতীয় ব্যক্তিত্ব মিঃ গ্যারী ও'ব্রায়েন উপস্থিত ছিলেন।

দ্য কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট (সংক্ষেপে 'কাউন্সিল') সর্বদাই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর শিক্ষা প্রদানের উপর জোর দিয়েছে। তাই খেলাধুলা একটি CISCE অন্তর্ভুক্ত স্কুলের পাঠ্যক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।কাউন্সিলের লক্ষ্য একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং স্কুলে অধ্যয়নরত সমস্ত শিশুদের খেলাধুলার নানা শাখায় তাদের প্রতিভা এবং দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ প্রদান করা। একবার মনোনীত হবার পর পরবর্তী ধাপ হল বড় মঞ্চে খেলা এবং স্কুল গেমস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SGFI) দ্বারা পরিচালিত বার্ষিক জাতীয় স্কুল গেমসে কাউন্সিলের প্রতিনিধিত্ব করা এবং তারপরে খেলো ইন্ডিয়া স্কুল গেমসে প্রতিনিধিত্ব করা।

Written By

Swarnali Goswami

সল্ট লেক সাংস্কৃতিক সংসদ এবং সন্মার্গ একত্রে শুভ মহা দশমী তিথিতে ৫০ ফিট দীর্ঘ রাবণের কুশপুত্তল দাহ করার পরিকল্পনা করেছে। এই অনুষ্ঠানটিতে রাবণ দহনের কাজটি করবেন সৌরভ গাঙ্গুলি

কলকাতা, ৩০সেপ্টেম্বরঃ দশমী তিথিতে শহরে রাবণের দীর্ঘ কুশপুত্তল ডাঃ করার রীতি মেনে এ বছরেও সল্ট লেক সাংস্কৃতিক সংসদ এবং সন্মার্গ একত্রে ৫০ ফিট উচ্চতা বিশিষ্ট রাবণের কুশপুত্তল ডাঃ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়াও ৪০ ফিট মেঘনাদ ও কুম্ভকর্ণের কুশপুত্তলও দাহ করা হবে ওই দিন কলকাতার সেন্ট্রাল পার্কে। অনুষ্ঠানটিতে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

প্রায় হাজারখানেক দর্শনার্থীর সমাগম হবে এমনটাই আশা করছেন অনুষ্ঠানটির আয়োজকরা। মূলত বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। দশমী তিথিতে হিন্দুরা বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে থাকেন। এছাড়াও ভগবানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বাড়িতে ও মন্দিরে পুজো এবং ভোগ নিবেদনের রীতি রয়েছে হিন্দুদের। অনেক জায়গায় মেলার আয়োজন করা হয়, অশুভ শক্তির বিনাশ হিসেবে রাবণের মূর্তি পোড়ানোর এই রীতি পালন করে আসা হয় বহু প্রাচীন আমল থেকে।

সল্ট লেক সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি শ্রী প্রদীপ টোরি জানান, "এ বছর বিশেষ অতিথি হিসেবে আমরা সৌরভ গাঙ্গুলিকে পেয়েছি, যা অভাবনীয়। আমরা সেন্ট্রাল পার্ক মাঠে বিভিন্ন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি এই উপলক্ষে। অনুষ্ঠানটিতে আলাদাভাবেও একটি 'ফায়ার শো'-এর আয়োজন করা হয়েছে"।

সল্ট লেক সাংস্কৃতিক সংসদের মার্গদর্শক শ্রী ললিত বেরিওয়ালা বলেন, "আমরা এ বছর দশেরা'র ১০ম বর্ষ উদযাপন করছি। এটি পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় ইভেন্ট। বিজয়া দশমী যেমন বার্ষিক দূর্গা পুজোর সমাপন বলে মনে করা হয়, তেমনি রাবণের কুশপুত্তল দাহ করার এই অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয় শুভ শক্তির জয় এবং অশুভ শক্তির বিনাশ রূপে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমরা শিল্পীদের নিয়ে আসি এখানে অনুষ্ঠান করার জন্য। এছাড়াও মূল দহনের অনুষ্ঠানের আগে প্রচুর রীতি পালন করা হবে, যেখানে আমরা প্রায় ২৫,০০০ দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আশা করছি"।

Written By

Swarnali Goswami

মহম্মদ আলী পার্ক দুর্গোৎসবের পুজো উদ্বোধন করলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারে তাদের থিম "শিশ মহল"

কলকাতা, ২৯সেপ্টেম্বরঃ মহম্মদ আলী পার্কের দুর্গোৎসব এবারে ৫৪ তম বর্ষ উদযাপন করছে। মহা চতুর্থীতে সাংসদ শ্রী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এই পুজোর শুভ উদ্বোধন করলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র জনাব ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক শ্রী বিবেক গুপ্তা, কাউন্সিলর এবং বরো চেয়ারম্যান শ্রীমতি স্মিতা বক্সী, প্রাক্তন বিধায়ক শ্রী সঞ্জয় বক্সী, কাউন্সিলর শ্রী রাজেশ সিনহা এবং আরও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এ বছর এই ক্লাবের থিম "শিশ মহল"।

রাজস্থানের এই মহলটি 'মিরর প্যালেস' নামেও খ্যাত।

মহম্মদ আলী পার্কের মন্ডপেও দর্শনার্থীরা দেখতে পাবেন বিশিষ্ট পাথর এবং কাঁচের অপূর্ব মেলবন্ধন যা উপযুক্ত আলোর ব্যবহারে আরও মনোরম হয়ে উঠেছে।

রয়েছে মনোমুগদ্ধকর বিভিন্ন রকম পেইন্টিংস।

ক্লাবের কর্মকর্তারা আশাবাদী প্রত্যেকবারের মতো এবারেও এই পুজো দেখতে এসে দর্শনার্থীরা আপ্লুত হবেন।

Written By

Swarnali Goswami

ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজো উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাদের এবারের থিম "ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক"

কলকাতা, ২৮ সেপ্টেম্বরঃ ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে তাদের ৫৮ তম বর্ষের দুর্গোৎসব পালন করছে।

২৮ সেপ্টেম্বর, শুভ তৃতীয়ার দিন এই পুজোর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবারে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী পুজোর থিম "ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক"।

শ্রী প্রশান্ত পাল এই থিমকে বাস্তবায়ন করেছেন।

বাংলার প্রাচীন শিল্প 'পট শিল্প' নিয়ে এই ক্লাব এবারে তাদের মন্ডপ সজ্জা করেছে।

এছাড়াও পটশিল্পীদের নিজেদের শিল্পকে মেলে ধরার জন্য ক্লাব প্রাঙ্গনে তাদের শিল্পের প্রদর্শনী ও বিক্রির বন্দোবস্ত করেছে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী পুজোর ক্লাবের সদস্যরা।

পুজোয় আগত দর্শনার্থীদের এই অভিনব মন্ডপ সজ্জা পছন্দ হবে এমনটাই আশা করছেন ক্লাবের সদস্যবৃন্দ।

Written By

Swarnali Goswami

কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশনস (CISCE) এর জাতীয় ক্রীড়া ও গেমস টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বরঃ ভারতীয় স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (CISCE) ব্যবস্থাপনায় আজ কলকাতার বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনে শুরু হল জাতীয় ক্রীড়া ও গেমস টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২।

সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক ছিল এই টুর্নামেন্টের মুখ্য আয়োজক। ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নেন। মোট ২৪০ জন প্রতিযোগী অনূর্ধ্ব ১৪, ১৭ এবং ১৯ বিভাগে প্রতিনিধিত্ব করেন। এই টুর্নামেন্টের বিজয়ীরা সরাসরি 'খেলো ইন্ডিয়া' গেমসে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

এইদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী মাননীয় মনোজ তিওয়ারি। উপস্থিত ছিলেন নীতিন কীর্তনে, টেনিস খেলোয়াড় ( স্বর্ণপদক প্রাপ্ত), শ্রী অরিজিৎ বসু, ডেপুটি সেক্রেটারি (অর্থ), শ্রী রঞ্জন মিত্তর, ফিউচার ফাউন্ডেশন স্কুলের অধ্যক্ষ এবং CISCE গেমসের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী, শ্রী সুজয় বিশ্বাস, সভাপতি, অ্যাসোসিয়েশন অফ স্কুলস ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট, এবং রাম মোহন মিশন স্কুলের অধ্যক্ষ; শ্রী অজয় চোপড়া, সচিব ও প্রশাসক, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক, শ্রী অনিল শ্রীবাস্তব, অধ্যক্ষ, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক সহ অন্যান্য অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এই টুর্নামেন্টের সমাপ্তি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কিংবদন্তী প্রাক্তন টেনিস খেলোয়াড় জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। মধ্যবর্তী দিনগুলিতে, ম্যাচগুলি সকাল ১০ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী অজয় চোপড়া, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেকের সেক্রেটারি ও প্রশাসক বলেন, “সিআইএসসিই ন্যাশনাল লন টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২ আয়োজন করা সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুলের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সমগ্র ভারত এবং এমনকি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকেও প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেছেন। প্রায় ২৫০ জন প্রতিযোগীদের বারোটি জোনে ভাগ করে অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুলের ব্যবস্থাপনা, স্টাফ এবং শিক্ষার্থীরা এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হতে পেরে নিজেদের অত্যন্ত সন্মানিত বোধ করছে। আমরা চেষ্টা করবো পুরো টুর্নামেন্টে যথাযথ স্পোর্টসম্যানশিপ ধরে রাখতে"।

দ্য কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট (সংক্ষেপে 'কাউন্সিল') সর্বদাই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর শিক্ষা প্রদানের উপর জোর দিয়েছে। তাই খেলাধুলা, CISCE অন্তর্ভুক্ত স্কুলের পাঠ্যক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাউন্সিলের লক্ষ্য একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং স্কুলে অধ্যয়নরত সমস্ত শিশুদের খেলাধুলার নানা শাখায় তাদের প্রতিভা এবং দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ প্রদান করা। একবার মনোনীত হবার পর পরবর্তী ধাপ হল বড় মঞ্চে খেলা এবং স্কুল গেমস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SGFI) দ্বারা পরিচালিত বার্ষিক জাতীয় স্কুল গেমসে কাউন্সিলের প্রতিনিধিত্ব করা এবং তারপরে যথাক্রমে 'খেলো ইন্ডিয়া' স্কুল গেমসে প্রতিনিধিত্ব করা।

Edited By

Swarnali Goswami

দৃষ্টিহীনদের জন্য ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ড এবং এনআইপি এনজিও দ্বারা আয়োজিত বিশেষভাবে সক্ষম ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কোভিড সেফ দুর্গোৎসব ২০২২ এর ঘোষণা

কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বরঃ "বাজলো তোমার আলোর বেণু, মাতলো রে ভুবন"। কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় আলোর রোশনাই মনে করিয়ে দিচ্ছে আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তারপরেই শারদোৎসবে সামিল হবে আপামর বাঙালি। কিন্তু যাঁরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রবীণ নাগরিক, তাঁরাও চান পুজোর আনন্দে সামিল হতে। তাঁদের জন্যই এনআইপি এনজিওর- ফোরাম ফর দুর্গোৎসব।

সাইনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মমতা সুমিত বিনানী ফাউন্ডেশন, রোটারি ক্লাব অফ ক্যালকাটা ওল্ড সিটির সহযোগিতায় দৃষ্টিহীন, বিশেষভাবে সক্ষম ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা হয়েছে। মোট ২৫০ টি পুজো কমিটি এতে অংশ নেবে। প্রবীণ নাগরিক ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের জন্য থাকবে পৃথক বন্দোবস্ত। এছাড়াও তিনটি পূজা প্যান্ডেল - হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটি, এস বি পার্ক এবং ইয়াং বয়েজ ক্লাব (চিৎপুর ক্রসিংয়ের কাছে) -এর জন্য দৃষ্টিহীনদের জন্য ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ড চালু করেছে।

আজকের এই অনুষ্ঠানে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষিমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জি, NIP NGO-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং MSME ডেভেলপমেন্ট ফোরাম WB-এর সভাপতি মমতা বিনানি, সাইনি গ্রুপের সিইও শ্রী তপন পট্টনায়ক, কলকাতা ওল্ড সিটির রোটারি ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণ ভৌমিক, দুর্গোৎসব ফোরামের তরফে শ্রী সঞ্জয় মজুমদার, NIP NGO-এর সেক্রেটারি শ্রী দেবজ্যোতি রায় সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সংবাদমাধ্যমকে এনআইপি এনজিওর প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট ফোরাম ডব্লিউবি-এর সভাপতি মমতা বিনানি বলেন, “প্রতিবন্ধকতা একজন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য নয়, বরং সামাজিক পরিবেশ দ্বারা সৃষ্ট পরিস্থিতির একটি জটিলতা। যখন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্যান্ডেলে প্রবেশের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হবে না এবং পূজা প্রাঙ্গণে সরাসরি প্রবেশাধিকার থাকবে, তখন তা সত্যিই ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করবে। একটু ভাবনা-চিন্তা, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের একই অনুভূতি এবং আনন্দের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করার সুযোগ দিতে পারে। অনেক পূজা কমিটি এই দিকে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং অন্যরা শীঘ্রই অনুসরণ তা করবে এটাই আমরা আশা করি। আজকের বিশ্বে কিছু সক্ষম মানুষও কখনও কখনও তাদের চিন্তাভাবনা, আচরণ এবং অভিযোজন ক্ষমতার কারণে আরও বেশি প্রতিবন্ধী হয়।”

অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জি বলেন, “এই পুজোর মরসুমের শুরুতে, যখন সকলেই উৎসবের আনন্দে সামিল হতে চায় তখন আমরা মানবতার তাগিদ থেকেই একটি অনন্য লড়াইকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাইনি গ্রুপের সিইও শ্রী তপন পট্টনায়ক। তিনি বলেন, “দুর্গা পুজো পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ উৎসবটি দারুণ আড়ম্বর সহযোগে উপভোগ করে। কিন্তু মানুষ সমাজের অন্য অংশের, অর্থাৎ যাঁরা ভিন্নভাবে সক্ষম এবং প্রবীণ নাগরিক তাদের কথা ভুলে যায়। তাঁদেরও এই আনন্দে সামিল হতে মন চায়। তাঁদের পুজো প্যান্ডেলগুলিতে প্রবেশের বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা পুজো কমিটিদের এই মিশনে আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন করার জন্য অনুরোধ করছি"।

এনআইপি এনজিওর পটভূমি: (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ প্রফেশনালস) এনআইপি এনজিও - দৃষ্টিহীন এবং অন্যান্য ভিন্নভাবে সক্ষমদের জন্য একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। NIP ৩ ডিসেম্বর ২০২১ -এ "স্টেট অ্যাওয়ার্ড"-এ সন্মানিত হয়েছিল। এছাড়াও, এটি কলকাতার বিভিন্ন অংশে এবং পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে বেশ কয়েকটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করছে। এনআইপির লক্ষ্য দৃষ্টিহীন এবং ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য করা। এটি অল বেঙ্গল দাবা প্রতিযোগিতা এবং দৃষ্টিহীনদের জন্য T-20 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ইত্যাদিরও আয়োজন করে আসছে।

Edited By

Swarnali Goswami

৫৪ বছরে পা দিল মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গোৎসব, চলতি বছরের থিম রাজস্থানের 'শীশমহল'

কলকাতা, ২২ সেপ্টেম্বরঃ মাঝে মাত্র একসপ্তাহ, তারপরেই ঢাকে পড়বে কাঠি। এই মুহূর্তে শহরের অধিকাংশ পুজো কমিটিগুলোর মধ্যে দর্শনার্থীদের সেরা থিম এবং মণ্ডপসজ্জা উপহার দেওয়ার জন্য যেন একটা অলিখিত প্রতিযোগিতা চলছে। কিন্তু এত সব কিছুর মধ্যেও আপনি যদি কলকাতায় বসেই রাজস্থানের শীশমহল চাক্ষুশ করতে চান আপনাকে আসতেই হবে মহম্মদ আলি পার্কের পুজো মন্ডপে। নিছক গ্লাস প্যালেসের প্রতিরূপই নয়, তার সঙ্গে রয়েছে আকর্ষণীয় মণ্ডপসজ্জাও।

করোনা মহামারির দাপট কাটিয়ে ফের ছন্দে ফিরছে জীবন। কমিটির সদস্যরা এ বছর তাই উদযাপনকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং সেইমতো তা বাস্তব রূপদানে ব্যস্ত রয়েছেন। ৫৪ বছরে পা দিল শহরের অন্যতম জনপ্রিয় এই পুজো।

শীশ মহল "মিরর প্যালেস" নামেও পরিচিত। মূল্যবান পাথর এবং কাঁচ, সুন্দর হাতে কারুকাজ করা ছবিগুলি যেন এর সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুরেন্দ্র কুমার শর্মা জানান, "আমরা এই বছর 'শীশমহল' থিম হিসেবে উপস্থাপিত করছি। এই ব্যাপারে অনেক মানুষ আমাদের অনুরোধ করেছিলেন। কারণ তাঁরা রাজস্থানে যেতে পারেননি কিন্তু কলকাতায় বসে সেই স্থাপত্যের স্বাদ নিতে চান। এই থিমের মধ্যে দিয়ে বিগত এক যুগের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অন্বেষণ করার এক প্রচেষ্টা করছি আমরা। আমরা আশাবাদী এই থিম দর্শনার্থীদের এক রাজকীয় অনুভূতি প্রদান করবে"।

শ্রী অশোক ওঝা, মহম্মদ আলী পার্ক দুর্গাপূজা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বলেন, "হাজার হাজার কাঁচের ঝিকিমিকি প্রতিফলন শীশ মহল মন্ডপের চারপাশকে আলোকিত এবং প্রাণবন্ত করে তুলবে। প্রাসাদের ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করবে। রাজস্থানের রাজকীয় সৌন্দর্য এবং জাঁকজমকের প্রতিফলন হবে এই পূজা মন্ডপে। ভিতরে বিভিন্ন চিত্রকর্ম এবং শিল্পকর্ম রয়েছে যা দর্শনার্থীদের বিস্মিত করবে। এই প্যান্ডেলের কারুকাজ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। মন্ডপ গাত্রে ম্যুরাল এবং স্বতন্ত্র আয়না ও কাঁচের কাজ মন্ডপটিকে আরও স্বতন্ত্র করেছে"।

মহম্মদ আলি পার্কের যুব সংঘ সম্পর্কে: মধ্য কলকাতার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুর্গা পূজাগুলির মধ্যে একটি, যা অবশ্যই দেখতে হবে। মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গাপুজো প্রতি বছর দুর্দান্ত মণ্ডপসজ্জার প্রদর্শন করে। মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গা পূজা সমিতি বিভিন্ন বিভাগে বেশ কয়েকটি পুরস্কারও জিতেছে এবং তাই এটি কলকাতার, বিশেষ করে মধ্য কলকাতার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দুর্গাপুজো হিসাবে বিবেচিত হয়। ১৯৬৯ সালে এই পুজোর পথ চলা শুরু হয়।

Edited By

Swarnali Goswami

৮০ বছরে পা হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির, এবারের থিম "তান্ডব"

৫৩ তম বছরে ইয়াং বয়েজ ক্লাবের এ বছরের থিম 'ময়ূরপঙ্খী নৌকা'

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বরঃ এ বছরে ৫৩ তম বছরে পদার্পণ করল ইয়াং বয়েজ ক্লাবের দেবী আরাধনা। চলতি বছরে তাদের থিম ''ময়ূরপঙ্খী নৌকা''। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত এই থিম। ইয়ং বয়েজ ক্লাবের সদস্যরা প্রতিবারের মতো এবারেরও প্রাসঙ্গিক এবং সামাজিক সমস্যাগুলিকে থিম হিসেবে তুলে ধরেছেন।

এই পুজো মধ্য কলকাতার তারা চাঁদ দত্ত স্ট্রিটের কাছে অবস্থিত। সেন্ট্রাল আ্যভিনিউ এবং রবীন্দ্র সরণির মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই পুজো মধ্যকলকাতার অন্যতম আকর্ষণ।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়, প্রধান সংগঠক শ্রী রাকেশ সিং বলেন, “এই বছর ইয়াং বয়েজ ক্লাব তাদের দুর্গা পুজোর মন্ডপসজ্জার উপকরণ হিসাবে হোগলা পাতা, পাটকাঠি এবং শুকনো ফল ব্যবহার করে তা ময়ূরপঙ্খী নৌকার রূপ দিচ্ছে। পাঁচদিনব্যাপী দুর্গাপূজার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ অতিমারীজনিত কারণে দুই বছরের বিরতির পর, সিটি অফ জয় কলকাতা আবারও শারদোৎসবে সামিল হতে চলেছে"।

ইয়াং বয়েজ ক্লাবের যুব সভাপতি শ্রী বিক্রান্ত সিং এর কথায় "দর্শনার্থীরা যখন মন্ডপে প্রবেশ করবেন তখন তাঁরা বাংলার কিছু অনন্য হস্তশিল্পের সাক্ষী হবেন। মন্ডপের ভিতরে থাকবে নবদূর্গা। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবার চেষ্টা করি নামকরা শিল্পীদের পাশাপাশি যেন স্থানীয় শিল্পীরাও সমানভাবে গুরুত্ব পান"।

এক নজরে:


  • শুরুর বছর: ১৯৭০

  • শিল্পী: মেদিনীপুরের দেব শঙ্কর মহেশ

  • মন্ডপের উচ্চতাঃ ৪০ ফুট

  • অবস্থান: সেন্ট্রাল কলকাতা (ইয়ং বয়েজ ক্লাব) - ৭ নম্বর তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিট, চিৎপুর ক্রসিংয়ের কাছে, কলকাতা - ৭৩।

  • নিকটতম মেট্রো স্টেশন: মহাত্মা গান্ধী রোড মেট্রো স্টেশন।

Edited By

Swarnali Goswami

অখিল ভারতীয় তেরাপন্থ যুব পরিষদের উদ্যোগে বিশ্বের বৃহত্তম রক্তদান অভিযান, দক্ষিণ কলকাতা শাখার উদ্যোগে ৩৫ টির বেশি শিবিরের আয়োজন

