কেতাদুরস্ত কায়দায় রাজকুমার রাও ধরা দিলেন সিটি অফ জয় কলকাতায় 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস' -এর প্রমোশনে

কলকাতা ৫ জুলাইঃ ট্রেলর প্রকাশের পর পরই ছবিটি যথেষ্ট সাড়া ফেলে দিয়েছিল। এমন একটি সাসপেন্স থ্রিলার দেখার জন্য দর্শক উদগ্রীব হয়ে রয়েছে সেই থেকেই। তারই মধ্যে 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস'- এর মুখ্য অভিনেতা রাজকুমার রাও 'সিটি অফ জয়' অর্থাৎ কলকাতায় এলেন ছবিটির প্রমোশনের জন্য।

অনুষ্ঠানে রাজ জানালেন, "এটাই আমাদের প্রথম সিটি প্রমোশন, তাই ভাবলাম সিটি অফ জয় থেকেই শুরু করা সবচেয়ে ভালো হবে। আমাদের পুরো টিম এই ছবিটি একটি ম্যাজিক্যাল গল্পের রূপ দিতে তাদের সেরাটা দিয়েছে। 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস' -এর পরিচালক ডঃ শৈলেশ কোলানু অসাধারণ একজন পরিচালক, যিনি আমার এবং সান্যার মধ্যে থেকে সেরাটা বের করে এনেছেন।

আমি যে সমস্ত সিনেমা করি, তার প্রত্যেকটির ক্ষেত্রেই চাই সমস্ত দর্শক ছবিটি দেখুক এবং তাদের যেন তা ভালো লাগে। আমি নিজে এই ছবিটি দেখেছি এবং আমার যথেষ্ট ভালো লেগেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, দর্শকদের মুখে মুখে এই ছবির কথা ঘুরবে এবং প্রত্যেকেই সিনেমাটির থ্রিলিং উপভোগ করতে চাইবেন সিনেমা হলে গিয়ে"।

দিল রাজু প্রোডাকশনের সঙ্গে যৌথভাবে গুলশান কুমার এবং টি সিরিজ 'হিট: দ্য ফার্স্ট কেস' - ছবিটির প্রোডাকশনে রয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ডঃ শৈলেশ কোলানু তথা প্রযোজনায় রয়েছেন ভূষণ কুমার, দিল রাজু, কৃষণ কুমার এবং কুলদীপ রাঠোর। রাজকুমার রাও এবং সান্যা মালহোত্রা অভিনীত ছবিটি সিনেমা হলে আসতে চলেছে আগামী ১৫ জুলাই ২০২২।

Written By

Swarnali Goswami

কলকাতায় 'তানিষ্ক- মিআ' র নতুন রিয়েল আউটলেট

১ লা জুলাইঃ কলকাতাঃ পবিত্র রথযাত্রা উৎসবের দিন পয়লা জুলাই ভারতের অন্যতম ফ্যাশনেবল জুয়েলারি ব্র্যান্ড, তানিষ্ক কলকাতায় দুটি এক্সক্লুসিভ স্ট্যান্ডএলোন স্টোর শুরু করেছে৷

এই এক্সক্লুসিভ শোরুম দুটির উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত টলিউড অভিনেত্রী নুসরত জাহান এবং টাইটান কোম্পানি লিমিটেড, 'মিআ', তানিস্কের বিজনেস হেড মিসেস শ্যামালা রমনন।

নতুন স্টোরের শুভ পথচলা উপলক্ষে তানিষ্কের নির্বাচিত 'মিআ' পণ্যগুলিতে ২০% পর্যন্ত ছাড়ের উদ্বোধনী অফারও রয়েছে। অফারটি ১লা থেকে ৩রা জুলাই ২০২২পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।

৫০০ বর্গফুট জুড়ে বিস্তৃত প্রথম স্টোরটি জি-এ, গ্রাউন্ড ফ্লোর, রেশমি টাওয়ার ১৫৯/১, যশোর রোড, কলকাতায় অবস্থিত, এবং দ্বিতীয় স্টোরটি 'মিআ বাই তানিষ্ক', ইউনিট ০০০৪, ব্লক-এ, গ্রাউন্ড ফ্লোর , সিটি সেন্টার ২, নিউ টাউন রাজারহাট, কলকাতায় ।

এই বিপনি গুলোতে মিলবে আংটি, ব্রেসলেট, দুল এবং এক্সক্লুসিভ ডিজাইনার নেকওয়্যার বা হার। সোনা, হীরে এবং রঙিন পাথরে অনন্যভাবে কারুকাজ করা ট্রেন্ডি, জনপ্রিয় এবং আধুনিক ডিজাইনের বিস্তৃত সম্ভার মিলবে 'মিআ'র এই শোরুম দুটিতে।

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিসেস শ্যামালা রমনন - বিজনেস হেড - মিআ তানিষ্ক বলেন, "আমরা কলকাতায় তানিস্কের রিয়েল আউটলেটের মাধ্যমে 'মিআ'কে বাড়াতে পেরে উচ্ছ্বসিত। 'মিয়া' হল একচেটিয়াভাবে ডিজাইন করা সূক্ষ্ম জুয়েলারি ব্র্যান্ড যা আজকের তরুণ আধুনিক মহিলার সাথে মানসিকভাবে সংযোগ স্থাপন করতে চায়। আমরা সেইসব নারীদের সম্পূর্ণ করি যাঁরা নিজেদের প্রকাশ করার মাধ্যম হিসেবে গয়না পরেন।

আমরা সবাই জানি যে কলকাতার মহিলারা সবচেয়ে প্রগতিশীলদের মধ্যে রয়েছেন। আজ, সারা দেশে মহিলারা এমন গয়নার খোঁজ করেন, যা তাঁদের চাহিদার প্রবণতা বৃদ্ধি করে এবং তাঁদের ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন ঘটায়। এই স্টোরের মাধ্যমে গ্রাহকদের ট্রেন্ডি ডিজাইন এবং একটি তারুণ্যময় কেনাকাটার অভিজ্ঞতা প্রদান করাই আমাদের প্রচেষ্টা।”

তানিষ্কের মিআ সম্পর্কে কিছু কথাঃ

তানিষ্কের ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার নিয়ে জন্ম নেওয়া 'মিআ' সাহসী, আধুনিক গহনার একটি ব্র্যান্ড। বিশেষ ভাবে তরুণ প্রজন্মের জন্য ডিজাইনের করা এই গহনা স্টাইলিশ।

মিআ র গহনা ডিজাইন অনন্য বৈশিষ্ট্যযুক্ত। মিআ র সংগ্রহগুলি অনায়াসে প্রতিটি মুহূর্ত এবং প্রতিটি অনুষ্ঠানের জন্য আপনার কথা ভেবেই ডিজাইন করা হয়েছে।

১৪kt সোনায় তৈরি মিআ লাইন অফ জুয়েলারিতে ১৬০০ টিরও বেশি ডিজাইন রয়েছে যার দাম ২৯৯৯/- টাকা থেকে শুরু হয়। মিয়া ৬০টি স্বতন্ত্র স্টোরের একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে।

সল্টলেকের টিউলিপ হোটেলে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন

কলকাতাঃ ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করার প্রস্তাব দেন। সেই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদ ২১ জুন তারিখটিকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বলে ঘোষণা করে।

শরীরের অন্ধকার কোণে সচেতনতার আলো জ্বালিয়ে দেওয়াই যোগের প্রকৃতি। অষ্টম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে, নেফ্রোকেয়ার ইন্ডিয়া, যোগের সঠিক বোঝাপড়ার সঙ্গে সুস্থ জীবনধারার প্রতি একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য যোগ" নামে একটি সেশন শুরু করা হয়েছে। ইভেন্টটি মন্ত্র এবং ম্যাপ ৫ ইভেন্ট দ্বারা যৌথ ভাবে পরিচালিত হয়। কলকাতার সল্টলেকের গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলে ১০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এতে অংশ নেন।

যোগব্যায়াম অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করে এবং মানবজাতির জন্য এটি একটি আশীর্বাদ। এটি সর্বোত্তম উপহার যা একজন ব্যক্তি তার নিজের জন্য দিতে পারে। যোগব্যায়ামের উপকারীতা শুধুই আমাদের পরিবর্তন করে না, বরং এটি যে অনুশীলন করে তাকে আরও উন্নত মানুষে রূপান্তরিত করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন: ডাঃ প্রতিম সেনগুপ্ত, এমডি ইন্টারনাল মেডিসিন এবং ডিএম, নেফ্রোলজি মেন্টর হিসেবে; শ্রী শুভব্রত ভট্টাচার্য, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, মন্ত্র লাইফস্টাইল হেলথ ক্লাব; গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের পরিচালক আশিস মিত্তল সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

এটি একটি সারাদিনব্যাপী কর্মসূচি ছিল। যার মধ্যে ধুতিক্রিয়া, অঙ্গ মর্দানা, সূর্য নমস্কার, ধ্যান, ওম জপ এবং প্রাণায়াম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অনুষ্ঠানটিতে হঠযোগ, ত্রাতক এবং মৈনাও অনুশীলন করা হয়েছিল। ইভেন্টটিতে স্বাস্থ্য এবং যোগের নীতিগুলির উপর বক্তৃতা এবং যোগব্যায়াম তথা মন নিয়ন্ত্রণের উপর আলোচনাও ছিল।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়, ইভেন্টের মেন্টর, ডক্টর প্রতিম সেনগুপ্ত, এমডি, ইন্টারনাল মেডিসিন এবং ডিএম, নেফ্রোলজি বলেন, "যোগ ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের একটি অমূল্য উপহার। এটি মন এবং শরীরের একতাকে মূর্ত করে; চিন্তা ও কর্ম; সংযম পরিপূর্ণতা দেয়।

মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে সামঞ্জস্য; স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। এটি ব্যায়াম সম্পর্কে নয় বরং নিজের, বিশ্ব এবং প্রকৃতির সাথে একত্বের অনুভূতি আবিষ্কার করার জন্য আমাদের জীবনধারা পরিবর্তন করে এবং চেতনা তৈরি করে। আসুন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যোগকে গ্রহণ করার জন্য সংকল্প করি।

যোগের গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, মিঃ শুভব্রত ভট্টাচার্য, প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, মন্ত্র লাইফস্টাইল হেলথ ক্লাব বলেছেন, “নিয়মিত যোগ অনুশীলন মানসিক স্বচ্ছতা এবং প্রশান্তি তৈরি করে; শরীরের সচেতনতা বাড়ায়; দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ উপশম করে; মনকে শিথিল করে; মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে; এবং ঘনত্ব তীক্ষ্ণ করে। যোগব্যায়ামের ধ্যান এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের অন্তর্ভুক্তি একজন ব্যক্তির মানসিক সুস্থতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। যোগব্যায়াম হল সুস্বাস্থ্যের সোনালী চাবিকাঠি এবং সুস্বাস্থ্য হল আসল সম্পদ।"

গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের ডিরেক্টর মিঃ আশিস মিত্তল বলেন, "বাইরে যা ঘটছে তা আপনি সবসময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না। কিন্তু ভিতরে যা ঘটছে তা আপনি সবসময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। যোগ হল আত্মার যাত্রা, নিজের মধ্যে দিয়ে নিজের আত্মনিয়ন্ত্রণ করা।

অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করার জন্য, ডঃ প্রতিম সেনগুপ্ত যোগের একীকরণ শক্তি, এর বিশাল উপকারিতা এবং কীভাবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস বিশ্ব ক্যালেন্ডারের অংশ হয়ে উঠেছে তা তুলে ধরেন। তিনি ইভেন্টটি শেষ করেন এই বলে যে যোগ হল একটি আলো, যা একবার জ্বললে কখনো ম্লান হবে না। আপনার অনুশীলন যত ভাল হবে, আপনার শিখা তত উজ্জ্বল হবে।

এই ইভেন্টটি থেকে রক্ত ​​পরীক্ষায় ২৫% ছাড়ও দেওয়া হয়, অতিরিক্ত অফার হিসেবে পিএফটি, ব্লাড সুগার, ইসিজি -এর মূল্য ছাড় এবং ফুল বডি চেক-আপে ৫০% ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়।

'শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা'র প্রমোশনে কলকাতায় পঙ্কজ ত্রিপাঠী

সৃজিত মুখার্জী পরিচালিত আসন্ন হিন্দি ছবি 'শেরদিল পিলিভিট দ্য সাগা'-র প্রচার সারতে কলকাতায় এলেন ছবির মুখ্য অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী।

অরণ্য এবং মানবিক জীবন, নগরায়নের ফলে কিভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হচ্ছে, তাই নিয়েই সৃজিতের এই ছবি পিলিভিট দ্য সাগা। ২০ তারিখ কলকাতার দ্য পার্ক হোটেলে এই ছবিরই প্রচারে উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক সৃজিত মুখার্জী এবং অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী|

ছবিটিতে গঙ্গারাম নামে একটি চরিত্রে চরিত্রায়ণ করেছেন পঙ্কজ। গঙ্গারাম নিজেকে বাঘের খাদ্য হিসেবে সমর্পণ করতে সঙ্কল্পবদ্ধ হন, যাতে তাঁর পরিবার তাঁর মৃত্যুর পর সরকারের তরফ থেকে সাহায্য পায়।

এই সঙ্কল্প করেই গঙ্গারাম অরণ্যে প্রবেশ করলে তাঁর দেখা হয় চোরাশিকারী জিম-এর সঙ্গে। যেই চরিত্রটি অভিনয় করছেন নীরজ কবি। এর পরেই ঘটনাক্রমে ছবিটি এগিয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পরিচালক সৃজিত মুখার্জী জানালেন, "শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা আমার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি সিনেমা। এটি সত্য ঘটনা অবলম্বন করে তৈরী। এই বিষয়ের ওপর এখনও পর্যন্ত কোনও ছবি হয়নি।

পঙ্কজ ত্রিপাঠী, নীরজ কবি এবং সায়নী গুপ্তার মত অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। দীর্ঘ ৫ বছর পর স্বপ্ন সত্যি হল, আমরা গঙ্গারামের গল্প নিয়ে বড় স্ক্রিনে আসতে চলেছি। আশা করি সকলেরই এই ছবি ভালো লাগবে"।

দ্য পার্ক-এ উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের পঙ্কজ বলেন, "শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা র প্রচার উপলক্ষ্যে আমরা 'সিটি অফ জয়' কলকাতায় আসতে পেরে যথেষ্ট খুশি। ছবির পরিচালক নিজেই যেখানে কলকাতার বাসিন্দা, সেখানে কলকাতায় আসা তো বাধ্যতামূলক ছিল।

তাছাড়া কলকাতা শহর সবসময়ই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। আশা করি দর্শকরা আমার চরিত্র গঙ্গারামকে পছন্দ করবেন, যে নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত সংসারের জন্য, যাতে তার মৃত্যুর পর তার পরিবার সরকারের তরফ থেকে সাহায্য পায়"।

উল্লেখ্য, 'শেরদিল দ্য পিলিভিট সাগা' উপস্থাপন করছে গুলশন কুমার, টি সিরিজ এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে ভূষণ কুমার এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট। সিনেমাটির প্রোডাকশনের দায়িত্বে রয়েছে ম্যাচ কাট প্রোডাকশন্স প্রাইভেট লিমিটেড। আগামী ২৪ জুন সিনেমাটি বিভিন্ন সিনেমা হলে রিলিজ করবে।

Written By

Swarnali Goswami

কলকাতায় কোয়েস্ট মলে 'জনহিত মে জারি' প্রিমিয়ার

কলকাতা: সমাজের ট্যাবু ভাঙার লক্ষ্যে হাল্কা কমেডি চালের একটি সিনেমা 'জনহিত মে জারি'-র প্রিমিয়ার হয়ে গেলো শুক্রবার, ১০ জুন কলকাতার কোয়েস্ট মলে। সিনেমাটি সারা বিশ্বে একই দিনে প্রিমিয়ার হয়েছে। বিনোদ ভানুশালী, রাজ শান্ডিল্য, বিমল লাহোতি এবং বিশাল গুরনান মিলে মুভিটি বানিয়েছেন। ছবির মূল চরিত্রে রয়েছেন নুসরত ভারুচা। এছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন অনুদ সিং ঢাকা, পরিতোষ ত্রিপাঠি, বিজয় রাজ, টিনু আনন্দ, ব্রিজেন্দ্র কালা এবং আরও অনেকে। ছবির পরিচালক জয় বসন্তু সিং দর্শকের এন্টারটেইন করার পাশাপাশি শিক্ষিত করে তোলারও চেষ্টা করেছেন।

ছবিটি ইতিমধ্যেই সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে। পাঞ্চলাইন, মজা, সকলের অভিনয় এবং সর্বোপরি ছবির গান সিনেমাটিকে আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছে। ট্রেলার বেরোনোর পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে ছবিটিকে ঘিরে।

একজন সেলস গার্ল কিভাবে নিজের পরিবার সহ সমাজের ট্যাবু ভাঙতে সক্ষম হয়, তাই নিয়েই এগিয়েছে সিনেমাটির গল্প। টানটান অভিনয়, মজার ডায়লগ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই মুভিটিকে স্পেশাল করে তুলেছে। প্রথম দিনের জন্য ছবির নির্মাতারা স্পেশাল ডিস্কাউন্টেরও ব্যবস্থা রেখেছিলেন, যাতে অনেকে এই ছবি দেখতে পায়।

'জনহিত মে জারি' ছবিটি পরিচালনা করেছেন জয় বসন্তু সিং। ভানুশালী স্টুডিওস লিমিটেড, থিঙ্কইঙ্ক পিকচার্স লিমিটেড, শ্রী রাঘব এন্টারটেইনমেন্ট এলএলপি একত্রে ছবিটি প্রযোজনা করেছে এবং জি স্টুডিওর মাধ্যমে সারা বিশ্বে শুক্রবার সিনেমাটি রিলিজ করেছে।

Written By

Swarnali Goswami

মুক্তি পেল 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-য় কেকে-র গাওয়া শেষ গান "ধুপ পানি বহনে দে"

'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা' -র প্রথম গান "ধুপ পানি বহনে দে" প্রকাশিত হল ৬ জুন। টি সিরিজ, রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট তথা ম্যাচ কাট প্রোডাকশনের সম্মিলিত প্রযোজনায় এই ছবি। গুলজারের কথায়, শান্তনু মৈত্রের সুরে গানটি গেয়েছেন সম্প্রতি প্রয়াত গায়ক কেকে। এটাই তাঁর শেষ গাওয়া গান এমনটাই বলা হচ্ছে।

কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ সকলের কাছে পরিচিত ছিলেন কেকে নামে। ২৬ বছরের দুর্দান্ত কেরিয়ারে তিনি যথেষ্ট বিখ্যাত সব গান গেয়েছেন। তিনি এই সময়ের একজন অতিপরিচিত গায়ক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছিলেন। সারা বিশ্ব তাঁকে চেনে পজিটিভ এনার্জির ধারক হিসেবেও। এই গানটি তাঁর গাওয়া এবং সিনেমাটির বাকি গান তাঁকে সম্মানার্থেই প্রকাশ করা হবে। প্রকৃতি মায়ের সুরক্ষা করার বার্তা নিয়েই গানটি রচিত। গানটি শুনলে সারাক্ষণ গুনগুন করতে মন চাইবে।

এই গানটি রেকর্ড করার স্মৃতি প্রসঙ্গে গুলজার জানালেন, "সৃজিত যখন গানটি লিখতে অনুরোধ করল, তখন আমি যে কেবল দুর্দান্ত সুন্দর একটি ছবির জন্যই গান রচনা করলাম তাই নয়, বহুদিন বাদে কেকে-র সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেলাম। 'মাচিস'- এ কেকে আমার লেখা "ছোড় আয়ে হম উও গলিয়া।.." গানটি গেয়েছিলেন। 'শেরদিল'-এর জন্য যখন কেকে গানটা গাইলেন আমি খুব খুশি হয়েছিলাম কিন্তু তখন কে জানত এটাই তাঁর শেষ গান হবে? মনে হচ্ছে যেন বিদায় জানাতেই গানটা গেয়েছিলেন কেকে। সিনেমাতে গানটা যেভাবে গাওয়া হয়েছে, তাতে একটি বার্তা রয়েছে। জঙ্গল, নদী, পশু-পাখি রক্ষা করার আর্জি রয়েছে। তাঁর উদাত্ত কন্ঠে গাওয়া এই গান গাওয়ার পর তিনি নিজেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন! ভবিতব্য আমাদের হাতে নেই। আমি অবশ্যই তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করব স্মরণ করব। 'শেরদিল' যেখানেই প্রদর্শিত হবে, 'কেকে'-র কথা আমাদের মনে পড়বে"।

"কেকে এমনভাবে গানটি গেয়েছেন যেন মনে হচ্ছে এটি তাঁর নিজের গান। তিনি আমাকে বলেছিলেন, দুই দশক পরে গুলজার সাহেবকে এই গানের মাধ্যমে তিনি ফিরে পেয়েছেন। কেকে গানটি লাইভ কনসার্টে গাওয়ার জন্য যথেষ্ট উৎসুক হয়ে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, গানটির মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষিত রাখার বার্তা রয়েছে, যা বর্তমান প্রজন্মকে শোনানো খুব প্রয়োজন" এমনটাই বললেন শান্তনু মৈত্র।

গানটি প্রকাশ করে পরিচালক সৃজিত মুখার্জী জানান, "গুলজার সাহেবের কবিতা শুনে আমরা বড় হয়েছি, আবার কেকে-র প্রতিটা গান আমাদের হৃদয়ের বড় কাছের। কাজেই এটা যেন আমার কাছে দুটি স্বপ্ন সফল হওয়ার মত"।

সত্য ঘটনা অবলম্বনে নগরায়নের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মানব সমাজ তথা পশুদের সংঘর্ষ, গ্রাম্য সমাজে দারিদ্রের সঙ্গে এই পরিস্থিতির লড়াই এক উদ্ভট পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। তার প্রভাব পড়ছে জঙ্গলের ওপরেও। এমনই বিষয়ের ওপর তৈরি এই ছবি।

সিনেমাটি উপস্থাপন করছে গুলশন কুমারের টি-সিরিজ ফিল্ম, প্রযোজনা করছে ভূষণ কুমার এবং রিলায়েন্স এন্টারটেইনমেন্ট এবং মুভিটির প্রোডাকশন হচ্ছে ম্যাচ কাট প্রোডাকশন প্রাইভেট লিমিটেড-এর তরফে। 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-তে অভিনয় করেছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি, নীরজ কবি এবং সায়নী গুপ্তা সহ আরও অনেকে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সৃজিত মুখার্জী। আগামী ২৪ জুন সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে পারিবারিক এই সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

Written By

Swarnali Goswami

মুক্তি পেল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ছবি 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-র পোস্টার এবং ট্রেলার

কলকাতা, ৩ জুন: অবশেষে মুক্তি পেল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন ছবি 'শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা'-র ট্রেলার। এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় আছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি। এছাড়াও, প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীরজ কবি এবং সায়নী গুপ্তা। সত্য ঘটনার ওপর অবলম্বন করে তৈরি হয়েছে এই ছবিটি। আগামী ২৪ জুন ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

মুখ্য ভূমিকায় পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে দেখা যাবে গঙ্গারামের চরিত্রে। 'শেরদিল'-এর ট্রেলারে প্রত্যেকের অভিনয় রীতিমতো নজর কেড়েছে। কমেডি, আবেগের পাশাপাশি একজন সাধারণ মানুষের সাহসিকতার গল্প মুগ্ধ করবে। ২ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ট্রেলারে ছবির সব ক'টি চরিত্রের পরিষ্কার ধারণা মিলেছে।

উত্তরপ্রদেশ-নেপাল বর্ডারের কুখ্যাত টাইগার রিজার্ভ পিলভিটের পাশের গ্রামের বাসিন্দা গঙ্গারাম। সেই গ্রামেই বাঘের দাপটে ক্ষেতের জমি নষ্ট হওয়া থেকে আতঙ্ক গ্রামবাসীদের তাড়া করে বেড়াত। বাঘের আক্রমণের শিকার পরিবারকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সরকারি প্রকল্পের অর্থ থেকে বঞ্চিত ছিল গ্রামবাসীরা। এই সমস্যা থেকে সমাধানে মাঠে নামেন গঙ্গারাম। এখানেই উঠে এসেছে তাঁর সাহসিকতার কাহিনী। চোরাশিকারীর ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে নীরজ কবিকে। গঙ্গারামের স্ত্রীয়ের ভূমিকায় রয়েছেন সায়নী গুপ্তা।

প্রসঙ্গত, সদ্য প্রয়াত গায়ক কেকে সৃজিতের এই 'শেরদিল' ছবিতে গান গেয়েছিলেন। কিছুদিন আগেই সৃজিত মুখোপাধ্যায় জানান তাঁর 'শেরদিল' ছবির একটি গান লিখেছেন কিংবদন্তী গীতিকার গুলজার (Gulzar)। ছবিগুলি নিজের পেজে শেয়ার করেছিলেন কেকে নিজেও। তিনি ক্যাপশনে লেখেন, "গতকাল দারুণ সময় কাটালাম!! আমার পুরনো বন্ধু শান্তনু মৈত্রর জন্য একটি সুন্দর গান গেয়েছি (আগে আমরা একসঙ্গে মিউজিক করেছি,দিল্লিতে) গানটি লিখেছেন আরেক পুরনো বন্ধু, গুলজার সাহাব। একজন নতুন বন্ধু সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'শেরদিল' ছবি জন্য।" আমার প্রতি বিশ্বাসের রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। গানটা ভালোবেসে ফেলেছি...।" 

সিলেক্টের ব্যবস্থাপনায় মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতা, ৩ জুন: কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, 'সিলেক্ট' আপনার জন্য নিয়ে এসেছে মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হতে চলেছে মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর।

সিলেক্টের উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তাঁর সেরাটি প্রদর্শন করবেন৷ মিলিন্দ গাবার সাথে লাইভ এবং প্রিয় ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।

মিলিন্দ গাবা একজন বলিউড গায়ক। মিলিন্দ গাবা হলেন একজন ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক এবং পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সাথে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তাঁর "নজর লাগা যায়েগি", "সে জানে না" এবং "ইয়ার মোদ দো" গানগুলির জন্য পরিচিত। তাঁর জনপ্রিয় একক গানগুলি হল "নজর লাগা যায়েগি", "সে জানে না", "ম্যায় তেরি হো গায়ে", "জিন্দেগি দি পাউদি", "পিলে পিলে", "সুন্দর", "নাচুঙ্গা আইসে" এবং "কেয়া করু"। তাঁর "সে ডোন্ট নো" গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।

ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন, “এটি হবে আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সাথে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা হবে।”

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, “সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তাঁর ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তাঁর সাথে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তাঁর প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসূত্রে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সাথে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

ভুল ভুলাইয়া-২ -এর 'আমি যে তোমার' গানটি লঞ্চ করতে শহরে কার্তিক আরিয়ান। জিতে নিলেন ফ্যানেদের মন

প্রীতম চক্রবর্তীর সঙ্গীত পরিচালনায় এবং অরিজিৎ সিং-এর গাওয়া গান 'আমি যে তোমার' গানটি লঞ্চ করতে ২৮ মে কলকাতায় এসেছিলেন কার্তিক আরিয়ান। ইতিমধ্যেই ভুল ভুলাইয়া-২ সিনেমাটি দর্শকদের মন জয় করে ফেলেছে তার গল্প এবং হাস্যকৌতুকের মিশেলে। ১০০ কোটির ঘর ছাড়িয়ে ফেলেছে সিনেমাটি যা বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দিয়েছে। তার সঙ্গে বলতেই হয় কার্তিক আরিয়ানের অভিনয়ের কথা। বর্তমান যুব সম্প্রদায়ের মন জিতে নিয়েছেন তিনি এই সিনেমায়। ক্রেজ তৈরি করে ফেলেছেন সবার মধ্যে।