তেরাপন্থ যুব পরিষদ দক্ষিণ কলকাতা এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছে: সিটা, এজরা স্ট্রিট, আরোগ্য মেটারনিটি হোম, নিউ আলিপুর; উদয়ন, নিউ আলিপুর; টাটা মেডিকেল সেন্টার; বাগুইআটি সাংস্কৃতিক সেবা সদন; বাবুসা ভক্ত মন্ডল, ইকো পার্ক; ব্যোম; তেরাপন্থ ভবন, ভবানীপুর; তেরাপন্থ ভবন, ভবানীপুর বিএনআই এপিক; নীলকান্ত, ক্যামাক স্ট্রিট; ইলেক্ট্রো পাওয়ার, বারাসত; বালাজি ট্রেডার্স, মধ্যমগ্রাম; ইস্ট এন্ড গার্ডেন, ম্যাফেয়ার রোড; অ্যাকোয়াটাররা, তেরাপন্থ ভবন, ভবানীপুর; সিন্ধি ডিসপেনসারী, মির্জা গালিব সেন্ট; স্প্রিং ক্লাব; স্বাস্থ্যকর পলিমার, ডানকুনি; মহাবীর সেবা সদন; গ্রীনফিল্ড সিটি; দাদপুর মোটরস; বালাজি রোটোমল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেড, সিধা ওয়েস্টন; আইসিএ, এডুস্কিল, সেক্টর ৫; ফ্লোরা ফোয়ারা; ফ্লোরা ফোয়ারা; আরসিটিসি, রেসকোর্স; আইসিএ ভবন, রাসেল স্ট্রীট ; পিএস গ্রুপ, ইএম বাইপাস; হেলথ পয়েন্ট ক্লিনিক, সোদপুর; ক্যালকাটা চেম্বার অফ কমার্স, পার্ক সেন্ট; রোল্যান্ড প্যালেস, রোল্যান্ড রোড; ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল; বিচ টি এস্টেট, হাসিমারা; কমান্ড হাসপাতাল, আলিপুর; অ্যাপোলো হাসপাতাল; চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল; মানিকতলা দাদবাড়ি।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়, তেরাপন্থ যুব পরিষদ দক্ষিণ কলকাতার সভাপতি শ্রী রোহিত দুগার বলেন, “দক্ষিণ কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, সিএ ইনস্টিটিউট রাসেল স্ট্রিট, আরসিটিসি রেসকোর্স, তেরাপান্থের মতো জায়গায় অনেক স্ব-প্রণোদিত রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পদ্মপুকুর ভবন এবং এরকম বেশ কিছু জায়গায় আমরা আমাদের সমস্ত সহযোগী, দাতা এবং বিশেষ করে দক্ষিণ সভা, মহিলা মণ্ডল এবং টিপিএফ দক্ষিণ কলকাতার প্রতি তাদের সমর্থনের জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে রক্ত সংগ্রহ করা নয়, ই-ব্লাড সেলের উপর একটি ডাটা-ব্যাঙ্ক তৈরি করা এবং তা দেশের জন্য উৎসর্গ করা। যাতে ভবিষ্যতে জরুরি পরিস্থিতিতে রক্তদাতাদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করা যায়। রক্তের প্রয়োজনীয়তা সম্পূর্ণরূপে পূরণ করা যায়। রক্তদান হলো আর্তকে জীবনদান।

মহামারী কোভিড -১৯ এর কারণে স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিশাল ঘাটতি দেখা গিয়েছে। যা গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ব জুড়ে দেখা যাছে। ব্লাড-ব্যাঙ্কে রক্তের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। রক্তের বিকল্প নেই, ভারতের জনসংখ্যা ১৩৫ কোটির বেশি যেখানে প্রায় ৫২ কোটি সুস্থ মানুষ এবং যোগ্য রক্তদাতা রয়েছেন। তাঁরা স্বেচ্ছায় রক্ত দিলে দেশের ব্লাড ব্যাংকগুলোতে কখনোই রক্তের অভাব হবে না। ভারতে রক্তদানের নিয়ম অনুসারে, ১৮ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে যে কোনও সুস্থ ব্যক্তি প্রতি তিন মাস অন্তর স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে পারেন। প্রতিটি মানবদেহের অস্থিমজ্জায় নতুন রক্ত গঠনের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে, অর্থাৎ পুরানো রক্তকণিকা নতুন রক্তের জন্য জায়গা করে দেয়।

Edited By

Swarnali Goswami

রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বরঃ 'রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২' - শর্মিষ্ঠা আচার্যের একটি উদ্যোগ এবং অঙ্কিত শ - এর দ্য জংশন হাউস দ্বারা উপস্থাপিত। ১১ সেপ্টেম্বর কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল।

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে নারীরা নিজেদের অবদান রেখেছেন, স্বকীয়তাকে তুলে ধরেছেন, তাঁদের সন্মানিত করা হয় রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২ এর মধ্যে দিয়ে।

আজাদি কা অমৃত মহোৎসব, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের গর্বিত ৭৫ বছরের উদযাপনকে মনে রেখেই আয়োজিত হয় এই সম্মাননা প্রদান।

এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার এবং ছপাক মুভির অন্যতম চরিত্র লক্ষ্মী আগরওয়াল; সংসদ সদস্য বিহার, চিরাগ পাসোয়ান; বলিউড অভিনেতা সলিল আচার্য; বলিউড অভিনেতা বিশাল সিং; পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনের সদস্য ডঃ মারিয়া ফার্নান্দেস; বিধায়ক মদন মিত্র; পুরপিতা, কাউন্সিলর রাজেশ সিনহা।

অনুষ্ঠানে বাংলার সোনা মা পুরস্কার বিজয়ীরা ছিলেন: অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার এবং ছপাক মুভির মুখ্য চরিত্র লক্ষ্মী আগরওয়াল; পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশন এবং ভিসি WBFDCL ডঃ মারিয়া ফার্নান্দেস; অভিনেত্রী রিচা শর্মা; টলিউড অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা।

জেসিকা গোমেস সুরানা, শিক্ষাবিদ; মল্লিকা ব্যানার্জি, টলিউড অভিনেত্রী; তনুশ্রী চক্রবর্তী, টলিউড অভিনেত্রী; উষি সেনগুপ্ত, মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া; ইলা পাল, বিশিষ্ট ভারতীয় সাঁতারু; উরওয়াস জয়সওয়াল, মিস এশিয়া ওয়ার্ল্ড ২০২২; ডাঃ রূপালী বসু, এমডি এবং সিইও উডল্যান্ডস হাসপাতাল; শান্তি দাস, অতিরিক্ত বিশেষ সুপারিনটেনডেন্ট সিআইডি, পশ্চিমবঙ্গ; রঞ্জিতা সিনহা, ট্রান্সজেন্ডার অ্যাক্টিভিস্ট; মেঘ সায়ন্তনী ঘোষ, ট্রান্সজেন্ডার আইনজীবী, ক্লাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার; সঞ্চয়িতা যাদব, অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার; পিয়ালী বসাক, পর্বতারোহী; শম্পা গুহ, আন্তর্জাতিক পাওয়ারলিফটার এবং কলকাতা পুলিশের আধিকারিক। সুদেষ্ণা রায়, প্রখ্যাত টলিউড অভিনেত্রী এবং শিশু অধিকার ক্রুসেডার; পৌলোমী ঘটক, আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড়, অলিম্পিয়ান এবং অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত; শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়, সহপ্রতিষ্ঠাতা, বেঙ্গল ঘরানা।


মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট মিসেস শর্মিষ্ঠা আচার্য বলেন, " আমরা সেই নারীকে স্যালুট জানাই যিনি আমাদের দেশকে এমনভাবে গর্বিত করেছেন। আপনি যখন একটি শক্তিশালী কন্যার সঙ্গে দেখা করবেন, তখন আত্মবিশ্বাসের স্পন্দন এক মাইল দূর থেকেই অনুভব করতে পারবেন। তিনি জানেন যে তিনি জীবনে কী চান, তিনি যা চান তার জন্য অন্য কারও উপর নির্ভর করেন না, তাই আমরা লক্ষ্মী আগরওয়ালের মতো আমাদের দেশের গর্বিত কন্যা এবং বিভিন্ন প্রজন্মের আরও অনেককে সন্মানিত করছি যাঁরা দেশ এবং সমাজের কাছে দৃষ্টান্ত স্বরূপ "।

পশ্চিমবঙ্গের সেলিব্রেটি অ্যাঙ্কর এবং জাতীয় রেকর্ডধারী শ্রী অঙ্কিত 'শ বলেছেন, “রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২ হিসাবে দেশের কন্যাদের সম্মান জানিয়ে ৭৫ তম আজাদী কা অমৃত মহোৎসব উদযাপন করতে পেরে আমরা সম্মানিত৷ এমন কন্যাদের সম্মান জানানো হল যারা জাতির জন্য অবদান রেখেছেন। আমি এই সম্মানিত অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও আয়োজন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি কারণ উপজাতি সম্প্রদায়ের নারীরা আমাদের সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ - এটি সমাজের জন্য একটি মহৎ বার্তা।"


অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় দ্য জংশন হাউসের পরিচালক মিঃ রাজ রায় বলেন, “মহিলারা একরকম অবহেলিত এবং সমাজে অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে তাঁদের যেতে হয়, সমস্ত সম্প্রদায়কে এক প্লাটফর্মে নিয়ে বিপ্লব আনতে এই উদ্যোগ। উপজাতীয় নারী, ট্রান্সজেন্ডার, অ্যাসিড ভিকটিম, আমলা, ক্রীড়াবিদরা অবদান রেখে চলেছেন। কিন্তু নারীদের মধ্যে এমন আরও অনেকেই আছেন যাঁরা এখনও পিছিয়ে আছেন। আমাদের এগিয়ে আসতে হবে সেই সমস্ত নারীদের জন্য এবং তাদের এগিয়ে নিতে যেতে হবে। আমরা খুব খুশি যে লক্ষ্মী আগরওয়াল এবং অন্যান্য প্রধান অতিথিরাও এই বিষয়টিকে সমর্থন জানাতে এগিয়ে এসেছেন।”

Edited By

Swarnali Goswami

আসন্ন শারদোৎসবে ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর থিম "ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক"

কলকাতাঃ আসন্ন শারদোৎসবে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী তাদের থিম হিসেবে তুলে ধরেছে "ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক"। বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে উপস্থাপিত করা হবে এই থিমের মধ্যে দিয়ে।


ভবানীপুর ৭৫ পল্লী তাদের উদ্ভাবনী ধারণা এবং উপস্থাপন শৈলীর জন্য বরাবরই শহরের একটি নজরকাড়া পুজো। এছাড়াও এই কমিটি সারা বছর ধরে যে সামাজিক কাজ করে থাকে তাও একটা বাড়তি মাত্রা যোগ করে পুজোর ক্ষেত্রে। ভবানীপুর ৭৫ পল্লী' নামটি বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার নেতৃস্থানীয় থিম পুজোগুলির মধ্যে একটি উদীয়মান তারকা হিসাবে বিবেচিত। বিগত কয়েক বছর ধরে অবিরামভাবে, এই পুজো একের পর এক নতুন থিম উপস্থাপন করে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছে।

এই ধারা বজায় রেখে, ২০২২ সালে, এই পুজো একটি নতুন চিন্তাধারা নিয়ে এসেছে, 'ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক' - 'ঐতিহ্য বাঁচুক', যা আমাদের পুজোর থিমের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হবে। ৫৮ বছর বয়সী শিল্পী প্রশান্ত পালের সুযোগ্য নেতৃত্বে গড়ে উঠবে এই থিম।


প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার সংস্কৃতি তার বিভিন্ন চিত্রকলা ও শিল্পকলার মাধ্যমে সবসময়ই অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে নারী-পুরুষ বাংলার ঐতিহ্যমন্ডিত শিল্পকলা পটশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এতে যেমন মিটত আর্থিক চাহিদা, তেমনি সমৃদ্ধ হত বাংলার সংস্কৃতি। ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর পুজো মন্ডপে নিজের কর্মশালা নিয়ে উপস্থিত থাকবেন পটশিল্পী লালন। বাংলা মানেই সর্ব ধর্মের পীঠস্থান -এই প্রচ্ছন্ন বার্তাই দিচ্ছেন ভবানীপুর ৭৫ পল্লী পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা।

সংবাদমাধ্যমকে ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর আহ্বায়ক সায়ন দেব চ্যাটার্জি বলেন, “এটি একটি বড় সম্মান যে ইউনেস্কো বাংলার দুর্গাপূজাকে একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি পট শিল্পের এই বিলুপ্তপ্রায় শিল্প রূপটি এ বছর আমাদের পুজো উপস্থাপনার মাধ্যমে তার হারানো গৌরব ও খ্যাতি ফিরে পাবে। মেদিনীপুর জেলার পিংলার নয়াগ্রামের পটশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা এ বছর দুর্গাপুজোয় পুজো মন্ডপের পাশে স্টলে তাদের শিল্পকর্ম প্রদর্শন ও বিক্রি করবেন।

যাতায়াত, খাবার এবং থাকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্ত খরচ সম্পূর্ণরূপে পুজো কমিটি বহন করবে। যেভাবে আমরা গত বছর ছৌ এবং ঝুমুর শিল্পীদের জন্য করেছিলাম, এ বছরও তেমনটাই করা হবে। গত বছর শিল্পীরা লাইভ পারফর্ম করেছিলেন এবং পুরুলিয়া জেলার মুখোশ শিল্পীরা তাঁদের শিল্পকর্ম প্রদর্শন ও বিক্রি করেছিলেন। আমরা আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিত, তাই এই শিল্পীদের মধ্যে অন্তত কিছু জনকে সাহায্য করার জন্য আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করব।"

Edited By

Swarnali Goswami

ইন্ডিয়ান লেদার প্রোডাক্টস অ্যাসোশিয়েশনের সিলভার জুবিলি ফ্যাশন শো এবং ফ্যাশন এক্সট্রাভ্যাগান্জা

কলকাতাঃ ইন্ডিয়ান লেদার প্রোডাক্টস অ্যাসোশিয়েশন তাদের সিলভার জুবিলী এক্সট্রাভ্যাগান্জা ILPA 2022: 'লেদার ও দ্য রাম্প' -এর জন্য সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করল।

৮ সেপ্টেম্বর কলকাতার গুচি হায়াত রিজেন্সিতে তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ILPA শো এর এটি ছিল ২৫ তম উদযাপন। প্রতি বছর আইটিপিও দ্বারা আয়োজিত ইন্ডিয়া লেদার অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ ফেয়ারের সঙ্গে এই অনুষ্ঠান মিশে যায়। আইএলপিএ ২০২২ তে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রেসিডেন্ট শ্রী অজয় তারওয়ে, ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রী অর্জুন মুকুন্দ কুলকার্নি, ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রী এমডি আজহার, জি এম হায়াৎ রিজেন্সি শ্রী কুমার শোভন, ফ্যাশন শো কমিটির চেয়ারম্যান জনাব আকাশ নাইয়ার সহ আরও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

ইন্ডিয়ান লেদার প্রোডাক্টস অ্যাসোশিয়েশন কলকাতায় অবস্থিত। এটি একটি প্যান ইন্ডিয়া অ্যাসোশিয়েশন, যা চর্মজ শিল্পের সামগ্রিক বৃদ্ধি এবং বিকাশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে রপ্তানিকারকদের একত্রিত করে সক্রিয়ভাবে কাজ করে। আইএলপিএ তার সদস্যদের জন্য কলকাতার লেদার কমপ্লেক্সে একটি লেদার গুড ক্লাস্টার, একটি ডিজাইনার স্টুডিও, একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং একটি সাধারণ সুবিধা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে।

এই উপলক্ষে আইএলপিএ-র সভাপতি মাননীয় অজয় তারওয়ে জানান, "আইএলপিএ চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানিকে প্রচার ও প্রসারের জন্য বিদেশে পেশাদার সংস্থা এবং চেম্বার অফ কমার্সের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তা বজায় রাখার চেষ্টা করে চলেছে। এই শিল্প হল একটি শ্রম-কেন্দ্রিক শিল্প যেখানে ৩০% এরও বেশি শ্রমিক মহিলা প্রয়োজন। এখানে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদাও যথেষ্ট। আইএলপিএ গ্রামীণ বাংলার সুবিধা বঞ্চিত যুবকদের প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রদানের জন্য অত্যন্ত গর্বিত এবং তাদের চাকরির নিয়োগে সহায়তা করে। আমরা এই বছর রজত জয়ন্তী বর্ষ উদযাপন করতে পেরে সত্যিই গর্বিত।

Edited By

Swarnali Goswami

হৃত্বিক রোশন- সইফ আলি খান অভিনীত 'বিক্রম-ভেদা' র ট্রেলর প্রকাশিত হল আজ ৮ই সেপ্টেম্বর

কলকাতাঃ পুষ্কর-গায়ত্রী রচিত ও পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলার মুভি 'বিক্রম ভেধা' র ট্রেলর আজ ৮ই সেপ্টেম্বর মুম্বইতে প্রকাশিত হল। উল্লেখ্য, আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেলর লঞ্চ করার আগে ছবির দর্শকদের জন্য আগেরদিন ১০টি শহরে এক্সক্লুসিভ প্রিভিউ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, আহমেদাবাদ, হায়দ্রাবাদ, ব্যাঙ্গালোর, পুনে, জয়পুর, ভুবনেশ্বর এবং দুবাইতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এর ফলে ট্রেলার বেরোনোর আগে শুধুমাত্র একটি হাইপ তৈরী হওয়াই নয়, উত্তেজনার পারদও তুঙ্গে উঠেছিল তা বলাই বাহুল্য।

বিভিন্ন শহর এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ট্রেলার নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই।

বহু প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র বিক্রম ভেধা-র টিজার প্রকাশের পর থেকে এটি ছবিটির জন্য দর্শকদের প্রত্যাশাকে একটি বাড়তি মাত্রা দিয়েছে। দর্শকরা ছবিটির পরবর্তী ঝলক দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছেন। লঞ্চ হয়েছে নতুন পোস্টার। যেটিও সমানভাবে সফল হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, বিক্রম-ভেদা'র ট্রেলারও দর্শকদের প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়ে তুমুল প্রশংসিত হচ্ছে।

ফিল্মওয়ার্কস, জিও স্টুডিও এবং একটি YNOT স্টুডিওস প্রোডাকশনের সহযোগিতায় গুলশান কুমার, টি-সিরিজ এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্টের দ্বারা বিক্রম ভেধা উপস্থাপিত করা হয়। ছবিটি পরিচালনা করেছেন পুষ্কর ও গায়ত্রী এবং প্রযোজনা করেছেন ভূষণ কুমার, এস. শশীকান্ত এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট। বিক্রম ভেধা ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২২-এ বিশ্বব্যাপী বড় পর্দায় মুক্তি পাবে ।


অভিনেতা হৃতিক রোশন, সইফ আলি খান এবং নির্মাতা পুষ্কর-গায়ত্রীর টিজারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে প্রশংসা পেয়েছে, আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২২ সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

বিক্রম ভেধা হল পুষ্কর-গায়ত্রী রচিত ও পরিচালিত একটি অ্যাকশন-থ্রিলার। বিক্রম ভেধার গল্পটির প্রতি বাঁকে রয়েছে রোমাঞ্চ। একজন কঠোর পুলিশ বিক্রম (সইফ আলি খান) একজন ভয়ঙ্কর গ্যাংস্টার ভেধাকে (হৃতিক রোশন) ধরতে তার পিছু নেয় এবং অবশ্যম্ভাবীভাবে ভেদা প্রতি মুহূর্তেই বিক্রমের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়। ভেধা এবং বিক্রমের এই ট্যুইস্ট ছবিটিতে একটি আলাদা মাত্রা যোগ করে।

Edited By

Swarnali Goswami

ফ্যানদের ফাটাফাটি লাগলো সানি লিওনি এবং রেমো ডি সুজা অভিনীত 'মাচাও মিউজিকে'র নতুন গারবা সং 'নাচ বেবি'

চিত্তাকর্ষক পোস্টার এবং চিত্তাকর্ষক টিজার দিয়ে ভক্তদের মন জয় করার পর, 'মাচাও মিউজিক' আজ তাদের প্রথম মিউজিক ভিডিও, 'নাচ বেবি' লঞ্চ করেছে যেটিতে সবার প্রিয় সানি লিওন এবং রেমো ডি'সুজা রয়েছেন।

ভূমি ত্রিবেদী এবং ভিপিন পাটওয়া গানের সঙ্গে এই প্রথম জুটি বাঁধলেন সানি এবং রেমো। প্রথমবারের মতো সানি এবং রেমো একসঙ্গে জুটি বেঁধেছেন এই খবরটি সামনে আসবার পর থেকেই ভক্তরা গানটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। এখন যেহেতু গানটি শেষ পর্যন্ত প্রকাশ্যে এসেছে, আমরা বলতে পারি যে এটি আমাদের সমস্ত প্রত্যাশাকে অতিক্রম করেছে এবং দীর্ঘ বছর ধরে দেখা সমস্ত অভিজ্ঞতাকে ছাপিয়ে গিয়েছে এই পারফরম্যান্স।

সানি লিওনি বলেন 'নাচ বেবি' একটি গারবা ট্র্যাক, এবং এটি একটি অসাধারণ গান৷ আমি এতে কাজ করতে পেরে খুব খুশি। আমি নাচ বেবি কাজ করার সম্মতি দিয়েছি কারণ আমার রাখি ভাই, হিতেন্দ্র কাপোপারা এই কাজটি করতে অনুরোধ করেছিলেন। তাছাড়া রেমোর সঙ্গে ডান্স করা, পা মেলানো দুর্দান্ত একটা অভিজ্ঞতা।

পীযূষ জৈন যিনি মাচাও মিউজিকের ভাবনায় রয়েছেন এবং নাচ বেবির প্রযোজকও, তিনি বলেন সানি আমাদের পারিবারিক সদস্য। আমি তার এবং ড্যানিয়েলের সাথে কয়েক বছর ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। তাকে কাস্ট করে গানটি বেছে নেওয়া আসলে সেট চূড়ান্ত করার মতোই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। সুন্দরী সানির অভিনয় মিউজিক ভিডিওটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। সানি এটি বিনামূল্যে করতে রাজি হন, যা আমি মনে করি শোবিজে খুব কমই ঘটে।

মাচাও মিউজিকের প্রযোজক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মিট আহির যোগ করেছেন, সানি লিওনি নিজের নামের মতোই উজ্জ্বল। সেটে তাঁর উপস্থিতি, রিহার্সালে ডেডিকেশন দেখার মত। সমস্ত চাপ উপেক্ষা করে তিনি কাজ করে গিয়েছেন।


'নাচ বেবি' এখন সমস্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই দেখা যাচ্ছে।

Edited By

Swarnali Goswami

বিক্রম ভেদা-র নতুন পোস্টারের মুক্তি, সামনে এল ট্রেলার লঞ্চের তারিখ

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান! মুক্তি পেয়েছে হৃত্বিক রোশন ও সইফ আলি খান অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত ছবি 'বিক্রম ভেদা'র টিজার। এবারে উন্মোচিত হল বিক্রম ভেধার নতুন পোস্টার। বহু প্রতীক্ষিত ট্রেলার লঞ্চের তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে।

বহু প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র বিক্রম ভেধা-র টিজার প্রকাশের পর থেকে এটি ছবিটির জন্য দর্শকদের প্রত্যাশাকে একটি বাড়তি মাত্রা দিয়েছে। দর্শকরা ছবিটির পরবর্তী ঝলক দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। অবশেষে লঞ্চ করেছে নতুন পোস্টার। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সেই বহু প্রতিক্ষীত দিন, যেদিন সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশিত হবে।

ফিল্মওয়ার্কস, জিও স্টুডিও এবং একটি YNOT স্টুডিওস প্রোডাকশনের সহযোগিতায় গুলশান কুমার, টি-সিরিজ এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্টের দ্বারা বিক্রম ভেধা উপস্থাপিত করা হয়। ছবিটি পরিচালনা করেছেন পুষ্কর ও গায়ত্রী এবং প্রযোজনা করেছেন ভূষণ কুমার, এস. শশীকান্ত এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট। বিক্রম ভেধা ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২২-এ বিশ্বব্যাপী বড় পর্দায় মুক্তি পাবে ।