শহরে এসে কার্তিক বলেন, "এখনও গানটি কোথাও অফিসিয়ালি লঞ্চ হয়নি। আমরা ফ্যানেদের কাছ থেকে অনুরোধ পাচ্ছিলাম গানটি লঞ্চ করার জন্য। 'আমি যে তোমার' গানটির সঙ্গে কলকাতার একটা সম্পর্ক রয়েছে, তাই এখানে লঞ্চ করার পরিকল্পনা নিলাম"। তিনি আরও জানান, "আমি আমার ফ্যানেদের কাছে যথেষ্ট কৃতজ্ঞ, ভুল ভুলাইয়া-২ সিনেমাটি পোষ্ট প্যান্ডেমিক সময়ে এই চূড়ান্ত সফল করে তোলার জন্য"। কার্তিক কলকাতায় হাওড়া ব্রিজ পরিদর্শনে যান সেখানে এবং হলুদ ট্যাক্সিতে চড়ে ছবি তোলেন। বলাই বাহুল্য নিজের ক্যারিশমায় ফ্যানেদের মনও জয় করে নেন।

উল্লেখ্য, অ্যানিস ব্যাজমীর পরিচালনায়, ভূষণ কুমার, মুরাদ খেতানি, অঞ্জুম খেতানি এবং কৃষণ কুমারের প্রযোজনায়, টি সিরিজ এবং সীনে-১ স্টুডিওর ব্যানারে ভুল ভুলাইয়া-২ সপরিবারে দেখার মত একটি সিনেমা যা বর্তমানে বিভিন্ন হলে রমরমিয়ে চলছে।

Written By

Swarnali Goswami

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স এর অভিনব এমডিজে কাপল নং-১ এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হল ম্যারিয়ট ফেয়ারফিল্ডে

২৯ মে, কলকাতা: দম্পতি বা কাপলদের মধ্যে এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করার লক্ষে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স 'কাপল নং ১' নামে এক অভিনব প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করল

প্রাথমিক ঝাড়াই বাছাইয়ের পর ১0 জন দম্পতিকে মনোনীত করা হয়েছিল চূড়ান্ত পর্বের জন্য। তার মধ্যে থেকেই কাপল নং ওয়ান দম্পতির জন্য রয়েছে জ্যাকপট। একেবারে দুবাই যাওয়ার টিকিট তুলে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের হাতে। ২৯ মে বাইপাসের অভিজাত পাঁচতারা হোটেল কলকাতার ম্যারিয়টের ফেয়ারফিল্ডে অনুষ্ঠিত হল সেই গ্র্যান্ড ফিনালে।

MDJ-এর কাপল নং ১ প্রতিযোগিতাটি ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এ শুরু হয়েছিল৷ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে আজ কলকাতার ফেয়ারফিল্ড ম্যারিয়টে অনুষ্ঠিত হল। সেরা দম্পতি বা কাপলের জন্য রয়েছে দুবাই যাওয়ার টিকিট।

রোম্যান্সকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং নিজের সঙ্গীর সঙ্গে প্রতিটি দিন সুন্দর করে কাটানোর জন্য উদযাপন করাও গুরুত্বপূর্ণ। এই চিন্তা মাথায় রেখেই এই অনন্য, মজাদার ও সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে আজ কলকাতার ম্যারিয়টের ফেয়ারফিল্ডে অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানটি জুরি সদস্যদের উপস্থিতিতে ছিল জমকালো। যার মধ্যে রয়েছেন: রিচা শর্মা, অভিনেত্রী; ডলি জৈন, সেলিব্রিটি শাড়ি ড্র্যাপিস্ট এবং স্টাইলিস্ট; উষি সেনগুপ্ত, অভিনেত্রী; নয়না মোর, সেলিব্রিটি মোটিভেশনাল স্পিকার। উপস্থিত ছিলেন: বিজয় সোনি, ডিরেক্টর, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স; অরবিন্দ সোনি, ডিরেক্টর, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স, সন্দীপ সোনি, ডিরেক্টর মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স এবং অমিত সোনি, ডিরেক্টর, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়, মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্সের ডিরেক্টর মিঃ অরবিন্দ সোনি এবং মিঃ সন্দীপ সোনি বলেন, “আমরা জোড়ি নম্বর ১ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। এর সঙ্গে আমরা বিবাহিত দম্পতিদের নিয়ে এটিকে নতুন আকারে ফিরিয়ে আনতে পেরে উচ্ছসিত।

MDJ কাপল নং ১ তাদের বন্ধন দৃঢ় করতে এবং আরও সাহচর্য বিকাশের জন্য একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম। প্রতিদিন বহু আবেদন আসে। আমরা এই দম্পতির প্রতিটি বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা বিজয়ীকে দুবাই ভ্রমণের মাধ্যমে পুরস্কৃত করেছি এবং মাহিরা - দ্য ব্রাইডাল জুয়েলারি কউচার-এর ব্রাইডাল কালেকশনও চালু করেছি।"

এই জমকালো অনুষ্ঠানের অফিসিয়াল পোশাক পার্টনার হওয়ার জন্য এই নির্বাচিত দম্পতিদের সানসিতা এবং সহর্ষের অসামান্য পোশাকে দেখা যাবে।

প্রতিযোগীদের গ্রুমিং ও মেকওভার করেছে ক্লাব সলোন। দম্পতিদের সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট প্রিয়া সাকসরিয়া স্টাইলের দেখভাল করেছেন। ইভেন্টটির সামগ্রিক পরিচালনায় ছিল স্যান এন্টারটেইনমেন্ট - একটি বুটিক সংস্থা যা শুধুমাত্র ইভেন্ট পরিচালনা করে।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স : ১৯৭০ সালে কলকাতায় প্রয়াত মহাবীর প্রসাদ সোনি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স, আজ একটি পেশাদার এবং সমন্বিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। যা তাঁর ছেলে বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন নাতি বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপের সুদক্ষ পরিচালনায় পরিচালিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত বিশুদ্ধতা এবং সত্যতার আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন দ্বারা সোনা, কুন্দন, জাদাউ এবং ডায়মন্ড গহনার পাইকারি ও খুচরো বিক্রয় হয় ।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্সের তিনটি আউটলেট রয়েছে, একটি বড়বাজারে , আরেকটি সিটি সেন্টার মলে, সল্টলেকে এবং তৃতীয়টি নতুন দিল্লির প্রীতম পুরায়।

স্বর্ণ এমন একটি শিল্পে যেখানে বাজারের খ্যাতি হল মূল সম্পদ, কোম্পানিটি নিজের জন্য একটি বিশেষ স্থান তৈরি করে নিয়েছে। এবং তার সম্মানিত ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে ক্রমাগত প্রশংসা পেয়েছে। ক্রমাগত প্রচেষ্টার পাশাপাশি পণ্যের গুণমানের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি দিয়ে, পি.কে. কিন্ডিয়াহ, ইন্ডিয়ান অ্যাচিভার্স ফোরাম এবং অল ইন্ডিয়া বিজনেস অ্যান্ড কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপজাতি বিষয়ক মাননীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কোম্পানিকে "ইন্ডিয়ান অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড ফর কোয়ালিটি অ্যান্ড এক্সিলেন্স ২০০৮" প্রদান করেছেন। মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স পূর্ব ভারত থেকে সেরা ডায়মন্ডস এবং ব্রাইডাল জুয়েলারি বিভাগে টাইমস বিজনেস অ্যাওয়ার্ড, ২০১৯-এ পুরস্কৃত হয়েছে যা বলিউড সুপারস্টার শ্রী অনিল কাপুর দ্বারা প্রদত্ত হয়।

বিজয়ীদের তালিকা: কাপল নং-১

১. রাহুল দেউতিয়া এবং বরখা দেউতিয়া (বিজয়ী)

২. সুদীপ্তা চক্রবর্তী এবং রিয়াঙ্কা ঘোষাল - (প্রথম রানার আপ)

৩. বিদিত গয়াল এবং কৃতিকা গয়াল - (দ্বিতীয় রানার আপ)

কাপল নং ১ প্রতিযোগিতার প্রথম ১৩ জন দম্পতি এক্সক্লুসিভ ফটোশ্যুট করার সুযোগ পাচ্ছেন মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর তরফ থেকে এবং চূড়ান্ত জয়ী দম্পতি পাচ্ছেন দুবাই যাওয়ার সুযোগ

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স 'কাপল নং ১' প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিবাহিত দম্পতিদের একটি সুবর্ণ সুযোগ প্রদান করছে। ৩ মাস ধরে চলা এই প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য ১৩টি কাপল মনোনীত হবেন। এই ১৩ জন যুগল মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এ একটি এক্সক্লুসিভ ফটো শ্যুট করার সুযোগ পাবেন।

ভারতে বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন হিসেবে মানা হয়। তবে এটা অনস্বীকার্য এই সম্পর্কে নিত্য নতুন পদ্ধতিতে ভালোবাসার প্রকাশ খুবই জরুরি, তাতে বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। এই ব্যাপারটিকে মাথায় রেখেই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যাতে মজা এবং খেলার ছলে প্রতিযোগীরা নিজেদের মেলে ধরতে পারেন। আগামীকাল অর্থাৎ ২৯ মে কলকাতার ম্যারিয়ট-এ গ্র্যান্ড ফাইনালে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। অনুষ্ঠানটিতে বিচারক হিসেবে থাকবেন অভিনেত্রী রিচা শর্মা, স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট ডলি জৈন, স্বনামধন্য মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে সহ মহাবীর দানওয়ার জুয়েলাসর-এর ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর অন্যতম ডিরেক্টর মিঃ অরবিন্দ সোনি জানালেন, "যদিও আগেও আমরা এই জোড়ি নং ওয়ান প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম, তবে এবারে আরও নতুন ভাবে নিয়ে আসতে চলেছি আমরা এই প্রতিযোগিতা। এতজন আত্মবিশ্বাসী যুগলের মধ্যে শুধুমাত্র ১৩ জন জোড়িকে মনোনীত করা যথেষ্ট কঠিন কাজ। প্রতিদিনই নতুন নতুন জোড়ি আমাদের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবার জন্য আবেদন করেছেন। সেই সমস্ত দম্পতিদের বিশেষ মুহূর্ত উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব আমরা"।

এই দম্পতিদের যে পোশাকে দেখা যাবে সেই পোশাক নিবেদন করছে সংসিতা এবং সংহর্ষ। তারা এই ইভেন্টটির অফিসিয়াল অ্যাপারেল পার্টনারও বটে। প্রতিযোগীদের গরুমিং এবং মেকওভার করাচ্ছে ক্লাব সলোন। জয়ী দম্পতি দুবাইতে ঘুরতে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

Written By

Swarnali Goswami

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে আগামী ৬ মে মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দো-আর্জেন্টিনীয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’

কলকাতাঃ সারা দেশে আগামী ৬ মে মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দো-আর্জেন্টিনীয় ছবি ‘থিংকিং অফ হিম’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সারা ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এই ছবিটি।

ছবিটির সহ-প্রযোজনা করেছেন পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সুরজ কুমার। আর্জেন্টিনার লেখক ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সঙ্গে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্কের অন্বেষণ এই ছবির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

গীতাঞ্জলি'-এর ফরাসি অনুবাদ পড়ার পর, ওকাম্পো রবীন্দ্র সাহিত্যের একজন পরম অনুরাগীতে পরিনত হন। ১৯২৪ সালে বুয়েনস আইরেস সফরের সময় কবিগুরু অসুস্থ হয়ে পড়লে, ওকাম্পো তাঁর যত্ন নেন বলে জানা যায়।

পাবলো সিজারের যখন ১৩ বছর বয়স তখন থেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণে তাঁর হাতেখড়ি। সিজারের দাদা তাকে একটি সুপার 8 মিমি ক্যামেরা উপহার দিয়েছিলেন এবং তাঁকে মুভি করার প্রথম কৌশল শিখিয়েছিলেন। সিজার ১৯৯২ সাল থেকে বুয়েনস আইরেসের সিনেমা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক। 'থিংকিং অফ হিম'-এ রবি ঠাকুরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা ভিক্টর ব্যানার্জি। ভিক্টোরিয়ার অংশে আর্জেন্টাইন অভিনেতা এলিওনোরা ওয়েক্সলার অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রটিতে আরও অভিনয় করেছেন প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী রাইমা সেন এবং হেক্টর বোর্দোনি।

পাবলো সিজার বাস্তব জীবনের গল্পের উপর ভিত্তি করে রবি ঠাকুর-ওকাম্পোর সম্পর্কের রসায়নকে পুনরায় তৈরি করেছেন। দেশের স্বাধীনতার শতবার্ষিকী উদযাপনে যোগ দিতে পেরু যাওয়ার পথে ১৯২৪ সালের ৬ নভেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য বুয়েনস আইরেসে থামতে হয়েছিল। ভিক্টোরিয়া এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং বিশ্বকবির চিকিৎসা ও বিশ্রামের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন।

তিনি বুয়েনস আইরেসের একটি শহরতলিতে একটি সুন্দর বাড়ি ভাড়া নেন এবং সেখানে রবীন্দ্রনাথের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। তার বারান্দা থেকে, রবীন্দ্রনাথ প্রশস্ত সমুদ্র-সদৃশ প্লাটা নদীর দৃশ্য এবং লম্বা গাছ এবং ফুলের গাছের সঙ্গে একটি বড় বাগান দেখতে পান। কবি তার অসুস্থতা থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ৩ জানুয়ারী, ১৯২৫-এ বুয়েনস আইরেস ত্যাগ করেন। ৬৩ বছর বয়সী রবি ঠাকুর ৩৪ বছর বয়সী কমনীয় ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর দ্বারা পুনরুজ্জীবিত হয়েছিলেন, ৫৮ আর্জেন্টিনার বাসের সময় তার যত্ন নেন। ওকাম্পো মহান ভারতীয় দার্শনিক কবির কাছ থেকে আধ্যাত্মিক জাগরণ এবং সাহিত্যিক অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। ঠাকুরের প্লেটোনিক প্রেম ওকাম্পোর আধ্যাত্মিক প্রেমের দ্বারা প্রতিফলিত হয়েছিল যিনি আর্জেন্টিনা একাডেমি অফ লেটারের সদস্য হওয়া প্রথম মহিলাও ছিলেন।

ভারতে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে, পাবলো সিজার বলেছেন: “ভারতে শুটিং করা একটি অনন্য অভিজ্ঞতা ছিল। আমি ১৯৯৪ সাল থেকে ভারতকে চিনি, যদিও পুরো ভারতকে চেনা কঠিন। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে আমি ভারতে অনেক জায়গার লোকেদের সঙ্গে মেলামেশা করে তাদের আচরণ সম্পর্কে অনেক কিছু বুঝতে পেরেছি, এমন একটি দেশ যা আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রশংসা করি।"

ফিল্মটি সম্পর্কে তার চিন্তাভাবনা শেয়ার করে, সুরজ কুমার বলেছেন: “আমরা আনন্দিত যে ছবিটি অবশেষে ভারত জুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে এবং তাও গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে। আমরা সত্যিই ভাগ্যবান যে পাবলোর মতো একজনকে নেতৃত্বে পেয়েছিলাম এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম ভূমিকায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে ভিক্টর ব্যানার্জি ছাড়া আর কেউ নেই।

ছবিটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে, ভিক্টর ব্যানার্জী বলেছিলেন: “ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো রবি ঠাকুর সম্পর্কে যা ভাবতেন তা নিয়ে চলচ্চিত্রটি এবং আপনি এবং আমি গুরুদেব সম্পর্কে যা ভাবি তা নিয়ে নয়। আমার প্রস্তুতির অংশ হিসাবে, আমাকে বুঝতে হয়েছিল যে একজন মহিলা এবং একজন বুদ্ধিজীবী হিসাবে তিনি তার জন্য কতটা অনুভব করেছিলেন। যখন তারা সাক্ষাৎ করেছিলেন তখন তার বয়স ছিল পরস্পরের অর্ধেক, কিন্তু তাদের সম্পর্কের মধ্যে অন্য কিছু ছিল। অবশ্যই, ভিক্টোরিয়াই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম শিল্প প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন।


জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে শুরু হলো হস্ত শিল্প তাঁত ও বস্ত্র শিল্প প্রদর্শনী মেলা

জঙ্গলমহল এলাকায় নজরদারি চালিয়ে বন্যপ্রাণীর শিকার নিয়ে বিশেষ সচেতনতামূলক বার্তা বনদফতরের

সাউথপয়েন্ট স্কুলের ৪০০ জন প্রাক্তন ছাত্রের উপস্থিতিতে 'পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম (পিবিএফ) এক্সপো ২০২২' এর সূচনা

"বাংলা মানেই ব্যবসা", মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই দৃষ্টিকোণ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম (পিবিএফ) অফবিট-এর উদ্যোগে সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ৪০০ প্রাক্তনী একত্রিত হয়েছেন।

দ্য ডায়ালগ: বিজনেস বিয়ন্ড বাউন্ডারিজ - এসেনশিয়ালস ফর সুপারচার্জড গ্রোথ" শীর্ষক একটি এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে তাঁদের একত্রিত করতে|

পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম এক্সপো ২০২২ এর উদ্বোধন করেন কৃষ্ণ দামানি (ট্রাস্টি ও সেক্রেটারি, সাউথ পয়েন্ট এডুকেশন সোসাইটি), এবং ভাইস চেয়ারম্যান সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুল। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডঃ সুবর্ণ বোস, চেয়ারম্যান এবং CEO IIHM এবং Indismart Group Worldwide এবং CEO আন্তর্জাতিক আতিথেয়তা কাউন্সিল, লন্ডন এবং পিবিএফ সদস্য; অনির্বাণ কুমার মুখোপাধ্যায়, পরিচালক- হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল ও পিবিএফ সদস্য; ডঃ অর্ণব বসু, সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, ইয়াঞ্চা পজিটিভ প্যারেন্টিং এলএলপি এবং পিবিএফ সদস্য; প্রদীপ চোপড়া, ডিরেক্টর, পিএস গ্রুপ; সঞ্জয় গুহ, প্রতিষ্ঠাতা-সিইও, অ্যাকুইস্ট গ্লোবাল এবং পিবিএফ সদস্য; অতীন দত্ত।

পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরামের (পিবিএফ) সদস্যরা সারা বিশ্বে ব্যবসায়িক এবং স্বাধীন পেশাদার গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করে থাকে। সাউথ পয়েন্ট হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে গঠিত ৪০০ র বেশি সক্রিয় সদস্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জর্জ টেলিগ্রাফ গ্রুপের পরিচালক অতীন দত্ত বলেন, আমাদের পয়েন্টার বিজনেস ফোরাম, মহামারী চলাকালীন একে অপরকে সমর্থন করার জন্য এবং পাশে থাকার জন্য খোলা হয়েছে। এটি প্রাক্তন পয়েন্টারদের একত্রিতকরণ যাদের নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে, অথবা যাঁরা স্বাধীন পেশাদার। প্রায় সব স্কুলেরই নিজস্ব প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন আছে কিন্তু PBF, ৪০০+ সদস্য নিয়ে এই ধরনের প্রথম চেম্বার অফ কমার্স গঠন করে নতুন দিশা দেখালো। তিনি আরও বলেন সর্বোপরি সাউথ পয়েন্টের মধ্যেও এই প্রথম, যে বিশ্বব্যাপী প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন জাপান, গ্রেট ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সর্বোপরি সমগ্র ভারত থেকে একটি ইভেন্টকে সফল করার জন্য হাত মিলিয়েছে। এটি অবশ্যই একটি সার্থক সূচনা।

সারা পৃথিবী এখন কোভিড মহামারীর মধ্যে দিয়ে চলেছে। তার মধ্যেই পয়েন্টার্স বিজনেস ফোরাম (PBF) এক্সপো ২০২২-এর উদ্দেশ্য হল সহযোগিতা এবং -সৃষ্টির একটি রোডম্যাপ তৈরি করা, একটি ইকোসিস্টেম এবং শক্তিশালী সাংগঠনিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো। পাশাপাশি একসাথে অবদান রাখার জন্য অস্তিত্ব এবং সহযোগিতা এবং সমর্থন টিকিয়ে রাখার নতুন উপায় অন্বেষণ করা।

কলকাতা

নিউ টাউনে ভুয়ো কল সেন্টারের হদিশ। গ্রেফতার ৫জন মহিলা সহ ১৪জন

মোবাইল টাওয়ার বসানোর নাম করে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা পাশাপাশি ল্যাপস ইন্সুরেন্সের টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা। নিউটাউনের একটি অফিসে হানা সাইবার ক্রাইম পুলিশের। গ্রেফতার ৫জন মহিলা সহ ১৪জন।

পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন জায়গায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতো এই সংস্থা। বেশ কিছুদিন ধরেই সাইবার থানার নজরে ছিল এই সংস্থা। অবশেষে গতকাল রাতে ওই অফিসের খোঁজ পেয়ে হানা দেয় সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। সেখান থেকে গ্রেফতার হয় সকলকে। আজ বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হয়েছে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নিজস্ব সংবাদদাতা

নিউ টাউন

সেলোটেপ দিয়ে হাত-পা বেঁধে, কালি মাখিয়ে জন্মদিন পালন!

পিছমোড়া করে বাঁধা হয়েছে দুটো হাত। কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত জড়ানো হয়েছে সেলোটেপ। মুখে মাখানো হয়েছে কালি। আর ওভাবেই ১৫বছরের এক ছেলেকে ঘোরানো হল গোটা এলাকা। কিন্তু ঠিক কি উদ্দেশে? এলাকার অনেকেরই প্রশ্ন, ছেলেটি চুরি করেছে নাকি? উত্তর ভেসে আসছে, আজ ওর জন্মদিন। আমরা জন্মদিন পালনে বেরিয়েছি। এরকম ‘অভিনব’ উপায়ে জন্মদিন পালন দেখে তাজ্জব এলাকার বাসিন্দারা।

শনিবার ১৫তম জন্মদিন ছিল মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রের। ওই ছাত্রের বাড়ি শহরেরই বৈশাল কলোনী এলাকায়। শনিবার জন্মদিনের ‘সারপ্রাইস’ দেবে বলে প্রায় ১০-১২ জন বন্ধু মিলে তাকে ফোন করে কোতবাজার এলাকায় ডাকে। ওই ছেলেটি সেখানে গেলে বন্ধুরা সবাই মিলে তাকে কার্যত ‘চমকে’ দেয়। প্রথমে জোর করে তার জামা খোলা হয়। তারপর হাতদুটো পিছনে বাঁধা হয়। হাতদুটি পিছমোরা অবস্থায় কাঁধ থেকে কোমর পর্যন্ত সেলোটেপ জড়ানো হয়। তারপর বন্ধুরা সবাই মিলে ওই ছাত্রটির মাথায় ডিম ফাটিয়ে ও মুখে কালি মাখিয়ে তাকে রাস্তায় বের করে। ওই অবস্থাতেই তাকে নিয়ে ঘোরানো হয় গোটা কোতবাজার এলাকা। বন্ধুদের জন্মদিন পালনের নমুনা দেখে কার্যত ‘ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা ছাত্রটির। কাঁদোকাঁদো গলায় সে জানায়, এটা জন্মদিন নয়, আমার মৃত্যুদিন পালন করা হচ্ছে। তবে এভাবে কেন জন্মদিন পালন? বন্ধুদের দাবি, এটাই এখন ট্রেন্ড, সর্বত্র এটাই চলছে। তবে তারা কোথা থেকে শিখল এই ট্রেন্ড ? তাদের উত্তর, কলেজ মাঠে সিনিয়ররা এভাবেই নিজেদের বন্ধুদের জন্মদিন পালন করে। তাছাড়া ফেসবুক তো আছেই। বন্ধুদের দু’একজন আবার ভিডিয়ো করে গোটা ঘটনাটির। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়াই নাকি তাদের মূল উদ্দেশ্য! বন্ধুদের প্রত্যেকের বয়স ১৪ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। অধিকাংশই মেদিনীপুর বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ ও কলিজিয়েট স্কুলের পড়ুয়া।

এভাবে জন্মদিন পালন ঘিরে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মনরোগ বিশেষজ্ঞদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও বিষয় ভাইরাল করে দিয়ে প্রচারের আলোয় আসার নেশা চেপে বসেছে এইসব অল্পবয়সীদের মধ্যে। তাই ভাইরাল হওয়ার লক্ষ্যে জন্মদিন পালনেও অভিনবত্ব নিয়ে আসছে তারা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শান্তনু চক্রবর্তী বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম ওই ছেলেটিকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পরে দেখলাম জন্মদিন পালন হচ্ছে। এইভাবে জন্মদিন পালন জীবনে প্রথম দেখলাম। নিন্দা জানানোর কোনও ভাষা নেই। তবে বিষয়টিকে আবার গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না অনেকেই। তাঁদের দাবি, ওরা নিজেদের মধ্যে মজা করে জন্মদিন পালন করছে, করতেই পারে। এবিষয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দেবজিত মিশ্র বলেন, বন্ধুরা মজা করতে করতে সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। মজা যে কখন সাজা হয়ে গিয়েছে, তা বন্ধুরা বুঝতে পারেনি। তবে ছেলেটি যদি বিষয়টিকে মজা হিসাবে নিতে পারে, তাহলে ঠিক আছে। যদি সে এই ঘটনায় ভেঙে পড়ে, তাহলে সে মানসিক অসুস্থতার দিকে চলে যেতে পারে। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, ছেলেমেয়েরা কাদের সঙ্গে মিশছে, সে ব্যাপারেও অভিভাবকদের নজর দেওয়া উচিত। বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক অরূপ ভুঁইয়া বলেন, যদি বিষয়টি ঘটে থাকে তাহলে নিন্দনীয়। আমি বিষয়টা সম্বন্ধে খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

'সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন' ভারতের প্রথম এনজিও সংস্থা হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ব্লক চেইন সিস্টেমের প্রয়োগ করল


ভারতের প্রখ্যাত আইটি-র দ্বারা পরিচালিত এনজিও গুলির মধ্যে অন্যতম একটি এনজিও 'সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন' ব্লকচেন পদ্ধতির সূচনা করার জন্য 'পলিগন'-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা করল ২৯ মার্চ। এর ফলে সঙ্কল্পতরু নিজেদের পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রথম ভারতীয় এনজিও হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। এর পাশাপাশি সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশনের ডোনারদের পরিবেশ বিষয়ক তথ্য তথা গাছ সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পারবে তারা, যার ফলে ডোনারদের আরও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

অধিক ফলনশীল রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের নাম রয়েছে, চাষযোগ্য জমিও রয়েছে প্রচুর কিন্তু কম বিক্রির সুযোগের কারনে রাজ্যের কৃষকেরা সঠিক মূল্য পায়না তাদের জমির ফসলের। 'শ্যামলিমা' নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সঙ্কল্পতরু জীববৈচিত্রের ওপর প্রাধান্য দিয়ে রাজ্যে ফসল ফলানোর ক্ষেত্রে উন্নতিকরন করতে চায়। এছাড়াও এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্ব-উৎসাহী চাষিদের মডেল হিসেবে তুলে ধরতে চায়।

এই প্রসঙ্গে সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অপূর্ব ভান্ডারী জানান, "বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে সঙ্কল্পতরু সবসময় অগ্রগামী ভূমিকা নিয়েছে এবং সেক্ষেত্রে যে প্রযুক্তির প্রয়োজন তা ব্যবহার করেছে। তেমনই ব্লক চেইন ডিজিটাল ইনফরমেশন-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে। গাছের মৌলিক বিস্তারিত তথ্যাবলী, যেমন গাছের ছবি, গাছের পিরিচিতি, তার ভৌগলিক অবস্থান রেকর্ড করে পাঠানোর ব্যবস্থা হয়েছে যাতে এই তথ্যগুলি কোনওরকমভাবে অন্য কারো দ্বারা নষ্ট না হয়ে যায়। এই ব্লকচেনের মাধ্যমে আমরা আমাদের ডোনার এবং প্রযোজকদের বিশ্বাস অর্জন করব এবং পরিবেশের পরিবর্তন রুখতে যত বেশি সম্ভব গাছ লাগানোর জন্য উৎসাহিত করব"।

ব্লকচেইন একটি ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট টেকনলজি, যা অননুমোদিত ব্যক্তি দ্বারা কোনও রকম তথ্যের বিকৃতিকরণ, তথ্য হ্যাক করা বা করাপ্ট করা রোধ করতে সক্ষম। যদি কেউ সিস্টেমে গিয়ে ডেটাবেসে কোনও রকম রেকর্ড বদলানোর বা তা নিয়ে অপকর্ম করার চেষ্টা করে তাহলে সিস্টেম বাকি তথ্যাবলী সহ সেটি ক্রস রেফারেন্স করবে। এইভাবেই এই সিস্টেমে সহজেই ভুল তথ্য ধরা পড়ে যাবে। এই পদ্ধতিতে এই সিস্টেম ঘটনাবলীগুলি পারদর্শিতার সঙ্গে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে এবং এই পদ্ধতিতেই ব্যক্তিগত বা কর্পোরেট প্রযোজকদের দ্বারা লাগানো গাছের ডেটা কোনওভাবেই নকল বা বিকৃত হতে দেয়না ব্লকচেইন সিস্টেম। এই কারনে ডিজিটাল ফরেস্টে লাগানো প্রতিটা গাছের ডেটা এবং প্রডিউসারদের দেওয়া বিবৃতি ক্রস ভেরিফাই করার জন্য একজন প্লেসহোল্ডার থাকছে।

গ্রীন প্যাট্রনস পরিবেশের প্রতি যথেষ্ট সজাগ এবং নিজেদের গ্রহের জীবনকে আরও সুন্দর করে গড়ে তুলতে এবং ভরসা জুগিয়ে রাখতে সময় ও অর্থ দুইই দিয়ে নিজের কর্তব্য পালন করছে। সঙ্কল্পতরু এবং পলিগনের ব্লক চেইন সিস্টেম এটা সুনিশ্চিত করছে যে প্রত্যেকটি ব্যক্তি গাছ সম্পর্কে যে তথ্য জানছে সেটি একেবারে সঠিক এবং তার মধ্যে কোনওরকম বদল ঘটানো সম্ভব নয়। এই সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন ডেটা একত্র করতে এবং তা যোগদান করার পদ্ধতিতে এক উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে এমনটাই আশা করা যায়।

সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন

ভারতের ২৫টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বৃক্ষরোপন নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বৃহৎ এনজিও সংস্থাদের মধ্যে অন্যতম সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশন। দেশের বেশ কিছু অনমনীয় ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপন করেছে এই সংস্থা। থর মরুভূমি, লাদাখের শীতল প্রান্তর, হিমালয়ের পাহাড়ি এলাকা, বিদর্ভ, দক্ষিণী ডেক্কান, সুন্দরবন এবং অসমের ব্রক্ষ্মপুত্রের দ্বীপপুঞ্জে বৃক্ষরোপন করে জীববৈচিত্র বাড়াতে সহায়তা করেছে। নিজেদের কাজ এবং সামাজিক পরিবেশের প্রভাব বৃদ্ধি করতে এই সংস্থা টেকনলজির সাহায্য নিয়েছে প্রতিনিয়ত। ৩০০০ হেক্টরের অধিক ক্ষেত্রে ১৫০ ও বেশি প্রজাতির ৩০ লাখ বৃক্ষ রোপন করে সবুজায়নের বিকাশ করে বাতাসের ১.৫ মিলিয়ন টন কার্বন রোধ করেছে। প্রায় ৩৬,০০০ কৃষক- সুবিধাভোগীদের সহযোগিতা করেছে। প্রতি বছর আনুমানিক ৩০,০০০ টন ফল উৎপাদন করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের প্রায় ৬০০ মিলিয়ন অর্থের আয়ের সংস্থান করেছে এবং আনুমানিক ১,০০,০০০ এর ও বেশি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পৌঁছতে পেরেছে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। "আমরা শুধু বৃক্ষ রোপন করি না"- এটা আপ্তবাক্যটি বোধহয় সঙ্কল্পতরু ফাউন্ডেশনের কার্যাবলীর সঙ্গে একেবারেই অঙ্গাঙ্গীভাবে প্রযোজ্য।

Written By

Swarnali Goswami

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সুপার কম্পিউটার প্রকল্প চালু হল IIT খড়্গপুরে, সূচনা করলেন রাজ্যপাল

বগটুই গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই গ্রেফতার আনারুল হোসেন

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা লোকসংস্কৃতি, আদিবাসী সংস্কৃতি এবং যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন


টাওয়ার ব্রিজ অফ লন্ডনে রঙের উৎসব দোল পালিত হল

ব্রিটেনের বাঙালিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন 'হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল (HBG)' ভারতের ঐতিহ্যমন্ডিত উৎসব দোল উদযাপন করল টাওয়ার ব্রিজ অফ লন্ডনে। টাওয়ার ব্রিজে দোল উৎসব উদযাপন এই প্রথম। পোস্ট কোভিড আবহে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বার্তা নিয়ে দোল উদযাপন এক অন্য পেল তা বলাই যায়।

ফ্ল্যাশ ডান্স-এর মাধ্যমে বাংলার আঞ্চলিক সঙ্গীতকে এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরেছিল এইচবিজি। অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, সেমন্তী, তমালিকা, আনজি, নমন, নির্লিপ্তা, শ্রেয়া, পিয়ালী, দোয়েল, কার্তিকা, ধ্রুবি এবং দেবশ্রী। ফ্ল্যাশ ডান্স-এর কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন অরিত্রি। গোটা অনুষ্ঠানটির দায়িত্বে ছিলেন এইচবিজি-র সহ সভাপতি মহুয়া বেজ এবং অরিজিৎ সরকারএবং তাঁদের সঙ্গী হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চান্দ্রেয়ী, ইয়াস্মিতা এবং পদ্মদাস।

হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল এর ডিরেক্টর মিঃ অনির্বান মুখোপাধ্যায় জানান, "এই অনুষ্ঠানটির মূল উপপাদ্য বিষয় ছিল ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ উদযাপন। ফ্ল্যাশ ডান্স-এ ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছিল এবং বাংলার সাংস্কৃতিক পর্যটন তথা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হিসেবে দূর্গা পুজাও ছিল অনুষ্ঠানে প্রদর্শনের অঙ্গ হিসেবে"।

লন্ডনের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেও বিভিন্ন মানুষ উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন। এক কথায় বলতে গেলে এই দোল উৎসবে ব্রিটেনের বিভিন্ন অঞ্চল নির্বিশেষে মানুষের অংশগ্ৰহণ তথা উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মত। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের শেষে কোকিলকণ্ঠী লতা মঙ্গেশকর এবং বলিউডের ডিস্কো কিং বাপ্পি লাহিড়ির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন এইচবিজি-র সদস্যরা।

Written By

Swarnali Goswami

সন্মার্গ-এর তরফ থেকে ১১ মার্চ কলকাতার হায়াৎ রিজেন্সিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২’


পূর্ব ভারতের সর্বাধিক প্রকাশিত সংবাদপত্র সন্মার্গ-এর পক্ষ থেকে বাংলার ব্যবসায়ীদের সম্মানার্থে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২। ১১ মার্চ কলকাতার হায়াৎ রিজেন্সিতে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উদ্যোক্তাদের শ্রেষ্ঠত্ব, সাফল্য, প্রাণবন্ত উদ্যম, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রকল্পের জন্য বিবেচনা, সৃজনশীল কৌশল তথা আর্থিক লক্ষ্য পূরণের সংকল্পকে উৎসাহ দিতেই এই ব্যবস্থাপনা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্প জগতের তথা বিশিষ্ট উদ্যোক্তাদের বাছাই করা হয় পুরস্কারের জন্য। এর মাধ্যমে একই প্ল্যাটফর্মে কর্পোরেট লিডার, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, সেলেব্রিটি আইকনদের জমায়েত হয়।

সন্মার্গের ডিরেক্টর শ্রীমতি রিচা গুপ্তা জানান, যে ব্যবসার মাধ্যমে সৃজনশীলতা উদ্ভাবনশক্তি এবং অন্যরকম ভাবনার বিকাশ হয়, তার মাধ্যমে পরিবেশেরও একটা সদর্থক পরিবর্তন ঘটে। যে সমস্ত ব্যবসায়ীর এমন ভাবনার মাধ্যমে সমাজে ব্যবসার বাস্তুতন্ত্র উন্নত মানের হচ্ছে, তেমন ব্যবসায়ীদের খুঁজে বের করেছে সন্মার্গ। সন্মার্গ গ্ৰুপ সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২ দিচ্ছে রাজ্যের এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের সম্মান জানাতে তথা ব্যবসাজগতে তাদের কাজকে স্বীকৃতি জানাতে।

সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২- র বিচারকেরা ছিলেন মিসেস প্রীতি এ সুরেকা (Director, Emami Ltd.), মিঃ রাজীব কল (Chairman, Nicco Engineering Services Ltd.), মিঃ সঞ্জয় বুধিয়া (MD, PATTON Group) এবং মিঃ উৎসব পারেখ (Director, SMIFS Caital Services Ltd.)

দু ধরনের সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড এবং ডিস্টিংগুইশ অ্যাওয়ার্ড (Excellence Awards and Distinguished Awards)বিভিন্ন বিজনেস হাউজের আবেদনের নিরিখে এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। মুরে সিঙ্ঘি (knowledge partner) সেই বাছাই পর্বটা সেরে চূড়ান্ত পর্ব তথা বিশিষ্ট পর্বের জন্য বিচারকদের কাছে প্রেরণ করেন। এই বিশিষ্ট পর্ব তথা ডিস্টিংগুইশড অ্যাওয়ার্ড সরাসরি লিডার বা নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মোট ৪ টে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করে।

'নবীন সোচ কি খোঁজ' - এই নামে একটি পুরস্কারের জন্য এবছর স্টার্ট-আপ দের কাছ থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে মোট ১০০ আবেদন জমা পড়েছে। ভেঞ্চার পার্টনার Mumbai Angels Network সাতটি ফার্মকে বেছে নিয়েছে। বিচারকেরা সেই ৭টি স্টার্ট-আপ-এর মধ্যে থেকে ৩জনকে বাছাই করেছে, যারা মূল পর্বে মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরেছিল। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে নন্দিনী মনিসিংকা (Co-founder and CEO of Mumbai Angels Network), বিবেক গুপ্তা (Chairman, Sanmarg group), এবং বিপুল ভান্ডারির Chairman & Managing Director, Supertron Electronics Pvt. Ltd.) প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে। এই পিচ সেশনের পরে সকল বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একটি আলাপপর্ব সম্পন্ন হয়।

  • Award Winners:

  • Lifetime Achievement Award: J P Chowdhary, Chairman of Titagarh Wagons Ltd.

  • Business Leader of the year Award: Abhijit Roy, MD and CEO, Berger Paints India Ltd.

  • Outstanding Entrepreneur of the year Award: Ameve Sharma, Co-founder at Kapiva Ayurveda

  • Bharat Abhiman Award: Sanat Kumar Nandy, Founder of Bhadreswar Group


সন্মার্গ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২২ নিবেদন করেছে Supertron Electronics Pvt. Ltd, Mahabir Danwar Jewellers, BSL & Young Indians, Just School & Assureএছাড়াও সহযোগিতায় রয়েছে Shrigoda Insurance Brokers Ltd. and Willams Kitchen Restaurant and Bar

উল্লেখ্য, পূর্ব ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় হিন্দি দৈনিক সন্মার্গ, যার প্রধান কার্যালয় কলকাতা। ৭৬ বছর সফলভাবে নিজের সুনাম অক্ষুন্ন রেখেছে এই দৈনিক, এখন বর্তমানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমেও প্রকাশিত হচ্ছে এটি। সমাজের বিশিষ্ট মহিলাদের সম্মান জানাতে 'সন্মার্গ অপরাজিতা অ্যাওয়ার্ড' ও রয়েছে এই দৈনিকের।

Written By

Swarnali Goswami

'কেবলমাত্র কাজ পাওয়াটা লক্ষ্য নয়' - মমতা বিনানি

রাজ্যে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেও এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোনও শিল্পই গড়ে ওঠেনি। যার ফলে দিন দিন বাড়ছে বেকারত্বের সমস্যা। এমতাবস্থায় এমএসএমই ফোরামের পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বে মমতা বিনানি সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই জানিয়ে দিলেন কেবলমাত্র পাওয়াটা লক্ষ্য নয়, প্রত্যেকটা মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসবেন তিনি ও তাঁর এই সংস্থা।

বৃহস্পতিবার কলকাতার এক বেসরকারি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান রাজ্যে প্রচুর মহিলা এবং পুরুষ আছেন যারা এককভাবে কাজ করছেন কিন্তু অন্যরকমভাবে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছেন না। ফলে তাদের তৈরি জিনিসপত্র কারো নজরেই আসেনা। শুধুমাত্র জিনিস বানালেই হবেনা তাকে সঠিক জায়গায় বিক্রি করতে হবে প্রয়োজনে সেই সব জিনিসকে বিদেশের বাজারে বিক্রি করার জন্য রাস্তা খুলে দিতে হবে আর সেই কাজ করার জন্যই তিনি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সভাপতি পদে। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি তাকে নিয়ে যে একটা বড় মার্কেট করা যেতে পারে এতে কোনও সন্দেহ নেই এবং সেই লক্ষ্যে তিনি প্রথমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার আবেদন করতে চলেছেন রাজ্যের এমএসএমই দফতরের সঙ্গে যাতে কাজ করতে পারেন তিনি।

তবে প্রথমেই তিনি জোর দিতে চান মহিলাদের নিয়ে পাশাপাশি এই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মহিলারা প্রচুর পুতুল তৈরি করছেন যা বিদেশের বাজারে ব্যাপক চাহিদা আছে অথচ তার মূল্যই পাচ্ছেননা এই রাজ্যের মানুষ। কেবলমাত্র রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পই নয় আছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প আর সেই সব কিছুকে নিয়ে মমতা বিনানী রাজ্যের মানুষের কাছে এক নতুন দিশা আনতে চলেছেন। প্রত্যেক পাড়া থেকে শুরু করে গ্রাম-গঞ্জ এবং বিভিন্ন মফস্বলে এবার তিনি ব্যাপকভাবে প্রচার করবেন যার ফলে তৈরি হবে প্রচুর ছোট এবং বড় টিম। এই টিমের দ্বারাই আগামী দিনে অনেক মানুষ বিভিন্ন উপায়ে নিজেদের শিল্পকর্মকে তৈরি করে সামনের সারিতে যেমন আনতে পারবেন ঠিক তেমনি নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হবেন। অপেক্ষা এখন শুধু সময়ের। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সহযোগিতার হাত কত তাড়াতাড়ি বাড়িয়ে দেবেন মমতা বিনানির দিকে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা

গত ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার 'দ্য ললিত গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে' অনুষ্ঠিত হল AIFTP- র ইস্টার্ন জোনের ন্যাশনাল ট্যাক্স কনফারেন্স

গত ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন অফ ট্যাক্স প্র্যাক্টিশনার্স (AIFTP) তাদের ইস্টার্ন জোনের ন্যাশনাল ট্যাক্স কনফারেন্সের আয়োজন করেছিল দ্য ললিত গ্রেট ইস্টার্ন হোটেল কলকাতায়। “New Tax Laws Impact and Promotion”- এই থিমের ওপরে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন গোটা দেশের প্রায় ৪০০ স্বনামধন্য ট্যাক্স প্র্যাক্টিশনার্স। মূলত ট্যাক্স প্র্যাক্টিশনারদের প্রতিযোগিতার বাজারে আদালতের মামলা সংক্রান্ত বা অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে পেশাদারি হিসেবে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা বাড়ানোর জন্য তথা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযুক্ত হিসেবে নিজেদের তৈরী রাখার জন্য এই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

Eastern Zone's National Tax Conference of AIFTP-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদ্ঘাটন করেছিলেন কর্ণাটক হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মাননীয় বিচারক শুভ্র কমল মুখার্জী, পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টরেট অফ কমার্শিয়াল ট্যাক্সেস -এর কমিশনার মিঃ খালিদ আজিজ আনোয়ার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন AIFTP-র জাতীয় সভাপতি মিঃ ডি কে গান্ধী, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারক মাননীয় মহঃ নিজামুদ্দিন, কনফারেন্স চেয়ারম্যান মিঃ অচিন্ত্য ভট্টাচার্য্য, কনফারেন্স সেক্রেটারি এবং ন্যাশনাল জয়েন্ট সেক্রেটারি মিঃ বিবেক আগরওয়াল।

উল্লেখ্য, AIFTP’র মূল উদ্দেশ্য হল হিসাববিজ্ঞান, কর সংক্রান্ত আইন তথা অন্যান্য আইন সম্পর্কে বিস্তারিত শিক্ষা প্রদান। ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা স্বতন্ত্র অধিভুক্তিকরণের বর্তমান সময়ে যাঁরা কর আইন নিয়ে কাজকর্ম করছেন, তাঁদের Direct and Indirect Taxes বিষয়ে সম্যক জ্ঞান, শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করার এক সর্বভারতীয় মঞ্চ তৈরী করেছে এই প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে বাজেট পূর্ব এবং বাজেট পরবর্তী স্মারকলিপি প্রদান করে। তার মধ্যে বহু পরামর্শ এবং সুপারিশ গৃহীতও হয়। ১৯৯৮-এর 'কর বিবাদ সমাধান স্কিম'-এর পরামর্শ এই ফেডারেশন থেকেই দেওয়া হয়েছিল। জনসাধারণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কর আইনে আরও সরলিকীকরণ আনার জন্য ফেডারেশন ২০ টিরও বেশি রিট পিটিশন ইতিমধ্যেই দাখিল করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে সাধারনের বোঝার উপযোগী হিসেবে প্রশ্নোত্তরের ভিত্তিতে বই বের করে যথেষ্ট কম দামে। এখনও পর্যন্ত তাদের ৩৫ হাজারেরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

উদ্বৃত্ত আলু রাজ্যের বাইরে বাজারজাত করার দাবি তুললো ওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন

পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন এর ৫৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হল হাওড়ার দ্য লেক ল্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে। এই বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃষি উপদেষ্টা তথা বিধায়ক ড. প্রদীপ কুমার মজুমদার। উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দফতরের অধিকর্তা আতমিকা ভারতী। সংগঠনের তরফে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরুণ কান্তি ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি রাজেশ কুমার বনসাল, পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি পতিত পবন দে। এছাড়াও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র

বুধবার আয়োজিত সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরুণ কান্তি ঘোষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে উল্লেখ করেন "আলু চাষের আওতাধীন এলাকা বাড়ছে এবং কোল্ড স্টোরেজ ইউনিটগুলি পণ্য বাজারজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, কিন্তু কোল্ড স্টোরেজে আলুর আনুমানিক স্টক সম্পর্কে বিকৃত তথ্য প্রদান করার ফলে ২০২১ এর মরশুমের শেষের দিকে আলু বিক্রি সংক্রান্ত যথেষ্ট দুর্ভোগ পোয়াতে হয়েছে। তিনি কর্তৃপক্ষকে উৎপাদন, ব্যবহার এবং সংরক্ষণের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য আলুর সুষম চাষ বিবেচনা করার অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমান মরশুমে ৮৫- ৯০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হবে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ব্যবহারে ৬৫ লক্ষ টন খরচ হবে বাকি স্টক রাজ্যের বাইরে বাজারজাত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়াও বাজারের দিকে নজর রেখে আনলোড করার সময় তিনি প্রতি মাসে ১২% হারে স্টক রাখা আলু ছাড়ার কথা কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করেছেন।

তরুণ বাবু চাষের উপর প্যান ইন্ডিয়ার ব্যাপক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের সুপারিশ করেন, প্রয়োজনীয় কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য ফসল সংগ্রহ, সঞ্চয় ও বিপণন এবং রিয়েল টাইম ভিত্তিতে স্টক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার ওপরেও জোর দেন। কোল্ড স্টোরেজের জন্য ইনপুট খরচ এবং মূলধনের ব্যয়ের পর্যায়ক্রমিক বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে, অন্যান্য আলু উৎপাদনকারী রাজ্যগুলির ভাড়ার হিসাবে কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া বাড়ানোর দাবি করা হয়েছিল। যেখানে বর্তমান ভাড়ার শতকরা হার প্রতি কুইন্টাল ২২০/- থেকে ২৬০/- টাকা। আরও এটি প্রস্তাব করা হয়েছিল যে কোল্ড স্টোরেজে ১০০% স্টোরেজ ক্ষমতার পরিবর্তে ৮৫% স্টোরেজ ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে আলু রাখা উচিত, কারণ ১০০% স্টোরেজের ব্যবহার তেমন লাভদায়ক হয়না।

সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় কোল্ড স্টোরেজ অ্যাক্ট ১৯৬৬-এর পর্যালোচনার আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।

  • ১) মজুতযোগ্য আলুর মানের বিষয়ে ভাড়াদারদের দায়িত্ব।

  • ২) স্টোরেজ সিজন শেষ হওয়ার পরে স্টোর ইউনিটগুলিতে অবশিষ্ট আলু স্টক নিষ্পত্তি করার জন্য প্রক্রিয়াটির সরলীকরণ পর্যবেক্ষণ করা।

  • ৩) কোল্ড স্টোরেজ লাইসেন্সের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো।


সংগঠনের রাজ্য সভাপতি জোর দিয়েছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গের স্টোর ইউনিটগুলি দ্বারা প্রদত্ত বর্তমান সঞ্চয় ক্ষমতা রাজ্যে উৎপাদিত আলু সংরক্ষণের জন্য যথেষ্ট এবং ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের মতো রাজ্যগুলিতে পশ্চিমবঙ্গের পণ্যগুলির চাহিদা হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্যের উপলব্ধ স্টোরেজ ক্ষমতা কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য বর্তমান স্তরে সীমাবদ্ধ রাখাই উচিত হবে। তিনি রাজ্যে শিল্প-বান্ধব ব্যবসায়িক পরিবেশের উপর বিশেষ জোর দেন এবং বিভিন্ন নিয়ম-কানুন শিথিল করা, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, স্বচ্ছতা এবং যুক্তিপূর্ণ ভাবে ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব আরোপ করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা

দম্পতিদের দাম্পত্যকে স্মরণীয় করে রাখতে 'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স কাপল নং ১' প্রতিযোগিতা আসতে চলেছে

বিবাহিত দম্পতিদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স কাপল নং ১ প্রতিযোগিতা আনতে চলেছে। ভারতের সংস্কৃতিতে বিবাহ সুখী দাম্পত্য জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কিন্তু এই দাম্পত্য বজায় রাখতে পারাও একটা আর্ট। সেই ব্যাপারটিকে মাথায় রেখে মজা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জুড়ি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রিচা শর্মা (অভিনেত্রী), ডলি জৈন (স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট), নয়না মোরে (বিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার), মিঃ বিজয় সোনি (ডিরেক্টর মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স), মিঃ অরবিন্দ সোনি (ডিরেক্টর মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স)।

বিবাহ পরবর্তী দাম্পত্যের ছবি পাঠিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্ৰহণ করতে পারবেন যে কোনও বিবাহিত দম্পতি। প্রত্যেক প্রতিযোগীদের স্ক্রিনিং রাউন্ডের মাধ্যমে বাছাই করা হবে। প্রতি সপ্তাহের বাছাই করা দম্পতিরা MDJ Showroom-এ এসে ডিসকাউন্ট ভাউচার নেবার সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি এবং মিঃ অরবিন্দ সোনি সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, আমরা কিছুদিন আগেই জোড়ি নং ১ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম এবং এবার আরও নতুন ভাবে বিবাহিত দম্পতিদের জন্য এই প্রতিযোগিতা আসতে চলেছে। এই ভালোবাসার মরশুমে আমরা দম্পতিদের প্রতিটি মুহূর্ত আরও স্পেশাল করার চেষ্টা করব আনন্দ প্রদানের মধ্যে দিয়ে।

অভিনেত্রী রিচা শর্মা জানান, দুই নারী-পুরুষের বিবাহ স্বর্গেই ঠিক হয়ে থাকে, তবে প্রতিবীতে সেই বিশেষ মুহূর্ত আমরা আনন্দের মাধ্যমে ধরে রাখি। এই ভালোবাসার মরশুমে আমরা সমস্ত দম্পতিদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্ৰহণ করতে আহ্বান জানাচ্ছি। এই অতিমারি দম্পতিদের কাছাকাছি আসতে সাহায্য করেছে, একে অপরের পরিপূরক এবং ভরসা এমনটা আশ্বাস পেয়েছেন বিভিন্ন দম্পতি এবং জীবনের মানে খুঁজে পেয়েছেন নতুনভাবে। এই ব্যাপারটাই আমরা কিছু বিশেষ মুহূর্তের মাধ্যমে সেলিব্রেট করে স্মরণীয় করে রাখতে চাইছি।

বিশিষ্ট শাড়ি ড্রেপিস্ট এবং স্টাইলিস্ট ডলি জৈন বলেন, এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। দম্পতিদের দাম্পত্যকে বিশেষ করে তুলতে একটি প্ল্যাটফর্ম করা হয়েছে, এর মাধ্যমে তাদের একে অন্যের প্রতি ভালোবাসার বেশ কিছু মুহূর্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা তাদের বিবাহের মত বেশ কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত উপহার দেব, যা অবশ্যই সেই সমস্ত প্রতিযোগী দম্পতিদের দাম্পত্য জীবনে বিশেষ মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

প্রখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে জানালেন, ভালোবাসার ব্যাপারে বা হৃদয়ের কাছাকাছি আসার ব্যাপারে অনেকে যেমন গ্র্যান্ড কিছু করতে ভালোবাসেন আবার অনেকে খুব সাধারণভাবেই একে অপরের কাছাকাছি আসতে পছন্দ করেন। এই অতিমারি আমাদের জীবনকে দেখার ধারণাই বদলে ফেলেছে এবং সম্পর্কের ছোট ছোট বিশেষ মুহূর্তগুলোকেও উদযাপন করতে শিখিয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বর্গীয় মহাবীর প্রসাদ সোনির মাধ্যমে ১৯৭০ সালে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁর পুত্র বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন। সঙ্গে রয়েছেন নাতিরাও- বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপ। সোনা, কুন্দন, জড়োয়া এবং হীরের গয়নার সম্ভার রয়েছে তাঁদের শোরুম-এ। কলকাতার বড়বাজার, সিটি সেন্টার মল ছাড়াও নতুন দিল্লির পীতমপুরায় এই জুয়েলারির শোরুম রয়েছে। এই কোম্পানির পণ্যের গুণমানের উৎকৃষ্টতার জন্য তারা কেন্দ্রীয় আদিবাসী মন্ত্রী পি কে কিন্ডিয়ার তরফ থেকে ইন্ডিয়ান অ্যাচিভার্স ফোরাম এবং অল ইন্ডিয়া বিজনেস এন্ড কমিউনিটি ফাউন্ডেশন-এর পুরস্কার “Indian Achievers Award for Quality & Excellence 2008”-এ পুরস্কৃত হয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২২- র ফাইনাল বাছাই পর্ব শুরু হতে চলেছে