অভিনেতা হৃতিক রোশন, সইফ আলি খান এবং নির্মাতা পুষ্কর-গায়ত্রীর টিজারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে প্রশংসা পেয়েছে, আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২২ সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

বিক্রম ভেধা হল পুষ্কর-গায়ত্রী রচিত ও পরিচালিত একটি অ্যাকশন-থ্রিলার। বিক্রম ভেধার গল্পটির প্রতি বাঁকে রয়েছে রোমাঞ্চ। একজন কঠোর পুলিশ বিক্রম (সইফ আলি খান) একজন ভয়ঙ্কর গ্যাংস্টার ভেধাকে (হৃতিক রোশন) ধরতে তার পিছু নেয় এবং অবশ্যম্ভাবীভাবে ভেদা প্রতি মুহূর্তেই বিক্রমের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়। ভেধা এবং বিক্রমের এই ট্যুইস্ট ছবিটিতে একটি আলাদা মাত্রা যোগ করে।

Edited By

Swarnali Goswami


'দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস' (আইসিএসআই)-এর ৫০ তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল

দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস (আইসিএসআই), কলকাতায় তাদের ৫০তম জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ২রা সেপ্টেম্বর। সারা দেশ থেকে এই সম্মেলনে এদিন উপস্থিত ছিলেন ১১০০ জন সদস্য এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহন করেছিলেন ৪,৫০০ জন সদস্য। এ বছরের সম্মেলনের থিম ছিল " কোম্পানি সেক্রেটারি: আ বিশ্বগুরু ইন গভর্নেন্স অ্যান্ড সাস্টেইনিবিলিটি "। এর মাধ্যমে পরিবেশের দ্রুত বদলের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি সচিব (সিএস) দের নতুন ভূমিকা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধের বিষয় ছিল, "সিএস : ফস্টারিং গভর্নেন্স অ্যান্ড কর্পোরেট এক্সেলেন্স ইন ইন্ডিয়া ইনকর্পোরেট "। আইসিএসআই এর তরফ থেকে আয়োজিত ৫০ তম রাষ্ট্রীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন প্যানেলিস্ট হিসেবে ছিলেন সিএস ডঃ মমতা বিনানি (আইসিএস এর পূর্বতন অধ্যক্ষ), সিএস বি মুরলি (জেনারেল কাউন্সিল এবং কোম্পানি সেক্রেটারি নেসলে ইন্ডিয়া লিমিটেড), সিএস এমইবি সেলভম (পূর্বতন কোম্পানি সেক্রেটারি এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার ওএনজিসি লিমিটেড)। অনুষ্ঠানটি মধ্যস্থতা করেছিলেন সিএস বিনীত কে চৌধুরী (কাউন্সিল মেম্বার) এবং সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন সিএস দেবেন্দ্র দেশপান্ডে (আইসিএসই প্রেসিডেন্ট)।

এই অনুষ্ঠানে সিএস ডঃ মমতা বিনানি (আইসিএস এর পূর্বতন অধ্যক্ষ) বলেন, যে কোনও কর্পোরেট কালচার ছড়িয়ে দেওয়া বা তার মূল গুরুত্ব উদ্ঘাটন করার জন্য প্রয়োজন শাসন এবং স্থিরতা। বর্তমান সময়ে দুনিয়া চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট বদলে যাচ্ছে। দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস (আইসিএসআই)-এর ৫০ তম জাতীয় সম্মেলনের জন্য কলকাতা শহরকে নির্বাচন করার জন্য আমি কার্যকর্তাদের অভিবাদন জানাচ্ছি এবং আমার তরফ থেকে সংস্থার সকল সদস্যদের শুভকামনা জানাচ্ছি। এই অনুষ্ঠানে আমি একটি জিএসটি-র ওপরে বই প্রকাশ করেছি এবং ভ্যালুয়েশন অফ ফিনান্সিয়াল অ্যাসেট্স অ্যান্ড সিকিউরিটিজ-এর ওপর একটি সার্টিফিকেট কোর্স শুরু করেছি। সেক্রেটারিয়াল অডিট-এর ওপর একটি বইও প্রকাশ করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানে। আইসিএসআই, তাদের সদস্যদের জন্য কার্যকর গবেষণামূলক বিভিন্ন বিষয় উপলব্ধ করাচ্ছে, যা যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে।

Written By

Swarnali Goswami

কলকাতায় 'হেক্সাগন ইন্ডিয়া সামিট' সম্পন্ন হল

কলকাতাঃ হেক্সাগন ইন্ডিয়ার বহু প্রত্যাশিত প্রযুক্তিগত শীর্ষক সম্মেলন কলকাতার নভোটেলে অনুষ্ঠিত হল আজ ২৬ আগস্ট ২০২২-এ। রাজ্যব্যাপী মাইনিং এবং জিওস্পেশিয়াল প্রোডাক্ট এবং হেক্সাগনের পোর্টফোলিও সমাধান নিয়ে আলোচনা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য সদস্যরা এদিন একত্রিত হন উক্ত অনুষ্ঠানে। কীভাবে হেক্সাগন শিল্প, উৎপাদন, অবকাঠামো, পাবলিক সেক্টরে গতিশীলতা আনতে পারা, উৎপাদনশীলতা, গুণমান এবং সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য ডেটা কে কিভাবে ব্যবহার করা যায় তাই নিয়ে অনুষ্ঠানটিতে আলোচনা করা হয়।

হেক্সাগন ইন্ডিয়া সামিটটি উদ্বোধন করেন রণধীর কুমার, আইএএস, সচিব - আইটি এবং ইলেকট্রনিক্স বিভাগ, ডব্লিউবি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক WEBEL। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রমোদ কৌশিক, প্রেসিডেন্ট হেক্সাগন ইন্ডিয়া; মনোজ শর্মা, ডিরেক্টর মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস এক্সিলেন্স; ভাস্কর জেভি, আইএফএস, প্রধান বন সংরক্ষক, ওয়ার্কিং প্ল্যান এবং জিআইএস সার্কেল, বিভাগ। পরিবেশ ও বন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, আশীষ কুমার জেনা, যুগ্ম সচিব ওড়িশা।

এই শীর্ষ সম্মেলনে, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি যা জরিপকারীদের দ্রুত জরিপ করতে সহায়তা করে তা নিয়ে আলোচনা হয়। অসামান্য গুণমানের সঙ্গে ক্লায়েন্টদের চাহিদা মেটাতে নয়া দিশার উদ্ভাবন নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়াও জিআইএস, রিমোট সেন্সিং এবং ফটোগ্রামমেট্রি সফ্টওয়্যারের হেক্সাগনের পাওয়ার পোর্টফোলিওতে সর্বশেষ প্রযুক্তির অগ্রগতির দিকটিও তুলে ধরা হয় সুচারু ভাবে।

ভারতে, হেক্সাগনের ২১০০ এর বেশি কর্মচারী রয়েছে, ১৪টি শহরে অফিস এবং হায়দরাবাদ ও পুনেতে দুটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে৷ ২৫ আগস্ট কলকাতায়, হেক্সাগন ইন্ডিয়া একটি অত্যাধুনিক পরিষেবা কেন্দ্র সহ সেক্টর ৫এ ইকো সেন্টারের সন্নিকটে তার নতুন অফিস খুলেছে।

এই উপলক্ষে, হেক্সাগন ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রমোদ কৌশিক বলেন, “ হেক্সাগনের ডিএনএ-তে ডেটা রয়েছে। আমরা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেন্সর সলিউশনে একজন নেতা হিসাবে কাজ করে চলেছি। ভারত বরাবরই হেক্সাগনের প্রতি মনোযোগী। প্রযুক্তি গ্রহণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রেই এটি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং আমরা আমাদের দেশের সরকার, বেসরকারি উদ্যোগ, কৃষক এবং নাগরিকদের সাহায্য ও সেবা করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রযুক্তির মাধ্যমে এই বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখার একটি বড় সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কয়েক দশক ধরে আমরা প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগকারী, ম্যাপিং সংস্থা, তেল ও গ্যাস, শিল্প উৎপাদন, খনি, বন ও কৃষি, অটোমোবাইল শিল্প, পরিবহন, নগর রূপান্তর ইত্যাদিতে আমাদের গ্রাহকদের সেবা প্রদান ও সহযোগিতা করে আসছি।”

Edited By

Swarnali Goswami

শোভাযাত্রা দিয়ে এক মাস আগেই পুজোর ঢাকে কাঠি

কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর ইন্ট্যানজিবল কালচারাল লিস্টে স্থান দেওয়ার ধন্যবাদ জ্ঞাপন শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে গেল পুজো।


মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে কলকাতার রাজপথে আয়োজিত হল পুজোর শোভাযাত্রা। তার সঙ্গে সঙ্গেই পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গেল। আজ ১লা সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার সূচনা করে মমতা বলে দিলেন, ‘‘আজ থেকেই আমাদের দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গেল। সমস্ত ধর্ম, বর্ণকে নিয়ে এগিয়ে চলব আমরা। মানবিকতার কোনও ধর্ম নেই। একতাই আমাদের সম্পদ। যে যেমন ভাবে খুশি আনন্দ করুন। মনকে সবুজ রাখুন। হৃদয় বড় করুন। বাংলা নতুন করে জাগাক সকলকে, এই পৃথিবী একটাই দেশ। আমাদের জাত একটাই। আমরা মানুষ।''

উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন। সাতটি ওয়ার্ডের মধ্যে দিয়ে এই শোভাযাত্রা হয়েছে। শুধু কলকাতাতেই নয়, সমগ্র রাজ্যে এই মহামিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, ঢাকের তালে ধুনুচি নাচ একের পর এক অনুষ্ঠানের রঙিন আবহে মেতে উঠল তিলোত্তমা কলকাতা। মঞ্চ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জানালেন মমতা। ধন্যবাদ জানালেন ইউনেস্কোকে। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ছিলেন অধ্যাপক তপতী গুহঠাকুরতা। বৃহস্পতিবার সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চে তাঁকে সম্মান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরীয় পরিয়ে হাতে তুলে দিলেন ডোকরার দুর্গাপ্রতিমা। এদিন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তপতী গুহঠাকুরতা বলেন, "বাংলার মানুষের জন্য এই সম্মান আনতে পেরে আমি গর্বিত। দুর্গাপুজোর এই স্বীকৃতি কারও একার নয়। সম্মিলিত কাজ এটি। আমার উপর একটা দায়িত্ব পরেছিল। একা আমার কাজ নয়। পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছি। অনেকেই আমাকে সাহায্য করেছেন। কাটা করতে পেরে আমি গর্বিত। সারাজীবন এই শহরে থেকেছি। শহরকে কিছু ফেরত দিতে পেরে আমি খুশি।"

সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পুজো শুরুর বার্তা দিলেন মমতা।

হৃতিক রোশন এবং সইফ আলি খান অভিনীত সিনেমা 'বিক্রম ভেধা'-র টিজার মুক্তি পেল

কলকাতাঃ পুষ্কর-গায়ত্রীর অ্যাকশন-থ্রিলার 'বিক্রম ভেধা'-এর টিজার লঞ্চ হল ২৪ আগস্ট। 'বিক্রম ভেধা'র টিজারটি দর্শকদের একটি আনন্দদায়ক অনুভূতি দেবে। অ্যাকশন প্যাকড ভিজ্যুয়াল এবং একটি আকর্ষক গল্প বলা হয়েছে টিজারটিতে। যেখানে ভেধা চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা হৃতিক রোশনকে এবং বিক্রমের চরিত্রে আছেন সইফ আলী খান।


ফিল্মটির ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড সময়ের এই ভিজ্যুয়াল টিজারটি দর্শকদের মনোরঞ্জন করবে। টিজারটির অন্যতম আকর্ষণ এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। এছাড়াও মানানসই যোগ্য সংলাপ, যথেষ্ট অ্যাকশন সিকোয়েন্স এবং আবেগ ও নাটকীয়তায় টিজারটি প্রত্যেকের মন কাড়বে সন্দেহ নেই। সামগ্রিকভাবে, টিজারটি 'বিক্রম ভেদা'কে একটি সম্পূর্ণ বিনোদন প্যাকেজ হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

অভিনেতা হৃতিক রোশন, সইফ আলি খান এবং নির্মাতা পুষ্কর-গায়ত্রীর এই টিজারটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে প্রশংসা পেয়েছে। সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।

'বিক্রম ভেধা' হল পুষ্কর-গায়ত্রী রচিত ও পরিচালিত একটি অ্যাকশন-থ্রিলার। বিক্রম ভেধার গল্পটির বাঁকে বাঁকে রয়েছে রোমাঞ্চ। একজন কঠোর পুলিশ বিক্রম (সইফ আলি খান) একজন ভয়ঙ্কর গ্যাংস্টার ভেধাকে (হৃতিক রোশন) ধাওয়া করতে বের হয়। ভেধা এবং বিক্রমের এই ট্যুইস্ট ছবিটিতে একটি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।

ফিল্মওয়ার্কস এবং জিও স্টুডিও এবং YNOT স্টুডিওস প্রোডাকশনের সহযোগিতায় গুলশান কুমার, টি-সিরিজ এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্টের দ্বারা বিক্রম ভেদা নির্মিত। ফিল্মটি পুষ্কর এবং গায়ত্রী দ্বারা পরিচালিত এবং ভূষণ কুমার এবং এস. শশীকান্ত দ্বারা প্রযোজিত।

আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২২ ছবিটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন থিয়েটারে মুক্তি পাবে।

Edited By

Swarnali Goswami

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নতুন সভাপতি গৌতম পাল, আগামীকাল নেবেন দায়িত্ব

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আগেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণ করেছিলেন। একই সঙ্গে তাকে বদলে অন্য কাউকে সভাপতির পদে বসানোর সুপারিশ করেন তিনি। অবশেষে সেই সুপারিশ মেনে নিল রাজ্য। কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য গৌতম পালকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদের দায়িত্ব দেওয়া হল।

পাশাপাশি ১১ জনের নতুন অ্যাড হক কমিটি গঠন করা হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে। অ্যাড হক কমিটিতে রয়েছেন শিক্ষাবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি, অভীক মজুমদার, মলয় সাহা, স্বাতী গুহ–সহ অন্যান্য শিক্ষাবিদরা। স্বচ্ছতার স্বার্থে খোলনলচে বদলে ফেলা হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। উল্লেখ্য, সম্প্রতি টেট পাশ চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। আগামিকালই পর্ষদের নয়া সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন গৌতম পাল।

'দোবারা' মুক্তির আগে সকালে কালীঘাটে 'টিম দোবারা'

আজ থেকে মুক্তি পাচ্ছে তাপসী পান্নু- পাভেল গুলাটি অভিনীত ফিল্ম 'দোবারা'।

সকালে ছবির সাফল্য কামনায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন তাপসী পান্নু এবং পাভেল গুলাটি।

উল্লেখ্য, গতকাল শহরে পৌঁছে গিয়েছিল 'টিম দোবারা' এবং একটি স্পেশাল স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল ছবিটির, যেখানে হোস্ট করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

'দোবারা' পরিচালনা করেছেন 'অনুরাগ কাশ্যপ' এবং প্রযোজনা করেছে 'কাল্ট মুভিজ'।

আজ ১৯ আগস্ট থেকে বিভিন্ন সিনেমা হলে দেখা যাচ্ছে 'দোবারা'।

Written By

Swarnali Goswami

চারদিকে প্রশংসিত হওয়ার পর কলকাতায় অনুরাগ কাশ্যপের 'দোবারা'

তাপসী পান্নুর পিঙ্ক, বদলা'র পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের বাইরে ফের প্রসংশিত হল তাপসী পান্নু অভিনীত অনুরাগ কাশ্যপের ছবি 'দোবারা'।

অসাধারন ট্রেলার এবং গান সকলের মধ্যে জনপ্রিয় হওয়ার পাশাপাশি সর্বত্র সিনেমাটি রিলিজ করার আগেই যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছে। ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ মেলবোর্ন, ফ্যান্টাসিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এর মত গুরুত্বপূর্ণ তথা সম্মানীয় চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের জায়গা করে নেবার পাশাপাশি এই সিনেমাটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর যথা মুম্বই, চেন্নাই এবং দিল্লিতেও প্রশংসিত হয়েছে। এবারে টিম 'দোবারা' কলকাতায় এসেছে এখানে ছবিটির স্ক্রিনিং-এর উদ্দেশ্যে, যেখানে প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী হোস্ট করলেন অনুষ্ঠানটির।

রহস্য গল্প অবলম্বনে তৈরী অনুরাগ কাশ্যপের 'দোবারা' এখন শহরের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক সোমা চৌধুরি দিল্লিতে সিনেমাটির স্পেশাল স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা করেছিলেন, যেখানে ছবিটি দর্শকদের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছিল। কলকাতাতেও বিশিষ্ট অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী ছবিটি স্ক্রিনিং করার জন্য হোস্ট করলেন, যেখানে তিনি টলিউড ইন্ডাস্ট্রির গণ্যমান্য ব্যক্তি তথা বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

তাপসী পান্নু, পাভেল গুলাটি এবং একতা আর কাপুর সাংবাদিকদের সামনে সিনেমাটি সম্পর্কে তাদের বক্তব্য পেশ করলেন। তাপসী জানালেন, তিনি পুরো বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছেন। 'থাপ্পড়'-এর পর ফের তাপসীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন অভিনেতা পাভেল গুলাটি। প্রযোজক জানালেন, কেন তিনি এই বিষয়টি পছন্দ করেছেন এবং এর একটি অংশ হয়েছেন।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অনুরাগ কাশ্যপ। ছবিটির প্রযোজক বালাজি টেলিফিল্মস এবং সুনির ক্ষেত্রেপাল ও গৌরব বোস (অথেনা)-এর নতুন উইংস শোভা কাপুর এবং একতা কাপুরের কাল্ট মুভিজ।

আগামীকাল সকালে ছবির সাফল্য কামনা করে কালীঘাটে পুজো দিচ্ছে 'টিম দোবারা'। ১৯ আগস্ট ২০২২ কাছের সিনেমাহলে গিয়ে অবশ্যই দেখুন 'দোবারা'।

Written By

Swarnali Goswami

পশ্চিমবঙ্গ এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট ডঃ (এইচসি) সিএস অ্যাডভোকেট মমতা বিনানীর দীর্ঘ ২৫ বছরের কর্ম জীবন সম্পন্ন

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট ফোরামের প্রেসিডেন্ট ডঃ (এইচসি) সিএস অ্যাডভোকেট মমতা বিনানী তাঁর ২৫ বছরের কর্ম জীবন সম্পন্ন করলেন। তাঁর এই বর্ণময় সাফল্যের কিছু খতিয়ান দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।

১৯৯৬ সালে ইন্ডিয়া ইন্টারমিডিয়েট এক্সামিনেশন-এর ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারির পরীক্ষায় দেশের মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। ভারতের ইস্টার্ন ইন্ডিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোম্পানি সেক্রেটারিয়েটের চেয়ার পার্সন হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে তিনি 'ডি এল মজুমদার রৌপ্য পদক' এবং 'মৌজি রাম মেমোরিয়াল' পুরস্কার পান। প্রথম কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করার দৌলতে 'এক্সেলেন্স ইন প্রফেশনাল সার্ভিসে'স এর তরফে তিনি সম্মানীয় 'ভারত নির্মাণ পুরস্কার'ও পেয়েছেন।

এছাড়াও বহু পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। 'তেজস্বীনি পুরস্কার', 'হ্যালো কলকাতা', 'কেকেএমইআরএস', 'বেস্ট প্রেসিডেন্ট পুরস্কার', 'লায়ন্স ক্লাব আন্তর্জাতিক জেলা ৩২২ব২' ছাড়াও প্রথম ভারতীয় হিসেবে পেয়েছেন 'আইডব্লিউআইআরসি উওমেন অফ দ্য ইয়ার ইন রিস্ট্রাকচারিং (এশিয়া) অ্যাওয়ার্ড ২০২১'। মিসেস বিনানী ২০২১এর ২৬ অক্টবর ১৫ তম 'এশিয়ান বিজনেস এন্ড সোশ্যাল ফোরাম ২০২১ অ্যাওয়ার্ডস এন্ড বিজনেস ই সামিট' -এর তরফ থেকেও সম্মানিত হয়েছেন ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেল দুবাইয়ের এমিরেটস বল রুমে।

শ্রেষ্ঠ কাজের তালিকা

ডঃ (এইচসি) সিএস অ্যাডভোকেট মমতা বিনানী ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিয়েট অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন জাতীয় সভাপতি ছিলেন ২০১৬ সালে। ২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারি তিনি সেই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ৫২ বছরের ওই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় মহিলা সভাপতি হিসেবে আসন অলংকৃত করেছেন। মিসেস বিনানী 'কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এন্ড সিএসআর'-এর 'আইসিএসআই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স ২০১৬' এবং 'দ্য ইনস্টিটিউট অফ ডিরেক্টর্স'-এর 'দ্য গোল্ডেন পিকক অ্যাওয়ার্ড ২০১৬', 'কমান্ডেবল সিএসআর অ্যাক্টিভিটি' র 'অ্যাসোচেম অ্যাওয়ার্ড ২০১৬' র জুরি মেম্বার ছিলেন। কলকাতা ন্যাশনাল কোম্পানি 'ল ট্রাইব্যুনাল বার অ্যাসোশিয়েশনের সহ সভাপতি ছিলেন। মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স- লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল-এর চেয়ারপার্সন, এবং ইনসোল ইন্ডিয়ার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ইন্টারন্যাশনাল উওমনেন্স ইনসল্ভেন্সি এন্ড রিস্ট্রাকচারিং কনফেডারেশন (আইডব্লিউআইআরসি)-এর বোর্ড সদস্য এবং বর্তমানে ইন্ডিয়া নেটওয়ার্ক-এর কো চেয়ার হিসেবে আসন অলংকৃত করছেন।

দেশের বেশ কিছু স্বাবলম্বী স্বনামধন্য কোম্পানির বোর্ড-এর ডিরেক্টর হিসেবেও কাজ করছেন মিসেস বিনানী। সেঞ্চুরি প্লাই, বলরামপুর চিনি মিলস, ইমামি লিমিটেড এবং এমন আরও কিছু কোম্পানির উচ্চপদে আসীন রয়েছেন তিনি। মিসেস বিনানী মনে করেন, সরকার ইঞ্জিনের মত সব চালনা করে এবং সেই কাজে সরকারকে সাহায্য করাই একজন সদস্য হিসেবে তাঁর কাজ, যাতে সরকারের কাজ জনসাধারণের কাছে লক্ষ্যণীয় হয়ে ওঠে। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে তিনি কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেছেন এবং মমতা বিনানী এন্ড অ্যাসোসিয়েটস-এর বরিষ্ঠ অংশীদার হিসেবেও কাজ করেছেন। পুনে, কলকাতা এবং চেন্নাইতে তাঁর অফিস রয়েছে। বর্তমানে তিনি অ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করছেন। পুনর্গঠন (রিস্ট্রাকচারিং), কর্পোরেট এবং আইনি বিষয় (লিগ্যাল ম্যাটার)- এর কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছেন।