নিজের ভাগ্য নির্ধারণ করার সময় আবার এসে গেলো। ভারতের প্রতিভা অন্বেষণ করতে আমরা মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন আবার চলে এসেছি। ভারতের যুব সমাজে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ভেঙে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় সামিল হতে আমরা উদ্বুদ্ধ করি। প্রত্যেকের মধ্যে 'পাওয়ার অফ দ্য ক্রাউন' খুঁজতে সাহায্য করি আমরা।

মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন ডিজিটাল মাধ্যমে নিজেদের সম্প্রসারিত করেছে। VLCC presents Femina Miss India 2022- এই ডাইনামিক ফরম্যাটে মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন ভারতের যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করছে আন্তর্জাতিক মানে নিজেদের মেলে ধরার জন্য।

২৮টি রাজ্য তথা দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং অন্যান্য কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলি থেকে ফাইনাল প্রতিযোগীদের বাছাই করার কাজ শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতার ভার্চুয়াল ২য় পর্বের জন্য। মোট ৩১ জনকে শীর্ষ বাছাই করা হবে ফাইনাল পর্বের জন্য। 'মোজ অ্যাপে' অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে দিয়ে ভিডিওর মাধ্যমে অডিশন দেওয়া যাবে বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রতিযোগী হিসেবে।

বিগত ছয় দশক ধরে ভারতের প্রতিভাসম্পন্ন তরুণীদের জীবন পাল্টে দিয়ে গ্ল্যামার এবং ফ্যাশন জগতের আইকন তৈরী করে দিয়েছে এই প্রতিযোগিতা। সেই ধারা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর সেফোরা, মোজ এবং রজনীগন্ধা পার্লস- এর সহযোগিতায় সম্পন্ন হতে চলা 'ভিএলসিসি প্রেসেন্টস ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২২'

এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে নেহা ধুপিয়া বলেন, "প্রতি বছর ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হওয়ার সময় আমি নস্টালজিক হয়ে যাই। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার সময় আমি যে শিক্ষার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলাম, তা আমার সারা জীবনের সম্পদ হয়ে রয়ে যাবে। প্রতি বছর নতুন এনার্জেটিক তরুণ প্রজন্মকে দেখি তারা বিশ্বের সামনে নিজেদের মেলে ধরতে প্রস্তুত। সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে এগুলি সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে"

মিস ইন্ডিয়ায় বিজয়িনীকে মিস ওয়ার্ল্ড সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি প্রতিযোগিতার বিজয়িনী বিনোদন এবং গ্ল্যামারের শহর মুম্বইতে থাকার সুযোগ পান। এই প্রতিযোগিতা থেকেই আমরা ৬ জন মিস ওয়ার্ল্ড কে পেয়েছি। রিতা ফারিয়া (১৯৬৬), ঐশ্বর্য রাই (১৯৯৪), ডায়না হেডেন (১৯৯৭), যুক্তামুখী (১৯৯৯), প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (২০০০) এবং মানুষী চিল্লার (২০১৭)। এই ধারা আগামীতেও বজায় থাকবে এমনটাই আশা।

উল্লেখ্য, স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার এই প্রতিযোগিতা মিস ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করে তা জানতে প্রতি বছর উন্মুখ হয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। সৌন্দর্য, ভদ্রতা, কমনীয়তা এবং বুদ্ধিমত্তার মিশেলে সম্পূর্ণ এক নারীকে ভারত পেশ করে মিস ওয়ার্ল্ডের আঙিনায়। এখান থেকেই আমরা পেয়েছি ঐশ্বর্য রাই, সুস্মিতা সেন, লারা দত্তা, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দিয়া মির্জা প্রমুখকে যাঁরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।

Written By

Swarnali Goswami

১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার অলকা জালান ফাউন্ডেশন-এ অনুষ্ঠিত হল 'সন্মার্গ বাদ সম্বাদ'-এর তৃতীয় বর্ষের উদযাপন

পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বেশি প্রকাশিত হিন্দি সংবাদপত্রের নাম বলতে গেলে অবশ্যই বলতে হবে সন্মার্গ সংবাদপত্রের কথা। হেডকোয়ার্টার তথা মূল অফিস কলকাতা থেকেই দীর্ঘ ৭৫ বছর যাবৎ এই সংবাদপত্র সকলকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। সত্যের পথে চলাই এই সংবাদপত্রের মূল উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য। বিভিন্ন রকম মতামত, ভাবনা কে সঙ্গী করে গণতন্ত্রে আস্থা রেখে স্বাধীন চিন্তা এবং মতাদর্শকে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে এই সংবাদপত্র। এইভাবেই এগিয়ে চলার পথে সন্মার্গ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিদগ্ধ জনেদের নিয়ে 'বাদ সংবাদ' নামক আলোচনা ভিত্তিক একটি অনুষ্ঠান শুরু করেছে। এবারে ১৮ ফেব্রুয়ারি সেই অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হল কলকাতার অলকা জালান ফাউন্ডেশন-এ।

বিভিন্ন ভাষা এবং ধর্মের সমন্বয়ে আমাদের দেশ ভারত। আমরা প্রায়ই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হই- আমাদের দেশের ধর্ম কী ভাষার সঙ্গে জড়িত? এই বিষয়কে সামনে রেখে এবারের সন্মার্গ বাদ সংবাদের আলোচ্য বিষয় ছিল 'এখনকার ভারত কী India' (क्या आज का भारत India है)? এই বিষয়ে আলোচনায় অংশগ্ৰহণ করেছিলেন পরিচালক এবং প্রযোজক অতুল সত্য কৌশিক, গায়িকা মালিনী অবস্থি, সাংবাদিক সাজিয়া ইলমি, লেখক তুহিন এ সিনহা, ট্যাগ ম্যাংগো-র কো ফাউন্ডার এবং সিইও দিব্যাংশু দামিনী, আইনজীবী উজ্জয়িনী চ্যাটার্জী, সামাজিক এবং রাজনৈতিক কর্মী প্রিয়দর্শিনী ঘোষ বাওয়া, সামাজিক কর্মী সুপ্রিয় সত্যম এবং আরও বিশিষ্ট জনেরা। অনুষ্ঠানটি মধ্যস্ততা করেছিলেন সাংবাদিক অনুরাগ পুনেথা, এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী রিচা শর্মা, সন্মার্গ গ্ৰুপের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক বিবেক গুপ্তা, সন্মার্গ গ্ৰুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রুচিকা গুপ্তা, মোটিভেশনাল স্পিকার তথা সেলিব্রিটি নয়না মোরে প্রমুখ।

সন্মার্গ গ্ৰুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রুচিকা গুপ্তা সাংবাদিকদের বলেন, হিন্দি অভিব্যক্তির, আবেগের ভাষা। এই ভাষা আমাদের পুরো দেশকে এক বন্ধনে বেঁধে রাখার কাজ করে। ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ উদযাপনের মুহূর্তে সন্মার্গ এই বাদ সম্বাদ-এর মাধ্যমে সম্মান প্রদান করছে 'ভারতীয় in every Indian' বা অন্যভাবে বলতে গেলে 'The Indian in every ভারতীয়' -র মধ্যে।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালে স্বামী কারপত্রী জি পূর্ব ভারতের এই স্বনামধন্য সংবাদপত্রটির সূচনা করেন। মানবিকতা এবং ন্যায়পরায়নতা কে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে এটির সূচনা হয়। মূলত হিন্দি ভাষাভাষী পাঠকদের কথা মাথায় রেখেই পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা, শিলিগুড়ি এবং রাঁচি থেকে এই সংবাদপত্রটি প্রকাশিত হয়।

Written By

Swarnali Goswami

কোভিড সচেতনতা ও টিকাদানে উৎসাহ প্রদানে উদ্যোগী UNICEF, CASA, We are The Common people

টাটানগর রেলওয়ে স্টেশনে শিখ সম্প্রদায়ের তরফ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ধর্না সমাবেশ

বহুদিন যাবৎ বন্ধ জালিয়ানওয়ালাবাগ এক্সপ্রেস এবং জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস। জালিয়ানওয়ালাবাগ এক্সপ্রেস ট্রেনটি অবিলম্বে চালু করার এবং জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাঁচির পরিবর্তে টাটানগর থেকে চালু করার দাবিতে টাটানগর রেলওয়ে স্টেশনে শিখ সম্প্রদায়ের তরফ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি এক ধর্না সমাবেশ করা হয়। কোভিড বিধি মেনে মাস্ক পরে শান্তিপূর্ণভাবে স্থানীয় শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত টাটানগর স্টেশনে ধর্নায় বসেন।

ঝাড়খন্ড প্রদেশ গুরুদ্বারা কমিটির প্রধান সর্দার শৈলেন্দ্র সিং এ বিষয়ে জানান, এই প্রতিবাদের পরেও যদি রেল বিভাগ ওই ট্রেন দুটি না চালু করে, তাহলে এক সপ্তাহ পরে তাঁরা চাক্কা জ্যাম করার সিদ্ধান্ত নেবেন। তার ফলে যদি কোনও অপ্রিয় ঘটনা ঘটে, তাহলে তার দায় রেল বিভাগের ওপর বর্তাবে এমনটাই আগাম জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, কিছুদিন আগেই রেলের অধিকর্তা বিজয় কুমার সাহুর সঙ্গে এক প্রতিনিধি দল দেখা করেছিল, তখন তিনি জানিয়েছিলেন ১০-১৫ দিনের মধ্যে ট্রেন চালু হয়ে যাবে, কিন্তু এখনও তা চালু হয়নি।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে ধর্নাস্থলে 'গুরু কা লঙ্গর'-এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল গুরুদ্বারা কমিটির তরফ থেকে। এছাড়া সবাইকে মাস্ক বিতরণ করা হয় এবং জল ও চায়ের ব্যবস্থাও করা হয়।


নিজস্ব সংবাদদাতা

ঝাড়খন্ড

ডলুতে প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কায়

ঐতিহ্যবাহী ডলু চা বাগানকে ধ্বংস করে বিমানবন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার।

বাগানের ৮৭৩ একর জমি নিয়ে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর তৈরি হবে। এর ফলে ডলুতে প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিকের কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কায় এয়ারপোর্ট নির্মাণের বিরুদ্ধে।

এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৩ ফেব্রুয়ারি কাছাড় জেলার দীননাথপুর পদ্মদীঘি, বিহাড়ায় রাস্তার পাশে ইউনিয়নের সদস্যরা এক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

অসম

১০বছর পর শিলিগুড়ি পুরসভা দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস


সহযোগী সংগঠন কে নিয়ে প্রান্তিক মানুষদের পাশে GOONJ

সামাজিক সংস্থা Goonj এর আহ্বানে এবং We Are The Common People এর উদ্যোগে শ্রমের মর্যাদাদানের মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগে সামিল হলো কোলকাতা পুরসভার দশ নম্বর ওয়ার্ডের অধিবাসীরা।

২৮ এবং ২৯ জানুয়ারী ওয়ার্ডের বস্তি অঞ্চলগুলির স্যানিটাইজেশন এর পাশাপাশি স্বচ্ছতা অভিযান চালানো এবং মাস্ক বিতণের মাধ্যমে শক্তিশালী করবার চেষ্টা হলো করোনা বিরোধী অভিযানকে।

অংশগ্রহনকারীদের ফ্যামিলি সাপোর্ট কীট দিয়ে তাঁদের পাশে থাকার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করবে Goonj। সংগঠনটির তরফ থেকে জ্ঞানেশ্বর এবং সুরিন্দর সিং কর্মসূচীর পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।

এই কর্মসূচীতে অঞ্চলের ১৫০ পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

শুভজিৎ দত্তগুপ্ত,

কলকাতা

নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ঝাড়খণ্ডের পটমদায় 'ওসাজ' এর পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

কৃষি দফতরের পরামর্শে বিকল্প চাষে লাভের মুখ দেখছেন চন্দ্রকোনার কৃষকেরা

কৃষি দফতরের 'আতমা' প্রকল্পে একাধিক উন্নত মানের ফুল ও বাঁধাকপি, ব্রকলি থেকে শুরু করে টোম্যাটো চাষ করে তাক লাগালো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের কৃষক। চন্দ্রকোনা কমরগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা দেবাশীষ সামন্ত, ব্লক কৃষি দফতরের সহযোগিতায় আতমা প্রকল্পে আলু চাষ না করে প্রায় তিন বিঘা জমিতে ব্রকলি, রেড ক্যাবেজ, ও উন্নত মানের টোম্যাটো সহ বেশ কয়েক ধরনের সবজি চাষ করে তাক লাগালেন।

ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে জৈব সার ব্যবহার করে উন্নত মানের এই কপি লাগিয়ে লাভের মুখ দেখছেন তিনি। শুধু তাই নয় ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর ব্রকলি, রেড ক্যাবেজ সহ এই সমস্ত কৃষিজ ফসলের চাহিদা বাজারে সব সময় থাকে। এই উন্নত মানের কপি খাওয়ার ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ে মানুষের শরীরে।

শুধু তাই নয়, আগামী দিনে ব্লক প্রশাসন ব্লকের বিভিন্ন কৃষককে এই চাষে উদ্যোগী করিয়ে কৃষকদের লাভের মুখ দেখাতে চায় এমনিই জানালেন চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের কৃষি আধিকারিক শ্যাম দুলাল মহাশয়। এলাকার কৃষকদের বিকল্প চাষে বাড়ছে আগ্রহ|

নিজস্ব সংবাদদাতা,

পশ্চিম মেদিনীপুর

মিনাখাঁয় ১৩০ জন সিলিকোসিস আক্রান্ত ও অসংগঠিত শ্রমিকদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করল 'ওসাজ'


কৃষিকার্যের শুভ সূচনা দিয়েই আদিবাসী কুড়মি সম্প্রদায়ের নববর্ষ উদযাপন

শনিবার কুড়মালী নববর্ষ। ২৭৭২ কুড়মাব্দ। ভারতবর্ষের আদিমতম অধিবাসী মাহাত কুড়মী সম্প্রদায় ১২মাসে বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক আচার অনুষ্ঠানে মেতে থাকেন।সবগুলোই মূলত প্রকৃতি কেন্দ্রিক। এই নববর্ষের প্রথম দিনটিকে এরা খুবই শুভদিন হিসেবে গণ‍্য করেন, তাই এই দিনে বিভিন্ন শুভকাজও শুরু করা হয়। মকরসংক্রান্তিতে টুসু পরব শেষে পিঠে পুলি খেয়ে টুসু ভাসিয়ে বছর শেষ হয়েছে। আজ অর্থাৎ শনিবার সূর্য দক্ষিণায়ণ থেকে উত্তরায়ণ যাত্রা শুরু করে অর্থাৎ অক্ষায়ণ হয় আর এই অক্ষায়ণ থেকেই পালিত হয় "আইখ‍্যান যাত্রা"। আদিবাসী কুড়মি সম্প্রদায় প্রকৃতির পুজারী, এরা কৃষিভিত্তিক তাই মূলত কৃষি কাজের সূচনা করা হয় এই আইখ‍্যান যাত্রার দিনকে বলা হয় হালচার বা হালপুইন‍্যা। সকালে সারা বাড়িতে লাতা দিয়ে পরিস্কার করে স্নান সেরে ভিজে কাপড়ে গরু বা মোষকে লাঙ্গল জুড়ে জমিতে আড়াই পাক লাঙ্গল করে বাড়িতে ফেরা হয়।স্নান সেরে ভিজে কাপড়ে বাড়িতে বরণ উপাচার হাতে অপেক্ষা করেন বাড়ির বউ। তাদের পা ধুইয়ে সিঙে তেল সিন্দুর মাখিয়ে বরণ করে বেতের তৈরী পাত্রে খাওয়ানো হয়।

জঙ্গলমহলের জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ছাড়াও উড়িষ্যা, বিহার,ঝাড়খণ্ড এবং আসাম অর্থাৎ সমগ্র ছোটনাগপুরের কুড়মী সম্প্রদায়ের মানুষ পালন করে এই রীতি।পেশায় শিক্ষক,আদিবাসী কুড়মী যুবক বিপ্লব মাহাত বলেন, আমরা কৃষি ভিত্তিক। তাই আমাদের এই কুড়মাব্দের প্রথম দিনটিকে আমরা শুভদিন হিসাবেই ধরি। তাই এই দিনেই কৃষি কার্যের শুভসূচনা করে থাকি তাছাড়াও আজ বিভিন্ন জায়গায় গরাম পূজাও হয়। গরাম ঠাকুর সারাগ্রামের সবার মঙ্গল করেন বলে মানা হয়।


নিজস্ব সংবাদদাতা,

পশ্চিম মেদিনীপুর

ট্রেন দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ঘটনাস্থলে রেলমন্ত্রী, দেখা করলেন আহতদের সঙ্গেও

দোমহনির কাছে লাইনচ্যুত গুয়াহাটি-বিকানির এক্সপ্রেসের ৬টি বগি, মৃত ৫

মহিষের গাড়ী আটকে নাজেহাল ডেবরা থানার পুলিশ

বাংলায় আগামী দুই মাস সবকিছু বন্ধ রাখা উচিত, মন্তব্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

তৃণমূল কংগ্রেসকে পৌরসভা নির্বাচনে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ বিজেপি - দিলীপ ঘোষ

ভালো কাজের পুরস্কার হিসেবে সাফাই কর্মীদের শীতবস্ত্র উপহার 'দিশিতা'র

কোভিড সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, তবুও ভিড় ঠাসা বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা অনেকের মুখে মাস্ক নেই

আফ্রিকার প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত হল মনস্তাত্ত্বিকরহস্য গল্প সংকলন অর্ক সমগ্র -১

১২ই ডিসেম্বর, ২০২১ রবিবার প্রকাশিত হয়েছে লেখক পল্লব হালদারের মনস্তাত্ত্বিক গল্প সংকলন 'অর্ক সমগ্র-১'। সেই উপলক্ষে কলেজ স্ট্রিটের 'দ্য ইন্ডিয়ান কফি হাউস'-এর ত্রিতলে অবস্থিত বইচিত্র সভাঘরে বইটির প্রকাশনা সংস্থা 'ধী প্রকাশনী'-র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো একটি সাহিত্য সভা। উপস্থিত ছিলেন মনীষ মুখোপাধ্যায়, তমোঘ্ন নস্কর, ডা. পল্লব বসু, রণদীপ নন্দী সহ বহু স্বনামধন্য লেখক। তাঁরা সকলেই প্রকাশনীর প্রথম উদ্যোগ হিসাবে বইটির গুণমানের বিশেষ প্রশংসা করেন।

লেখক মনীষ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, "ধী প্রকাশনীর প্রথম কাজ হিসেবে অর্ক সমগ্র যথেষ্ট ইমপ্রেসিভ কাজ। প্রচ্ছদ শিল্পী অভিব্রতর কাজ অসামান্য।" লেখক ডা. পল্লব বসু বলেছেন, "আশারাখি, ধী যে ভালোবাসা নিয়ে তাঁদের প্রথম বইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছে, সেই ধী এবং সততার সঙ্গে তাঁরা ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে..."

এরপর প্রকাশনা সংস্থাটি এই বই টির সঙ্গে সম্পর্কিত তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন পাঠকদের সঙ্গে। লেখক নিজেও জানান তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। এর আগে লেখক তাঁর গল্পের মুখ্য চরিত্র 'ডা. অর্ক সেন'-কে নিয়ে বহু কাহিনি লিখেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন সংকলনে। কাহিনির লিখন শৈলী ও বিষয় বস্তু সম্বন্ধে নিজেদের মুগ্ধতা প্রকাশ করেন পাঠকেরা, লেখকের কাছে বেশ কিছু প্রশ্নও তাঁরা করেন এ বিষয়ে।

তাঁর সৃষ্ট চরিত্র টির প্রসঙ্গে লেখক বলেছেন, "আমার গল্পে অর্ক কোনো সুপার হিরো নয় যে প্রতিটা রহস্যের সমাধান করতে পারে। বরং সে রক্ত-মাংসে গড়া একজন সাধারণ মানুষ, যার ভুল হয়; ঘাত-প্রতিঘাতে ভেঙেও পড়ে মাঝে মধ্যে। তার অস্ত্র যুক্তিবাদী মন ও মনস্তত্ত্বের জ্ঞান। আফ্রিকার প্রেক্ষাপটের সাথে রহস্য ও অলৌকিকতা গল্পগুলিকে এক অন্যমাত্রা দেবে এমনটাই আশা রাখি।

নারায়ন মেমোরিয়াল হাসপাতালে বিশ্ব ডায়াবেটিক দিবস এবং ইন্স্যুলিনের ১০০ বছর উদযাপন

সারা বিশ্বে বর্তমানে ৪২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। তার মধ্যে ৭৭০ লক্ষ মানুষ ভারতেই রয়েছে, যারা ডায়াবেটিসের শিকার। এই রোগটি যথেষ্ট দুরারোগ্য একটি ব্যাধি, যার শিকার হচ্ছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে মোট জনসংখ্যার ৭৬% মানুষ ডায়াবেটিক রোগী হয়ে যাবেন। এই কথা মাথায় রেখে 'ওয়ার্ল্ড ডায়াবেটিস মান্থ-২০২১' নাম একটি থিমের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ভারতকে বিশ্বের দরবারে 'ডায়াবেটিক কেয়ার ক্যাপিটাল' হিসেবে তুলে ধরার কথাও ভাবা হচ্ছে। ২০২১ আরও একটি বিষয়ে উল্লেখযোগ্য, এ বছর ইন্স্যুলিন আবিষ্কারের শতবর্ষ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ডাক্তারেরা বলছেন, প্রচুর ডায়াবেটিক রোগী কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এটাও দেখা গেছে, অতিমারির সময়ে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। প্রচুর মানুষকে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার জন্য ইন্স্যুলিনের ব্যবহার শুরু করতে হয়েছে। এমনও ভাবা হচ্ছে কোবিড-১৯ সরাসরি প্যানক্রিয়াসের বিটা সেলে আঘাত হানছে।

এই ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে নারায়ন মেমোরিয়াল হাসপাতালের সিইও শ্রীমতি সুপর্ণা সেনগুপ্ত জানাচ্ছেন, "লকডাউনের সময় আমরা HBA1c-এর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেখেছি। অপরিমিত এক্সারসাইজ, বাইরে বেরোনোর বাধা, সুষম আহার পর্যাপ্ত পরিমানে না পাওয়া, মানসিক স্ট্রেস টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সমস্যা তৈরী করেছে। এই পরিস্থিতি আমাদের এশিয়ান-ইন্ডিয়ান দেশের মানুষের ক্ষেত্রে প্রি- ডায়াবেটিক স্টেজ থেকে T2DM এ রূপান্তরিত হয়েছে দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৫০%, যা যথেষ্ট ভয়ের ব্যাপার আগামী দিনে ডায়াবেটিস রোগী বৃদ্ধির ক্ষেত্রে"।

এমডি, ডিএনবি, এমএনএএমএস, ডিএম (পিজিআই), এমআরসিপি ডাঃ সুজিত ভট্টাচার্য্য জানান, "বিগত ১০০ বছর ধরে ইনস্যুলিন ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে জীবনদায়ী ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাণীর অগ্ন্যাশয়ের নির্যাস থেকে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে মানব দেহে ব্যবহারের উপযোগী ইনস্যুলিন তৈরী করা হয়। যত দিন এগিয়েছে তত উন্নত প্রযুক্তিতে এই ওষুধ উৎপন্ন হয়েছে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য"।

এমডি ডিএম ডাঃ ঈপ্সিতা ঘোষ বলেন, "প্যানডেমিকের বাড় বাড়ন্তে পোস্ট প্র্যান্ডিয়াল ব্লাড গ্লুকোজ লেভেল প্রায় ৪৮% বেড়ে গেছে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম কালচার, অনিয়মিত এক্সারসাইজ, ফাস্ট ফুড বা অর্ডার দেওয়া খাবার খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি এই গ্লুকোজ লেভেল বৃদ্ধির অন্যতম কারন। মাত্র ১৮.৭% মানুষ সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলেছেন প্যানডেমিকের সময়। কিন্তু আমাদের প্রত্যেককে সচেতন করতে হবে এই ডায়াবেটিস অসুখটি সম্বন্ধে যাতে মানুষ এর থেকে দূরে থাকতে পারে এবং জীবনকে আরও স্থায়িত্ব দিতে পারে"।

উল্লেখ্য, নারায়ন মেমোরিয়াল হাসপাতাল বৃহত্তর কলকাতার অন্যতম একটি মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল যেখানে বিশ্ব মানের পরিষেবা দেওয়ার বন্দোবস্ত রয়েছে। ২০০ বেড সম্বলিত এই হাসপাতালে স্বনামধন্য চিকিৎসক দ্বারা ২৪x৭ চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়। এমার্জেন্সি এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ারে ৪৮টি আইসিইউ বেড সহ নেগেটিভ প্রেসার যুক্ত ৫ টি অপারেশন থিয়েটার এবং যথেষ্ট উন্নতমানের গ্যাজেট রয়েছে এই হাসপাতালে জটিল অস্ত্রোপচার করার জন্য। এই হাসপাতালের বিশেষত্ব হল মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার, রেসপিরেটরি মেডিসিন, নিউরোলজি, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, ওপিডি ফেসিলিটি, ৩৬০ ডিগ্রি ডায়াগনিস্টিক সার্ভিস এবং ২৪x৭ অপারেশনাল ফার্মাসি।

Written By

Swarnali Goswami

বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন তথা মহিলা টিম নিয়ে আয়োজিত "খেলা হবে- আ প্লে ফর আ কজ" ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হল এনকেডিএ ফুটবল স্টেডিয়াম কলকাতায়

সমাজকর্মী শর্মিষ্ঠা আচার্য, প্রতিষ্ঠিত সঞ্চালক তথা পশ্চিমবঙ্গের মিঃ ইন্ডিয়ার মুখ অঙ্কিত শা এবং দ্য জংশন হাউস একত্রে একটি ফুটবল ইভেন্টের আয়োজন করেছে, যা অনুষ্ঠিত হল ১৩ নভেম্বর এনকেডিএ ফুটবল স্টেডিয়াম কলকাতায়। ইভেন্টটি মূলত হচ্ছে বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন তথা মহিলা টিম নিয়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ফুটবলার অলভিটো ডি কুনহা, আন্তর্জাতিক হকি খেলোয়াড় যুবরাজ বাল্মীকি, বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জী, রাজ্য ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, এআইটিসি-র জাতীয় মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য্য, ভারতীয় ফুটবলার সাইদ রহিম নবি, স্বনামধন্য ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য্য, আন্তর্জাতিক প্যারা অ্যাথলিট (এশিয়ান গেমসে লং জাম্প-এ রৌপ্য পদকজয়ী) প্রবীর সরকার এবং আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ, বলা যায় বিশ্ব জনসংখ্যার নিরিখে ১৫ শতাংশ মানুষ রয়েছেন যাঁরা বিশেষভাবে সক্ষম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরিখে এই সংখ্যাটা সংখ্যালঘু জনগণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি। হু-এর মতে আমরা সকলেই কম-বেশি অক্ষম কোনও না কোনও ক্ষেত্রে। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই বিশেষভাবে সক্ষম মানুষেরা সমাজে অবহেলিত, তাই তাদের সম্বন্ধে ভাবার অবশ্যই প্রয়োজন আছে। ফুটবল এমন একটি খেলা, যা সকলেই পছন্দ করে, তাই এই খেলা বাছাই করা হয়েছে।

জংশন হাউসের ডিরেক্টর মিঃ রাজ রায় জানান, "আমরা বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের সচেতন করতে চাই, যে তারা সমাজের যে কোনও কাজ সাধারণ মানুষের থেকেও ভালোভাবে করতে পারেন। আমরা প্রত্যেককে আহ্বান জানাচ্ছি এই টুর্নামেন্টে প্রতিযোগীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য এবং বোঝানোর জন্য যে তারা কোনও অংশেই করোও থেকে কম নয়- এটাই 'খেলা হবে'-র মূল ভাবনা"।

সঞ্চালক তথা পশ্চিমবঙ্গের মিঃ ইন্ডিয়ার মুখ অঙ্কিত শা বলেন, "সমগ্র বিশ্ব প্রতিদিন প্রতি ক্ষেত্রে উন্নতি করে চলেছে এবং খেলার ক্ষেত্রও সেক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। তাই ছোটবেলা থেকে যাঁরা অবহেলিত তাঁদের কথা চিন্তা করে আমরা এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। কলকাতায় এমন টুর্নামেন্ট আগে কখনও হয়নি"।

সমাজকর্মী শর্মিষ্ঠা আচার্য জানান, "আমি সব সময় চাই সমাজে বদল আনতে। সমাজের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সব সময় আমি উৎসাহ দিতে চাই। 'খেলা হবে'- এই উদ্যোগ একটি বিশেষ উদ্যোগ তা বলাই যায়, যার মাধ্যমে সকলকে আহ্বান জানানো হচ্ছে বিশ্বকে জানার জন্য, চেনার জন্য"।

বিজেতারা হলেন-


  • মহিলা টিম- বেলেঘাটা স্পোর্টিং ক্লাব

  • বিশেষভাবে সক্ষম- ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোশিয়েশন ফর দ্য ডিফারেন্টলি অ্যাবলড

  • বিশেষ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন - ভিসুয়ালি ইমপেয়ার্ড ক্রিকেট অ্যাসোশিয়েশন অফ বেঙ্গল


খেলা হবে একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট, যেখানে বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষভাবে দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি তথা মহিলাদের যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে প্রতিভা বিকশিত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সমাজের প্রত্যেকে যে কোনও কাজ করতে সক্ষম সেই বিষয়ে এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তাদের সচেতন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দ্য জংশন হাউজ কলকাতার একটি ইভেন্ট তথা আন্তর্জাতিক ট্যুর-ট্র্যাভেল কোম্পানি যারা তাদের কাজের জন্য বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।


Written By

Swarnali Goswami

বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন তথা মহিলা টিম নিয়ে আয়োজিত "খেলা হবে- আ প্লে ফর আ কজ"-এর থিম সং প্রকাশিত হল ৯ নভেম্বর

সমাজকর্মী শর্মিষ্ঠা আচার্য, প্রতিষ্ঠিত সঞ্চালক তথা পশ্চিমবঙ্গের মিঃ ইন্ডিয়ার মুখ অঙ্কিত শা এবং দ্য জংশন হাউস একত্রে একটি ফুটবল ইভেন্টের আয়োজন করছে, যার ঘোষণা হল ৯ নভেম্বর। ইভেন্টটি মূলত হচ্ছে বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষ দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন তথা মহিলা টিম নিয়ে। উক্ত ইভেন্টটির থিম সং লঞ্চ হল এদিন প্রেস ক্লাবে। এই উদ্দেশ্যে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ফুটবলার অলভিটো ডি কুনহা, বিধায়ক মদন মিত্র, ভারতীয় ফুটবলার সাইদ রহিম নবি, স্বনামধন্য ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য্য, ক্রিকেটার শুভ্র জোয়ারদার, 'খেলা হবে' থিম সং-এর অফিসিয়াল গায়িকা তথা বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী জোজো মুখোপাধ্যায়, আন্তর্জাতিক প্যারা অ্যাথলিট (এশিয়ান গেমসে লং জাম্প-এ রৌপ্য পদকজয়ী) প্রবীর সরকার, কেনিয়ার কনসাল প্রণয় পোদ্দার এবং আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ, বলা যায় বিশ্ব জনসংখ্যার নিরিখে ১৫ শতাংশ মানুষ রয়েছেন যাঁরা বিশেষভাবে সক্ষম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরিখে এই সংখ্যাটা সংখ্যালঘু জনগণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি। হু-এর মতে আমরা সকলেই কম-বেশি অক্ষম কোনও না কোনও ক্ষেত্রে। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই বিশেষভাবে সক্ষম মানুষেরা সমাজে অবহেলিত, তাই তাদের সম্বন্ধে ভাবার অবশ্যই প্রয়োজন আছে। ফুটবল এমন একটি খেলা, যা সকলেই পছন্দ করে, তাই এই খেলা বাছাই করা হয়েছে।

জংশন হাউসের ডিরেক্টর মিঃ রাজ রায় জানান, "আমরা বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের সচেতন করতে চাই, যে তারা সমাজের যে কোনও কাজ সাধারণ মানুষের থেকেও ভালোভাবে করতে পারেন। আমরা প্রত্যেককে আহ্বান জানাচ্ছি এই টুর্নামেন্টে প্রতিযোগীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য এবং বোঝানোর জন্য যে তারা কোনও অংশেই করোও থেকে কম নয়- এটাই 'খেলা হবে'-র মূল ভাবনা"।

সঞ্চালক তথা পশ্চিমবঙ্গের মিঃ ইন্ডিয়ার মুখ অঙ্কিত শা বলেন, "সমগ্র বিশ্ব প্রতিদিন প্রতি ক্ষেত্রে উন্নতি করে চলেছে এবং খেলার ক্ষেত্রও সেক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। তাই ছোটবেলা থেকে যাঁরা অবহেলিত তাঁদের কথা চিন্তা করে আমরা এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। কলকাতায় এমন টুর্নামেন্ট আগে কখনও হয়নি"।

সমাজকর্মী শর্মিষ্ঠা আচার্য জানান, "আমি সব সময় চাই সমাজে বদল আনতে। সমাজের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সব সময় আমি উৎসাহ দিতে চাই। 'খেলা হবে'- এই উদ্যোগ একটি বিশেষ উদ্যোগ তা বলাই যায়, যার মাধ্যমে সকলকে আহ্বান জানানো হচ্ছে বিশ্বকে জানার জন্য, চেনার জন্য"।

'খেলা হবে' একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট, যেখানে বিশেষভাবে সক্ষম, বিশেষভাবে দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি তথা মহিলাদের যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে প্রতিভা বিকশিত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সমাজের প্রত্যেকে যে কোনও কাজ করতে সক্ষম সেই বিষয়ে এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তাদের সচেতন করা হচ্ছে। "খেলা হবে- আ প্লে ফর আ কজ" টুর্নামেন্টটি এনকেডিএ ফুটবল স্টেডিয়ামে অটিস্টিক এবং দৃষ্টিশক্তিহীন শিশুদের নিয়ে শিশুদিবসের আগের দিন অর্থাৎ ১৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

উল্লেখ্য, দ্য জংশন হাউজ কলকাতার একটি ইভেন্ট তথা আন্তর্জাতিক ট্যুর-ট্র্যাভেল কোম্পানি যারা তাদের কাজের জন্য বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার সেরা কোভিড সচেতনতা (স্বাস্থ্যবিধি) পেল ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দূর্গা পূজা কমিটি


বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার সেরা কোভিড সচেতনতা (স্বাস্থ্যবিধি) পেল ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দূর্গা পূজা কমিটি। দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম পুজো হিসেবে নিজেদের পরিচয় তৈরী করে নিয়েছে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী। প্রতি বছর তাদের বিশেষ থিম দর্শকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি পুরস্কৃতও হয় বিভিন্ন বিভাগে। এবারেও তার অন্যথা হলনা। পুরুলিয়ার ছৌ নৃত্য শিল্পীদের উৎসর্গ করে তারা এবারের পুজোর থিম রেখেছিল 'মানবিক'। সেখানে পুরুলিয়ার ছৌ শিল্পীদের এনে সম্মানিতও করা হয়েছিল ক্লাবের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, ছৌ শিল্পীরা পুরাণ, রামায়ন, মহাভারতের বিভিন্ন আলেখ্য নৃত্যের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরে আমাদের দেশের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। এই নৃত্যের বিশেষ রঙিন পোশাক এবং মুখোশ যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।

ক্লাবের সেক্রেটারি মিঃ সুবীর দাস সংবাদমাধ্যমকে জানান, "এই পুরস্কার আমরা ছৌ শিল্পীদের পরিবার এবং সন্তানদের উৎসর্গ করতে চাই। আমরা একটা বৃহৎ অংকের অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করেছি তাঁদের, এছাড়াও তাদের শিল্পকর্ম বিক্রির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বিশ্ব কন্যা দিবসে আমরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামে গিয়ে 'ম্যাক্স' এবং 'অরিহন্ত এন্টারপ্রাইজে'র সহযোগীতায় ২৫০ জন ছৌ শিল্পীর সন্তানদের বস্ত্র দান করেছি এবং ৫০ জন দরিদ্র শিল্পীদের পরিবারকেও নতুন বস্ত্র প্রদান করেছি। অতিমারির সময় তাদের যেভাবে কষ্টের মধ্যে দিন কেটেছে, এই উদ্যোগ সেই উদ্দেশ্যে কিছুটা পাশে থাকার। আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর ভাবনায় অনুপ্রাণিত এবং সেরা কোভিড সচেতনতা (স্বাস্থ্যবিধি) বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার পাওয়ায় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই"।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সাল থেকে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান প্রদানের ঘোষণা করার পর থেকে পুজোর মানেটাই বদলে গেছে। পুজোর বিভিন্ন বিভাগের পুরস্কারের আয়োজন পুজো কমিটিগুলিকে আরও ভালো পুজো করার উৎসাহ এবং প্রেরণা যোগাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মূল সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে এই পুরস্কার শুধু রাজ্যের ক্ষেত্রেই নয়, সারা বিশ্বে দুর্গাপুজোকে আলাদা মাত্রা এনে দিতে সক্ষম হয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

লন্ডনের ট্রাফালগার স্কোয়ার -এ লন্ডন মেয়রের দিওয়ালি সেলিব্রেশন-এ বাংলার নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী শিল্প আলপনা আলাদা মাত্রা এনে দিল


আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই রয়েছে বাঙালিদের আলোর উৎসব দীপাবলী। হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে মা-কালী যেমন শক্তির আরাধ্যা দেবী হিসেবে পূজিত হন, তেমনি অন্ধকার থেকে আলোর পথের দিশারীও তিনিই, তা আমরা বাঙালিরা সকলেই জানি। গত বছরের অতিমারির ভয়াবহতা কাটিয়ে এবারেও অতিমারির বাধ্যবাধকতা মেনে আমরা পালন করছি আমাদের বিভিন্ন উৎসব। তেমনই আলোর উৎসব তথা শক্তির আরাধনায় মেতে উঠেছে লন্ডনের মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত প্রতিষ্ঠান 'হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল'। ২৩ অক্টোবর 'দিওয়ালি অন ট্রাফালগার স্কোয়ার'-এ লন্ডনের মেয়র মিঃ সাদিক খানের অফিস এবং হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল এই উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একযোগে মেতে উঠলো।

বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী আলপনার মাধ্যমে এবং আলোর রোশনাইয়ের মাধ্যমে গত দেড় বছরের কোভিডের অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে আলোর সন্ধানে কালী পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল উদ্যোক্তাদের তরফে। গ্রেটার লন্ডন অথরিটির উদ্যোগে আলপনার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল এবং সবার সেরা আলপনা স্থান পেয়েছিল মূল অনুষ্ঠানে।

এছাড়াও হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবালের ভাইস প্রেসিডেন্ট মহুয়া বেইজ-এর তত্ত্বাবধানে লাল রঙের বেস -এর ওপর সাদা রঙের আলপনা ছিল যথেষ্ট দৃষ্টিনন্দন। সন্ধ্যায় সেঁজুতি দাস এবং অনশ্মিতা সাহার নৃত্য পরিবেশনা ছিল মনোমুগদ্ধকর। উদ্যোক্তারা একটি ভিডিও স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা করেছিলেন যেখানে বাংলা তথা কলকাতা কিভাবে অতিমারির ভয়াবহতা কাটিয়ে পোস্ট লোকডাউনে কোভিড বিধি মেনে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তা দেখানো হয়েছিল। উক্ত ভিডিও প্রদর্শনের জন্য ধন্যবাদ জানাতেই হয় হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবালের অরিজিৎ সরকার, তিথি সেন, দেবদীপ সেন, কৌশিক লাহিড়ি, মৌসুমী লাহিড়ি, শুভদীপ বোস, রাহুল দাশগুপ্ত এবং ইয়াচনা কে।

কলকাতার iLEAD সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা মিঃ প্রদীপ চোপড়া যিনি একাধারে হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল-এর ডিরেক্টর, তিনি এবং অপর ডিরেক্টর মিঃ অনির্বান মুখোপাধ্যায়ের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই আয়োজন যথার্থ হয়েছে তা অনস্বীকার্য। লন্ডনের মেয়রের তরফের এই উৎসবে দীপাবলীর মূল নির্যাস ধরা পড়েছে বাঙালিদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে। হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল এমন আরও অনুষ্ঠানের একযোগে আয়োজন করতে ইচ্ছুক মেয়র অফ লন্ডনের সহযোগিতায়।

কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম লন্ডনের এই উদ্যোগকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর সেক্রেটারি মিঃ সুবীর দাসও এই উদ্যোগকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সুবীরবাবু ২০১৮ সালে প্রথম বেঙ্গল-ব্রিটেন কালচারাল কোলাবরেশনের মাধ্যমে লন্ডনের ওয়াটার অফ টেমস-এর প্রতিমা এবং কলকাতার ওয়াটার অফ গঙ্গাস-এর প্রতিমা তৈরী করে দুই শহরের মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন। তিনি লন্ডনের অধিবাসীদের কলকাতায় আসার জন্য আমন্ত্রণ ও জানান।

Written By

Swarnali Goswami

মহা পঞ্চমীর দিন উদ্বোধন হয়ে গেল ইয়াং বয়েজ ক্লাবের পুজো

কলকাতা তথা রাজ্যে দুর্গাপুজো বাঙালির সবচেয়ে সেরা উৎসব। এই দুর্গাপুজোকে ঘিরে আপামর বাঙালির মনে আনন্দের রেশ শুরু হয় একটি পুজো শেষের পর থেকেই পরের পুজোর জন্য। পুজো ক্লাবের কর্মকর্তারাও তেমনই একটি পুজোর পর পরবর্তী পুজোর থিম নিয়ে মেতে ওঠেন। তাই বর্তমান সময়ে দুর্গাপুজো সাবেকিয়ানার পাশাপাশি থিম ভিত্তিক হয়ে উঠেছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তেমনই থিমকে গুরুত্ব দিয়ে ইয়াং বয়েজ ক্লাব প্রতি বছর থিমের ক্ষেত্রে অভিনবত্ব নিয়ে আসে। মহা পঞ্চমীর দিন উদ্বোধন হয়ে গেল এই পুজোর। ইয়াং বয়েজ ক্লাবের পুজোর উদ্বোধন করলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সুশীল কুমার সিং, কাউন্সিলর মীরা দেবী পুরোহিত, প্রাক্তন বিধায়ক স্মিতা বক্সী, সঞ্জয় বক্সী, কাউন্সিলর শগুফতা পারভিন, কাউন্সিলর এবং বরো কোঅর্ডিনেটর রেহানা খাতুন সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এবারে তাদের পুজো ৫২ তম বর্ষে পদার্পন করছে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তারা এবারের দুর্গাপুজোর থিম রেখেছে, 'দূর্গা-দ্য ডেস্ট্রয়ার অফ করোনা'। এই পুজোটি মধ্য কলকাতার তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিট-এ অনুষ্ঠিত হয়। এই রাস্তাটি সেন্ট্রাল এভিনিউ এবং রবীন্দ্র সরণীকে কানেক্ট করেছে।

ক্লাবের চিফ অর্গানাইজার মিঃ রাকেশ সিং জানান, "অতিমারির আবহে সকলেই আশা করছেন মা দূর্গা এসে করোনারুপী অসুরকে ধ্বংস করবেন। আমরাও তেমনই আশা করছি, মা দূর্গা আমাদের সহায় হয়ে করোনাকে নির্মূল করবেন। কোভিড-১৯ এর জন্য আমরা যথেষ্ট সমস্যা ভোগ করেছি, এখনও ভাইরাসটি রয়েছে। কোভিড ওয়ারিয়ররা তাঁদের যথাসাধ্য দিয়ে আমাদের সেবা করেছেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আমাদের উপযুক্ত করেছেন। সেই কারনেই আমরা এবারের থিম তাঁদেরকেই উৎসর্গ করেছি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডাক্তার সহ মেডিকেলের সমস্ত রকম কর্মীবৃন্দ, পুলিশ অফিসার সহ পুলিশের সকল রকম কর্মীবৃন্দ, সাফাই কর্মীরা, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ড্রাইভার, কন্ডাক্টর প্রভৃতি আরও সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষজন"।

"আমাদের জীবনধারা পাল্টে দিয়েছে করোনা। সকলেই তাই এই ভাইরাসটিকে অসুর হিসেবেই দেখছেন, যার সঙ্গে আমাদের প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হচ্ছে এবং আমরা সকলেই চাইছি এই অসুরকে বধ করে সমাজকে সুস্থ জায়গায় নিয়ে আসতে। সেই কারণেই আমরা এবারে মা-য়ের কাছে প্রার্থনা করছি আমাদের সকলকে করোনা থেকে দূরে রেখে সুরক্ষিত করে রাখার জন্য। তাই তিনি এবারে আসছেন নতুন রূপে, করোনারূপী অসুর তথা সমাজের দুষ্টকে দমন করতে। 'করোনার বধ' করতেই আসছেন এবারে মা দূর্গা"- জানালেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মিঃ বিক্রান্ত সিং।

শিল্পী- মেদিনীপুরের দেব শঙ্কর মহেশ

মন্ডপের উচ্চতা- ৪০ ফুট

নিকটতম মেট্রো স্টেশন- মহাত্মা গান্ধী রোড মেট্রো স্টেশন

লোকেশন- সেন্ট্রাল কলকাতা (ইয়াং বয়েজ ক্লাব)- ৭নং- তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিট, চিৎপুর ক্রসিং-এর কাছে, কলকাতা- ৭৩

ক্লাবের পুজো শুরুর বর্ষ- ১৯৭০


Written By

Swarnali Goswami

মহা চতুর্থীর দিন উদ্বোধন হয়ে গেল মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজো

মহা চতুর্থীর দিন অর্থাৎ শনিবার ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পুজোর এবারের থিম 'ভ্যাক্সিনেশন উইনস ওভার করোনা'। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক তাপস রায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্তা, প্রাক্তন বিধায়ক স্মিতা বক্সী, সঞ্জয় বক্সী, কাউন্সিলর শগুফতা পারভিন, কাউন্সিলর এবং বরো কোঅর্ডিনেটর রেহানা খাতুন, ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন মহম্মদ আলি পার্কের চেয়ারম্যান মনোজ পোদ্দার সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

২০১৯ এ জলাধারের পুনর্নির্মাণ-এর জন্য স্থানান্তরিত করতে হয়েছিল মহম্মদ আলি পার্কের পুজো। দু'বছর পর ফের নিজেদের জায়গায় ফিরে এসেছে তাদের দুর্গাপুজো। ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন আয়োজিত মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজোর এবারের থিম ‘ভ্যাক্সিনেশন উইনস ওভার করোনা'।

মহম্মদ আলি পার্কের জেনারেল সেক্রেটারি মিঃ সুরেন্দ্র কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, ২০২০ যদি হয় কোভিড সংক্রমণের বছর, তবে ২০২১ কে অবশ্যই বলতে হবে টিকাকরণের অর্থাৎ ভ্যাক্সিনেশনের বছর এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে এটাই একমাত্র অস্ত্র। সেই বার্তাই আমরা এবারে আমাদের পুজোতে দিতে চাইছি।

দর্শকদের মণ্ডপের ভেতর প্রবেশের অনুমতি যদিও থাকছে না, তবু আমরা এমন ব্যবস্থা করছি, যাতে তাঁরা বাইরে থেকেই পুজো উপভোগ করতে পারেন। ১৫ ফুট দূর থেকেই খুব স্পষ্টভাবে প্রতিমা দর্শন করা যাবে। এটাও সত্যি, সকলের স্বাস্থ্যর থেকে বড় কিছুই হয়না। আমরা অবশ্যই আগামী বছরগুলোতে খুব জাঁকজমক করে পুজোর আয়োজন করব।

উল্লেখ্য, মধ্যে কলকাতার অন্যতম সেরা দুর্গাপুজো এই মহম্মদ আলি পার্কের পুজো, যা প্রত্যেক দর্শনার্থীদের অবশ্য গন্তব্যের তালিকায় থাকে তাদের অভূতপূর্ব মন্ডপসজ্জার জন্য। মধ্যে এবং উত্তর কলকাতার যথেষ্ট মর্যাদাপূর্ণ ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন ক্লাবটি বিভিন্ন বিভাগে ইতিমধ্যেই প্রচুর পুরস্কার লাভ করেছে।

গত বছর মহম্মদ আলি পার্ক মহিষাসুরের জায়গায় করোনাসুরের আদলে মায়ের সাবেকি মূর্তি করেছিল, যা যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল। এই পুজো ১৯৬৯ সালে তারা চাঁদ দত্ত স্ট্রিটে শুরু হয়। কিন্তু অতি অল্প দিনের মধ্যেই তা এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যে পুজো স্থানান্তরিত করে আনা হয় বর্তমানের এই মহম্মদ আলি পার্কে। এ বছর এই ক্লাব একচালা মায়ের মূর্তি তৈরি করছে।

Written By

Swarnali Goswami

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্বোধন করলেন ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজো

মহা চতুর্থীর দিন অর্থাৎ শনিবার উদ্বোধন হয়ে গেল ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজো, পুরুলিয়ার ছৌ শিল্পীদের সম্মানার্থে যেখানকার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পুজোর উদ্বোধন করলেন। এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সমাজসেবী কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধামসা মাদল সহযোগে ছৌ নৃত্যের ব্যবস্থা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীও ধামসা বাজালেন শিল্পীদের উৎসাহ দিতে।

ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর সদস্যরা তাদের এবারের পুজোর থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে দুর্গাপুজোকে এক আলাদা মাত্রা এনে দেবার মনস্থ করেছে। এই থিমকে ভিত্তি করে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটি এবারে পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের উন্নতিকল্পে সাহায্য করবে এমনটাই পরিকল্পনা।

দক্ষিণ কলকাতার এই পুজোটির মাধ্যমে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা যে অভিনব থিমের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজের প্রতি একটি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তার জন্যই পুজোটি ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের সারিতে উঠে এসেছে। তারই রেশ ধরে এবারের থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর। রামায়ন, মহাভারত তথা ভারতের অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে নিজস্ব শৈলীতে নাচের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেন ছৌ শিল্পীরা, যা দেশ তথা বিদেশের মাটিতেও যথেষ্ট জনপ্রিয়। পুরুলিয়া জেলার চড়িদা গ্রামটি ছৌ নৃত্যের মুখোশ তথা পোশাক তৈরির জন্য বিখ্যাত।লকডাউনের ফলে বাংলার এই অতি জনপ্রিয় লোকশিল্প 'ছৌ নৃত্য' প্রদর্শন একেবারে বন্ধ। তার ফলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সেদিকে দৃষ্টিপাত করেই পুজো কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

ক্লাবের সেক্রেটারি সুবীর দাস বলেন, "এ বছর আমরা ছৌ শিল্পীদের শিশু এবং পরিবারবর্গকে যথেষ্টভাবে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছি। রাজ্য সরকারের তরফেও যাতে তারা সাহায্য পায় তার চেষ্টা করা হচ্ছে। ছৌ নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন সরঞ্জামের প্রদর্শনের মাধ্যমে যাতে ছৌ শিল্পীরা কিছুটা আর্থিকভাবে সাহায্য পায়, তারই চেষ্টা করছি আমরা। বিশ্ব কন্যা দিবসে তাই ২৫০ শিশুকন্যাকে বস্ত্র বিতরণ করা হবে এছাড়াও পুজো উপলক্ষে ৫০টি আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত ছৌ শিল্পীর পরিবারকে নতুন বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করা হবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তাধারা এবং অনুপ্রেরণায় আমরা এই কাজ করতে চলেছি নিজেদের সাধ্যমতো"।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে ৫৭ তম দুর্গোৎসব পালন করছে, যার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মন্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, পুজোর মন্ডপের পরিবেশ, সুরক্ষা, সংহতি প্রভৃতির উৎকৃষ্ট মেলবন্ধনে এই পুজো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। 'মায়ের আঁচল', 'ও আমার দেশের মাটি', 'আরশিনগর', 'আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে... লন্ডন', 'খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা- উল্টে পাতা শোনায় কথা', 'মা', 'নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর' এবং গত বছরের 'নাগর দোলায় সবার পুজো' প্রভৃতি প্রতিটা থিম প্রতি বছর যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে শহরের বিভিন্ন পুজোর মধ্যে এই পুজোর স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে। ক্লাবের তরফ থেকে আশা করা হচ্ছে এবারেও নিজেদের থিমের মাধ্যমে তারা শহরের পুজোগুলির মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিতে সক্ষম হবেন।

Written By

Swarnali Goswami

মহম্মদ আলি পার্কের দূর্গা পুজোর এবারের থিম 'ভ্যাক্সিনেশন উইনস ওভার করোনা'

২০১৯ এ জলাধারের পুনর্নির্মাণ-এর জন্য স্থানান্তরিত করতে হয়েছিল মহম্মদ আলি পার্কের পুজো। দু'বছর পর ফের নিজেদের জায়গায় ফিরে এসেছে তাদের দুর্গাপুজো। ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন আয়োজিত মহম্মদ আলি পার্কের দুর্গাপুজোর এবারের থিম ‘ভ্যাক্সিনেশন উইনস ওভার করোনা'।

মহম্মদ আলি পার্কের জেনারেল সেক্রেটারি মিঃ সুরেন্দ্র কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, ২০২০ যদি হয় কোভিড সংক্রমণের বছর, তবে ২০২১ কে অবশ্যই বলতে হবে টিকাকরণের অর্থাৎ ভ্যাক্সিনেশনের বছর এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে এটাই একমাত্র অস্ত্র। সেই বার্তাই আমরা এবারে আমাদের পুজোতে দিতে চাইছি। দর্শকদের মণ্ডপের ভেতর প্রবেশের অনুমতি যদিও থাকছে না, তবু আমরা এমন ব্যবস্থা করছি, যাতে তাঁরা বাইরে থেকেই পুজো উপভোগ করতে পারেন। ১৫ ফুট দূর থেকেই খুব স্পষ্টভাবে প্রতিমা দর্শন করা যাবে। এটাও সত্যি, সকলের স্বাস্থ্যর থেকে বড় কিছুই হয়না। আমরা অবশ্যই আগামী বছরগুলোতে খুব জাঁকজমক করে পুজোর আয়োজন করব।