উল্লেখযোগ্য অবদান


মিসেস বিনানী একজন রেজিস্টার্ড ইন্সল্ভেন্সি প্রফেশনাল। দেশের মধ্যে তিনিই প্রথম পেশাদার দেউলিয়া হিসেবে কাজ করছেন। 'ইনসল্ভেন্সি এন্ড ব্যাংকরাপ্টসি বোর্ড অফ ইন্ডিয়া'র তরফেও তাঁর নিবন্ধন রয়েছে। বেশ কিছু সম্মানীয় বোর্ডের স্বাধীন ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন মিসেস বিনানী। 'ইনস্টিটিউট অফ ইনসল্ভেন্সি প্রফেশনাল'স-এর প্রমোটর ডিরেক্টর হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।

২০১০-এ 'ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস অফ ইন্ডিয়া'র পূর্ব ভারতের আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারপার্সন হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। পূর্বাঞ্চলের 'দ্য ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া', 'দ্য ইনস্টিটিউট অফ কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ ইন্ডিয়া' এবং 'দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস অফ ইন্ডিয়া' এই তিনটি পেশাদার প্রতিষ্ঠানের একমাত্র মহিলা হিসেবে পদ অলংকৃত করেছেন মিসেস বিনানী।

২০২১ এ তিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে 'আইডব্লিউআইআরসি' পুরস্কার পান। 'ইন্টারন্যাশনাল উওমেন্স ইনসল্ভেন্সি এন্ড রিস্ট্রাকচারিং কনফেডারেশন' একটি এমন প্রতিষ্ঠান যারা ৪৯ দেশে নিজেদের বিস্তার ঘটিয়েছে। এই সংস্থায় প্রথম আন্তর্জাতিক স্তরে দেউলিয়া এবং পুনর্গঠন সম্পর্কিত মহিলাদের সমস্ত রকম সমস্যা নিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য এই সংস্থার মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৭০০।

আইন সংক্রান্ত বিষয়ে মিসেস বিনানী নিজেকে একেবারে আপডেট রাখেন। সাম্প্রতিকতম বদলের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে উন্নত রাখেন। তিনি দেশের সরকারকে কোনও মেশিনের ইঞ্জিনের সঙ্গে তুলনা করেন এবং সেই মেশিনের একটি অংশ হিসেবে নিজের কর্তব্য সম্পন্ন করতে চান। তিনি মনে করেন সরকারের কল্পনাকে জনসাধারণের জন্য বাস্তবায়িত করাই তাঁর কাজ। নিজের ইনসল্ভেন্সির জগতে তিনি যথেষ্ট কর্মক্ষম, এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ লেখক, বক্তা এবং সুচিন্তিত নেতা।

Written By

Swarnali Goswami

'অরবিন্দ দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের এক অনন্য উপহার

কলকাতা: ১৫ অগস্ট দেশ জুড়ে পালিত হবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। আজাদি কা অমৃত মহোৎসব উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে একাধিক কর্মসূচি। ১৫ অগস্ট যেমন দেশের স্বাধীনতা দিবস, পাশাপাশি বরেণ্য বিপ্লবী ঋষি অরবিন্দের জন্মদিবসও। শ্রীঅরবিন্দের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্বাধীনতা দিবসে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'শ্রী অরবিন্দ: দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' প্রদর্শন করবে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব। পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সুরজ কুমার পরিচালিত, শর্ট ফিল্মটি মনীশ কুমার প্রাণের চিত্রনাট্যের উপর ভিত্তি করে নির্মিত।

ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিক্রান্ত চৌহান। ১৫ই আগস্ট ২০২২-এ ভারতীয় দূতাবাস, প্যারিস, ভারত, সিজিআই বার্মিংহাম, সুইজারল্যান্ড, কলম্বিয়া এবং ইকুয়েডর, ইউনেস্কো এবং বাহরাইনে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি দল সহ বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় ছবিটির প্রিমিয়ার হচ্ছে।

অরবিন্দ ঘোষের কারাগার জীবনের (১৯০৮-১৯০৯) উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই ছবি। যার কিছু শুটিং হয়েছিল কলকাতার আলিপুর জেলে, যেখান থেকে তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। শ্রী অরবিন্দ ১৯০৮ সালের ৫ই মে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য গ্রেফতার হন এবং আলিপুর জেলে পুরো এক বছর অতিবাহিত করেন। ব্রিটিশ সরকার একটি আদালত বিচারের নামে প্রহসন করে তাঁকে বিভিন্ন জড়িত করার চেষ্টা করে। এটি আলিপুর বোমা মামলা নামে পরিচিতি পায়। অবশেষে ১৯০৯ সালের ৬মে তিনি মুক্তি পান।

স্বাধীনতা দিবস ২০২২ এ ঋষি অরবিন্দের ১৫০ বছর পূর্ণ হবে। অরবিন্দ ১৫ই আগস্ট, ১৮৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যা শর্ট ফিল্মটিকে আরও বিশেষিত করে তোলে৷ ফিল্মটি শ্রী অরবিন্দের জীবন যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উপর আলোকপাত করে যাকে প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়।

ফিল্ম সম্পর্কে তাঁর চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিয়ে সুরজ কুমার বলেন, “শ্রী অরবিন্দ ঘোষ যখন জেলে ছিলেন, তাঁর আধ্যাত্মিক রূপান্তর শুরু হয়েছিল মাত্র ২-৩ দিনের জেল জীবনের পর। আমার শর্ট ফিল্ম 'শ্রী অরবিন্দ: দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' আলিপুর জেলে তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরুর গল্প বলে"। তিনি আরও বলেন “আমার আইআইএমসি বন্ধুদের একজন এবং কারা সংস্কারক ডক্টর ভার্তিকা নন্দা যখন ২০২১ সালের শুরুর দিকে আমার সাথে এটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, তখন সংক্ষিপ্ত করার ধারণাটি তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে, আমি ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম। শ্রী অরবিন্দের কারাবাস সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ নিবন্ধগুলি নিয়ে দীর্ঘ পড়াশোনা করি, তথ্য নথিবদ্ধ করি।

'শ্রী অরবিন্দ: দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশে সাড়া ফেলবে বলে আত্মবিশ্বাসী পরিচালক।

'রক্ষা বন্ধন' ছবির প্রমোশনে কলকাতায় টিম রক্ষা বন্ধন

শ্রাবণের ২২ তারিখ। বাঙালির আবেগ। সেই আবেগকে আরও উস্কে দিয়ে শহর ভিজিয়ে দিলেন অক্ষয় কুমার এবং তাঁর টিম। বলা ভালো আসন্ন সিনেমা 'রক্ষা বন্ধনে'র প্রমোশনে বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি পরিচালক এবং অন্যান্য কলাকুশলী সহ কলকাতা মাতিয়ে দিলেন অক্ষয় কুমার।

দুবাই, পুনে, হায়দ্রাবাদ, আহমেদাবাদ এবং ইন্দোরে এই টিম সিনেমাটির প্রমোশন করে ফেলেছে ইতিমধ্যেই। পরিচালক-প্রযোজক আনন্দ এল রাই, সাদিয়া খাতিব, স্মৃতি শ্রীকান্ত, শাহজমিন কৌর, দীপিকা খান্না সহ অক্ষয় কুমার কলকাতায় এলেন ছবির প্রচার সারতে।

কলকাতা এসে এই টিম গিয়েছিল দিল্লি পাবলিক স্কুলে, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে এই সিনেমা নিয়ে আলোচনা করতে। স্কুলে তাদের ফ্যানদের তরফ থেকে সিনেমার কলাকুশলীরা সাদর অভ্যর্থনা পেয়েছেন। 'রক্ষা বন্ধন' টিম ওই স্কুলে তাদের ভক্তদের সঙ্গে সেলফিও তুলেছেন।

আনন্দ এল রাইয়ের পরিচালনায়, আনন্দ এল রাই, হিমাংশু শর্মা, জি স্টুডিও, অলকা হিরানন্দানি এবং কেপি অফ গুড ফিল্মস-এর প্রযোজনায় তৈরী এই ছবির গল্প লিখেছেন হিমাংশু শর্মা এবং কণিকা ধিল্লোঁ, ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন হিমেশ রেশমিয়া এবং গানের কথা লিখেছেন ইরশাদ কামিল।

ভূমি পেডনেকর, অক্ষয় কুমার, নীরজ সুদ, সীমা পাহওয়া, সাদিয়া খাতিব, অভিলাষ থাপলিওয়াল, দীপিকা খান্না, স্মৃতি শ্রীকান্ত এবং শাহজমিন কৌর রয়েছেন রক্ষা বন্ধনের মূল চরিত্রায়নে। সিনেমাটি রিলিজ করবে আগামী ১১ আগস্ট ২০২২।

Written By

Swarnali Goswami

রাজ্যের নতুন ৭ টি জেলা এবং তৃণমূলের সাংগঠনিক পদে রদবদল

রাজ্যে আরও সাত নতুন জেলার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''রাজ্যে আরও সাত নতুন জেলা হচ্ছে।'' উত্তর ২৪ পরগনাতে হচ্ছে ইছামতি জেলা। এছাড়াও জেলা হচ্ছে বসিরহাট। সুন্দরবন নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হল। মুর্শিদাবাদে মোট হচ্ছে তিনটে জেলা -কান্দি, বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ। বাঁকুড়ায় হচ্ছে নতুন জেলা বিষ্ণুপুর এবং নদীয়ায় হচ্ছে রানাঘাট জেলা। আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা এবং উন্নতমানের পরিষেবা দিতেই এই সাত নতুন জেলা তৈরি বলে সোমবার নবান্ন থেকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ আরও বেশি করে করা যাবে বলেই মত প্রশাসনের। তবে জেলার সংখ্যা বাড়লে সরকারি আধিকারিক থেকে পুলিশকর্মী যেমন অতিরিক্ত লাগবে, তেমনই সরকারের খরচও অনেকটাই বাড়বে এটাও ঠিক।

এছাড়াও বড় আকারে সাংগঠনিক রদবদল হল তৃণমূলে। সোমবার সকালে সর্বভারতীয় তৃণমূলের তরফে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জেলায় জেলায় ঢেলে সাজানো হল সংগঠন। সামনে এল একাধিক নয়া মুখ। নয়া তালিকা অনুযায়ী, একাধিক জেলার দায়িত্ব এলেন মহিলা মুখ।

সোমবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রিসভায় রদবদলের ঘোষণাও করেন। বুধবার বিকেল ৪টে নাগাদ এই রদবদলের ঘোষণা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মন্ত্রিসভায় থাকা চার-পাঁচ জনকে দলের কাজে লাগানো হবে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের তরফে 'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন ২০২২'-এর ১৭ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হল

'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন ২০২২'-এর ১৭ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হল ৩০ জুলাই সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের তরফে। এই পুরস্কারের অনুষ্ঠানটি ভারতের মধ্যে একমাত্র অনুষ্ঠান, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের হিন্দি বিষয়ে ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়। মূলতঃ হিন্দি ভাষার প্রতি নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই সন্মার্গ ফাউন্ডেশন এই উদ্যোগ নিয়েছে। কলকাতার জি ডি বিড়লা সভাঘরে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছর শিলিগুড়ি এবং দক্ষিণবঙ্গ সংস্করণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছিলেন প্রখ্যাত টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ঋত্বিক ধনজানি। এছাড়াও শহরের পড়ুয়াদের কথা ভেবে আয়োজন করা হয়েছিল রেভোলিউশন ব্যান্ডের রক পারফরম্যান্স।

সিআইএসসিই, সিবিএসই এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড মিলে মোট ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয় এদিন। ৩ টি বোর্ডের ১০ এবং ১২ -এর প্রত্যেকটি থেকে ১২ জন করে শীর্ষস্থানাধিকারীদের এই পুরস্কার দেওয়া হল। প্রত্যেক বোর্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারীদের সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে স্কলারশিপ দেওয়া হল। এছাড়াও ৪টি শীর্ষস্থানীয় স্কুল, ৬ জন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষক এবং ৪ জন কলেজের শীর্ষস্থানীয়দেরও পুরস্কৃত করা হল এদিন। 'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন' রাজ্যের প্রায় ৫০০০ স্কুলে এবং দেশের প্রায় ১০০০ এরও বেশি স্কুলে নিজেদের ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে পড়ুয়ারা হিন্দি ভাষায় তাদের স্কুল পারফর্মেন্স, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি এবং পার্সোনাল ইনিশিয়েটিভ-এর মাধ্যমে এই পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে পারে। হিন্দি শিক্ষক যাঁরা পড়ুয়াদের ভিত মজবুত করতে সাহায্য করছেন, তাঁরা সহ উদ্যোগী বিদ্যালয়গুলিকেও পুরস্কৃত করা হয় হিন্দি ভাষায় তাদের অবদানের জন্য। শারীরিক ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সক্ষম, মানসিক দিক দিয়ে বিশেষভাবে সক্ষম, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পড়ুয়াদেরও এ বছর সাফল্যের নিরিখে পুরস্কৃত করা হল। এগুলি 'অজয়' এবং 'অপরাজয়' এই বিভাগে ছিল।

সমগ্র পূর্ব ভারতে কলকাতা কেন্দ্রিক একটি বিখ্যাত হিন্দি দৈনিক হিসেবে ১৯৪৬ সাল থেকে 'সন্মার্গ' প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। মানবিকতা এবং ন্যায়পরায়ণতার ওপর ভিত্তি করে স্বামী করপত্রীজি মহারাজ এই সংবাদপত্রের সূচনা করেছিলেন। বর্তমানে এটি রাজ্যের ২৩টি জেলার প্রতিটি কোনায় একমাত্র হিন্দি দৈনিক হিসেবে পৌঁছে যাচ্ছে। সন্মার্গ পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা এবং রাঁচি থাকে প্রকাশিত হয়। শুধুমাত্র প্রিন্ট নয়, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটি বর্তমানে ডিজিটাল মাধ্যমেও প্রকাশিত হচ্ছে। 'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা' হিসেবে পূর্বে প্রচারিত 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' ২০০১ সালে হিন্দি ভাষার মাধ্যমে উন্নত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

সন্মার্গের ডিরেক্টর এবং সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা মিডিয়াকে জানালেন, "ভারতের ভাষা হিন্দি। আমরা যখন দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছি, সেই সময় দেশের কোনও রাষ্ট্রভাষা নেই। ভারতের অফিশিয়াল ভাষা হিন্দি। 'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন' নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই ভাষাটির প্রতি গর্ব অনুভব করার সুযোগ করে দিচ্ছে। আজকে তারা যা অনুসরণ করবে, দেশ ভবিষ্যতে সেদিকেই এগোবে- এই নীতির ওপর আস্থা রেখে চলছি আমরা।"

Written By

Swarnali Goswami

গ্রামীণ ভারতে সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে পথে নামছে লোটাস টিএমটি মোবাইল মেডিকেল বাস

কলকাতা, ৩১ জুলাইঃ গ্রামীণ ভারতে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে আরও সহজে পাওয়া যায় তার জন্য বাস্তবায়ন হতে চলেছে মেডিকেল বাসের। পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল অন হুইলস চালু করার এই উদ্যোগ নিতে চলেছে। লোটাস টিএমটি মেডিকেলের এই বাসটি হবে দৈর্ঘ্যে ৩২ ফুট।

বিডিজি মেটাল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের তৈরি বিডিজি রমেশ গয়াল সেবা সংস্থা এবং আনন্দলোক হাসপাতাল (সল্টলেক) এর যৌথ উদ্যোগে চিকিৎসা পরিষেবা দেবে এই বাস। প্রত্যন্ত, সুবিধা বঞ্চিত এলাকার মানুষদের চিকিৎসায় সহায়তা দেবে এই মেডিকেল বাস।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন কৃষিমন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের দমকল মন্ত্রী শ্রী সুজিত বোস, আনন্দলোক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শ্রী দেব কুমার সরফ, গয়াল গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী রমেশ চাঁদ গয়াল, কার্ডিওলজির বিভাগীয় প্রধান এবং মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ কুনাল সরকার, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জি, সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

চোখ, দাঁত ও ইএনটি চেক-আপ এবং সাধারণ চেক-আপ, প্যাথলজিকাল ল্যাবরেটরি, সাধারণ ওপিডি, ইসিজি এবং এক্স-রে পরিষেবা সহ অন্যান্য অনেক পরিষেবা মিলবে এই বাসে। এই মোবাইল হাসপাতালে যাদের প্রয়োজন তাদের ওষুধ ও চশমাও দেওয়া হবে। নামমাত্র টাকা দিয়ে (দশ টাকা) ডাক্তারের পরামর্শ প্রদান করা হবে। প্রথমবার ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে, ২০ টাকায় চশমা। ২০ টাকার বিনিময়ে যেখানে প্যাথলজি, ইসিজি এবং এক্স-রে পরিষেবাও পাওয়া যাবে। বাসের ভিতরে ৪ জন ডাক্তার, ল্যাব এবং এক্স-রে টেকনিশিয়ান এবং একজন রোগীর পরামর্শদাতার একটি দল উপস্থিত থাকবে।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় গয়াল গ্রুপের চেয়ারম্যান রমেশ চাঁদ গয়াল বলেন, “এই বাসটি চালু করার পেছনে আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বঞ্চিত মানুষের সেবা করা এবং প্রযুক্তির একীকরণ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা। এটি বিডিজি রমেশ গয়াল সেবা সংস্থার একটি উদ্যোগ। দরিদ্রদের কাছে পৌঁছানোর জন্য আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং বাংলার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাথে সহযোগিতার সুযোগগুলিও অন্বেষণ করছি"।

রমেশ গয়াল সেবা সংস্থার ম্যানেজিং ট্রাস্টি অলোক গয়াল বলেছেন, “এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল মূল্য-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রচার করা এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সাথে সংযুক্ত করা। এই উদ্যোগের লক্ষ্য অপ্রচলিত স্থানে চিকিৎসা সুবিধা জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন লোকদের কাছে পৌঁছানো।

বিডিজি মেটাল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের পটভূমি: বিডিজি মেটাল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড, গয়াল গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ কোম্পানি, যে গ্রুপটি প্রতিশ্রুতি, সততা এবং দৃঢ় নীতির সাথে ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে আয়রন অ্যান্ড স্টিলের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। গ্রুপটি বড়জোড়ায় ইস্পাত উৎপাদন সংস্থাপনকে সমন্বিত করেছে, রেলওয়ে হুইল প্রক্রিয়াকরণ দুর্গাপুরকে একত্রিত করেছে। গ্রুপটির বিভিন্ন ব্যবসায়িক স্বার্থ রয়েছে, তারা FEELEX ব্র্যান্ডের নামে স্লিপিং ম্যাট্রেস ও বাংলায় তাদের ৩টি ইউনিটে এবং ভারতের পশ্চিমে দমনে একটি ইউনিটে কমফেক্সের নামে ফোম তৈরি করছে। দুটি ব্র্যান্ডই জনপ্রিয় এবং ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ। সম্প্রতি গ্রুপটি দুর্গাপুরে ইউনিট স্থাপন করেছে, যা অন্যান্য বিভিন্ন শিল্প ছাড়াও ভারতের সমস্ত শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট, সার ব্র্যান্ডগুলিতে সরবরাহ করবে।

এসএসসি মেধাতালিকায় থাকা সকলের চাকরি- আশ্বাস দিলেন অভিষেক

মেধা তালিকায় নাম না থাকা এবং মেধা তালিকার নীচের দিকে থাকা বেশ কয়েকজন হাইজাম্প করে তালিকার ওপরে উঠে এসেছেন এমনটাই অভিযোগ উঠেছে এসএসসি-র নবম- দশম শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই নম্বর বিভাজন-সহ মেধাতালিকা প্রকাশ করে SSC। তার পরই চাকরিপ্রার্থীরা এই অভিযোগ তোলেন। আগামী ১৬ অগাস্টের মধ্যে নতুন করে তালিকা প্রকাশ করতে বলা হল হাইকোর্টের তরফে।

এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করে আপ্লুত এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা। আগামী ৮ অগাস্ট শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ফের বৈঠকে বসতে চলেছেন আন্দোলনকারীরা। অভিষেক অত্যন্ত মানবিক- এমনটাই জানালেন আন্দোনলকারীদের প্রতিনিধি শহিদুল্লাহ। এদিনের প্রায় দু'ঘণ্টার বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে জানান, “অভিষেক অত্যন্ত মানবিক। তিনি জানিয়েছেন, মেধাতালিকার প্রার্থীরা যাতে সবাই চাকরিতে নিয়োগ পান তার জন্য ১০০ শতাংশ চেষ্টা করবেন তিনি! আমরা বৈঠকে খুশি, তবে ধর্না তোলার বিষয়ে কোনও কথা হয়নি।”

'এনআইপি', 'অনুভব' এবং 'গণদর্পন' একত্রে বিশেষ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন এবং বিশেষভাবে সক্ষম ও অন্যান্যদের দ্বারা একটি অভিনব দেহদান ও চক্ষুদান শিবিরের আয়োজন

কলকাতাঃ সামাজিক প্রতিষ্ঠান 'অনুভব' এবং বিশেষ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন তথা বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য একটি শিক্ষা এবং সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান 'এনআইপি এনজিও' ও 'গণদর্পন' একত্রে বিশেষ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন এবং বিশেষভাবে সক্ষম ও অন্যান্যদের দ্বারা একটি অভিনব দেহদান ও চক্ষুদান শিবিরের আয়োজন করেছিল ২৭ জুলাই। পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের উদ্যোগ এই প্রথম।

এনআইপি নিজেদের পরিধি বিস্তারের পাশাপাশি তাদের সদস্যদের সাংস্কৃতিক বিষয়ে আগ্রহ তৈরি তথা অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ নিয়েও যথেষ্ট সচেতন। বর্জ্য পদার্থ ব্যবহার করে "ওয়েস্ট টু রিচুয়ালিটি" (আচার-অনুষ্ঠানের অপচয়) নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছে এনআইপি, যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ট কলেজ এবং আর্ট প্রফেশনালদের নিয়োজিত করেছে কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য, যা যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এনআইপি র সচিব মিঃ দেবজ্যোতি রায় এবং হৃদয়পুর অনুভব ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি মিঃ সুশান্ত ভট্টাচার্য্য জানালেন, যাঁরা বিশেষ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন বা বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি, তাঁরা কারো থেকে কিছু কম নন, আমরা এই উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের থেকে সেরাটা গ্রহণ করে সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করছি। এই অনুষ্ঠানে ১০০র ও বেশি এমন ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় নিজেদের চোখ এবং অঙ্গ দান করেছেন। প্যারালিম্পিকে সাফল্য এদের ন্যায্য অধিকার বুঝিয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ প্রফেশনাল বা এনআইপি এনজিওটি বিশেষ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন তথা বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য একটি শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। ২০১২ সালের ৩ ডিসেম্বর এনআইপি রাজ্য তরফের পুরস্কার 'স্টেট অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছে। কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই প্রতিষ্ঠান প্রচুর সচেতনতামূলক ক্যাম্প সংগঠিত করেছে। তারা অল বেঙ্গল চেস কম্পিটিশন এবং টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করেছে বিশেষ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন তথা বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য। এছাড়াও বিশেষভাবে সক্ষম ও বয়স্ক নাগরিকদের জন্য দুর্গোৎসবের আয়োজন করে পুরস্কারও জিতে নিয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