উল্লেখ্য, মধ্যে কলকাতার অন্যতম সেরা দুর্গাপুজো এই মহম্মদ আলি পার্কের পুজো, যা প্রত্যেক দর্শনার্থীদের অবশ্য গন্তব্যের তালিকায় থাকে তাদের অভূতপূর্ব মন্ডপসজ্জার জন্য। মধ্যে এবং উত্তর কলকাতার যথেষ্ট মর্যাদাপূর্ণ ইয়ুথ অ্যাসোশিয়েশন ক্লাবটি বিভিন্ন বিভাগে ইতিমধ্যেই প্রচ্চুর পুরস্কার লাভ করেছে। গত বছর মহম্মদ আলি পার্ক মহিষাসুরের জায়গায় করোনাসুরের আদলে মায়ের সাবেকি মূর্তি করেছিল, যা যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল। এই পুজো ১৯৬৯ সালে তারা চাঁদ দত্ত স্ট্রিটে শুরু হয়। কিন্তু অতি অল্প দিনের মধ্যেই তা এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যে পুজো স্থানান্তরিত করে আনা হয় বর্তমানের এই মহম্মদ আলি পার্কে। এ বছর এই ক্লাব একচালা মায়ের মূর্তি তৈরি করছে।




শিল্পী- হুগলী জেলার মগরার ঘোষ ডেকরেটরের পঙ্কজ ঘোষ।

প্রতিমা শিল্পী- নদীয়া জেলার কুশ বেরা।

মন্ডপের উচ্চতা- ৩০ ফুট

Written By

Swarnali Goswami

নারায়ন মেমোরিয়াল হাসপাতালের তরফে পুজোয় রোগীদের জন্য বাঙালিয়ানা খাবারের বিশেষ উদ্যোগ 'আগমনীর স্বাদে-গন্ধে'

ক'দিনের মধ্যেই মা দুর্গা আসছেন মর্ত্যে। কাশ ফুল, শিউলি ফুল, নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মত মেঘ জানান দিচ্ছে সে কথা। এই উৎসবের মরশুমে আমাদের বাঙালিদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হল খাওয়া-দাওয়া। তবে বর্তমানে কোভিডের চোখরাঙানিই বলুন, কিংবা ডেঙ্গু অথবা অন্যান্য অসুখ-বিসুখ- যাঁরা এই উৎসবের মরশুমে অসুস্থ রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে উৎসবের রঙ যেন ফিকে হয়ে আসে। ঠিক এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই বেহালার নারায়ন মেমোরিয়াল হসপিটাল এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে। সবার মুখে হাসি ফোটানোর জন্য হাসপাতালের সকল রোগী তথা কর্মীবৃন্দর কথা মাথায় রেখে তারা নতুন উদ্যোগের ঘোষণা করল আজ।

রোগীদের অসুখের কথা মাথায় রেখে তাদের উপযুক্ত ডায়েট মেনে নারায়ন মেমোরিয়াল হসপিটাল 'ট্র্যাডিশনাল পুজোর থালি'র ব্যবস্থা করেছে। এই খাবারের তালিকায় থাকছে একেবারে বাঙালি সাবেকি খাবার দাবার, যাতে পুজোর আবহ হাসপাতালে থেকেই রোগীরা উপভোগ করতে পারেন। বিভিন্ন রোগী তথা তাদের অসুখের বিবরণ ডাক্তারের কাছে শুনে আলাদা আলাদা করে ডায়েটিশিয়ান খাবারের তালিকা তৈরী করে দিচ্ছেন। তার মধ্যে থাকছে যেমন নর্মাল ডায়েট, তেমনই থাকছে ডায়াবেটিক ডায়েট, সেমি সফট ডায়েট, লিক্যুইড ডায়েট প্রভৃতি। শুধু এটুকুই নয়, হাসপাতালে থাকছে একটি পুজো কর্নার, যেখানে বিশেষভাবে পুজোর আয়োজনও করা হবে। আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, শান্তির জল সব থাকবে। হাসপাতালের প্রতিটি বেডের রোগীদের আরোগ্য কামনায় নিষ্ঠা ভরে পুজো করবেন পুরোহিত মশাই।

পুজোর চারদিন বাঙালিদের বিভিন্ন রকম সাবেক খাবার পরিবেশন করা হবে। মেনুতে থাকছে মুগ ডাল, পটলের দোরমা, পনির পসিন্দা, ভেটকি মাছের কালিয়া, চিকেন বাটার মসালা, নবরত্ন কোর্মা, খিচুড়ি, লাবড়া, পাঁপড় ভাজা, চাটনি প্রভৃতি আরও অনেক কিছু। হাসপাতালের পর্যবেক্ষনে শেফের একটি দল থাকবে সমস্ত রান্না সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরী হচ্ছে কি না, তা খেয়াল রাখার জন্য। আলাদা আলাদা রোগীর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ মত তাদের কোন খাবার দেওয়া যুক্তিযুক্ত তা মেনেই আলাদা আলাদা ডিশ দেওয়া হবে রোগীদের।

এ বিষয়ে বলতে গিয়ে নারায়ন মেমোরিয়াল হাসপাতালের সিইও মিসেস সুপর্ণা সেনগুপ্ত 'শুভ শারদীয়ার' আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে বললেন, "বাঙালিদের বিশেষ করে যাঁরা কলকাতায় রয়েছেন তাঁদের জন্য দুর্গাপুজো সেরা উৎসব। মহালয়ার দিন থেকেই সকলে পুজোর আমেজে, উৎসাহে মেতে ওঠেন। যদিও অতিমারির কারনে একটু হলেও পুজোতে ভিন্ন মাত্রা এসেছে। তাই আমরা এই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছি এই কঠিন সময়ে রোগীদের মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য। খাবারের মধ্যে যেমন থাকছে বাঙালি সাবেকি খাবার, তেমনি থাকছে চাইনিজ, কন্টিনেন্টাল খাবারও। রীতিমতো ডায়েট চার্ট মেনে রোগীর পথ্য হিসেবে কম তেল, মশলায় অথচ স্বাদের খেয়াল রেখে তৈরী হবে সমস্ত খাবার"। তিনি আরও জানান, "রোগীদের উৎসবের সময় খুশি রাখতে আমরা গত বছরই এমনটা ভেবেছিলাম, কিন্তু করে উঠতে পারিনি, কারন সেই সময় আরও কঠিন পরিস্থিতি ছিল, এ বছর তুলনামূলক একটু ভালো অবস্থা রয়েছে, তাই আমরা এ বছর এমন উদ্যোগ সার্থক করার পরিকল্পনা নিয়েছি"।

এ বিষয়ে চিফ শেফ অনিন্দ্য রায় জানালেন, "এই পুজোর মরশুমে কারোর আনন্দে নিজে সামিল হতে পেরে ধন্য মনে করছি নিজেকে। দুর্গাপুজোর চারদিন বাঙালি খাবার প্রত্যেকের কাছেই আলাদা মাত্রা যোগ করে উৎসব উপভোগ করার জন্য। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে রোগীদের ডায়েটের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন রকম খাবার তৈরির অনুমতি পেয়েছি আমি। অতি অবশ্যই ডাক্তারদের পরামর্শে, ডায়েটিশিয়ানের তৈরি করে দেওয়া চার্ট অনুযায়ী স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রতিটি খাবার তৈরি হবে। হাসপাতালের তরফে এই উদ্যোগ যথেষ্ট প্ৰশংসনীয়"।

ডায়েটিশিয়ান হেমন্ত রাউত জানালেন, "প্রত্যেক রোগীর অসুখের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে অনেক নিয়ম মেনে আলাদা আলাদা ভাবে খাবার তৈরি হবে, পুজোর উৎসবকে সামনে রেখে। আমার সেরাটা দিয়ে প্রত্যেককে যাতে সঠিক এবং সুস্বাদু খাবার পৌঁছে দিতে পারি এবং উৎসবের আনন্দে সামিল করতে পারি তাই চাইব আমি"।

উল্লেখ্য, গ্রেটার কলকাতায় নারায়ন মেমোরিয়াল হসপিটাল একটি মাল্টিস্পেশালিটি টেরিটরি কেয়ার হসপিটাল, যেখানে বিশ্বমানের পরিকাঠামো রয়েছে। ২০০ টি বেড, ২৪x৭ এমার্জেন্সি এন্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার সহ ৪৮টি আইসিইউ বেড, ৫টি নেগেটিভ প্রেসার, ল্যামিনার ফ্লো যুক্ত অপারেশন থিয়েটার সহ অত্যাধুনিক পরিকাঠামো সম্বলিত এই হাসপাতাল কলকাতার মানুষকে উচ্চমানের পরিষেবা দিতে বদ্ধপরিকর। এখানে রয়েছে মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার, রেসপিরেটরি মেডিসিন, নিউরোলজি, অর্থোপেডিক্স, গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি সহ সমস্ত রকম ওপিডির সুযোগ সুবিধা। রয়েছে ৩৬০ ডিগ্রি ডায়াগনস্টিক সার্ভিস এবং ২৪x৭ অপারেশনাল ফার্মাসি।

Written By

Swarnali Goswami

ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজো তাদের এবারের থিম 'মানবিক', আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের উন্নতিকল্পে প্রস্তুত করছে

ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর সদস্যরা তাদের এবারের পুজোর থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে দুর্গাপুজোকে এক আলাদা মাত্রা এনে দেবার মনস্থ করেছে। এই থিমকে ভিত্তি করে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটি এবারে পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের উন্নতিকল্পে সাহায্য করবে এমনটাই পরিকল্পনা।

দক্ষিণ কলকাতার এই পুজোটির মাধ্যমে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা যে অভিনব থিমের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজের প্রতি একটি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তার জন্যই পুজোটি ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের সারিতে উঠে এসেছে। তারই রেশ ধরে এবারের থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর। রামায়ন, মহাভারত তথা ভারতের অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে নিজস্ব শৈলীতে নাচের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেন ছৌ শিল্পীরা, যা দেশ তথা বিদেশের মাটিতেও যথেষ্ট জনপ্রিয়। পুরুলিয়া জেলার চড়িদা গ্রামটি ছৌ নৃত্যের মুখোশ তথা পোশাক তৈরির জন্য বিখ্যাত।লকডাউনের ফলে বাংলার এই অতি জনপ্রিয় লোকশিল্প 'ছৌ নৃত্য' প্রদর্শন একেবারে বন্ধ। তার ফলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সেদিকে দৃষ্টিপাত করেই পুজো কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

ক্লাবের সেক্রেটারি সুবীর দাস বলেন, "এ বছর আমরা ছৌ শিল্পীদের শিশু এবং পরিবারবর্গকে যথেষ্টভাবে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছি। রাজ্য সরকারের তরফেও যাতে তারা সাহায্য পায় তার চেষ্টা করা হচ্ছে। ছৌ নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে এবং বিভিন্ন সরঞ্জামের প্রদর্শনের মাধ্যমে যাতে ছৌ শিল্পীরা কিছুটা আর্থিকভাবে সাহায্য পায়, তারই চেষ্টা করছি আমরা। বিশ্ব কন্যা দিবসে তাই ২৫০ শিশুকন্যাকে বস্ত্র বিতরণ করা হবে এছাড়াও পুজো উপলক্ষে ৫০টি আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত ছৌ শিল্পীর পরিবারকে নতুন বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করা হবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তাধারা এবং অনুপ্রেরণায় আমরা এই কাজ করতে চলেছি নিজেদের সাধ্যমতো"।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে ৫৭ তম দুর্গোৎসব পালন করছে, যার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মন্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, পুজোর মন্ডপের পরিবেশ, সুরক্ষা, সংহতি প্রভৃতির উৎকৃষ্ট মেলবন্ধনে এই পুজো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। 'মায়ের আঁচল', 'ও আমার দেশের মাটি', 'আরশিনগর', 'আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে... লন্ডন', 'খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা- উল্টে পাতা শোনায় কথা', 'মা', 'নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর' এবং গত বছরের 'নাগর দোলায় সবার পুজো' প্রভৃতি প্রতিটা থিম প্রতি বছর যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে শহরের বিভিন্ন পুজোর মধ্যে এই পুজোর স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে। ক্লাবের তরফ থেকে আশা করা হচ্ছে এবারেও নিজেদের থিমের মাধ্যমে তারা শহরের পুজোগুলির মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিতে সক্ষম হবেন।

Written By

Swarnali Goswami

ইয়াং বয়েজ ক্লাব এবারের দুর্গাপুজোর থিম রেখেছে, 'দূর্গা-দ্য ডেস্ট্রয়ার অফ করোনা'

কলকাতা তথা রাজ্যে দুর্গাপুজো বাঙালির সবচেয়ে সেরা উৎসব। এই দুর্গাপুজোকে ঘিরে আপামর বাঙালির মনে আনন্দের রেশ শুরু হয় একটি পুজো শেষের পর থেকেই পরের পুজোর জন্য। পুজো ক্লাবের কর্মকর্তারাও তেমনই একটি পুজোর পর পরবর্তী পুজোর থিম নিয়ে মেতে ওঠেন। তাই বর্তমান সময়ে দুর্গাপুজো সাবেকিয়ানার পাশাপাশি থিম ভিত্তিক হয়ে উঠেছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তেমনই থিমকে গুরুত্ব দিয়ে ইয়াং বয়েজ ক্লাব প্রতি বছর থিমের ক্ষেত্রে অভিনবত্ব নিয়ে আসে। এবারে তাদের পুজো ৫২ তম বর্ষে পদার্পন করছে। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তারা এবারের দুর্গাপুজোর থিম রেখেছে, 'দূর্গা-দ্য ডেস্ট্রয়ার অফ করোনা'। এই পুজোটি মধ্য কলকাতার তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিট-এ অনুষ্ঠিত হয়। এই রাস্তাটি সেন্ট্রাল এভিনিউ এবং রবীন্দ্র সরণীকে কানেক্ট করেছে।

ক্লাবের চিফ অর্গানাইজার মিঃ রাকেশ সিং জানান, "অতিমারির আবহে সকলেই আশা করছেন মা দূর্গা এসে করোনারুপী অসুরকে ধ্বংস করবেন। আমরাও তেমনই আশা করছি, মা দূর্গা আমাদের সহায় হয়ে করোনাকে নির্মূল করবেন। কোভিড-১৯ এর জন্য আমরা যথেষ্ট সমস্যা ভোগ করেছি, এখনও ভাইরাসটি রয়েছে। কোভিড ওয়ারিয়ররা তাঁদের যথাসাধ্য দিয়ে আমাদের সেবা করেছেন, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আমাদের উপযুক্ত করেছেন। সেই কারনেই আমরা এবারের থিম তাঁদেরকেই উৎসর্গ করেছি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ডাক্তার সহ মেডিকেলের সমস্ত রকম কর্মীবৃন্দ, পুলিশ অফিসার সহ পুলিশের সকল রকম কর্মীবৃন্দ, সাফাই কর্মীরা, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ড্রাইভার, কন্ডাক্টর প্রভৃতি আরও সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষজন"।

"আমাদের জীবনধারা পাল্টে দিয়েছে করোনা। সকলেই তাই এই ভাইরাসটিকে অসুর হিসেবেই দেখছেন, যার সঙ্গে আমাদের প্রতিনিয়ত লড়াই করতে হচ্ছে এবং আমরা সকলেই চাইছি এই অসুরকে বধ করে সমাজকে সুস্থ জায়গায় নিয়ে আসতে। সেই কারণেই আমরা এবারে মা-য়ের কাছে প্রার্থনা করছি আমাদের সকলকে করোনা থেকে দূরে রেখে সুরক্ষিত করে রাখার জন্য। তাই তিনি এবারে আসছেন নতুন রূপে, করোনারূপী অসুর তথা সমাজের দুষ্টকে দমন করতে। 'করোনার বধ' করতেই আসছেন এবারে মা দূর্গা"- জানালেন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মিঃ বিক্রান্ত সিং।

শিল্পী- মেদিনীপুরের দেব শঙ্কর মহেশ

মন্ডপের উচ্চতা- ৪০ ফুট

নিকটতম মেট্রো স্টেশন- মহাত্মা গান্ধী রোড মেট্রো স্টেশন

লোকেশন- সেন্ট্রাল কলকাতা (ইয়াং বয়েজ ক্লাব)- ৭নং- তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিট, চিৎপুর ক্রসিং-এর কাছে, কলকাতা- ৭৩

ক্লাবের পুজো শুরুর বর্ষ- ১৯৭০

Written By

Swarnali Goswami

'বিশ্ব কন্যা দিবস' উপলক্ষ্যে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করে দিনটি উদযাপন করল

ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা তাদের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুসারে পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করে 'বিশ্ব কন্যা দিবস' পালন করল। তাদের এবারের পুজোর থিম 'মানবিক'। এই থিমকে ভিত্তি করে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটি এবারে পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবার মনস্থ করেছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এই শিশুকন্যাদের নতুন বস্ত্র বিতরণের আয়োজন।


দক্ষিণ কলকাতার এই পুজোটির মাধ্যমে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা যে অভিনব থিমের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজের প্রতি একটি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তার জন্যই পুজোটি ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের সারিতে উঠে এসেছে। তারই রেশ ধরে এবারের থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর। এ বিষয়ে উল্লেখ করা প্রয়োজন রামায়ন, মহাভারত তথা ভারতের অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে নিজস্ব শৈলীতে নাচের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেন ছৌ শিল্পীরা, যা দেশ তথা বিদেশের মাটিতেও যথেষ্ট জনপ্রিয়। পুরুলিয়া জেলার চড়িদা গ্রামটি ছৌ নৃত্যের মুখোশ তথা পোশাক তৈরির জন্য বিখ্যাত।লকডাউনের ফলে বাংলার এই অতি জনপ্রিয় লোকশিল্প 'ছৌ নৃত্য' প্রদর্শন একেবারে বন্ধ। তার ফলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সেদিকে দৃষ্টিপাত করেই পুজো কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে ৫৭ তম দুর্গোৎসব পালন করছে, যার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মন্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, পুজোর মন্ডপের পরিবেশ, সুরক্ষা, সংহতি প্রভৃতির উৎকৃষ্ট মেলবন্ধনে এই পুজো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। 'মায়ের আঁচল', 'ও আমার দেশের মাটি', 'আরশিনগর', 'আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে... লন্ডন', 'খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা- উল্টে পাতা শোনায় কথা', 'মা', 'নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর' এবং গত বছরের 'নাগর দোলায় সবার পুজো' প্রভৃতি প্রতিটা থিম প্রতি বছর যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে শহরের বিভিন্ন পুজোর মধ্যে এই পুজোর স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে। ক্লাবের তরফ থেকে আশা করা হচ্ছে এবারেও নিজেদের থিমের মাধ্যমে তারা শহরের পুজোগুলির মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিতে সক্ষম হবেন।

Written By

Swarnali Goswami

ইউপিএসসির মেধা তালিকায় প্রথম দুশোর মধ্যে রাজ্যের তিন, শীর্ষে ঝাড়গ্রামের 'শুভঙ্কর বালা'

ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস পরীক্ষার মেধা তালিকায় প্রথম দুশো জনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তিন প্রার্থী ৷ ৭৯ তম স্থানে ঝাড়গ্রামের শুভঙ্কর বালা, ৮৭ তম স্থানে শিলিগুড়ির রিকি আগরওয়াল ও ১৫৯ তম স্থানে রয়েছেন বেলঘড়িয়ার ময়ূরী মুখোপাধ্যায় ৷

কোচিং ক্লাস না নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিদিন ১১ ঘণ্টার উপরে পড়াশোনা করে সর্বভারতীয় ইউপিএসসি পরীক্ষা ৭৯ তম স্থান করল ঝাড়গ্রামের ২৬ বছরের শুভঙ্কর বালা। ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুরের তাঁর বাড়ি।  শুভঙ্কর ছোট থেকেই বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন। ঝাড়গ্রাম কেকেআই স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে বেঙ্গালুরু চলে যান। ২০১৭ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেই বেঙ্গালুরুতে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি জীবন শুরু করেন। ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি করার সময়েই বেঙ্গালুরুতে ২০১৯ শে প্রথম ইউপিএসসি পরীক্ষা দেন। প্রথম পরীক্ষা দিয়েই প্রিলিতে পাশ করে । কিন্তু মেইন পরীক্ষায় সাফল্য আসেনি সেবার। তারপরে ইউপিএসপি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ২০১৯ শে চাকরী ছেড়ে দিল্লি পাড়ি দেন শুভঙ্কর। দিল্লিতে ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু করেন ইউপিএসসির প্রস্তুতি। ২০২০ সমস্ত পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ন হয়ে ৭৯ রেঙ্ক করেন শুভঙ্কর।

শুভঙ্করের আদি বাড়ি গোপীবল্লভপুরের শাশড়ায়। শুভঙ্করের বাবা রাজনারায়ণ বালা পেশায় সরকারি হাসপাতালের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। এখন তিনি অবসর প্রাপ্ত। শুভঙ্করের দুই দিদি রয়েছে। শুভঙ্কররা যখন ছোট ছিলেন তাঁদের পড়াশোনার স্বার্থে তাঁর বাবা গ্রামের জমি বাড়ি বিক্রি করে ঝাড়গ্রামে চলে আসেন। বাবা সরকারি চিকিৎসক হওয়ার কারনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং থাকতো। তাই মা ছবি বালা তাঁদের পড়াশোনার পাশাপাশি সংসারের সব কিছু দেখতেন।

এদিন দিল্লি থেকেই ফোনে শুভঙ্কর বালা সংবাদমাধ্যমকে তাঁর লড়াইয়ের কথা জানান তিনি বলেন, "আমার প্রথমত আইএএস হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে যদি আইএএস না পাই তাহলে আমি আইপিএস হব। শুভঙ্কর বলেন, যখন স্কুল টিমের প্যারেড কমান্ডার ছিলাম তখন দেখতাম স্কুলের অনুষ্ঠানে এসডিও, এসডিপিওরা আসতেন তখন থেকে একটা ধারণা ছিল এটা খুব সম্মানীয় ও উচ্চ জায়গা এখানে পৌঁছানোর জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়। তার সঙ্গে এই কাজে অনেক দায়িত্ব রয়েছে এবং প্রচুর ক্ষমতাও রয়েছে। ছোট থেকে সিভিল সার্ভিস সম্পর্কে অতটা ধারণা ছিলনা কলেজ পাশ করার পর আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় সিভিল সার্ভিস সম্পর্কে। কলেজ পাশ করার পরেই আমি চাকরী পেয়ে যাই তারপরে দু'বছরের মাথায় আমি চাকরি ছেড়ে দিল্লি চলে আসি সিভিল সার্ভিসের পড়াশোনার জন্য। দিল্লিতে আমি কোন কোচিং সেন্টারে ভর্তি হইনি, নিজেই পড়াশোনা করেছি। কোচিং সেন্টারে গিয়ে কেবলমাত্র মকটেস্ট দিতাম। এখন অনলাইনে পড়াশোনার সমস্ত কিছু পাওয়া যায় আর দিল্লিতে যেখানে থাকতাম সেখানে সিভিল সার্ভিস পড়াশোনার জন্য সবকিছু সহজে পাওয়া যায়। নোট সহজে পাওয়া যায়। এই দুই বছর আমি আমার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসআপ সব বন্ধ রেখে ছিলাম।"

ঝাড়গ্রামে ফিরে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি লেকচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চান শুভঙ্কর। তাঁর কথায় সিভিল সার্ভিস দেওয়ার সময় তিনি অনুভব করেছেন ক্লাস নাইন ও টেনের পড়াশোনা তার বিশেষ কাজে লেগেছে।  তাই তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিষয়ে অবগত করতে চান।

বাবা রাজনারায়ণ বালা বলেন, ছেলেকে কখনো কাজ করতে বা চাকরি করতে বলিনি।  তাকে তার ইচ্ছামত যতদূর চাইছে পড়াশোনা করতে পারে এটাই বলেছিলাম। তার ইচ্ছে ছিল আইএএস হওয়ার। আজ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

ঝাড়গ্রাম

কোভিড প্রোটোকল মেনে বয়স্ক নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম নাগরিকদের পুজো দেখার পরিবেশ তৈরির জন্য 'দুর্গোৎসব পুরস্কার ২০২১' ঘোষণা

শারীরিকভাবে সক্ষম এবং বয়স্ক নাগরিকদের জন্য পুজো দেখার পরিবেশ তৈরী করা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি পুজোকমিটির ক্ষেত্রে। এই ব্যাপারটিকে সামনে রেখে বিশেষভাবে সক্ষম এবং দৃষ্টিহীনদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারের জন্য কাজ করা এনআইপি (এনজিও), ফোরাম ফর দুর্গোৎসব, রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৯১ এবং নারায়ন মেমোরিয়াল হসপিটাল মিলিতভাবে 'দুর্গোৎসব পুরস্কার ২০২১'-র আয়োজন করেছে। যে সমস্ত পুজো কমিটি তাদের পুজো মন্ডপে কোভিড প্রোটোকল মেনে বয়স্ক নাগরিক এবং বিশেষভাবে সক্ষম নাগরিকদের জন্য সুবিধার ব্যবস্থা রাখবে, তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পুজো কমিটিকে পুরস্কৃত করা হবে। ইতিমধ্যেই ৩৫০টি পুজো কমিটি তাদের নাম নথিভুক্ত করিয়েছে এই পুরস্কারের জন্য। পুরস্কারটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হল বৃহস্পতিবার কলকাতার প্রেস ক্লাবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ন মেমোরিয়াল হাসপাতালের সিইও সুপর্ণা সেনগুপ্ত, গ্র্যান্ডমাস্টার দাবাড়ু দিব্যেন্দু বড়ুয়া, অভিনেতা দেবশঙ্কর হালদার, চিত্রশিল্পী সমীর আইচ, সঙ্গীত পরিচালক তথা তবলিয়া পন্ডিত মল্লার ঘোষ, ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের তরফে পার্থ ঘোষ, রোটারি ৩২৯১-এর জেলাশাসক প্রবীর চ্যাটার্জী, নারায়ন মেমোরিয়াল হসপিটালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার কনসালট্যান্ট ডাঃ প্রসূন কুমার মিত্র সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

২০০২ সালে নিজেদের যাত্রা শুরু করে নন প্রফিট এবং নন গভর্নমেন্ট অর্গানাইজেশন 'এনআইপি'। শুরুথেকেই তারা বিশেষভাবে সক্ষমদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং আর্থিক উন্নতির জন্য কাজ করে আসছে। নারী, শিশু কল্যাণ ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রকের তরফে রাজ্য সরকার থেকে এই কাজে অভাবনীয় সাফল্যের জন্য তারা পুরস্কৃত হয় ২০১২ সালে। এনআইপি-ই প্রথম উপলব্ধি করে, বাঙালির শেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো সঠিকভাবে আনন্দ সহকারে উদযাপন করতে পারেননা বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা। তার কারন পুজো মন্ডপগুলিতে বিশেষভাবে সক্ষম এবং তার পাশাপাশি বয়স্কদের জন্য কোনওরকম ব্যবস্থা থাকেনা। এই ভাবনা থেকে ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের সঙ্গে যৌথভাবে ২০১০ সাল থেকে তারা (এনআইপি) সার্ভে করে এবং যে সমস্ত মন্ডপগুলি বিশেষভাবে সক্ষম তথা বয়স্কদের বাধাহীনভাবে পুজো দেখার বন্দোবস্ত করবে তাদের জন্য পুরস্কারের ঘোষণা করে। এছাড়াও এনআইপি বিশেষভাবে দৃষ্টিতে সক্ষমদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পুজো পরিক্রমা গাইড প্রকাশ করে এবং সকল রকম বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য পুজো প্যান্ডেল হপিং-এর আয়োজন করে।

এনআইপি-র সচিব শ্রী দেবজ্যোতি রায় সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "বর্তমানে অধিকসংখ্যক পুজো কমিটি প্রয়োজনীয় গাইডলাইন মেনে চলেন। তবে এবারে এই অতিমারির পরিস্থিতিতে মন্ডপের আবহ বজায় রেখে ভিড় এড়িয়ে কোভিড বিধি রক্ষা করাই একটা চ্যালেঞ্জ সমস্ত পুজো কমিটির কাছে। এ বছর দায়িত্ব নিয়ে পুজো উদযাপন করতে হবে সকলকেই"।

ফোরাম ফর দুর্গোৎসব কমিটির তরফে শ্রী পার্থ ঘোষ এবং শ্রী শাশ্বত বোস বললেন, "এ বছর প্রত্যেক পুজো উদ্যোক্তা এবং সদস্যদের অনুরোধ করা হচ্ছে কোভিড প্রোটোকল মেনে এবং বয়স্ক ও শারীরিকভাবে সক্ষমদের পুজো দেখার জায়গা তৈরি রেখে পুজোর ব্যবস্থাপনা করতে"।

এই ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে নারায়ন মেমোরিয়াল হসপিটাল (বেহালা) এর সিইও শ্রীমতি সুপর্ণা সেনগুপ্ত জানালেন, "নথিভুক্ত পুজো কমিটিগুলির মন্ডপে কোভিড বিধি গঠন করার জন্য এনআইপি আমাদের চয়ন করেছে, যা আমাদের কাছে যথেষ্ট গর্বের বিষয়। তিনি জানান, করোনার তৃতীয় ঢেউ দোরগোড়ায় সেই কারণেই আমাদের যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিটি পুজো কমিটিকে আমরা অনুরোধ করব আমাদের গঠন করা বিধি মেনে পুজো দেখার বন্দোবস্ত করতে, পুজো দেখতে আসা দর্শকরা যেন সুরক্ষিতভাবে পুজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে। আমাদের এই লক্ষ্যে পুজো কমিটিগুলিকে পাশে থাকার অনুরোধ করছি"।

Written By

Swarnali Goswami

'বিশ্ব কন্যা দিবস' উপলক্ষ্যে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে


ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করে 'বিশ্ব কন্যা দিবস' পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের এবারের পুজোর থিম 'মানবিক'। এই থিমকে ভিত্তি করে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটি এবারে পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবার মনস্থ করেছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এই শিশুকন্যাদের নতুন বস্ত্র বিতরণের আয়োজন।

দক্ষিণ কলকাতার এই পুজোটির মাধ্যমে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা যে অভিনব থিমের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজের প্রতি একটি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তার জন্যই পুজোটি ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের সারিতে উঠে এসেছে। তারই রেশ ধরে এবারের থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর। রামায়ন, মহাভারত তথা ভারতের অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে নিজস্ব শৈলীতে নাচের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেন ছৌ শিল্পীরা, যা দেশ তথা বিদেশের মাটিতেও যথেষ্ট জনপ্রিয়। পুরুলিয়া জেলার চড়িদা গ্রামটি ছৌ নৃত্যের মুখোশ তথা পোশাক তৈরির জন্য বিখ্যাত।লকডাউনের ফলে বাংলার এই অতি জনপ্রিয় লোকশিল্প 'ছৌ নৃত্য' প্রদর্শন একেবারে বন্ধ। তার ফলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সেদিকে দৃষ্টিপাত করেই পুজো কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে ৫৭ তম দুর্গোৎসব পালন করছে, যার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মন্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, পুজোর মন্ডপের পরিবেশ, সুরক্ষা, সংহতি প্রভৃতির উৎকৃষ্ট মেলবন্ধনে এই পুজো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। 'মায়ের আঁচল', 'ও আমার দেশের মাটি', 'আরশিনগর', 'আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে... লন্ডন', 'খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা- উল্টে পাতা শোনায় কথা', 'মা', 'নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর' এবং গত বছরের 'নাগর দোলায় সবার পুজো' প্রভৃতি প্রতিটা থিম প্রতি বছর যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে শহরের বিভিন্ন পুজোর মধ্যে এই পুজোর স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে। ক্লাবের তরফ থেকে আশা করা হচ্ছে এবারেও নিজেদের থিমের মাধ্যমে তারা শহরের পুজোগুলির মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিতে সক্ষম হবেন।

Written By

Swarnali Goswami

'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স' এবং সন্মার্গ যৌথভাবে দম্পতিদের একটি অভিনব প্রতিযোগিতা 'এমডিজে জোড়ি নং ওয়ান' (MDJ Jodi No 1) আয়োজন করেছিল


'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স' এবং সন্মার্গ যৌথভাবে দম্পতিদের জন্য একটি অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল 'এমডিজে জোড়ি নং ওয়ান' (MDJ Jodi No 1) নামে। তবে এটি একটু অন্য ধারার দম্পতিদের জন্য আয়োজিত হয়েছিল। বর্তমান যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহের আগে কিছুদিন কোর্টশিপের একটি রেওয়াজ প্রচলিত হয়েছে। সেই সমস্ত Would Be Couple দের জন্য আয়োজিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা, যা ভারতে প্রথম। তারা যাতে বিয়ের আগেই সেই বিশেষ দিনটির জন্য নিজেদের পছন্দমতো গয়না পছন্দ করে নিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রতিযোগিতা।

উল্লেখ্য, স্বর্গীয় মহাবীর প্রসাদ সোনির মাধ্যমে ১৯৭০ সালে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁর পুত্র বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন। সঙ্গে রয়েছেন নাতিরাও- বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপ। সোনা, কুন্দন, জড়োয়া এবং হীরের গয়নার সম্ভার রয়েছে তাঁদের শোরুম-এ। কলকাতার বড়বাজার, সিটি সেন্টার মল ছাড়াও নতুন দিল্লির পীতমপুরায় এই জুয়েলারির শোরুম রয়েছে।

২০২১-এর ১৫ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। আজ রবিবার আইটিসি রয়াল-এ গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। অনুষ্ঠানে জুড়ি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিচা শর্মা (অভিনেত্রী), ডলি জৈন (স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট), নয়না মোরে (বিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার)। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোপামুদ্রা মন্ডল সাহা, মডেল অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি, মোহর দত্ত এবং আরও বিশিষ্ট জন।

যে সকল প্রতিযোগী এখানে অংশগ্ৰহণ করতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাঁদের কোর্টশিপের ছবি প্রতি সপ্তাহে পাঠাতে বলা হয়েছিল, এবং তার মধ্যে থেকে সেরাটা বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। তার পাশাপাশি তাঁদের একটি স্ক্রিনিং রাউন্ডের মধ্যে দিয়েও যেতে হয়েছিল প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে। সপ্তাহের সেরা কাপল এমডিজে- শো রুমে এসে একটি ডিসকাউন্ট কুপন জিতে নিয়েছিলেন। গ্র্যান্ড ফিনালে-র জন্য ৯ জন কাপল মনোনীত হয়েছিলেন। গোটা প্রতিযোতা থেকে 'টপ জোড়ি' বেছে নিতে তিন মাস সময় লেগেছিল। 'জোড়ি অফ দ্য মান্থ' এবং ফাইনাল 'বিজয়ী জোড়ি' রা মহাবীর দানোয়ার জুয়েলারির গয়না পরে সেখানকারই স্টোর-এ ফটোশ্যুট করলেন ফিনালে পর্ব শেষে। বিজয়ী কাপল পেলেন একটি I Phone 12 (64GB)| এছাড়াও মোট ৪ জন অর্থাৎ ২ রানার-আপ বিজয়ী জোড়ি পেলেন ৫স্টার হোটেলের একটি ডিনার ডেট।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলারির ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "ফাইনালের জন্য ৫ টি জোড়ি নির্বাচন যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রায় প্রতিদিন অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়েছে। কফি রাউন্ড, প্রশ্নোত্তর পর্ব, স্ক্রিনিং এবং প্রফেশনাল ফটোশ্যুটের মাধ্যমে দম্পতি নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত কাপলদের গিফট হ্যাম্পার দেওয়ার পাশাপাশি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কোন ধরনের গয়না তাঁদের বিয়ের সেই বিশেষ দিনের জন্য মানানসই হবে"।

সন্মার্গের ডিরেক্টর মিসেস রুচিকা গুপ্তা জানান, "সন্মার্গ এই অভিনব আইডিয়ার মাধ্যমে নতুন যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে এক জোরালো বন্ডিং তৈরি করতে চেয়েছে। অতীতের যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বর্তমানের যুব সম্প্রদায়ের মানসিকতার মেলবন্ধন ঠিক কিভাবে কাজ করে, তা বুঝতে এই ইভেন্ট যথেষ্ট সাহায্য করেছে আমাদের"।

অভিনেত্রী রিচা শর্মা জানান, " এমডিজে' এবং 'সন্মার্গ' যৌথভাবে 'MDJ Jodi No 1' এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাপল দের খুব সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছে নিজেদের মধ্যে সাহচর্য এবং বন্ধন দৃঢ় করার। প্রিলিমিনারি রাউন্ডে আমরা কাপলদের মধ্যে বন্ধুত্ব কতটা রয়েছে, তা যাচাই করেছি এবং গ্র্যান্ড ফিনালেতে মেধার যাচাই হয়েছে"।

শাড়ি ড্রেপিস্ট ও স্টাইলিস্ট ডলি জৈন অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করে জানালেন, "প্রত্যেক কাপল তাঁদের সেরাটা দিয়েছেন। সকলের মধ্যে থেকে সেরা কাপল বাছাই করা সত্যিই কষ্টসাধ্য ছিল"।

মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দম্পতি একে অন্যের পরিপূরক ছিলেন, যেন 'স্বর্গের সৃষ্ট দম্পতি'। এমডিজে শুরু থেকে যেভাবে প্ল্যান করে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য"।



Winner Jodi No 1

আকাশ জয়সওয়াল এবং রিতু সরফ



List of Winners: Consolation Prizes

১) নিকিত বেগওয়ানি এবং হর্ষিতা ঝাওয়ার (১ম রানার আপ)

২) মুকুন্দ রাঠী এবং প্রিয়া হলওয়ায়ি (২য় রানার আপ)

৩) রজনীশ কুমার শ্রীবাস্তব এবং নর্মদা শ্রীবাস্তব (৩য় রানার আপ)

৪) গীতেশ আগরওয়াল এবং নিকিতা আগরওয়াল (৪র্থ রানার আপ)

৫) রোহিত সুরানা এবং ইয়াংকি সেঠিয়া (৫ম রানার আপ)

Written By

Swarnali Goswami

রবিবার ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর ৫৭ তম দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল

রবিবার ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর ৫৭ তম দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। নেতাজী ভবন মেট্রোর একেবারে কাছে শহরের উল্লেখযোগ্য এই পুজো প্রতিবারই নতুন ভাবনার আঙ্গিকে আমাদের দুর্গাপুজো উপহার দেয়, এবারও তার অন্যথা হবেনা। বিভিন্ন থিমে মন্ডপ সজ্জার পাশাপাশি বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজকর্মের জন্যও সুনাম রয়েছে এই পুজোর।

এছাড়া যেটা উল্লেখ না করলেই নয় তা হল এই ক্লাবের একটি বিশেষত্ব তাদের সামাজিক কাজকর্ম। এখানে বিনামূল্যে হেলথ চেক-আপ, রক্তদান শিবির, চক্ষুদান শিবির প্রভৃতি ছাড়াও দরিদ্রদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ, কম্বল বিতরণ, দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পড়ার বই বিতরণ প্রভৃতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথেষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি এই পুজোকে সমৃদ্ধ করে প্রতিবছর।

এবারের খুঁটিপুজোতেও তার অন্যথা হলনা। খুঁটিপুজোয় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ ববি হাকিম, বিধায়ক দেবাশিষ কুমার, বিধায়ক মদন মিত্র, সমাজসেবী কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজসেবী পাপিয়া সিং, কেএমসি ৭১ নং ওয়ার্ডের কো -অর্ডিনেটর প্রমুখ।

জানা গেল এবারের পুজোর থিম ‘মানবিক’। ক্লাবের সেক্রেটারি সুবীর দাস জানালেন, ”কোভিড যেমন আমাদের শারিরিক ভাবে একে অন্যের থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে, ঠিক তেমনি আন্তরিকভাবে অনেকটাই কাছাকাছি এনে দিয়েছে। আমরা এই সময় একে অন্যের পাশাপাশি দাঁড়াবার চেষ্টা করছি। তাই আমাদের থিমের নাম ‘মানবিক’। ভবানীপুরে একটুকরো পুরুলিয়া। পুরুলিয়া এখানে কোনো জায়গা বা গ্রাম নয়, পুরুলিয়ার ছৌ শিল্পীদের তুলে ধরার চেষ্টা করছি আমরা। সেই শিল্পীদের পাশে কিভাবে দাঁড়ানো যায় তারই একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের।”

খুঁটি পুজোয় এসে ফিরহাদ হাকিম বলেন দুর্গাপুজো মিলনের উৎসব। এটি এমন এক মিলন তীর্থ, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে উৎসবে সামিল হন। সারাবছর ধরে মানুষ অপেক্ষায় থাকে কবে দুর্গাপুজো আসবে। তবে করোনা বিধি মেনেই যে উৎসবে সামিল হতে হবে সে কথা মনে করিয়ে দেন ফিরহাদ হাকিম।

ক্লাবের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে সজাগ। করোনা বিধি পালন করে পুজো সম্পন্ন করার মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের সাফল্য দেখতে চাইছেন। ক্লাবের তরফ থেকে প্রত্যেককে সপরিবারে এবং সবান্ধব পুজো দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

কাঠের সেতু বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় এখন একমাত্র ভরসা নৌকা, চলছে ঝুঁকির নদী পারাপার

বন্যার রেশ কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। কয়েকদিন আগেই ভারি বৃষ্টি ও ব্যারেজের ছাড়া জলে শিলাবতী ও কেঠিয়া নদীর একাধিক বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল চন্দ্রকোনার দুটি ব্লকের মোট ১২ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৮ টির বহু গ্রাম। চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের চৈতন্যপুরে শিলাবতী নদীর উপর কাঠের সেতু জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে, এছাড়াও ওই গ্রাম পঞ্চায়েতেরই ধরমপোতা গ্রামে কেঠিয়া ও কানা নদীর সংযোগস্থলে থাকা অপর একটি কাঠের সেতু জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে এবং কৃষ্ণপুর এলাকায় কেঠিয়া নদীর উপর থাকা আরও একটি কাঠের সেতু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

নদী তীরবর্তী ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষের জরুরি পরিষেবা থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল চৈতন্যপুর ও ধরমপোতা এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৈরি দুটি কাঠের সেতু।বন্যায় এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সেতু ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ২৫-৩০ টি গ্রামের মানুষ। পাশাপাশি এই দুই সেতুর উপর দিয়ে চলত ছোট চারচাকার যানবাহন, বর্তমানে তা সম্পুর্ন বন্ধ। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে আবার জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এখন হাজারও মানুষের একমাত্র ভরসা নৌকা। চৈতন্যপুর ও ধরমপোতা দুই জায়গায় গ্রামবাসীরাই নিজেদের উদ্যোগে নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করেছে বলে জানা যায়।নৌকায় সাইকেল, মোটরসাইকেল চাপিয়েও চলছে ঝুঁকির যাতায়াত, বন্যা কাটলেও বর্তমানে যাতায়াতে চরম সমস্যায় পড়েছে ২৫-৩০ টি গ্রামের মানুষ। তাদের দাবি, প্রশাসন দ্রুত ভেঙে পড়া গুরুত্বপূর্ণ এই দুই কাঠের সেতু মেরামত করে যাতায়াতের উপযুক্ত করে তুলুক।

যদিও এ বিষয়ে ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইকবাল সরকার সমস্যার কথা স্বীকার করে জানান,"৪ টি কাঠের সেতুর মধ্যে দুটি ভেঙে গেছে, একটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মেরামত প্রয়োজন। চন্দ্রকোনা ২ পঞ্চায়েত সমিতি থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে এই সেতুগুলি নিয়ে, আমরা তা পাঠিয়ে দিয়েছি। এমনকি ঘাটালে রাজ্যসরকারের যে কমিটির সদস্যরা বন্যা পরিদর্শনে এসেছিল সেচ ও নিকাশি বিভাগের প্রধান সচিবের নেতৃত্বে মহকুমার সমস্ত আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সেখানেও এই ভেঙে পড়া সেতুগুলি নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। আশ্বাস মিলেছে জেলা পরিষদের মাধ্যমে দ্রুত এই সেতুগুলি মেরামত করার ব্যবস্থা করা হবে। প্রায় একমাস হতে চললো, বন্যা পরবর্তী যাতাযাতের ক্ষেত্রে নিত্যদিন হাজারও মানুষ এমনই চরম দুর্ভোগের শিকার চন্দ্রকোনায়।

Carousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

১৬তম বর্ষের 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১'- এর আয়োজন করল 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন'

'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' তাদের ষোড়শ তম বর্ষের 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১'- এর আয়োজন করল ২৫ অগাস্ট। এই অনুষ্ঠানে সমগ্র ভারতের হিন্দি ভাষায় উৎকর্ষতার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দি ভাষার প্রচলন বা গুরুত্ব বাড়াতেই সন্মার্গের এই ব্যবস্থাপনা। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হিন্দুস্তান ক্লাব-এ এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল খুব স্বল্প পরিসরে। উল্লেখ্য, এবারেই প্রথম শিলিগুড়িতেও এই অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্যানডেমিকের কারনে শিক্ষায় এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। তার মধ্যে থেকেই বিভিন্ন বোর্ডের (সিআইএসসিই, সিবিএসই, ডব্লিউ বি বোর্ড) ৩০ জন বাছাই করা পড়ুয়াকে তাদের হিন্দি ভাষার উৎকর্ষতার নিরিখে পুরস্কৃত করা হল। মোট ৫০০০+ ছাত্র-ছাত্রী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে থেকে হিন্দি ভাষা এবং সেই ভাষার ভিত্তিতে যাদের এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিতে দক্ষতা রয়েছে, তেমন ১০ ও ১২ ক্লাসের তিনটি বোর্ডের থেকে পড়ুয়াদের সন্মার্গ বাছাই করেছে পুরস্কৃত করার জন্য। এছাড়াও প্রতিটি বোর্ডের ১ম এবং ২য় টপারদের স্কলারশিপ প্রদান করল সন্মার্গ ফাউন্ডেশন। এই অতিমারির সময়ে বহু পড়ুয়া স্মার্টফোন বা কম্পিউটার না থাকার দরুন ক্লাস করতে পারেনি, তাদের কথা ভেবে এমন পড়ুয়াদের ট্যাব বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সন্মার্গ ফাউন্ডেশন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব ভারতে হিন্দি দৈনিক হিসেবে সন্মার্গ এখন সবচেয়ে পরিচিত নাম। মানবিকতা এবং ধার্মিকতার ওপর ভিত্তি করে 'স্বামী করপত্রীজি মহারাজ' এই দৈনিকটির সূচনা করেন, যার সদর দফতর অবস্থিত কলকাতায়। বর্তমানে এটি রাজ্যের ২৩টি জেলার পাশাপাশি পটনা, ভুবনেশ্বর এবং রাঁচি থেকেও প্রকাশিত হচ্ছে। প্রিন্ট এবং ডিজিটাল উভয় মাধ্যমেই সন্মার্গ বর্তমানে পরিচিত নাম।

'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা' নামে ২০০১ সালে যার পথচলা শুরু, তাই পরে 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান সর্বসাধারণের মধ্যে হিন্দি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষার প্রসারের জন্য কাজ করছে। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক স্বৰ্গীয় শ্রী রাম অবতার গুপ্তর নামে এটি 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার' নামে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম উৎকর্ষতামূলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে থাকে।

সন্মার্গ অ্যান্ড ট্রাস্টি, সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, "এই পুরস্কার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে হিন্দি ভাষা সম্প্রসারণের এবং গুরুত্ব আরোপনের জন্য প্রদান করা হয়। আমরা এই উদ্দেশ্যে যথেষ্ট সফল। এই পুরস্কারের জন্য পড়ুয়াদের মধ্যে বেশি নম্বর আনার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। আগের তুলনায় বিভিন্ন বোর্ডে এখন যথেষ্ট বেশি পার্সেন্টাইল পাচ্ছে পড়ুয়ারা হিন্দি সাহিত্যে। যেখানে ২০০৬-০৭ সালে ৯০-৯২ উঠত সর্বোচ্চ নম্বর, সেখানে এখন ১০০ নম্বর পাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। তিনি আরও জানান, যদি কেউ এই সাহিত্যে উচ্চতর ক্ষেত্রে পড়াশোনা করতে চায়, তাহলে আমরা তাদের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে অনুরোধ করছি। আমরা যথাসম্ভব তাদের সাহায্য করব।"

Carousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

সোনার গহনায় QR কোড চালুর প্রতিবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

একদিকে কোভিড বিপর্যয় অন্যদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় এই দুইয়ের মধ্যেখানে সোনার গহনার ওপর হলমার্কের পাশাপাশি এবার QR কোড চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার আর তাতেই সমস্যায় পড়তে চলেছে দেশের ক্ষুদ্র ছোট-বড় হাতে গড়া সোনার কারিগররা।যারা সামান্য টাকার মূল্যের বিনিময়ে ছোটখাটো কাজ করে সংসার চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এরকমই ঘটনার পেক্ষিতে পূর্ব ঘোষিত ঘোষণা অনুযায়ী আজ ভারত বনধের ডাক দিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি।

প্রসঙ্গক্রমে বলা যায় চাকরি না পেয়ে জন্য ছোট-বড় মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পাশ ছেলেরা হাতে গড়া সোনার কারিগরের দিকে নজর দিয়েছে। সেই হিসেবে তারা কেউ সোনার কারিগর কেউ বা বিভিন্ন ধরনের দোকান খুলেছে বা ব্যবসা করছে। তবে ছোট থেকে হাতের কাজ শিখে তারা সোনার কারিগর তৈরি হয়েছে। সোনার দোকানিরা ছোট বড় কাজ করে দিনাতিপাত করছিলেন এতদিন। গোটা দেশজুড়ে নয়টি রাজ্যের সঙ্গে জঙ্গলমহল পশ্চিম মেদিনীপুরে সোনার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটা বিরাট পরিমাণ সংখ্যায় রয়েছে। যারা এই ছোট বড় কাজ করে নিজের সংসার চালিয়ে আসছেন।

এই গহনা বিক্রি করতে গেলে মূলত এখন হলমার্রককেই সোনার মান নির্ধারক হিসেবে দেখা হয়। এই গহনা মূলত ২২ ক্যারাট ২৪ ক্যারাট হলমার্ক এর উপর ক্রেতাদের বিক্রি করা হয়। সোনার জিনিসপত্র ক্রয় করেন ক্রেতারা এবং সেই হলমার্ক নির্ধারণ করা হয় এলাকার কোনও হলমার্ক সেন্টার থেকে। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে, সেই নির্দেশিকা বলা হয়েছে এই সোনার জিনিসপত্রে হলমার্কের পাশাপাশি থাকবে QR code যে কোড দেখে অনলাইনে ওই গহনার সমস্ত তথ্য আপলোড করা থাকবে। যাতে করে কোনভাবেই ক্রেতাকে ঠকানো না হয়। এরই পাশাপাশি ওই সোনার গহনার তথ্য নির্দিষ্টভাবে সরকারি দফতরে জমা হবে। ফলে ওই গহনা কোন দিনে কার কাছে বিক্রি হয়েছে বা কার কাছে কত সোনা মজুত রয়েছে সেটাও জানা যাবে। নির্দেশিকায় এই সিস্টেমকে HUID বা hallmarking unique identification system বলা হচ্ছে।

নির্দেশিকা জারি হতেই সমস্যায় পড়েছেন সোনার কারিগর থেকে ছোট বড় দোকানিরা। কারণ এই নির্দেশিকা মানতে গেলে একটা সোনার জিনিস বিক্রি করতে অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন লাগবে এই QR করে গ্রাহকের কাছে তুলে দিতে। যার ফলে ব্যবসার ক্ষেত্রে যেমন সমস্যা হবে তেমনি একটা জিনিস বিক্রি করতে সমস্যায় পড়বেন তারা। এর পাশাপাশি রয়েছে আরও নানাবিধ সমস্যা। সেসব সমস্যা নিয়ে এবার আন্দোলনে নামতে চলেছে তারা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী আজকে অবিভক্ত মেদিনীপুরের সমস্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা একদিনের প্রতীকী ধর্মঘট শুরু করেছে আজকে। যদি সরকার দাবী দাওয়া না মানে তবে আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের রাস্তায় নামার প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি।

নিজস্ব প্রতিনিধি

পশ্চিম মেদিনীপুর

চারটি সংগঠনের উদ্যোগে ঘাটালে‌ দুর্গতদের ত্রাণ বিলি

চারটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মঙ্গলবার দুর্গতদের ত্রাণ বিলি করা হলো ঘাটাল মহকুমার সুলতানপুর এলাকায়। মঙ্গলবার ঘাটালের সুলতানপুর এলাকায় ত্রাণ বিলি করা হলো 'ছত্রছায়া গ্রুপ', 'উড়ান পিপলস্ ফাউন্ডেশন', 'মানবিক সংস্থান' ও 'ওয়েষ্ট মিদনাপুর সাইক্লার্স ক্লাব' নামে এই চারটি সংস্থার উদ্যোগে। ওই সংস্থা গুলির পক্ষ থেকে সুলতানপুর এলাকার ২৪০ টি পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়। এই কাজে বিশেষ সহযোগিতা করেন ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস সহ ঘটাল মহাকুমা প্রশাসন এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী শিক্ষক মণিকাঞ্চান রায়। ত্রাণবিলির পাশাপাশি এদিন সংগঠনগুলির তরফে ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাসের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়। এদিনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মণিকাঞ্চান রায়,সংস্থাগুলির তরফে উপস্থিত ছিলেন নতুন ঘোষ, সন্তোষ ভকত, সম্রাট ঘোষ, অনুপম রায়, ঋক চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। ওই সংস্থা গুলির হাত থেকে খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুশি ঘাটাল এর সুলতানপুর এলাকার বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা। সংগঠন গুলির পক্ষ থেকে আগামী দিনেও ঘাটালের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে দুর্গত মানুষদের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়।

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এক অভিনব উদ্যোগ নিল 'ওসাজ'