খুঁটি পুজোর মাধ্যমে ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজোর সূচনা হয়ে গেল

২৪ জুলাই শরৎকালীন উৎসবের সূচনা করল ভবানীপুর ৭৫ পল্লী। রবিবার তাদের খুঁটি পুজো সম্পন্ন হল নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনের কাছে ভবানীপুরের ১/১সি দেবেন্দ্র ঘোষ রোডে। উদযাপনের অভিনবনত্ব এবং উদ্ভাবনী ধারণার জন্য ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজো, শহরের একটি উল্লেখযোগ্য দুর্গাপুজো হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। তাদের মন্ডপ সজ্জা এবং সামাজিক কার্যকলাপও প্রতি বছর পুজোটিকে আলাদা মাত্রা দেয়। প্রতি বছর বরিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, টলিউডের নামজাদা ব্যক্তিত্ব, থিয়েটার ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট সাহিত্যিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা এই পুজো দেখতে আসেন।

রবিবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন, নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক মন্ত্রী জনাব ফিরহাদ হাকিম, কৃষি মন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক শ্রী দেবাশিস কুমার, সমাজকর্মী শ্রী কার্তিক ব্যানার্জী, কাউন্সিলর শ্রীমতি পাপিয়া সিং, কাউন্সিলর শ্রী সন্দীপ রঞ্জন বক্সী, কাউন্সিলর শ্রী অসীম বসু, পশ্চিমবঙ্গ যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সচিব শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জী, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি শ্রী বাবুন ব্যানার্জী সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে তাদের পুজোর ৫৮তম বর্ষ উদযাপন করছে। প্রতিমা, মন্ডপসজ্জা, পরিবেশ, সুরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তথা সামগ্রিক ভাবনার দিক দিয়ে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী শহরের পুজোগুলির মধ্যে নিজেদের আলাদা বৈশিষ্ট্য রাখার চেষ্টা করে প্রতি বছর। এ বছরও তার অন্যথা হবেনা এমনটা আশা করা যায়।

ক্লাব সেক্রেটারি মিঃ সুবীর দাস জানালেন, "প্রতি বছর বিভিন্ন বিভাগে প্রচুর পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি সাফল্যের সঙ্গে পুজো সম্পন্ন হয় বলে আমরা সব সময় উজ্জীবিত থাকি, প্রতি বছর আরও ভালো করার চেষ্টা করি।

এবারে দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই আলাদা একটা ব্যাপার থাকবে এবারের দুর্গাপুজোয়। আমরা আশা করছি বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক তথা দর্শক পাব আমরা। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কি নির্দেশ আসে, এই ইউনেস্কো স্বীকৃত দুর্গাপুজো উদযাপনের ক্ষেত্রে তার জন্যও অপেক্ষা করছি আমরা। এই মুহূর্তে যদিও করোনাগ্রাফ ফের উর্দ্ধমুখী হয়েছে, তাই কিছু নির্দেশাবলী আমাদের মেনে চলতেই হবে, যাতে কোভিড বাড়তে না পারে, আশা করব দর্শকরা সেই সম্বন্ধে সচেতন থাকবেন।" তিনি সকলকে পরিবার ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে তাঁদের পুজো দেখতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ভবানীপুর ৭৫ পল্লী তাদের এই বিশিষ্ট পুজো পরিচালনার মধ্যেও কিন্তু সামাজিক কর্তব্য ভুলে যায়না। সারা বছর ধরেই তারা বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজে নিজেদের আবদ্ধ রাখে। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, দেহদান-চক্ষুদান শিবির, রক্তদান শিবির ছাড়াও দুর্গাপুজোয় সমাজের অনগ্রসর সম্প্রদায়ের জন্য নতুন শাড়ি এবং নতুন বস্ত্র প্রদান, বাচ্চাদের পড়ার সামগ্রী বিতরণ, শীতকালে কম্বল বিতরণ প্রভৃতি সমাজসেবামূলক কাজ করে এই সংস্থা।

Written By

Swarnali Goswami

দিনভর নাটক দেখল শহর সহ সারা দেশ। গ্রেফতার পার্থ, অর্পিতা। নজরে মোনালিসা

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে শারীরিক অসুস্থতার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল। টানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা জেরার পর শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ ইডির সদস্যরা পার্থকে গ্রেফতার করেন। হয়ত ইডির সদস্যরা পার্থকে জেরা করেই ছেড়ে দিতেন যেমনটা করা হচ্ছে অন্যান্যদের ক্ষেত্রে। কিন্তু কিছু দলিল নজরে পড়ে যায় তাদের।

সূত্রের দাবি, পার্থের বাড়িতে তল্লাশির সময় তদন্তকারীরা কিছু দলিলের হদিস পান। সেই দলিলের সূত্র ধরেই হদিস মেলে অর্পিতার। তার পরেই অর্পিতার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। সেখানে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে টাকার পাহাড়। অর্পিতা যেহেতু পার্থর ঘনিষ্ঠ, ঠিক হয়, হিসাব-বহির্ভূত এবং আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন ওই বিপুল অর্থ উদ্ধারের ‘দায়’ মন্ত্রী পার্থেরই। ফলে তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি টাকার হদিস পেতে হবে। তদন্তের স্বার্থেই পার্থকে গ্রেফতার করা প্রয়োজন।

নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আগে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক পরীক্ষা হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। প্রায় দেড় ঘণ্টা বাদে পার্থকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হন ইডি আধিকারিকরা। ব্যাংকশাল আদালতে পৌঁছন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় পুলিশ লক-আপে, সেখান থেকে এজলাসে নেওয়া হয় শিল্পমন্ত্রীকে। তাঁকে ১৪ দিন নিজেদের হেফাজতে চেয়েছিল ইডি, তবে আদালত ২ দিনের হেফাজত দিয়েছে। আটক প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আপ্ত-সহায়ক-ও। এদিকে শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় এদিন আদলতের কাছে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তির আবেদন জানান মন্ত্রী। শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে তাতে সায় আদালতের। সোমবারের মধ্যে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিপুল টাকা, সোনা, বিদেশী মুদ্রা উদ্ধারের পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করল ইডি। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় নগদ ২১ কোটি টাকা, প্রায় ৫০ লাখ টাকার সোনা, লাখখানেক বিদেশী মুদ্রা সহ প্রায় দশটি বাড়ির দলিল। নগদ টাকা একের পর এক ট্রাঙ্কে ভরে ট্রাকে করে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দিকে রওনা হওয়ার পরই বাড়ি থেকে অর্পিতাকে বার করে আনে ইডি। পার্থর অপর আর এক ঘনিষ্ঠ মোনালিসা দাসের দিকেও নজর রাখছে ইডি।

এদিকে সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূলের তরফে জানানো হল যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিন্তু যদি ষড়যন্ত্র হয়, তবে প্রতিরোধ করতেও ছাড়বেনা দল।

দ্রৌপদী মুর্মু দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি

২১শে জুলাই শহীদ দিবসের অনুষ্ঠান থেকে ২০২৪ কে পাখির চোখ করার আহ্বান জানালেন সভানেত্রী

এ বছরের ভালোবাসার সঙ্গীত, ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ওয়ান : শিবা র গান 'কেসরিয়া' ৫ টি ভাষায় প্রকাশিত হল

'কেসরিয়া'র টিসার বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে তা যেমনভাবে ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল, তা বুঝিয়ে দিয়েছিল গান রিলিজ করলেও তা সমানভাবে জনপ্রিয় হবে এবং সকলেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল গানটি রিলিজ করার। রবিবার ১৭ জুলাই সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অয়ন মুখার্জীর সিনেমা ব্রহ্মাস্ত্র-র বহু প্রতিক্ষিত 'কেসরিয়া' গানটি প্রকাশিত হল সোনি মিউজিক-এর পক্ষ থেকে। বারানসির ঘাটে গানটি শ্যুট করা হয়েছে। বছরের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রেমের গান হিসেবে এটি বিবেচিত হবে এমনটাই আশা করা হচ্ছে। আজ হিন্দি, তামিল, তেলেগু, মালয়ালম এবং কন্নড় এই পাঁচটি ভাষায় গানটি প্রকাশিত হল।

ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ওয়ান: শিবা-র প্রতিটি টিসার, তা সে গানেরই হোক বা সিনেমার ক্লিপিংস- সব জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সদ্য প্রকাশিত ভিডিও 'দ্য ওয়ার্ল্ড অফ অস্ত্রস'- ও তুমুল সাড়া ফেলেছে ছবিটিকে ঘিরে।

এই বিষয়ে বলতে গিয়ে অভিনেতা রণবীর কাপুর জানালেন, "গানটির সজীবতা দর্শকদের নিজেদের সঙ্গে রিলেট করতে সাহায্য করবে। আমি টিমের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাব এমন হৃদয়স্পর্শ করা গানটি সৃষ্টি করার জন্য। প্ৰত্যেকটি দর্শক-শ্রোতা গানটির উষ্ণতা অনুভব করতে পারবে এবং যথেষ্ট উপভোগ করবে গানটি।"

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট জানালেন, "আমার কাছে কেসরিয়া গানটির মাধ্যমে সকলে খুশি এবং সুখের একটা অনুভূতি পাবে। ব্রহ্মাস্ত্র পার্ট ওয়ান : শিবা-র এটি প্রথম ঝলক বা আভাস বলা যায়। আমার কাছে এবং আমাদের গোটা টিমের কাছে গানটি যথেষ্ট স্পেশাল। আমি যখনই গানটি শুনি তখনই একটা ভালোলাগার অনুভূতি তৈরি হয়। আমার মনে হয় সব শ্রোতা তথা দর্শকদের এই অনুভূতিটা হবে।"

পরিচালক অয়ন মুখার্জী জানালেন, "প্রীতম দা, অরিজিৎ, অমিতাভ ভট্টাচার্য্য এবং কেসরিয়া-র গোটা টিমের সঙ্গে কাজ করা একটা উল্লেখযোগ্য স্মৃতি হয়ে থাকবে। প্রীতম দা বরাবরই সেরাটা দিয়েছে আমায়, সেই 'ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি' থেকে। গানের প্রত্যেকটা ভার্সানের জন্য আমি যথেষ্ট উত্তেজিত। অরিজিৎ সিং, সিড শ্রীরাম, সঞ্জিত হেগড়ে এবং হেশম আব্দুল ওয়াহাব প্রত্যেকে বিভিন্ন ভাষায় গানটি খুব সুন্দরভাবে এবং আত্মিকভাবে পরিবেশন করেছেন। তার পাশাপাশি আমরা এখানে রণবীর এবং আলিয়ার অভিনয়ের দারুণ যুগলবন্দীও দেখতে পাব। টিসারেই রণবীর- আলিয়ার জুটি দেখে দর্শকরা যেমনভাবে আপ্লুত হয়েছেন, গোটা গানটি দেখেও তেমনই খুশি হবেন সকলে তা হলফ করে বলা যায়।"

গানটি প্রকাশিত হওয়া প্রসঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক প্রীতম জানালেন, "গানটিতে অনুভূতির অনেকগুলি লেয়ার রয়েছে, এটাই গানটি সুরারোপ করার সময় গুরুত্ব দিয়েছি। গানের টিসার যখন ভাইরাল হয়ে গেল, আমি, অরিজিৎ এবং অমিতাভ জানতাম গানটি স্মরণীয় হতে চলেছে। পুরো গানটি আজ প্রকাশ পেল, আশা করছি এটি প্রত্যেকের টপ লিস্টের অন্যতম গান হিসেবে জায়গা করে নেবে।"

গানটি গাওয়া নিয়ে বলতে গিয়ে গায়ক অরিজিৎ সিং জানালেন, "ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে রোমান্টিক গান হিসেবে কেসরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নেবে। প্রীতম দা-র সুর, এবং অমিতাভর কথা গানটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। আমি শুধু আমার কাজটা করেছি গানটি গেয়ে। রণবীর এবং আলিয়া গানটি অনস্ক্রিন চমৎকার ফুটিয়ে তুলেছে। মানুষের হৃদয়ে কেসরিয়া জায়গা করে নেবে।"

গানটির গীতিকার অমিতাভ ভট্টাচার্য্য বলেন, "কেসরিয়ার জার্নি যথেষ্ট দীর্ঘ এবং সুন্দর ছিল। টিম হিসেবে আমরা প্রত্যেকে গানটির টিসার-এর প্রতিক্রিয়া দেখে অভিভূত হয়ে গিয়েছিলাম। আমি নিশ্চিত, দর্শকরা পুরো গানটির ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন। এই মরশুমে ভালোবাসার ভাষা হোক কেসরিয়া। গুনগুন করুন, অনুভব করুন, ছড়িয়ে দিন।"


এই রোমান্টিক গানটি গেয়েছেন সকলের প্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিং, যাঁর গাওয়া গান হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রতিষ্ঠিত সুরকার, বাদ্যযন্ত্রকার, গিটারিস্ট প্রীতম গানটির সুরারোপ করেছেন এবং প্ৰখ্যাত গীতিকার অমিতাভ ভট্টাচার্য্য সঙ্গীত রচনা করেছেন। এই জুটিতে মিলে একটি শাশ্বত রোমান্টিক ট্র্যাক উপহার দিলেন সকলকে এবং মুখ্য চরিত্রে রণবীর- আলিয়ার জুটি ও এমন দৃষ্টিনন্দন প্রেক্ষাপট রয়েছে গানটিতে যা প্রত্যেকের মুখে হাসি ফোটাতে বাধ্য। গানটি কোরিওগ্রাফ করেছেন গনেশ আচারিয়া

স্টার স্টুডিও, ধর্মা প্রোডাকশনস, প্রাইম ফোকাসের প্রযোজনায় স্টারলাইট পিকচার্স দ্য ম্যাগনাম ওপাসের মাধ্যমে সিনেমাটি রিলিজ করছে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। হিন্দি, তামিল, তেলেগু, মালয়ালম এবং কন্নড় মোট ৫টি ভারতীয় ভাষায় এটি দেখা যাবে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, মৌনী রায় এবং নাগার্জুন অক্কিনেনি

ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সোনি মিউজিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তাদের সম্মানীয় যাত্রাপথে রয়েছে সৃজনশীল আন্দোলন, সৃষ্টিশীল সংস্কৃতি, সৃষ্টিশীল সম্প্রদায় এবং অবশ্যই তা সৃষ্টি করেছে ইতিহাস। সঙ্গীতের জগতে প্রথম মিউজিক লেভেল থেকে প্রথম ডিস্ক রেকর্ডের সৃষ্টি রয়েছে তাদের ঝুলিতে। যথেষ্ট স্বনামধন্য শিল্পী এবং প্রচুর কালজয়ী সৃষ্টির বাহক এই সংস্থা। বর্তমানে সোনি মিউজিক ন্টারটেইনমেন্ট ১০০ টিরও বেশি দেশে কাজ করছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভরসার সঙ্গে আধুনিক পদ্ধতিতে উন্নতমানের প্রযুক্তির সাহায্যে শিল্পীদের মধ্যে থেকে বেছে নিচ্ছে সেরাটা এবং নতুনদের দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম। সোনি মিউজিক এন্টারটেইনমেন্ট গ্লোবাল সোনি পরিবারের একটি অঙ্গ।

Written By

Swarnali Goswami

GTA-র শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, দখল করতে নয়, বন্ধুত্ব করতে আগ্রহী তিনি

মঙ্গলবার পাহাড়ে GTA-র শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কল্পতরু হয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আইটি হাব, পানীয় জলের প্লান্ট তৈরি থেকে শুরু করে হোম-স্টে, রেস্তোরাঁ, শপিং মল-সহ পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নে GTA-কে ঢালাও সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিলেন এদিন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অনীত থাপার নেতৃত্বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা GTA পরিচালনার ভার পেয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার তাঁর বক্তব্যে পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন। "পাহাড়ে শান্তি বজায় থাকলে আইটি ইন্ডাস্ট্রিকে এখানে আসতে অনুরোধ করব। পাহাড়ে অশান্তি হতে দেব না"- বলেন তিনি। এদিন একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”আমরা বন্ধুত্ব চাই, ঝগড়া নয়। পাহাড়ের দখল নিতে আসব না। ভালোবাসতে আসব।” পাহাড়বাসীকে আশ্বস্ত করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন আরও বলেন, "কোনও ধান্দাবাজের কথায় পাহাড় অশান্ত হতে দেবেন না।" শান্তির সঙ্গে উঠে এসেছে পাহাড়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গও। তিনি জানিয়েছেন গত ১০ বছরে পাহাড়কে সাত হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। আগামিদিনে আরও সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পাহাড়ে শান্তি থাকলেই অর্থনৈতিক উন্নতি হবে এমনটাই জানালেন তিনি এদিন। মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিং ম্যাল চৌরাস্তায় এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রথমেই শপথ নেন BGPM প্রধান অনীত থাপা। তারপর একে একে মোট ৪৫ জন্য সদস্য এদিন শপথ নেন। তৃণমূল কংগ্রেস এই প্রথম GTA নির্বাচনে ৫টি আসন পেয়েছে। তার সুবাদে মুখ্যমন্ত্রীর এ হেন বক্তব্যের যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ম্যালের চৌরাস্তায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পরে দার্জিলিঙের কফি হাউসের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগেরবার মুখ্যমন্ত্রী দার্জিলিংয়ে এসে একটি ক্যাফে খোলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। এদিন বেলা ৩টের সময় সেই ক্যাফে অর্থাৎ কফি হাউসের উদ্বোধন করলেন তিনি। সেখানে সাহেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁকে রবীন্দ্রসংগীতের সুরে গলা মেলাতেও শোনা যায়।

৪ দিনের সফরে সোমবার পাহাড়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। বুধবার ১৩ জুলাই নেপালি কবি আচার্য ভানু ভক্তের জন্মজয়ন্তী। ম্যালের চৌরাস্তায় সেই জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর থাকার কথা। বুধ ও বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন তিনি।

শিয়ালদা মেট্রোর উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, বৃহস্পতিবার থেকে পাওয়া যাবে সাধারণ পরিষেবা

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। শহর কলকাতার অতি প্রতীক্ষিত মেট্রো পরিষেবা শুরু হতে চলেছে। হাওড়া ময়দান স্টেশন থেকে শিয়ালদা মেট্রোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন স্মৃতি ইরানি। সল্টলেক সেক্টর ৫ হয়ে ফুলবাগানের সঙ্গে যুক্ত হল শিয়ালদা। বৃহস্পতিবার থেকে সল্টলেক থেকে শিয়ালদা-৯ কিমি যাত্রাপথের পরিষেবা পাবেন সাধারণ মানুষ।

নতুন যাত্রা শুরু করতে সেজে উঠেছে শিয়ালদা মেট্রো স্টেশন। যাত্রীদের সুবিধার্থে একাধিক ব্যবস্থা থাকছে শিয়ালদা মেট্রো স্টেশনে। কলকাতায় এই প্রথম কোনও মেট্রো স্টেশনে থাকছে ডাবল ডিসচার্জ প্ল্যাটফর্ম। শিয়ালদা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের দু’পাশেই থাকবে যাত্রীদের ওঠা-নামার সুবিধা। ২১ মিনিটের যাত্রাপথে ন্যূনতম ভাড়া ধার্য্য হয়েছে ১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২০ টাকা। ভিড় সামাল দিতে শিয়ালদা স্টেশনে থাকছে ৯টি সিঁড়ি, ১৮টি এসক্যালেটর। স্টেশনে যাতায়াতের সুবিধার জন্যে থাকছে মোট ৫টি লিফট। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে স্টেশনে থাকছে ২৭টি টিকিট কাউন্টার।

উল্লেখ্য, ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো শুরু থেকেই খুব একটা লাভের মুখ দেখেনি। মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, শিয়ালদা মেট্রো পরিষেবা শুরু হলে আগের তুলনায় অনেকটাই বাড়বে যাত্রী সংখ্যা। মনে করা হচ্ছে, প্রতিদিন ৫০ হাজার যাত্রী হবে। সেই ভাবনায় মেট্রোর সার্ভিস সংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ করা হয়েছে। এবার থেকে সকাল ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মিলবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো পরিষেবা। অফিস টাইমে ১৫ মিনিট ও অন্য সময়ে ২০ মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো।


রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই সোমবার উদ্বোধন হয়ে গেল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের অষ্টম স্টেশন শিয়ালদার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে শেষ সময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সাংসদ-বিধায়ক যাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, দলের তরফে তার প্রতিবাদ স্বরূপ সকলেই অনুষ্ঠান বয়কট করেন। যদিও এই বিষয়ে কারো কাছ থেকেই কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আজ বিকেলে হাওড়া ময়দান স্টেশন থেকে শিয়ালদা মেট্রো উদ্বোধন করে উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বাংলা ভাষায় তিনি বলেন, "আমি বাংলার মেয়ে। বাগচি পরিবারের মেয়ে। ‘আমার দাদুর বাড়ি সল্টলেকে ছিল। আর আমিই সল্টলেক যাওয়ার জন্য শিয়ালদা থেকে মেট্রোর উদ্বোধন করছি। আজ আমি খুব খুশি যে এই মেট্রো আমার দাদুর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছবে। আমি সেই পর্যন্ত টিকিট কেটে যাব।" সেইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ২০২৩ সালের মধ্যে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।


ক্রিকেট আইকন মিতালি রাজ, অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর এবং পরিচালক সৃজিত মুখার্জী 'সাবাশ মিঠু'র প্রচারে এলেন কলকাতার ইডেন গার্ডেনে

কলকাতা, ৯ জুলাইঃ আগামী ১৫ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে বহু চর্চিত এবং বহু প্রতীক্ষিত আইকনিক ক্রিকেট প্লেয়ার মিতালি রাজ - এর জীবনীর ওপর ভিত্তি করে ভায়াকম ১৮ স্টুডিও নির্মিত ছবি 'সাবাশ মিঠু'।

সিনেমাটির মুক্তির দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই 'সাবাশ মিঠু'র টিম নিশ্ছিদ্র প্রচারের পরিকল্পনা জোরদার করে তুলছে। কোনও রকম খামতি যেন না থাকে তার বিশেষ চেষ্টা করা হচ্ছে ছবিটির টিমের তরফ থেকে। সেই দিকে নজর রেখেই শনিবার ৯ জুলাই কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ছবির প্রচারে উপস্থিত হয়েছিলেন টিমের মুখ্য তিন মুখ। তাপসী পান্নু, মিতালি রাজ এবং জাতীয় পুরস্কার প্রাপক পরিচালক সৃজিত মুখার্জী।

এদিন মিতালি রাজ মিডিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন, "ইডেন গার্ডেন, ক্রিকেট দুনিয়ায় নিজের বাড়ির মত উষ্ণতা অনুভব করায়। এখানে খেলে আমার একটা প্রশান্তি আসে। আজ 'সাবাশ মিঠু'র প্রচার উপলক্ষ্যে এখানে আসতে পেরে যথেষ্ট সম্মানিত এবং বিনীত বোধ করছি"।

দুরন্ত অভিনেত্রী তাপসী পান্নু জানালেন, "কলকাতা থেকেই আমাদের শহরে প্রচার যাত্রা শুরু হল। আমি ইডেনে বহু ম্যাচ দেখেছি, কিন্তু কোনওদিনও ভাবিনি নিজে অভিনয় করা এমন একটি ছবির জন্য এখানে আসব। এখানে দাঁড়িয়ে ক্রিকেট খেলায় এই মাঠের অবদান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব জানতে পেরে আলাদাই একটা অনুভূতি হচ্ছে"।

পরিচালক এবং ক্রিকেটপ্রেমী সৃজিত মুখার্জী উদ্বেলিত এখানে এসে। তিনি জানালেন, "আমি মনে করি আমার ঘরের মাঠ থেকে ছবিটির প্রচার শুরু করা যথেষ্ট উপযুক্ত একটি সিদ্ধান্ত এবং আমি আপ্লুত ও সম্মানিত"।

ভায়াকম ১৮ স্টুডিও প্রযোজিত এবং সৃজিত মুখার্জী পরিচালিত ছবিটি আগামী ১৫ জুলাই সমস্ত সিনেমাহলে মুক্তি পাচ্ছে।

Written By

Swarnali Goswami

ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গোৎসবের খুঁটি পূজা সংঘটিত হয়ে গেল বুধবার ৬ জুলাই

কলকাতা ৭ জুলাইঃ বুধবার ৬ জুলাই সংঘটিত হয়ে গেল ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গোৎসবের খুঁটি পূজা। এ বছর এই পূজা হবে এমজি রোড মেট্রো স্টেশনের কাছে মহম্মদ আলি পার্কে। এই বছর পুজোটি ৫৪তম বর্ষে পদার্পণ করল। ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশনের মহম্মদ আলি পার্কের এই পুজোটি কলকাতার একটি বিখ্যাত পুজো। মন্ডপের অভিনবত্ব, উদ্ভাবনী ভাবনা এবং উৎসব উদযাপনের বিশেষত্ব তথা উদ্যোক্তাদের সামাজিক কার্যকলাপের জন্য পুজোটি শহরের বিভিন্ন পুজোগুলির মধ্যে আলাদা মাত্রা পেয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক শ্রী বিবেক গুপ্তা, কাউন্সিলর এবং বরো চেয়ারম্যান শ্রীমতি রেহানা খাতুন। এছাড়াও কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সভাপতি শ্রী মনোজ পোদ্দার, মুখ্য উপদেষ্টা রাম চন্দ্র বাদোপালিয়া, সহ সভাপতি ওম প্রকাশ পোদ্দার, কর্মরত সভাপতি প্রমোদ চন্দক, সহ সভাপতি দুলাল মৈত্র, সংগঠক জিসি সাউ, বিমল ঝুনঝুনওয়ালা, মহঃ শাহিদ, বিজয় আগরওয়াল। ছিলেন যুগ্ম সচিব পবন কুমার বনসল, দেওকি নন্দন ঢেলিয়া, অশোক ওঝা, গণেশ শর্মা, পবন শর্মা এবং সচিব সুরেন্দ্র কুমার শর্মা ও কোষাধ্যক্ষ সুভাষ চন্দ্র গোয়েঙ্কা

সাধারণ সম্পাদক মিঃ সুরেন্দ্র কুমার শর্মা মিডিয়াকে বলেন, "প্রতি বছর সাফল্যের সঙ্গে পুজো করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর পুরস্কার পাওয়ার ফলে ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন অফ মহম্মদ আলি

পার্কের সদস্যরা এ বছরও সমান উদ্দীপনায় পুজো করতে প্রস্তুত। একটু অপেক্ষা করুন, থিম পুজোর রমরমার মধ্যেই এ বছরও আমরা চমক নিয়ে আসছি দর্শকদের জন্য। সাধারণত আমাদের পুজোয় প্রতি বছর লক্ষাধিক দর্শকের সমাগম হয়। এ বছরও আমরা সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সপরিবারে আমাদের পুজো প্রাঙ্গনে আসার জন্য"।

মধ্য কলকাতার অন্যতম পরিচিত দূর্গা পুজোগুলির মধ্যে মহম্মদ আলি পার্কের এই পুজো যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে তা বলাই বাহুল্য। এই সংগঠন তাদের মন্ডপ সজ্জায় প্রতি বছর অভিনব স্থাপত্যের নিদর্শন তুলে ধরে। ১৯৬৯ সাল থেকে সূচনা হওয়া এই দূর্গা পুজো দিনে দিনে তাদের অভিনবত্বের পরিচয় দিয়ে আসছে এবং প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর পুরস্কার আদায় করে নিয়ে এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ পুজো হিসেবে স্থান অর্জন করে নিয়েছে। উত্তর ও মধ্য কলকাতার মধ্যে এটি যথেষ্ট মর্যাদাপূর্ণ একটি ক্লাব।

Written By

Swarnali Goswami

কেতাদুরস্ত কায়দায় রাজকুমার রাও ধরা দিলেন সিটি অফ জয় কলকাতায় 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস' -এর প্রমোশনে

কলকাতা ৫ জুলাইঃ ট্রেলর প্রকাশের পর পরই ছবিটি যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছিল। এমন একটি সাসপেন্স থ্রিলার দেখার জন্য দর্শক উদগ্রীব হয়ে রয়েছে সেই থেকেই। তারই মধ্যে 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস'- এর মুখ্য অভিনেতা রাজকুমার রাও 'সিটি অফ জয়' অর্থাৎ কলকাতায় এলেন ছবিটির প্রমোশনের জন্য।

অনুষ্ঠানে রাজ জানালেন, "এটাই আমাদের প্রথম সিটি প্রমোশন, তাই ভাবলাম সিটি অফ জয় থেকেই শুরু করা সবচেয়ে ভালো হবে। আমাদের পুরো টিম এই ছবিটি একটি ম্যাজিক্যাল গল্পের রূপ দিতে তাদের সেরাটা দিয়েছে। 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস' -এর পরিচালক ডঃ শৈলেশ কোলানু অসাধারণ একজন পরিচালক, যিনি আমার এবং সান্যার মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে এনেছেন।

আমি যে সমস্ত সিনেমা করি, তার প্রত্যেকটির ক্ষেত্রেই চাই সমস্ত দর্শক ছবিটি দেখুক এবং তাদের যেন তা ভালো লাগে। আমি নিজে এই ছবিটি দেখেছি এবং আমার যথেষ্ট ভালো লেগেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, দর্শকদের মুখে মুখে এই ছবির কথা ঘুরবে এবং প্রত্যেকেই সিনেমাটির থ্রিলিং উপভোগ করতে চাইবেন সিনেমা হলে গিয়ে"।

দিল রাজু প্রোডাকশনের সঙ্গে যৌথভাবে গুলশান কুমার এবং টি সিরিজ 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস' - ছবিটির প্রোডাকশনে রয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ডঃ শৈলেশ কোলানু তথা প্রযোজনায় রয়েছেন ভূষণ কুমার, দিল রাজু, কৃষণ কুমার এবং কুলদীপ রাঠোর। রাজকুমার রাও এবং সান্যা মালহোত্রা অভিনীত ছবিটি সিনেমা হলে আসতে চলেছে আগামী ১৫ জুলাই ২০২২।

Written By

Swarnali Goswami

কলকাতায় 'তানিষ্ক- মিআ' র নতুন রিয়েল আউটলেট

১ লা জুলাইঃ কলকাতাঃ পবিত্র রথযাত্রা উৎসবের দিন পয়লা জুলাই ভারতের অন্যতম ফ্যাশনেবল জুয়েলারি ব্র্যান্ড, তানিষ্ক কলকাতায় দুটি এক্সক্লুসিভ স্ট্যান্ডএলোন স্টোর শুরু করেছে৷

এই এক্সক্লুসিভ শোরুম দুটির উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত টলিউড অভিনেত্রী নুসরত জাহান এবং টাইটান কোম্পানি লিমিটেড, 'মিআ', তানিস্কের বিজনেস হেড মিসেস শ্যামালা রমনন।

নতুন স্টোরের শুভ পথচলা উপলক্ষে তানিষ্কের নির্বাচিত 'মিআ' পণ্যগুলিতে ২০% পর্যন্ত ছাড়ের উদ্বোধনী অফারও রয়েছে। অফারটি ১লা থেকে ৩রা জুলাই ২০২২পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।

৫০০ বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত প্রথম স্টোরটি জি-এ, গ্রাউন্ড ফ্লোর, রেশমি টাওয়ার ১৫৯/১, যশোর রোড, কলকাতায় অবস্থিত, এবং দ্বিতীয় স্টোরটি 'মিআ বাই তানিষ্ক', ইউনিট ০০০৪, ব্লক-এ, গ্রাউন্ড ফ্লোর , সিটি সেন্টার ২, নিউ টাউন রাজারহাট, কলকাতায় ।

এই বিপনি গুলোতে মিলবে আংটি, ব্রেসলেট, দুল এবং এক্সক্লুসিভ ডিজাইনার নেকওয়্যার বা হার। সোনা, হীরে এবং রঙিন পাথরে অনন্যভাবে কারুকাজ করা ট্রেন্ডি, জনপ্রিয় এবং আধুনিক ডিজাইনের বিস্তৃত সম্ভার মিলবে 'মিআ'র এই শোরুম দুটিতে।

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিসেস শ্যামালা রমনন - বিজনেস হেড - মিআ তানিষ্ক বলেন, "আমরা কলকাতায় তানিস্কের রিয়েল আউটলেটের মাধ্যমে 'মিআ'কে বাড়াতে পেরে উচ্ছ্বসিত। 'মিয়া' হল একচেটিয়াভাবে ডিজাইন করা সূক্ষ্ম জুয়েলারি ব্র্যান্ড যা আজকের তরুণ আধুনিক মহিলার সাথে মানসিকভাবে সংযোগ স্থাপন করতে চায়। আমরা সেইসব নারীদের সম্পূর্ণ করি যাঁরা নিজেদের প্রকাশ করার মাধ্যম হিসেবে গয়না পরেন।

আমরা সবাই জানি যে কলকাতার মহিলারা সবচেয়ে প্রগতিশীলদের মধ্যে রয়েছেন। আজ, সারা দেশে মহিলারা এমন গয়নার খোঁজ করেন, যা তাঁদের চাহিদার প্রবণতা বৃদ্ধি করে এবং তাঁদের ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটায়। এই স্টোরের মাধ্যমে গ্রাহকদের ট্রেন্ডি ডিজাইন এবং একটি তারুণ্যময় কেনাকাটার অভিজ্ঞতা প্রদান করাই আমাদের প্রচেষ্টা।”

তানিষ্কের মিআ সম্পর্কে কিছু কথাঃ

তানিষ্কের ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার নিয়ে জন্ম নেওয়া 'মিআ' সাহসী, আধুনিক গহনার একটি ব্র্যান্ড। বিশেষ ভাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য ডিজাইনের করা এই গহনা স্টাইলিশ।

মিআ র গহনা ডিজাইন অনন্য বৈশিষ্ট্যযুক্ত। মিআ র সংগ্রহগুলি অনায়াসে প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য আপনার কথা ভেবেই ডিজাইন করা হয়েছে।

১৪kt সোনায় তৈরি মিআ লাইন অফ জুয়েলারিতে ১৬০০ টিরও বেশি ডিজাইন রয়েছে যার দাম ২৯৯৯/- টাকা থেকে শুরু হয়। মিয়া ৬০টি স্বতন্ত্র স্টোরের একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে।

সল্টলেকের টিউলিপ হোটেলে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন

কলকাতাঃ ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করে।

শরীরের অন্ধকার কোণে সচেতনতার আলো জ্বালিয়ে দেওয়াই যোগের প্রকৃতি। অষ্টম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে, নেফ্রোকেয়ার ইন্ডিয়া, যোগের সঠিক বোঝাপড়ার সঙ্গে সুস্থ জীবনধারার প্রতি একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য যোগ" নামে একটি সেশন শুরু করা হয়েছে। ইভেন্টটি মন্ত্র এবং ম্যাপ ৫ ইভেন্ট দ্বারা যৌথ ভাবে পরিচালিত হয়। কলকাতার সল্টলেকের গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলে ১০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এতে অংশ নেন।

যোগব্যায়াম অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করে এবং মানবজাতির জন্য এটি একটি আশীর্বাদ। এটি সর্বোত্তম উপহার যা একজন ব্যক্তি তার নিজের জন্য দিতে পারে। যোগব্যায়ামের উপকারীতা শুধুই আমাদের পরিবর্তন করে না, বরং এটি যে অনুশীলন করে তাকে আরও উন্নত মানুষে রূপান্তরিত করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন: ডাঃ প্রতিম সেনগুপ্ত, এমডি ইন্টারনাল মেডিসিন এবং ডিএম, নেফ্রোলজি মেন্টর হিসেবে; শ্রী শুভব্রত ভট্টাচার্য, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, মন্ত্র লাইফস্টাইল হেলথ ক্লাব; গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের পরিচালক আশিস মিত্তল সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

এটি একটি সারাদিনব্যাপী কর্মসূচি ছিল। যার মধ্যে ধুতিক্রিয়া, অঙ্গ মর্দানা, সূর্য নমস্কার, ধ্যান, ওম জপ এবং প্রাণায়াম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অনুষ্ঠানটিতে হঠযোগ, ত্রাতক এবং মৈনাও অনুশীলন করা হয়েছিল। ইভেন্টটিতে স্বাস্থ্য এবং যোগের নীতিগুলির উপর বক্তৃতা এবং যোগব্যায়াম তথা মন নিয়ন্ত্রণের উপর আলোচনাও ছিল।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়, ইভেন্টের মেন্টর, ডক্টর প্রতিম সেনগুপ্ত, এমডি, ইন্টারনাল মেডিসিন এবং ডিএম, নেফ্রোলজি বলেন, "যোগ ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের একটি অমূল্য উপহার। এটি মন এবং শরীরের একতাকে মূর্ত করে; চিন্তা ও কর্ম; সংযম পরিপূর্ণতা দেয়।

মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে সামঞ্জস্য; স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। এটি ব্যায়াম সম্পর্কে নয় বরং নিজের, বিশ্ব এবং প্রকৃতির সাথে একত্বের অনুভূতি আবিষ্কার করার জন্য আমাদের জীবনধারা পরিবর্তন করে এবং চেতনা তৈরি করে। আসুন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যোগকে গ্রহণ করার জন্য সংকল্প করি।

যোগের গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, মিঃ শুভব্রত ভট্টাচার্য, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, মন্ত্র লাইফস্টাইল হেলথ ক্লাব বলেছেন, “নিয়মিত যোগ অনুশীলন মানসিক স্বচ্ছতা এবং প্রশান্তি তৈরি করে; শরীরের সচেতনতা বাড়ায়; দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ উপশম করে; মনকে শিথিল করে; মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে; এবং ঘনত্ব তীক্ষ্ণ করে। যোগব্যায়ামের ধ্যান এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের অন্তর্ভুক্তি একজন ব্যক্তির মানসিক সুস্থতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। যোগব্যায়াম হল সুস্বাস্থ্যের সোনালী চাবিকাঠি এবং সুস্বাস্থ্য হল আসল সম্পদ।"

গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের ডিরেক্টর মিঃ আশিস মিত্তল বলেন, "বাইরে যা ঘটছে তা আপনি সবসময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু ভিতরে যা ঘটছে তা আপনি সবসময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। যোগ হল আত্মার যাত্রা, নিজের মধ্যে দিয়ে নিজের আত্মনিয়ন্ত্রণ করা।

অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করার জন্য, ডঃ প্রতিম সেনগুপ্ত যোগের একীকরণ শক্তি, এর বিশাল উপকারিতা এবং কীভাবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বিশ্ব ক্যালেন্ডারের অংশ হয়ে উঠেছে তা তুলে ধরেন। তিনি ইভেন্টটি শেষ করেন এই বলে যে যোগ হল একটি আলো, যা একবার জ্বললে কখনো ম্লান হবে না। আপনার অনুশীলন যত ভাল হবে, আপনার শিখা তত উজ্জ্বল হবে।

এই ইভেন্টটি থেকে রক্ত ​​পরীক্ষায় ২৫% ছাড়ও দেওয়া হয়, অতিরিক্ত অফার হিসেবে পিএফটি, ব্লাড সুগার, ইসিজি -এর মূল্য ছাড় এবং ফুল বডি চেক-আপে ৫০% ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়।

'শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা'র প্রমোশনে কলকাতায় পঙ্কজ ত্রিপাঠী

সৃজিত মুখার্জী পরিচালিত আসন্ন হিন্দি ছবি 'শেরদিল পিলিভিট দ্য সাগা'-র প্রচার সারতে কলকাতায় এলেন ছবির মুখ্য অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী।

অরণ্য এবং মানবিক জীবন, নগরায়নের ফলে কিভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হচ্ছে, তাই নিয়েই সৃজিতের এই ছবি পিলিভিট দ্য সাগা। ২০ তারিখ কলকাতার দ্য পার্ক হোটেলে এই ছবিরই প্রচারে উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক সৃজিত মুখার্জী এবং অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী|

ছবিটিতে গঙ্গারাম নামে একটি চরিত্রে চরিত্রায়ণ করেছেন পঙ্কজ। গঙ্গারাম নিজেকে বাঘের খাদ্য হিসেবে সমর্পণ করতে সঙ্কল্পবদ্ধ হন, যাতে তাঁর পরিবার তাঁর মৃত্যুর পর সরকারের তরফ থেকে সাহায্য পায়।

এই সঙ্কল্প করেই গঙ্গারাম অরণ্যে প্রবেশ করলে তাঁর দেখা হয় চোরাশিকারী জিম-এর সঙ্গে। যেই চরিত্রটি অভিনয় করছেন নীরজ কবি। এর পরেই ঘটনাক্রমে ছবিটি এগিয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পরিচালক সৃজিত মুখার্জী জানালেন, "শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা আমার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি সিনেমা। এটি সত্য ঘটনা অবলম্বন করে তৈরী। এই বিষয়ের ওপর এখনও পর্যন্ত কোনও ছবি হয়নি।

পঙ্কজ ত্রিপাঠী, নীরজ কবি এবং সায়নী গুপ্তার মত অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। দীর্ঘ ৫ বছর পর স্বপ্ন সত্যি হল, আমরা গঙ্গারামের গল্প নিয়ে বড় স্ক্রিনে আসতে চলেছি। আশা করি সকলেরই এই ছবি ভালো লাগবে"।

দ্য পার্ক-এ উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের পঙ্কজ বলেন, "শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা র প্রচার উপলক্ষ্যে আমরা 'সিটি অফ জয়' কলকাতায় আসতে পেরে যথেষ্ট খুশি। ছবির পরিচালক নিজেই যেখানে কলকাতার বাসিন্দা, সেখানে কলকাতায় আসা তো বাধ্যতামূলক ছিল।

তাছাড়া কলকাতা শহর সবসময়ই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। আশা করি দর্শকরা আমার চরিত্র গঙ্গারামকে পছন্দ করবেন, যে নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত সংসারের জন্য, যাতে তার মৃত্যুর পর তার পরিবার সরকারের তরফ থেকে সাহায্য পায়"।

উল্লেখ্য, 'শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা' উপস্থাপন করছে গুলশন কুমার, টি সিরিজ এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে ভূষণ কুমার এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট। সিনেমাটির প্রোডাকশনের দায়িত্বে রয়েছে ম্যাচ কাট প্রোডাকশন্স প্রাইভেট লিমিটেড। আগামী ২৪ জুন সিনেমাটি বিভিন্ন সিনেমা হলে রিলিজ করবে।

Written By

Swarnali Goswami

কলকাতায় কোয়েস্ট মলে 'জনহিত মে জারি' প্রিমিয়ার

কলকাতা: সমাজের ট্যাবু ভাঙার লক্ষ্যে হাল্কা কমেডি চালের একটি সিনেমা 'জনহিত মে জারি'-র প্রিমিয়ার হয়ে গেলো শুক্রবার, ১০ জুন কলকাতার কোয়েস্ট মলে। সিনেমাটি সারা বিশ্বে একই দিনে প্রিমিয়ার হয়েছে। বিনোদ ভানুশালী, রাজ শান্ডিল্য, বিমল লাহোতি এবং বিশাল গুরনান মিলে মুভিটি বানিয়েছেন। ছবির মূল চরিত্রে রয়েছেন নুসরত ভারুচা। এছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অনুদ সিং ঢাকা, পরিতোষ ত্রিপাঠি, বিজয় রাজ, টিনু আনন্দ, ব্রিজেন্দ্র কালা এবং আরও অনেকে। ছবির পরিচালক জয় বসন্তু সিং দর্শকের এন্টারটেইন করার পাশাপাশি শিক্ষিত করে তোলারও চেষ্টা করেছেন।

ছবিটি ইতিমধ্যেই সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে। পাঞ্চলাইন, মজা, সকলের অভিনয় এবং সর্বোপরি ছবির গান সিনেমাটিকে আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে। ট্রেলার বেরোনোর পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে ছবিটিকে ঘিরে।

একজন সেলস গার্ল কিভাবে নিজের পরিবার সহ সমাজের ট্যাবু ভাঙতে সক্ষম হয়, তাই নিয়েই এগিয়েছে সিনেমাটির গল্প। টানটান অভিনয়, মজার ডায়লগ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই মুভিটিকে স্পেশাল করে তুলেছে। প্রথম দিনের জন্য ছবির নির্মাতারা স্পেশাল ডিস্কাউন্টেরও ব্যবস্থা রেখেছিলেন, যাতে অনেকে এই ছবি দেখতে পায়।

'জনহিত মে জারি' ছবিটি পরিচালনা করেছেন জয় বসন্তু সিং। ভানুশালী স্টুডিওস লিমিটেড, থিঙ্কইঙ্ক পিকচার্স লিমিটেড, শ্রী রাঘব এন্টারটেইনমেন্ট এলএলপি একত্রে ছবিটি প্রযোজনা করেছে এবং জি স্টুডিওর মাধ্যমে সারা বিশ্বে শুক্রবার সিনেমাটি রিলিজ করেছে।

Written By

Swarnali Goswami

মুক্তি পেল 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-য় কেকে-র গাওয়া শেষ গান "ধুপ পানি বহনে দে"

'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা' -র প্রথম গান "ধুপ পানি বহনে দে" প্রকাশিত হল ৬ জুন। টি সিরিজ, রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট তথা ম্যাচ কাট প্রোডাকশনের সম্মিলিত প্রযোজনায় এই ছবি। গুলজারের কথায়, শান্তনু মৈত্রের সুরে গানটি গেয়েছেন সম্প্রতি প্রয়াত গায়ক কেকে। এটাই তাঁর শেষ গাওয়া গান এমনটাই বলা হচ্ছে।

কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন কেকে নামে। ২৬ বছরের দুর্দান্ত কেরিয়ারে তিনি যথেষ্ট বিখ্যাত সব গান গেয়েছেন। তিনি এই সময়ের একজন অতিপরিচিত গায়ক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছিলেন। সারা বিশ্ব তাঁকে চেনে পজিটিভ এনার্জির ধারক হিসেবেও। এই গানটি তাঁর গাওয়া এবং সিনেমাটির বাকি গান তাঁকে সম্মানার্থেই প্রকাশ করা হবে। প্রকৃতি মায়ের সুরক্ষা করার বার্তা নিয়েই গানটি রচিত। গানটি শুনলে সারাক্ষণ গুনগুন করতে মন চাইবে।

এই গানটি রেকর্ড করার স্মৃতি প্রসঙ্গে গুলজার জানালেন, "সৃজিত যখন গানটি লিখতে অনুরোধ করল, তখন আমি যে কেবল দুর্দান্ত সুন্দর একটি ছবির জন্যই গান রচনা করলাম তাই নয়, বহুদিন বাদে কেকে-র সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলাম। 'মাচিস'- এ কেকে আমার লেখা "ছোড় আয়ে হম উও গলিয়া।.." গানটি গেয়েছিলেন। 'শেরদিল'-এর জন্য যখন কেকে গানটা গাইলেন আমি খুব খুশি হয়েছিলাম কিন্তু তখন কে জানত এটাই তাঁর শেষ গান হবে? মনে হচ্ছে যেন বিদায় জানাতেই গানটা গেয়েছিলেন কেকে। সিনেমাতে গানটা যেভাবে গাওয়া হয়েছে, তাতে একটি বার্তা রয়েছে। জঙ্গল, নদী, পশু-পাখি রক্ষা করার আর্জি রয়েছে। তাঁর উদাত্ত কন্ঠে গাওয়া এই গান গাওয়ার পর তিনি নিজেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন! ভবিতব্য আমাদের হাতে নেই। আমি অবশ্যই তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করব স্মরণ করব। 'শেরদিল' যেখানেই প্রদর্শিত হবে, 'কেকে'-র কথা আমাদের মনে পড়বে"।

"কেকে এমনভাবে গানটি গেয়েছেন যেন মনে হচ্ছে এটি তাঁর নিজের গান। তিনি আমাকে বলেছিলেন, দুই দশক পরে গুলজার সাহেবকে এই গানের মাধ্যমে তিনি ফিরে পেয়েছেন। কেকে গানটি লাইভ কনসার্টে গাওয়ার জন্য যথেষ্ট উৎসুক হয়ে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, গানটির মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষিত রাখার বার্তা রয়েছে, যা বর্তমান প্রজন্মকে শোনানো খুব প্রয়োজন" এমনটাই বললেন শান্তনু মৈত্র।

গানটি প্রকাশ করে পরিচালক সৃজিত মুখার্জী জানান, "গুলজার সাহেবের কবিতা শুনে আমরা বড় হয়েছি, আবার কেকে-র প্রতিটা গান আমাদের হৃদয়ের বড় কাছের। কাজেই এটা যেন আমার কাছে দুটি স্বপ্ন সফল হওয়ার মত"।

সত্য ঘটনা অবলম্বনে নগরায়নের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মানব সমাজ তথা পশুদের সংঘর্ষ, গ্রাম্য সমাজে দারিদ্রের সঙ্গে এই পরিস্থিতির লড়াই এক উদ্ভট পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। তার প্রভাব পড়ছে জঙ্গলের ওপরেও। এমনই বিষয়ের ওপর তৈরি এই ছবি।

সিনেমাটি উপস্থাপন করছে গুলশন কুমারের টি-সিরিজ ফিল্ম, প্রযোজনা করছে ভূষণ কুমার এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট এবং মুভিটির প্রোডাকশন হচ্ছে ম্যাচ কাট প্রোডাকশন প্রাইভেট লিমিটেড-এর তরফে। 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-তে অভিনয় করেছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি, নীরজ কবি এবং সায়নী গুপ্তা সহ আরও অনেকে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সৃজিত মুখার্জী। আগামী ২৪ জুন সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে পারিবারিক এই সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

Written By

Swarnali Goswami

মুক্তি পেল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-র পোস্টার এবং ট্রেলার

কলকাতা, ৩ জুন: অবশেষে মুক্তি পেল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবি 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-র ট্রেলার। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় আছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি। এছাড়াও, প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীরজ কবি এবং সায়নী গুপ্তা। সত্য ঘটনার ওপর অবলম্বন করে তৈরি হয়েছে এই ছবিটি। আগামী ২৪ জুন ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

মুখ্য ভূমিকায় পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে দেখা যাবে গঙ্গারামের চরিত্রে। 'শেরদিল'-এর ট্রেলারে প্রত্যেকের অভিনয় রীতিমতো নজর কেড়েছে। কমেডি, আবেগের পাশাপাশি একজন সাধারণ মানুষের সাহসিকতার গল্প মুগ্ধ করবে। ২ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ট্রেলারে ছবির সব ক'টি চরিত্রের পরিষ্কার ধারণা মিলেছে।

উত্তরপ্রদেশ-নেপাল বর্ডারের কুখ্যাত টাইগার রিজার্ভ পিলভিটের পাশের গ্রামের বাসিন্দা গঙ্গারাম। সেই গ্রামেই বাঘের দাপটে ক্ষেতের জমি নষ্ট হওয়া থেকে আতঙ্ক গ্রামবাসীদের তাড়া করে বেড়াত। বাঘের আক্রমণের শিকার পরিবারকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সরকারি প্রকল্পের অর্থ থেকে বঞ্চিত ছিল গ্রামবাসীরা। এই সমস্যা থেকে সমাধানে মাঠে নামেন গঙ্গারাম। এখানেই উঠে এসেছে তাঁর সাহসিকতার কাহিনী। চোরাশিকারীর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে নীরজ কবিকে। গঙ্গারামের স্ত্রীয়ের ভূমিকায় রয়েছেন সায়নী গুপ্তা।

প্রসঙ্গত, সদ্য প্রয়াত গায়ক কেকে সৃজিতের এই 'শেরদিল' ছবিতে গান গেয়েছিলেন। কিছুদিন আগেই সৃজিত মুখোপাধ্যায় জানান তাঁর 'শেরদিল' ছবির একটি গান লিখেছেন কিংবদন্তী গীতিকার গুলজার (Gulzar)। ছবিগুলি নিজের পেজে শেয়ার করেছিলেন কেকে নিজেও। তিনি ক্যাপশনে লেখেন, "গতকাল দারুণ সময় কাটালাম!! আমার পুরনো বন্ধু শান্তনু মৈত্রর জন্য একটি সুন্দর গান গেয়েছি (আগে আমরা একসঙ্গে মিউজিক করেছি,দিল্লিতে) গানটি লিখেছেন আরেক পুরনো বন্ধু, গুলজার সাহাব। একজন নতুন বন্ধু সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'শেরদিল' ছবি জন্য।" আমার প্রতি বিশ্বাসের রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। গানটা ভালোবেসে ফেলেছি...।" 

সিলেক্টের ব্যবস্থাপনায় মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতা, ৩ জুন: কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, 'সিলেক্ট' আপনার জন্য নিয়ে এসেছে মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হতে চলেছে মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর।

সিলেক্টের উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তাঁর সেরাটি প্রদর্শন করবেন৷ মিলিন্দ গাবার সাথে লাইভ এবং প্রিয় ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।

মিলিন্দ গাবা একজন বলিউড গায়ক। মিলিন্দ গাবা হলেন একজন ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক এবং পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সাথে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তাঁর "নজর লাগা যায়েগি", "সে জানে না" এবং "ইয়ার মোদ দো" গানগুলির জন্য পরিচিত। তাঁর জনপ্রিয় একক গানগুলি হল "নজর লাগা যায়েগি", "সে জানে না", "ম্যায় তেরি হো গায়ে", "জিন্দেগি দি পাউদি", "পিলে পিলে", "সুন্দর", "নাচুঙ্গা আইসে" এবং "কেয়া করু"। তাঁর "সে ডোন্ট নো" গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।

ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন, “এটি হবে আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সাথে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা হবে।”

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, “সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তাঁর ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তাঁর সাথে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তাঁর প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসূত্রে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সাথে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

ভুল ভুলাইয়া-২ -এর 'আমি যে তোমার' গানটি লঞ্চ করতে শহরে কার্তিক আরিয়ান। জিতে নিলেন ফ্যানেদের মন

প্রীতম চক্রবর্তীর সঙ্গীত পরিচালনায় এবং অরিজিৎ সিং-এর গাওয়া গান 'আমি যে তোমার' গানটি লঞ্চ করতে ২৮ মে কলকাতায় এসেছিলেন কার্তিক আরিয়ান। ইতিমধ্যেই ভুল ভুলাইয়া-২ সিনেমাটি দর্শকদের মন জয় করে ফেলেছে তার গল্প এবং হাস্যকৌতুকের মিশেলে। ১০০ কোটির ঘর ছাড়িয়ে ফেলেছে সিনেমাটি যা বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দিয়েছে। তার সঙ্গে বলতেই হয় কার্তিক আরিয়ানের অভিনয়ের কথা। বর্তমান যুব সম্প্রদায়ের মন জিতে নিয়েছেন তিনি এই সিনেমায়। ক্রেজ তৈরি করে ফেলেছেন সবার মধ্যে।

শহরে এসে কার্তিক বলেন, "এখনও গানটি কোথাও অফিসিয়ালি লঞ্চ হয়নি। আমরা ফ্যানেদের কাছ থেকে অনুরোধ পাচ্ছিলাম গানটি লঞ্চ করার জন্য। 'আমি যে তোমার' গানটির সঙ্গে কলকাতার একটা সম্পর্ক রয়েছে, তাই এখানে লঞ্চ করার পরিকল্পনা নিলাম"। তিনি আরও জানান, "আমি আমার ফ্যানেদের কাছে যথেষ্ট কৃতজ্ঞ, ভুল ভুলাইয়া-২ সিনেমাটি পোষ্ট প্যান্ডেমিক সময়ে এই চূড়ান্ত সফল করে তোলার জন্য"। কার্তিক কলকাতায় হাওড়া ব্রিজ পরিদর্শনে যান সেখানে এবং হলুদ ট্যাক্সিতে চড়ে ছবি তোলেন। বলাই বাহুল্য নিজের ক্যারিশমায় ফ্যানেদের মনও জয় করে নেন।

উল্লেখ্য, অ্যানিস ব্যাজমীর পরিচালনায়, ভূষণ কুমার, মুরাদ খেতানি, অঞ্জুম খেতানি এবং কৃষণ কুমারের প্রযোজনায়, টি সিরিজ এবং সীনে-১ স্টুডিওর ব্যানারে ভুল ভুলাইয়া-২ সপরিবারে দেখার মত একটি সিনেমা যা বর্তমানে বিভিন্ন হলে রমরমিয়ে চলছে।

Written By

Swarnali Goswami

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স এর অভিনব এমডিজে কাপল নং-১ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হল ম্যারিয়ট ফেয়ারফিল্ডে

২৯ মে, কলকাতা: দম্পতি বা কাপলদের মধ্যে এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করার লক্ষে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স 'কাপল নং ১' নামে এক অভিনব প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করল

প্রাথমিক ঝাড়াই বাছাইয়ের পর ১0 জন দম্পতিকে মনোনীত করা হয়েছিল চূড়ান্ত পর্বের জন্য। তার মধ্যে থেকেই কাপল নং ওয়ান দম্পতির জন্য রয়েছে জ্যাকপট। একেবারে দুবাই যাওয়ার টিকিট তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের হাতে। ২৯ মে বাইপাসের অভিজাত পাঁচতারা হোটেল কলকাতার ম্যারিয়টের ফেয়ারফিল্ডে অনুষ্ঠিত হল সেই গ্র্যান্ড ফিনালে।

MDJ-এর কাপল নং ১ প্রতিযোগিতাটি ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ শুরু হয়েছিল৷ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে আজ কলকাতার ফেয়ারফিল্ড ম্যারিয়টে অনুষ্ঠিত হল। সেরা দম্পতি বা কাপলের জন্য রয়েছে দুবাই যাওয়ার টিকিট।

রোম্যান্সকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং নিজের সঙ্গীর সঙ্গে প্রতিটি দিন সুন্দর করে কাটানোর জন্য উদযাপন করাও গুরুত্বপূর্ণ। এই চিন্তা মাথায় রেখেই এই অনন্য, মজাদার ও সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে আজ কলকাতার ম্যারিয়টের ফেয়ারফিল্ডে অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানটি জুরি সদস্যদের উপস্থিতিতে ছিল জমকালো। যার মধ্যে রয়েছেন: রিচা শর্মা, অভিনেত্রী; ডলি জৈন, সেলিব্রিটি শাড়ি ড্র্যাপিস্ট এবং স্টাইলিস্ট; উষি সেনগুপ্ত, অভিনেত্রী; নয়না মোর, সেলিব্রিটি মোটিভেশনাল স্পিকার। উপস্থিত ছিলেন: বিজয় সোনি, ডিরেক্টর, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স; অরবিন্দ সোনি, ডিরেক্টর, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স, সন্দীপ সোনি, ডিরেক্টর মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স এবং অমিত সোনি, ডিরেক্টর, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্সের ডিরেক্টর মিঃ অরবিন্দ সোনি এবং মিঃ সন্দীপ সোনি বলেন, “আমরা জোড়ি নম্বর ১ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। এর সঙ্গে আমরা বিবাহিত দম্পতিদের নিয়ে এটিকে নতুন আকারে ফিরিয়ে আনতে পেরে উচ্ছসিত।

MDJ কাপল নং ১ তাদের বন্ধন দৃঢ় করতে এবং আরও সাহচর্য বিকাশের জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম। প্রতিদিন বহু আবেদন আসে। আমরা এই দম্পতির প্রতিটি বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা বিজয়ীকে দুবাই ভ্রমণের মাধ্যমে পুরস্কৃত করেছি এবং মাহিরা - দ্য ব্রাইডাল জুয়েলারি কউচার-এর ব্রাইডাল কালেকশনও চালু করেছি।"

এই জমকালো অনুষ্ঠানের অফিসিয়াল পোশাক পার্টনার হওয়ার জন্য এই নির্বাচিত দম্পতিদের সানসিতা এবং সহর্ষের অসামান্য পোশাকে দেখা যাবে।

প্রতিযোগীদের গ্রুমিং ও মেকওভার করেছে ক্লাব সলোন। দম্পতিদের সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট প্রিয়া সাকসরিয়া স্টাইলের দেখভাল করেছেন। ইভেন্টটির সামগ্রিক পরিচালনায় ছিল স্যান এন্টারটেইনমেন্ট - একটি বুটিক সংস্থা যা শুধুমাত্র ইভেন্ট পরিচালনা করে।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স : ১৯৭০ সালে কলকাতায় প্রয়াত মহাবীর প্রসাদ সোনি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স, আজ একটি পেশাদার এবং সমন্বিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। যা তাঁর ছেলে বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন নাতি বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপের সুদক্ষ পরিচালনায় পরিচালিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত বিশুদ্ধতা এবং সত্যতার আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন দ্বারা সোনা, কুন্দন, জাদাউ এবং ডায়মন্ড গহনার পাইকারি ও খুচরো বিক্রয় হয় ।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্সের তিনটি আউটলেট রয়েছে, একটি বড়বাজারে , আরেকটি সিটি সেন্টার মলে, সল্টলেকে এবং তৃতীয়টি নতুন দিল্লির প্রীতম পুরায়।

স্বর্ণ এমন একটি শিল্পে যেখানে বাজারের খ্যাতি হল মূল সম্পদ, কোম্পানিটি নিজের জন্য একটি বিশেষ স্থান তৈরি করে নিয়েছে। এবং তার সম্মানিত ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে ক্রমাগত প্রশংসা পেয়েছে। ক্রমাগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি পণ্যের গুণমানের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি দিয়ে, পি.কে. কিন্ডিয়াহ, ইন্ডিয়ান অ্যাচিভার্স ফোরাম এবং অল ইন্ডিয়া বিজনেস অ্যান্ড কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপজাতি বিষয়ক মাননীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কোম্পানিকে "ইন্ডিয়ান অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড ফর কোয়ালিটি অ্যান্ড এক্সিলেন্স ২০০৮" প্রদান করেছেন। মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স পূর্ব ভারত থেকে সেরা ডায়মন্ডস এবং ব্রাইডাল জুয়েলারি বিভাগে টাইমস বিজনেস অ্যাওয়ার্ড, ২০১৯-এ পুরস্কৃত হয়েছে যা বলিউড সুপারস্টার শ্রী অনিল কাপুর দ্বারা প্রদত্ত হয়।

বিজয়ীদের তালিকা: কাপল নং-১

১. রাহুল দেউতিয়া এবং বরখা দেউতিয়া (বিজয়ী)

২. সুদীপ্তা চক্রবর্তী এবং রিয়াঙ্কা ঘোষাল - (প্রথম রানার আপ)

৩. বিদিত গয়াল এবং কৃতিকা গয়াল - (দ্বিতীয় রানার আপ)

কাপল নং ১ প্রতিযোগিতার প্রথম ১৩ জন দম্পতি এক্সক্লুসিভ ফটোশ্যুট করার সুযোগ পাচ্ছেন মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর তরফ থেকে এবং চূড়ান্ত জয়ী দম্পতি পাচ্ছেন দুবাই যাওয়ার সুযোগ

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স 'কাপল নং ১' প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিবাহিত দম্পতিদের একটি সুবর্ণ সুযোগ প্রদান করছে। ৩ মাস ধরে চলা এই প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য ১৩টি কাপল মনোনীত হবেন। এই ১৩ জন যুগল মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এ একটি এক্সক্লুসিভ ফটো শ্যুট করার সুযোগ পাবেন।

ভারতে বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন হিসেবে মানা হয়। তবে এটা অনস্বীকার্য এই সম্পর্কে নিত্য নতুন পদ্ধতিতে ভালোবাসার প্রকাশ খুবই জরুরি, তাতে বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। এই ব্যাপারটিকে মাথায় রেখেই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যাতে মজা এবং খেলার ছলে প্রতিযোগীরা নিজেদের মেলে ধরতে পারেন। আগামীকাল অর্থাৎ ২৯ মে কলকাতার ম্যারিয়ট-এ গ্র্যান্ড ফাইনালে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। অনুষ্ঠানটিতে বিচারক হিসেবে থাকবেন অভিনেত্রী রিচা শর্মা, স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট ডলি জৈন, স্বনামধন্য মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে সহ মহাবীর দানওয়ার জুয়েলাসর-এর ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর অন্যতম ডিরেক্টর মিঃ অরবিন্দ সোনি জানালেন, "যদিও আগেও আমরা এই জোড়ি নং ওয়ান প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম, তবে এবারে আরও নতুন ভাবে নিয়ে আসতে চলেছি আমরা এই প্রতিযোগিতা। এতজন আত্মবিশ্বাসী যুগলের মধ্যে শুধুমাত্র ১৩ জন জোড়িকে মনোনীত করা যথেষ্ট কঠিন কাজ। প্রতিদিনই নতুন নতুন জোড়ি আমাদের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবার জন্য আবেদন করেছেন। সেই সমস্ত দম্পতিদের বিশেষ মুহূর্ত উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব আমরা"।

এই দম্পতিদের যে পোশাকে দেখা যাবে সেই পোশাক নিবেদন করছে সংসিতা এবং সংহর্ষ। তারা এই ইভেন্টটির অফিসিয়াল অ্যাপারেল পার্টনারও বটে। প্রতিযোগীদের গরুমিং এবং মেকওভার করাচ্ছে ক্লাব সলোন। জয়ী দম্পতি দুবাইতে ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

Written By

Swarnali Goswami

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে আগামী ৬ মে মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দো-আর্জেন্টিনীয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’

কলকাতাঃ সারা দেশে আগামী ৬ মে মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দো-আর্জেন্টিনীয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এই ছবিটি।

ছবিটির সহ-প্রযোজনা করেছেন পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সুরজ কুমার। আর্জেন্টিনার লেখক ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সঙ্গে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কের অন্বেষণ এই ছবির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

গীতাঞ্জলি'-এর ফরাসি অনুবাদ পড়ার পর, ওকাম্পো রবীন্দ্র সাহিত্যের একজন পরম অনুরাগীতে পরিনত হন। ১৯২৪ সালে বুয়েনস আইরেস সফরের সময় কবিগুরু অসুস্থ হয়ে পড়লে, ওকাম্পো তাঁর যত্ন নেন বলে জানা যায়।

পাবলো সিজারের যখন ১৩ বছর বয়স তখন থেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণে তাঁর হাতেখড়ি। সিজারের দাদা তাকে একটি সুপার 8 মিমি ক্যামেরা উপহার দিয়েছিলেন এবং তাঁকে মুভি করার প্রথম কৌশল শিখিয়েছিলেন। সিজার ১৯৯২ সাল থেকে বুয়েনস আইরেসের সিনেমা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক। 'থিংকিং অফ হিম'-এ রবি ঠাকুরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা ভিক্টর ব্যানার্জি। ভিক্টোরিয়ার অংশে আর্জেন্টাইন অভিনেতা এলিওনোরা ওয়েক্সলার অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রটিতে আরও অভিনয় করেছেন প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী রাইমা সেন এবং হেক্টর বোর্দোনি।

পাবলো সিজার বাস্তব জীবনের গল্পের উপর ভিত্তি করে রবি ঠাকুর-ওকাম্পোর সম্পর্কের রসায়নকে পুনরায় তৈরি করেছেন। দেশের স্বাধীনতার শতবার্ষিকী উদযাপনে যোগ দিতে পেরু যাওয়ার পথে ১৯২৪ সালের ৬ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য বুয়েনস আইরেসে থামতে হয়েছিল। ভিক্টোরিয়া এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং বিশ্বকবির চিকিৎসা ও বিশ্রামের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

তিনি বুয়েনস আইরেসের একটি শহরতলিতে একটি সুন্দর বাড়ি ভাড়া নেন এবং সেখানে রবীন্দ্রনাথের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। তার বারান্দা থেকে, রবীন্দ্রনাথ প্রশস্ত সমুদ্র-সদৃশ প্লাটা নদীর দৃশ্য এবং লম্বা গাছ এবং ফুলের গাছের সঙ্গে একটি বড় বাগান দেখতে পান। কবি তার অসুস্থতা থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ৩ জানুয়ারী, ১৯২৫-এ বুয়েনস আইরেস ত্যাগ করেন। ৬৩ বছর বয়সী রবি ঠাকুর ৩৪ বছর বয়সী কমনীয় ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর দ্বারা পুনরুজ্জীবিত হয়েছিলেন, ৫৮ আর্জেন্টিনার বাসের সময় তার যত্ন নেন। ওকাম্পো মহান ভারতীয় দার্শনিক কবির কাছ থেকে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং সাহিত্যিক অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। ঠাকুরের প্লেটোনিক প্রেম ওকাম্পোর আধ্যাত্মিক প্রেমের দ্বারা প্রতিফলিত হয়েছিল যিনি আর্জেন্টিনা একাডেমি অফ লেটারের সদস্য হওয়া প্রথম মহিলাও ছিলেন।

ভারতে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে, পাবলো সিজার বলেছেন: “ভারতে শুটিং করা একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমি ১৯৯৪ সাল থেকে ভারতকে চিনি, যদিও পুরো ভারতকে চেনা কঠিন। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে আমি ভারতে অনেক জায়গার লোকেদের সঙ্গে মেলামেশা করে তাদের আচরণ সম্পর্কে অনেক কিছু বুঝতে পেরেছি, এমন একটি দেশ যা আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রশংসা করি।"

ফিল্মটি সম্পর্কে তার চিন্তাভাবনা শেয়ার করে, সুরজ কুমার বলেছেন: “আমরা আনন্দিত যে ছবিটি অবশেষে ভারত জুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে এবং তাও গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। আমরা সত্যিই ভাগ্যবান যে পাবলোর মতো একজনকে নেতৃত্বে পেয়েছিলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম ভূমিকায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ভিক্টর ব্যানার্জি ছাড়া আর কেউ নেই।

ছবিটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে, ভিক্টর ব্যানার্জী বলেছিলেন: “ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো রবি ঠাকুর সম্পর্কে যা ভাবতেন তা নিয়ে চলচ্চিত্রটি এবং আপনি এবং আমি গুরুদেব সম্পর্কে যা ভাবি তা নিয়ে নয়। আমার প্রস্তুতির অংশ হিসাবে, আমাকে বুঝতে হয়েছিল যে একজন মহিলা এবং একজন বুদ্ধিজীবী হিসাবে তিনি তার জন্য কতটা অনুভব করেছিলেন। যখন তারা সাক্ষাৎ করেছিলেন তখন তার বয়স ছিল পরস্পরের অর্ধেক, কিন্তু তাদের সম্পর্কের মধ্যে অন্য কিছু ছিল। অবশ্যই, ভিক্টোরিয়াই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন।


জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে শুরু হলো হস্ত শিল্প তাঁত ও বস্ত্র শিল্প প্রদর্শনী মেলা

জঙ্গলমহল এলাকায় নজরদারি চালিয়ে বন্যপ্রাণীর শিকার নিয়ে বিশেষ সচেতনতামূলক বার্তা বনদফতরের

সাউথপয়েন্ট স্কুলের ৪০০ জন প্রাক্তন ছাত্রের উপস্থিতিতে 'পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম (পিবিএফ) এক্সপো ২০২২' এর সূচনা

"বাংলা মানেই ব্যবসা", মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দৃষ্টিকোণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম (পিবিএফ) অফবিট-এর উদ্যোগে সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ৪০০ প্রাক্তনী একত্রিত হয়েছেন।

দ্য ডায়ালগ: বিজনেস বিয়ন্ড বাউন্ডারিজ - এসেনশিয়ালস ফর সুপারচার্জড গ্রোথ" শীর্ষক একটি এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে তাঁদের একত্রিত করতে|

পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম এক্সপো ২০২২ এর উদ্বোধন করেন কৃষ্ণ দামানি (ট্রাস্টি ও সেক্রেটারি, সাউথ পয়েন্ট এডুকেশন সোসাইটি), এবং ভাইস চেয়ারম্যান সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুল। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডঃ সুবর্ণ বোস, চেয়ারম্যান এবং CEO IIHM এবং Indismart Group Worldwide এবং CEO আন্তর্জাতিক আতিথেয়তা কাউন্সিল, লন্ডন এবং পিবিএফ সদস্য; অনির্বাণ কুমার মুখোপাধ্যায়, পরিচালক- হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল ও পিবিএফ সদস্য; ডঃ অর্ণব বসু, সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, ইয়াঞ্চা পজিটিভ প্যারেন্টিং এলএলপি এবং পিবিএফ সদস্য; প্রদীপ চোপড়া, ডিরেক্টর, পিএস গ্রুপ; সঞ্জয় গুহ, প্রতিষ্ঠাতা-সিইও, অ্যাকুইস্ট গ্লোবাল এবং পিবিএফ সদস্য; অতীন দত্ত।

পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরামের (পিবিএফ) সদস্যরা সারা বিশ্বে ব্যবসায়িক এবং স্বাধীন পেশাদার গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করে থাকে। সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে গঠিত ৪০০ র বেশি সক্রিয় সদস্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জর্জ টেলিগ্রাফ গ্রুপের পরিচালক অতীন দত্ত বলেন, আমাদের পয়েন্টার বিজনেস ফোরাম, মহামারী চলাকালীন একে অপরকে সমর্থন করার জন্য এবং পাশে থাকার জন্য খোলা হয়েছে। এটি প্রাক্তন পয়েন্টারদের একত্রিতকরণ যাদের নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে, অথবা যাঁরা স্বাধীন পেশাদার। প্রায় সব স্কুলেরই নিজস্ব প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন আছে কিন্তু PBF, ৪০০+ সদস্য নিয়ে এই ধরনের প্রথম চেম্বার অফ কমার্স গঠন করে নতুন দিশা দেখালো। তিনি আরও বলেন সর্বোপরি সাউথ পয়েন্টের মধ্যেও এই প্রথম, যে বিশ্বব্যাপী প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন জাপান, গ্রেট ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সর্বোপরি সমগ্র ভারত থেকে একটি ইভেন্টকে সফল করার জন্য হাত মিলিয়েছে। এটি অবশ্যই একটি সার্থক সূচনা।

সারা পৃথিবী এখন কোভিড মহামারীর মধ্যে দিয়ে চলেছে। তার মধ্যেই পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম (PBF) এক্সপো ২০২২-এর উদ্দেশ্য হল সহযোগিতা এবং -সৃষ্টির একটি রোডম্যাপ তৈরি করা, একটি ইকোসিস্টেম এবং শক্তিশালী সাংগঠনিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো। পাশাপাশি একসাথে অবদান রাখার জন্য অস্তিত্ব এবং সহযোগিতা এবং সমর্থন টিকিয়ে রাখার নতুন উপায় অন্বেষণ করা।

কলকাতা

নিউ টাউনে ভুয়ো কল সেন্টারের হদিশ। গ্রেফতার ৫জন মহিলা সহ ১৪জন

মোবাইল টাওয়ার বসানোর নাম করে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা পাশাপাশি ল্যাপস ইন্সুরেন্সের টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা। নিউটাউনের একটি অফিসে হানা সাইবার ক্রাইম পুলিশের। গ্রেফতার ৫জন মহিলা সহ ১৪জন।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন জায়গায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতো এই সংস্থা। বেশ কিছুদিন ধরেই সাইবার থানার নজরে ছিল এই সংস্থা। অবশেষে গতকাল রাতে ওই অফিসের খোঁজ পেয়ে হানা দেয় সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। সেখান থেকে গ্রেফতার হয় সকলকে। আজ বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নিজস্ব সংবাদদাতা

নিউ টাউন

সেলোটেপ দিয়ে হাত-পা বেঁধে, কালি মাখিয়ে জন্মদিন পালন!

পিছমোড়া করে বাঁধা হয়েছে দুটো হাত। কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত জড়ানো হয়েছে সেলোটেপ। মুখে মাখানো হয়েছে কালি। আর ওভাবেই ১৫বছরের এক ছেলেকে ঘোরানো হল গোটা এলাকা। কিন্তু ঠিক কি উদ্দেশে? এলাকার অনেকেরই প্রশ্ন, ছেলেটি চুরি করেছে নাকি? উত্তর ভেসে আসছে, আজ ওর জন্মদিন। আমরা জন্মদিন পালনে বেরিয়েছি। এরকম ‘অভিনব’ উপায়ে জন্মদিন পালন দেখে তাজ্জব এলাকার বাসিন্দারা।

শনিবার ১৫তম জন্মদিন ছিল মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রের। ওই ছাত্রের বাড়ি শহরেরই বৈশাল কলোনী এলাকায়। শনিবার জন্মদিনের ‘সারপ্রাইস’ দেবে বলে প্রায় ১০-১২ জন বন্ধু মিলে তাকে ফোন করে কোতবাজার এলাকায় ডাকে। ওই ছেলেটি সেখানে গেলে বন্ধুরা সবাই মিলে তাকে কার্যত ‘চমকে’ দেয়। প্রথমে জোর করে তার জামা খোলা হয়। তারপর হাতদুটো পিছনে বাঁধা হয়। হাতদুটি পিছমোরা অবস্থায় কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত সেলোটেপ জড়ানো হয়। তারপর বন্ধুরা সবাই মিলে ওই ছাত্রটির মাথায় ডিম ফাটিয়ে ও মুখে কালি মাখিয়ে তাকে রাস্তায় বের করে। ওই অবস্থাতেই তাকে নিয়ে ঘোরানো হয় গোটা কোতবাজার এলাকা। বন্ধুদের জন্মদিন পালনের নমুনা দেখে কার্যত ‘ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা ছাত্রটির। কাঁদোকাঁদো গলায় সে জানায়, এটা জন্মদিন নয়, আমার মৃত্যুদিন পালন করা হচ্ছে। তবে এভাবে কেন জন্মদিন পালন? বন্ধুদের দাবি, এটাই এখন ট্রেন্ড, সর্বত্র এটাই চলছে। তবে তারা কোথা থেকে শিখল এই ট্রেন্ড ? তাদের উত্তর, কলেজ মাঠে সিনিয়ররা এভাবেই নিজেদের বন্ধুদের জন্মদিন পালন করে। তাছাড়া ফেসবুক তো আছেই। বন্ধুদের দু’একজন আবার ভিডিয়ো করে গোটা ঘটনাটির। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়াই নাকি তাদের মূল উদ্দেশ্য! বন্ধুদের প্রত্যেকের বয়স ১৪ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। অধিকাংশই মেদিনীপুর বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ ও কলিজিয়েট স্কুলের পড়ুয়া।

এভাবে জন্মদিন পালন ঘিরে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও বিষয় ভাইরাল করে দিয়ে প্রচারের আলোয় আসার নেশা চেপে বসেছে এইসব অল্পবয়সীদের মধ্যে। তাই ভাইরাল হওয়ার লক্ষ্যে জন্মদিন পালনেও অভিনবত্ব নিয়ে আসছে তারা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শান্তনু চক্রবর্তী বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম ওই ছেলেটিকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পরে দেখলাম জন্মদিন পালন হচ্ছে। এইভাবে জন্মদিন পালন জীবনে প্রথম দেখলাম। নিন্দা জানানোর কোনও ভাষা নেই। তবে বিষয়টিকে আবার গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না অনেকেই। তাঁদের দাবি, ওরা নিজেদের মধ্যে মজা করে জন্মদিন পালন করছে, করতেই পারে। এবিষয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দেবজিত মিশ্র বলেন, বন্ধুরা মজা করতে করতে সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। মজা যে কখন সাজা হয়ে গিয়েছে, তা বন্ধুরা বুঝতে পারেনি। তবে ছেলেটি যদি বিষয়টিকে মজা হিসাবে নিতে পারে, তাহলে ঠিক আছে। যদি সে এই ঘটনায় ভেঙে পড়ে, তাহলে সে মানসিক অসুস্থতার দিকে চলে যেতে পারে। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, ছেলেমেয়েরা কাদের সঙ্গে মিশছে, সে ব্যাপারেও অভিভাবকদের নজর দেওয়া উচিত। বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক অরূপ ভুঁইয়া বলেন, যদি বিষয়টি ঘটে থাকে তাহলে নিন্দনীয়। আমি বিষয়টা সম্বন্ধে খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

'সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন' ভারতের প্রথম এনজিও সংস্থা হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্লক চেইন সিস্টেমের প্রয়োগ করল


ভারতের প্রখ্যাত আইটি-র দ্বারা পরিচালিত এনজিও গুলির মধ্যে অন্যতম একটি এনজিও 'সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন' ব্লকচেন পদ্ধতির সূচনা করার জন্য 'পলিগন'-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা করল ২৯ মার্চ। এর ফলে সঙ্কল্পতরু নিজেদের পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রথম ভারতীয় এনজিও হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। এর পাশাপাশি সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশনের ডোনারদের পরিবেশ বিষয়ক তথ্য তথা গাছ সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পারবে তারা, যার ফলে ডোনারদের আরও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

অধিক ফলনশীল রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের নাম রয়েছে, চাষযোগ্য জমিও রয়েছে প্রচুর কিন্তু কম বিক্রির সুযোগের কারনে রাজ্যের কৃষকেরা সঠিক মূল্য পায়না তাদের জমির ফসলের। 'শ্যামলিমা' নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সঙ্কল্পতরু জীববৈচিত্রের ওপর প্রাধান্য দিয়ে রাজ্যে ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে উন্নতিকরন করতে চায়। এছাড়াও এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্ব-উৎসাহী চাষিদের মডেল হিসেবে তুলে ধরতে চায়।

এই প্রসঙ্গে সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অপূর্ব ভান্ডারী জানান, "বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে সঙ্কল্পতরু সবসময় অগ্রগামী ভূমিকা নিয়েছে এবং সেক্ষেত্রে যে প্রযুক্তির প্রয়োজন তা ব্যবহার করেছে। তেমনই ব্লক চেইন ডিজিটাল ইনফরমেশন-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে। গাছের মৌলিক বিস্তারিত তথ্যাবলী, যেমন গাছের ছবি, গাছের পিরিচিতি, তার ভৌগলিক অবস্থান রেকর্ড করে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে যাতে এই তথ্যগুলি কোনওরকমভাবে অন্য কারো দ্বারা নষ্ট না হয়ে যায়। এই ব্লকচেনের মাধ্যমে আমরা আমাদের ডোনার এবং প্রযোজকদের বিশ্বাস অর্জন করব এবং পরিবেশের পরিবর্তন রুখতে যত বেশি সম্ভব গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহিত করব"।

ব্লকচেইন একটি ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট টেকনলজি, যা অননুমোদিত ব্যক্তি দ্বারা কোনও রকম তথ্যের বিকৃতিকরণ, তথ্য হ্যাক করা বা করাপ্ট করা রোধ করতে সক্ষম। যদি কেউ সিস্টেমে গিয়ে ডেটাবেসে কোনও রকম রেকর্ড বদলানোর বা তা নিয়ে অপকর্ম করার চেষ্টা করে তাহলে সিস্টেম বাকি তথ্যাবলী সহ সেটি ক্রস রেফারেন্স করবে। এইভাবেই এই সিস্টেমে সহজেই ভুল তথ্য ধরা পড়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে এই সিস্টেম ঘটনাবলীগুলি পারদর্শিতার সঙ্গে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে এবং এই পদ্ধতিতেই ব্যক্তিগত বা কর্পোরেট প্রযোজকদের দ্বারা লাগানো গাছের ডেটা কোনওভাবেই নকল বা বিকৃত হতে দেয়না ব্লকচেইন সিস্টেম। এই কারনে ডিজিটাল ফরেস্টে লাগানো প্রতিটা গাছের ডেটা এবং প্রডিউসারদের দেওয়া বিবৃতি ক্রস ভেরিফাই করার জন্য একজন প্লেসহোল্ডার থাকছে।

গ্রীন প্যাট্রনস পরিবেশের প্রতি যথেষ্ট সজাগ এবং নিজেদের গ্রহের জীবনকে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলতে এবং ভরসা জুগিয়ে রাখতে সময় ও অর্থ দুইই দিয়ে নিজের কর্তব্য পালন করছে। সঙ্কল্পতরু এবং পলিগনের ব্লক চেইন সিস্টেম এটা সুনিশ্চিত করছে যে প্রত্যেকটি ব্যক্তি গাছ সম্পর্কে যে তথ্য জানছে সেটি একেবারে সঠিক এবং তার মধ্যে কোনওরকম বদল ঘটানো সম্ভব নয়। এই সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন ডেটা একত্র করতে এবং তা যোগদান করার পদ্ধতিতে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে এমনটাই আশা করা যায়।

সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন

ভারতের ২৫টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বৃক্ষরোপন নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বৃহৎ এনজিও সংস্থাদের মধ্যে অন্যতম সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন। দেশের বেশ কিছু অনমনীয় ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপন করেছে এই সংস্থা। থর মরুভূমি, লাদাখের শীতল প্রান্তর, হিমালয়ের পাহাড়ি এলাকা, বিদর্ভ, দক্ষিণী ডেক্কান, সুন্দরবন এবং অসমের ব্রক্ষ্মপুত্রের দ্বীপপুঞ্জে বৃক্ষরোপন করে জীববৈচিত্র বাড়াতে সহায়তা করেছে। নিজেদের কাজ এবং সামাজিক পরিবেশের প্রভাব বৃদ্ধি করতে এই সংস্থা টেকনলজির সাহায্য নিয়েছে প্রতিনিয়ত। ৩০০০ হেক্টরের অধিক ক্ষেত্রে ১৫০ ও বেশি প্রজাতির ৩০ লাখ বৃক্ষ রোপন করে সবুজায়নের বিকাশ করে বাতাসের ১.৫ মিলিয়ন টন কার্বন রোধ করেছে। প্রায় ৩৬,০০০ কৃষক- সুবিধাভোগীদের সহযোগিতা করেছে। প্রতি বছর আনুমানিক ৩০,০০০ টন ফল উৎপাদন করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের প্রায় ৬০০ মিলিয়ন অর্থের আয়ের সংস্থান করেছে এবং আনুমানিক ১,০০,০০০ এর ও বেশি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌঁছতে পেরেছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। "আমরা শুধু বৃক্ষ রোপন করি না"- এটা আপ্তবাক্যটি বোধহয় সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশনের কার্যাবলীর সঙ্গে একেবারেই অঙ্গাঙ্গীভাবে প্রযোজ্য।

Written By

Swarnali Goswami

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সুপার কম্পিউটার প্রকল্প চালু হল IIT খড়্গপুরে, সূচনা করলেন রাজ্যপাল

বগটুই গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই গ্রেফতার আনারুল হোসেন

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা লোকসংস্কৃতি, আদিবাসী সংস্কৃতি এবং যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন


টাওয়ার ব্রিজ অফ লন্ডনে রঙের উৎসব দোল পালিত হল

ব্রিটেনের বাঙালিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন 'হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল (HBG)' ভারতের ঐতিহ্যমন্ডিত উৎসব দোল উদযাপন করল টাওয়ার ব্রিজ অফ লন্ডনে। টাওয়ার ব্রিজে দোল উৎসব উদযাপন এই প্রথম। পোস্ট কোভিড আবহে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বার্তা নিয়ে দোল উদযাপন এক অন্য পেল তা বলাই যায়।

ফ্ল্যাশ ডান্স-এর মাধ্যমে বাংলার আঞ্চলিক সঙ্গীতকে এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরেছিল এইচবিজি। অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, সেমন্তী, তমালিকা, আনজি, নমন, নির্লিপ্তা, শ্রেয়া, পিয়ালী, দোয়েল, কার্তিকা, ধ্রুবি এবং দেবশ্রী। ফ্ল্যাশ ডান্স-এর কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন অরিত্রি। গোটা অনুষ্ঠানটির দায়িত্বে ছিলেন এইচবিজি-র সহ সভাপতি মহুয়া বেজ এবং অরিজিৎ সরকারএবং তাঁদের সঙ্গী হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চান্দ্রেয়ী, ইয়াস্মিতা এবং পদ্মদাস।

হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল এর ডিরেক্টর মিঃ অনির্বান মুখোপাধ্যায় জানান, "এই অনুষ্ঠানটির মূল উপপাদ্য বিষয় ছিল ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ উদযাপন। ফ্ল্যাশ ডান্স-এ ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছিল এবং বাংলার সাংস্কৃতিক পর্যটন তথা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হিসেবে দূর্গা পুজাও ছিল অনুষ্ঠানে প্রদর্শনের অঙ্গ হিসেবে"।

লন্ডনের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেও বিভিন্ন মানুষ উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন। এক কথায় বলতে গেলে এই দোল উৎসবে ব্রিটেনের বিভিন্ন অঞ্চল নির্বিশেষে মানুষের অংশগ্ৰহণ তথা উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মত। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের শেষে কোকিলকণ্ঠী লতা মঙ্গেশকর এবং বলিউডের ডিস্কো কিং বাপ্পি লাহিড়ির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন এইচবিজি-র সদস্যরা।

Written By

Swarnali Goswami

সন্মার্গ-এর তরফ থেকে ১১ মার্চ কলকাতার হায়াৎ রিজেন্সিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২’


পূর্ব ভারতের সর্বাধিক প্রকাশিত সংবাদপত্র সন্মার্গ-এর পক্ষ থেকে বাংলার ব্যবসায়ীদের সম্মানার্থে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২। ১১ মার্চ কলকাতার হায়াৎ রিজেন্সিতে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উদ্যোক্তাদের শ্রেষ্ঠত্ব, সাফল্য, প্রাণবন্ত উদ্যম, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রকল্পের জন্য বিবেচনা, সৃজনশীল কৌশল তথা আর্থিক লক্ষ্য পূরণের সংকল্পকে উৎসাহ দিতেই এই ব্যবস্থাপনা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্প জগতের তথা বিশিষ্ট উদ্যোক্তাদের বাছাই করা হয় পুরস্কারের জন্য। এর মাধ্যমে একই প্ল্যাটফর্মে কর্পোরেট লিডার, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, সেলেব্রিটি আইকনদের জমায়েত হয়।

সন্মার্গের ডিরেক্টর শ্রীমতি রিচা গুপ্তা জানান, যে ব্যবসার মাধ্যমে সৃজনশীলতা উদ্ভাবনশক্তি এবং অন্যরকম ভাবনার বিকাশ হয়, তার মাধ্যমে পরিবেশেরও একটা সদর্থক পরিবর্তন ঘটে। যে সমস্ত ব্যবসায়ীর এমন ভাবনার মাধ্যমে সমাজে ব্যবসার বাস্তুতন্ত্র উন্নত মানের হচ্ছে, তেমন ব্যবসায়ীদের খুঁজে বের করেছে সন্মার্গ। সন্মার্গ গ্ৰুপ সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২ দিচ্ছে রাজ্যের এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের সম্মান জানাতে তথা ব্যবসাজগতে তাদের কাজকে স্বীকৃতি জানাতে।

সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২- র বিচারকেরা ছিলেন মিসেস প্রীতি এ সুরেকা (Director, Emami Ltd.), মিঃ রাজীব কল (Chairman, Nicco Engineering Services Ltd.), মিঃ সঞ্জয় বুধিয়া (MD, PATTON Group) এবং মিঃ উৎসব পারেখ (Director, SMIFS Caital Services Ltd.)

দু ধরনের সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড এবং ডিস্টিংগুইশ অ্যাওয়ার্ড (Excellence Awards and Distinguished Awards)বিভিন্ন বিজনেস হাউজের আবেদনের নিরিখে এক্সেলেন