স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এক অভিনব উদ্যোগ নিল 'ওসাজ'। সুন্দরবনের সন্দেশখালি অঞ্চলের জেলিয়াখালির হালদার পাড়ায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হলো সিলিকোসিস আক্রান্ত মৃত্যুপথযাত্রী অসহায় মানুষদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে। অভাবের তাড়নায় নিজের গ্রাম ছেড়ে শহরে রেমিং মাস কারখানায় কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকেরা শ্বাসকষ্ট আর বুকের যন্ত্রনা নিয়ে গ্রামে ফিরে একে একে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে। চিকিৎসা করতে গিয়ে জানা যায় এরা সব ফুসফুসের ‌ভয়ংকর মারনরোগ সিলিকোসিস আক্রান্ত। নরম ফুসফুস পাথরের গুঁড়োর ধুলোয় জমাট বাধা। এখনো পর্যন্ত য়ার কোনো চিকিৎসা নেই। 'শ্রমিকের পাশে শ্রমিকের সাথে' এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে এই সব অসহায় মানুষদের পাশে এগিয়ে এসেছে 'ওসাজে'র সমিত কুমার কর ও তার সহযোগীরা।

উল্লেখ্য, সন্দেশখলী ব্লক ১ ও ব্লক ২ নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অসহায় শ্রমিকদের পক্ষে দুটো আলাদা কেস করেন সমিত কুমার কর। এর ফলস্বরূপ ব্লক ২ এর দুজন শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যে সুপারিশ মানবাধিকার কমিশন করে তা রাজ্য সরকার মেনে নেয়। এদের জন্য মাসে পাঁচ হাজার টাকা পেনশনের সুপারিশও করা হয়েছে ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা

অভাব-অনটনের কারনে গোয়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনে বাধার মুখে নৈহাটির দুই খুদে প্রতিযোগী

অভাব-অনটন ওদের নিত্যসঙ্গী। তবুও প্রতিভাবান ক্যারাটে হবার লক্ষ্যে লড়াই জারি নৈহাটির মিত্র পাড়ার বাসিন্দা দুই খুদের। রাজ্য ও জেলা স্তরের প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই সাফল্য এনেছে দুই ভাই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের গোড়ায় গোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ কর্পোরেট এফেয়ার্স বিভাগ দ্বারা স্বীকৃত জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। নৈহাটির মিত্র পাড়ার বাসিন্দা ১০ বছরের সঞ্জিত রায় ও সাত বছরের স্বর্ণজিৎ রায় প্রতিযোগিতার মার্শাল আর্ট বিভাগে ডাক পেয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাধার সম্মুখীন দুই ভাই। খুদে-দের বাবা ইন্দ্রজিৎ রায় উত্তরবঙ্গে বৈদ্যুতিন মিস্ত্রীর কাজ করেন। মা সংগীতা রায় গৃহবধূ। পূর্ণ লকডাউনে অতি কষ্টে দিন কেটেছে রায় পরিবারের। প্রতিযোগিতায় যাতে ওরা অংশগ্রহণ করতে পারে, তার জন্য আর্থিক সহযোগিতার কাতর আর্জি দুই খুদের পরিবারের।

নিজস্ব প্রতিনিধি

ব্যারাকপুর


মহম্মদ আলি পার্কের খুঁটি পুজো সম্পন্ন হল বুধবার ১১অগস্ট


ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক ১১ অগস্ট বুধবার তাদের খুঁটি পুজো সম্পন্ন করল। কলকাতার অন্যতম স্বনামধন্য পুজো হিসেবে মহম্মদ আলি পার্কের নাম ইতিমধ্যেই সকলের কাছে পরিচিত। বিভিন্ন রকম সমাজসেবামূলক কাজ এবং মন্ডপ সজ্জার অভিনবত্বের কারণে প্রতি বছর এই পুজো আলাদা জায়গা করে নেয়।

এ বছর ৫৩ তম বর্ষের পুজো উদযাপন করবে ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক। খুঁটি পুজোর দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ছিলেন কাউন্সিলর তথা বরো কো-অর্ডিনেটর রেহানা খাতুন, কাউন্সিলর শগুফত পরভীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুজো কমিটির বিভিন্ন সদস্য যথা রামচন্দ্র বাদোপালিয়া (প্রধান পৃষ্ঠপোষক), ওম প্রকাশ পোদ্দার (ভাইস চেয়ারম্যান), প্রমোদ চন্দক (ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট), দুলাল মৈত্র (ভাইস প্রেসিডেন্ট), জি সি শাহ, বিমল ঝুনঝুনওয়ালা, মহম্মদ শাহিদ (সংগঠক), পবন কুমার বনসল, দেওকি নন্দন ঢেলিয়া, অশোক ওঝা, রাজু গুপ্তা, গনেশ শর্মা, পবন শর্মা (যুগ্ম সচিব), সুভাষ চন্দ্র গোয়েঙ্কা (কোষাধ্যক্ষ), সুরেন্দ্র কুমার শর্মা (সচিব)।

ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক প্রতি বছরের মত এ বছরও তাদের মন্ডপসজ্জা, প্রতিমা, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, সুরক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুনাম এবং খ্যাতি বজায় রাখবে এমনটা বলাই যায়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মধ্য কলকাতার এই পুজো বহু বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কার অর্জন করেছে।

সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমরা আমাদের পুরোনো জায়গা মহম্মদ আলি পার্কে ফের পুজো করার অনুমতি পেয়েছি এ বছর। সেই কারনে আমরা ফিরহাদ হাকিম, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্তার কাছে যথেষ্ট কৃতজ্ঞ। পুরোনো জায়গায় পুজো হচ্ছে বলে পুরো টিম যথেষ্ট উদ্দীপনার সঙ্গে কাজ করছে। করোনার বিধি হিসেবে শারীরিক দূরত্ব যেহেতু বাধ্যতামূলক, তাই এবারে আমরা মন্ডপসজ্জায় এমন কিছু ভাবছি, যা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করবে। প্রতিবারের মত আমরা এবারেও যথেষ্ট সাফল্য পাব এমনটাই আশা করছি।" তিনি সকলকে সপরিবারে, বন্ধুবান্ধব নিয়ে তাঁদের পুজো দেখতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যম মারফত।


Written By

Swarnali Goswami

ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতির পরিদর্শনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মঙ্গলবার ঘাটালের কুশপাতা বঙ্গবাসী ক্লাবের মাঠে হেলিকপ্টারে নামেন। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে ঘাটাল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের আড়গোড়া ১নং চাতালে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘাটাল পুরসভার 8টি ওয়ার্ড এখনও জলমগ্ন আছে। বন্যা পরিস্থিতির পরিদর্শন করে তিনি দুর্গতদের হাতে রাজ্য সরকারের ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন এদিন। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভূইঁয়া, সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সহ মন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শিউলি সাহা শ্রীকান্ত মাহাত এবং ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ও মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া এবং জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভয়াবহ অবস্থার জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একে ‘ম্যান মেড’ বন্যা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা সত্ত্বেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন। এই প্রসঙ্গে দলের সাংসদদের নির্দেশ দেন, দিল্লি গিয়ে যেন কেন্দ্রকে এই বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়। তিনি নিজেও আলাদা করে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরির জন্য কেন্দ্রকে আবেদন জানাবেন। পাশাপাশি এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বন্যা দুর্গত মানুষদের পাশে থাকার জন্য জেলা প্রশাসনকে, তথা দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, নাচের তালে পা মেলালেন মমতা, বাজালেন ধামসা


"আদিবাসীদের জমি হস্তান্তর বন্ধ করেছে আমাদের সরকার, আমরা চাই সারা ভারতে এই আইন হোক" ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর৷ তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার জঙ্গলমহলের জেলা ঝাড়গ্রামে আসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে আজ ঝাড়গ্রামে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে একদিকে যেমন তিনি ধামসা বাজালেন, অন্যদিকে নাচের তালে পা মেলাতেও দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। একই সঙ্গে, সবুজ সাথী, কন্যাশ্রী, জয় জোহর প্রকল্পের আওতায় থাকা ১৯ জনের হাতে শংসাপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতি ১৩ জনকে সংবর্ধনা জানান মুখ্যমন্ত্রী।


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, "আমরা ধর্মে-ধর্মে, মানুষে-মানুষে ভাগ করি না। সবাই আমরা একসঙ্গে কাজ করি। আপনারা ভাল থাকলে, আমি ভাল থাকবো। আপনাদের কখনও কিছু অসুবিধা হলে আমাকে বলবেন, আমি দেখে নেবো। কিন্তু আমাকে দয়া করে ভুল বুঝবেন না। আপনারা আমাদের অনেক আশীর্বাদ দিয়েছেন। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনে জিতিয়েছেন। ঝাড়গ্রাম জেলা প্রকৃতি মায়ের জেলা। তবুও অনেক জেলায় বন্যা হয়েছে। ডিভিসির জল ছেড়ে দিয়েছে। জল ছাড়ার কারণে বন্যা হয়েছে। ডিভিসি-র ছেড়ে দেওয়া জলে বাগনান-সহ বিস্তৃর্ণ এলাকা জলমগ্ন। আমি আসার সময় ছবি তুলেছি। মুখ্যসচিব কে পাঠিয়েছি।"


মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, "ঝাড়গ্রামকে নতুন জেলা করেছে আমাদের সরকার। ঝাড়গ্রাম, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুরে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল হয়েছে। ঝাড়গ্রামে সাধুরাম চাঁদ বিশ্ববিদ্য়ালয় হচ্ছে। ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকরণ হয়েছে। সুবর্ণরেখা নদীর উপর জঙ্গল সেতু হয়েছে। স্পোর্টস কমপ্লেক্স হয়েছে। মাও হানায় মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করেছি। ৩ কোটি মানুষ দুয়ারে সরকারের আওতায় এসেছে।"

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা

ঝাড়গ্রাম

'মেন্টাল ম্যানিফেস্টো' - সমাজকে, তার মানুষজনকে অন্যভাবে বিশ্লেষণ করার এক প্রয়াস



একটি ঘোষণাপত্র। যেখানে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে মানুষের মানসিক পরিস্থিতি নিয়ে। আমরা সাধারণ মানুষ খুব সহজেই মানসিক বা স্বাভাবিক আচরণের একটু এদিক-ওদিক দেখলেই তকমা দিয়ে দিই পাগলামো করছে না কি? কিন্তু অতই কী সহজ, মানুষের অস্বাভাবিকতাকে বিশ্লেষণ করা? তারই উত্তর খুঁজে চলেছেন পরিচালক দিগন্ত দে তাঁর প্রথম ইনভেস্টিগেটিভ ডকু ফিচার 'মেন্টাল ম্যানিফেস্টো'-য়।

আসলে মানুষের আচরণ বা মানসিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্লেষণ করার মধ্যে বা সেই খোঁজের মধ্যেই আছে একটা স্পর্ধা। সমাজের চেনা ছক থেকে বেরিয়ে মানুষকে অন্যরকমভাবে ভাবানোর একটা প্রচেষ্টা, যা করে দেখাচ্ছেন দিগন্ত। সামাজিক বা মানসিক কোন পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে একটি মানুষ তার নিজের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে, তাও আমরা অনুধাবন করতে পারব এই ছবি থেকে। ছবিতে যেমন রয়েছে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মানিসক অবস্থার বিশ্লেষণ, তেমনি রয়েছে ডাক্তার, অভিনেতা, পরিচালকদের এই নিয়ে মন্তব্য। রয়েছে সমাজের ধর্মীয় দিক, অসামাজিক কার্যকলাপের পেছনে মানুষের মানসিকতার বিশ্লেষণ। শুধুমাত্র দেশের তথ্য নিয়েই সন্তুষ্ট থাকেননি দিগন্ত, পড়াশুনো করেছেন বিদেশেরও বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে এবং অবশ্যই তা উঠেও এসেছে এই ছবিতে।

ছবিটিতে আছেন বেশ কিছু বিখ্যাত মানুষ যেমন কমলেশ্বর মূখার্জী, সুদেষ্ণা রায়, চন্দন সেন প্রমুখ, যাঁরা নিজেদের মত করে এই বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছেন। সিনেমা টিতে থাকছেন ২৬/১১ মুম্বই হামলায় দোষী কাসভের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্বাস কাজমী। তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেছেন বিষয়টি এবং তাঁর মতামত ব্যক্ত করেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আব্বাস কাজমী প্রথমবার মুখ খুলছেন এই ছবিটিতে। এছাড়াও পরিচালকের কথা অনুযায়ী - 'ছবিতে খুব শীঘ্রই বিভিন্ন দেশের সেনসিটিভ ডকুমেন্ট লিক করা হবে কারণ তার সাথে অনেকগুলি বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত!'

ডায়োরামা আন্তর্জাতিক ফিল্ম বাজারে 'মেন্টাল ম্যানিফেস্টো' প্রজেক্ট টি রেকমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই উৎসাহ তৈরী হয়েছে প্রচুর ফিল্ম জগতের মানুষজনের। ছবিটি যে অন্যরকমভাবে সমাজের অন্যরকম একটি বিষয় মেলে ধরতে চাইছে তা হলফ করে বলাই যায়। অধীর আগ্রহে তাই সকলেই অপেক্ষায় রয়েছেন ছবিটি মুক্তির। অতিমারির এই সময়ে মাঝে মাঝেই ছবি তৈরির ক্ষেত্রে এসেছে বাধা। কিন্তু সমস্ত বাধা পেরিয়ে আর কিছুদিন পরেই মুক্তি পেতে চলেছে 'মেন্টাল ম্যানিফেস্টো'। পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শেষ করে ছবিটি মুক্তি পেতে পারে ২০২২ এর জানুয়ারি মাসে এমনটাই মনে করছেন, বলা ভালো এমনটাই চাইছেন পরিচালক।

পরিচালকের বিষয়ে বলতে গেলে বলতে হয়, এর আগে একাধিক পুরস্কার প্রাপ্ত শর্ট ফিল্ম করেছেন দিগন্ত দে। এশিয়ার ২০ জন উঠতি পরিচালকের মধ্যে ২০২০ সালে পরিচালক দিগন্ত দে জাপানের 'কিয়োটো ফিল্মমেকারস ল্যাব' এ আমন্ত্রণ পেয়েছেন। যেখানে মোট আবেদনকারী ছিলেন ১৫০০ এর কাছাকাছি। সম্প্রতি, কলকাতায় ঋতুরঙ্গম চলচ্চিত্র উৎসবের 'ফেস্টিভ্যাল অ্যাডভাইসার' হয়েছেন। দেশে ট্যালেন্ট পুল তৈরীর লক্ষ্যে ফিল্মমেকারস ল্যাব আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে হলিউড, বলিউড ও কলকাতার নামজাদা চলচ্চিত্র ব্যক্তিদের মেন্টর হিসেবে নিয়ে আসতে দিগন্ত-র একটি বড় ভূমিকা থাকছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল দিগন্ত দে, কোনো ফিল্ম স্কুল ট্রেইন্ড নন, ২০২০ সালে FTII থেকে ফিল্ম এপ্রিসিয়েশন করেছেন। তাঁর কথায় সিনেমা হলো "একটা লার্জ আর্ট ফর্ম, যা হাতে ধরে শেখানো যায় না। চোখ তৈরী করতে হয়। এখন এই গ্লোবালাইজেশনের দুনিয়ায় শেখাটা খুব একটা কঠিন কিছু নয়, ভাল বই পড়ুন, সিনেমা দেখুন, জার্নাল পড়ুন সেটাই অনেকটা কাজে দেবে কিন্তু আপনাকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা ফর্ম তৈরি করতে হবে যা মানুষের মন ছুঁয়ে যায় তবেই মানুষ আপনার কাজকে আলাদা জায়গা দেবে"। ছবিটিতে চিত্রগ্রহণ করেছেন কৌস্তভ ধারা এবং সম্পাদনায় রয়েছেন রাজকুমার মৈত্র|

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

রাস্তার ধারে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বৃহদাকার একটি গাছ, নির্বিকার প্রশাসন

রাস্তার ধারে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বৃহদাকার একটি গাছ। তার নিচ দিয়ে চলছে ঝুঁকিবহুল যাতায়াত। প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার ঠাকুরচক এলাকায়। জানা যায় বেলদা কাঁথিগামী রাজ্য সড়কের কাছে ঠাকুরচকে বিশ্রামাগার সংলগ্ন স্থানে এক বৃহদাকার পূর্ণবয়স্ক শিরীষগাছ দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে মৃত অবস্থায় রয়েছে। যার কয়েকটি ডাল ইতিমধ্যে খসে পড়ছে। বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন পথচলতি মানুষেরা। তবে সে যাত্রায় বড় কোনও বিপদের সম্মুখীন না হলেও বৃহত্তর বিপদের সম্মুখীন হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওই গাছটি। যা জেনেও উদ্যোগ নিচ্ছে না প্রশাসন বলে অভিযোগ সচেতন এলাকাবাসীদের। তবে কি বৃহত্তর ঘটনা ঘটলে তার পরেই টনক নড়বে প্রশাসনের? এখন এটাই প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এলাকাবাসীদের মনে। ঘটনায় আরও জানা যায় গাছটি রাজ্য সড়কের ধারে পিডব্লিউডি অর্থাৎ পরিবহন দফতরের সীমানার মধ্যে পড়ে যাওয়ায় পঞ্চায়েত বা প্রধানের তরফ থেকে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। তবে এটি পঞ্চায়েত এলাকায় হোক বা পরিবহন দপ্তরের এলাকায়, বিপদ কিন্তু পথচলতি মানুষের সন্নিকটে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধুমাত্র গাছটি শুকনো অবস্থায় রয়েছে তাই নয় তার কাছেই রয়েছে উচ্চ বৈদ্যুতিক সম্পন্ন কিছু বিদ্যুতের তার ও খুঁটি, যা যে কোনো সময় ওই গাছের ডাল বা গাছটি ভেঙে পড়লে তা আরও বৃহত্তর বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সংকেত দিচ্ছে। যদিও এসব দেখেও ঘুম ভাঙেনি প্রশাসনের এমনটাই অভিযোগ খোদ এলাকাবাসীদের। এখন দেখার এই বিপদ থেকে কবে নিস্তার পান এলাকার মানুষেরা। সেই দিকে তাকিয়ে এলাকাবাসীরা।


Carousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা,

পশ্চিম মেদিনীপুর

কলকাতায় কাজ শুরু করলো 'Premanu Foundation'



কলকাতার শ্যামবাজারের অঞ্চলের ১০০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করলো প্রেমানু ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।

দিল্লীতে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজকরা সংগঠনটি এই প্রথম কাজ শুরু করলো কলকাতায়। কোভিড অতিমারীর সম্মুখীন হয়ে বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছেনা কেউ ই। এই পরিস্থিতিতে ছাত্র -ছাত্রী দের শিক্ষার আঙ্গিনায় ধরে রাখতে সচেষ্ট হল প্রেমানু ফাউন্ডেশন। শিক্ষা সামগ্রী ও এন ৯৫ মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে ছাত্র -ছাত্রী এবং অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সচেনতনতার প্রচার করলো সংগঠনটি।

Carousel imageCarousel imageCarousel image

সংগঠনটির কলকাতার প্রতিনিধি শুভজিৎ দত্তগুপ্ত জানান, "প্রেমানু ফাউন্ডেশন বহুদিন ধরে দিল্লীর বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করলেও কলকাতায় এই প্রথম কোনো কর্মসূচী পালিত হলো। আমরা আগামী দিন আরো ব্যাপক কর্মকান্ড নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে যাওয়ার চেষ্টা করবো।"


Written By

Subhajit Duttagupta

২১ জুলাই মহাকাশ ঘুরতে যাচ্ছেন জেফ বেজোস, স্মরণীয় এই মুহূর্তের অংশীদার ভারতীয় মহিলা সঞ্জল গবান্ডে


দলবল নিয়ে মহাকাশ ঘুরতে যাচ্ছেন অ্যামাজন কর্তা জেফ বেজোস। ২০২১-এর ২০ জুলাই স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় পশ্চিম টেক্সাসের মরুভূমির ‘লঞ্চ সাইট ১’ থেকে চার জন যাত্রী-সহ উৎক্ষেপিত হবে ‘নিউ শেপার্ড’। তাঁদেরই এক জন হবেন জেফ নিজে। সেই স্বপ্নের উড়ানের অংশীদার হতে চলেছেন এক ভারতীয় মহিলা। সঞ্জল গবান্ডে।

অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফের জন্য নিজের হাতে মহাকাশযান বানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সঞ্জল স্বপ্ন দেখেছিলেন মহাকাশযান বানানোর। ৩০ বছরের এই ইঞ্জিনিয়ারের জন্ম মহারাষ্ট্রের কল্যাণের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে। বাবা মু্ম্বই কল্যাণ-দম্ভিবলি পুরসভায় কাজ করতেন। মা এমটিএনএল-এর অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। মুম্বইয়ের স্কুলেই পড়াশোনা সঞ্জলের। তার পর মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। ২০১১ সালে স্নাতকোত্তরের জন্য তিনি আমেরিকায় উড়ে যান। আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়েই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পর তিনি নাসায় কাজের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কিছু সমস্যার জন্য নাসায় চাকরি করা হয়ে ওঠেনি। দমে যাননি সঞ্জল। মেরিন এবং রেসিং কার সংস্থার জন্য কাজ শুরু করেন তিনি। তখন তিনি টয়োটায় কাজ করতেন। টয়েটোয় থাকাকালীন তিনি পাইলটের প্রশিক্ষণও নিতে শুরু করেছিলেন। সপ্তাহে ছুটির দিনে প্রশিক্ষণ নিতেন। ২০১৬ সালে পাইলটের লাইসেন্সও পেয়ে যান।


কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও মহাকাশযানের স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি সঞ্জল। সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপও পেল। অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মহাকাশযান দলের সদস্য হলেন তিনি। জেফের সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’ এই রকেট বানিয়েছে। রকেটটি বানানোর জন্য বাছাই করা দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ করেছেন জেফ। ওই দলেরই একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন সঞ্জল। রকেটের ইঞ্জিন বানানোর দায়িত্ব ছিল তাঁরই উপর।

মহাকাশে মানুষের থাকার জন্য ‘স্পেস কলোনি’ বানানোর উদ্দেশ্যেই ২০০০ সালে ‘ব্লু অরিজিন’ সংস্থার সূচনা করেন জেফ। মহাকাশ পর্যটন-সহ বহু পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। আপাতত প্রচুর ওজন সমেত মহাকাশে যেতে পারে, ‘নিউ গ্লেন’ নামে এমন এক রকেট বানানো হচ্ছে সংস্থাটিতে। অ্যাপলো ১১-র চাঁদে অবতরণের ৫২তম বছরকে সম্মান জানাতেই এই দিনটি বেছে নিয়েছেন জেফ। এখনও অবধি কোনও যাত্রী ছাড়া অন্তত ১৫টি উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য এই যানের। জেফের সহযাত্রী হচ্ছেন ৮২ বছর বয়সি মহিলা বিমানচালক ওয়ালি ফাঙ্ক। সব ঠিক থাকলে তিনিই হবেন প্রবীণতম মহাকাশচারী। এছাড়াও অলিভার ডিমেন নামে এক ডাচ কিশোর হবেন সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশযাত্রী। ১৮ বছরের অলিভার নেদারল্যান্ডসের এক ধনকুবেরের ছেলে। আর এক সহযাত্রী হিসেবে থাকছেন জেফের ভাই মার্ক। ‘নিউ শেপার্ড’ ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশ ও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্যবর্তী কারম্যান লাইনে কিছু ক্ষণ অবস্থান করবে। পৃথিবীর কক্ষ পথ ছাড়িয়ে মহাকাশে ঘুরে বেড়ানোর জেফের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার অপেক্ষা মাত্র।


Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট দেখার পর সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বললেন শুভেন্দু অধিকারী

বৃহস্পতিবার আচমকা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতির পদ ও মোর্চার সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিনয় তামাং


শালবনীর গোয়ালডিহিতে 'শিশু আলয়' নামে একটি মডেল অঙ্গনওয়াড়ির শুভ উদ্বোধন করলেন জেলাশাসক

বিজেপি কর্মীর বাড়িতে দুষ্কৃতীদের বোমাবাজি ব্যারাকপুরে

পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চন্দ্রকোনারোড শহরে প্রতিবাদ মিছিল ব্লক তৃণমূলের ST সেলের

ভাটপাড়া পুরসভার মধ্যে গুলি কাণ্ডে ধৃত যুবক

পুরসভা কম্পাউন্ডে গুলি, ক্ষোভে পদত্যাগ ভাটপাড়ার পুর প্রশাসকের

পেলাগেড়িয়াতে দুর্ঘটনার কবলে মাল বোঝাই কন্টেনার,হতাহতের কোনো খবর নেই

ভারতীয় জনতা পার্টি শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার তরফে একাধিক দাবি নিয়ে স্মারকলিপি

নিমতায় এক মাঝবয়সীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ধৃত রিহ্যাব সেন্টারের দুইজন


এক ব্যবসায়ীর উদ্যোগে বেলাকোবার নাবালিকাকে বাড়ি ফেরানো গেল

নিজস্ব সংবাদদাতা

দার্জিলিং


রাজ্যে বিধিনিষেধ চলবে ৩০ জুলাই পর্যন্ত। চলবে না লোকাল ট্রেন, তবে মেট্রো চলবে আংশিকভাবে

১৫ জুলাই শেষ হচ্ছে আগের ঘোষণা করা বিধিনিষেধ। তবে ফের ৩০ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে বিধিনিষেধ বহাল থাকল। আপাতত বন্ধই থাকছে লোকাল ট্রেন। আন্তঃরাজ্য ট্রেন চলাচলও বন্ধ থাকবে। জেলায় কোভিড সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে সেই পথে না হাঁটার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। তবে আংশিক খুলছে মেট্রো। ৫০% যাত্রী নিয়ে শনি ও রবিবার বাদে চালু হচ্ছে মেট্রো।

এছাড়া স্থানীয় এবং আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ, ট্যাক্সি, অ্যাপক্যাব, অটো ইত্যাদি পরিষেবা ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চালু থাকবে। জরুরি পরিষেবায় যুক্ত অফিস আগের মতোই খোলা থাকবে। প্রত্যক্ষ ভাবে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে চালু থাকবে সরকারি অফিসগুলি। টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে এমন ৫০ শতাংশ লোক নিয়ে চালু রাখতে হবে বেসরকারি অফিস। টিকা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিরাই প্রাতঃভ্রমণে পার্কে যেতে পারবেন সকাল ছ'টা থেকে ন'টার মধ্যে। ৫০ শতাংশ আসন নিয়ে খোলা থাকবে রেস্তোরাঁ। সকাল ছ'টা থেকে দশটা আবার বিকেল চারটে থেকে আটটা অবধি ৫০ শতাংশ লোক নিয়ে চালু রাখা যাবে জিম। ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে সকাল দশটা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত। ই-কমার্সের হোম ডেলিভারি চালু থাকবে। বিধি মেনে খুলতে হবে দোকান বাজার। স্বাভাবিক ভাবে দোকান খুলে রাত ন'টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। সিনেমা হল স্পা সুইমিংপুল বন্ধ থাকবে। জাতীয়, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীরা যেখানে প্রশিক্ষণ নেন বা প্র্যাকটিস করেন, তাঁরা সকাল ছ'টা থেকে সকাল দশটা পর্যন্ত সুইমিংপুল ব্যবহার করতে পারবেন। সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধই থাকছে এই পর্বে। সমস্ত ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকছে। করা যাবে না কোনওরকম জমায়েত। ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান করা যাবে, শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারবেন ২০ জন। ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে শুটিং চলবে।

মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৩ জন। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৭.৮৮ শতাংশ। একদিনে বাংলায় সুস্থ হয়েছেন ১১৮৬ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১৪ হাজার ১৯১। বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৭। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৪২। মোট মৃতের সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৪৪।



Written By

Swarnali Goswami

দার্জিলিঙের ম্যালে কবি ভানুভক্ত আচার্য -র ২০৭ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

নিজস্ব সংবাদদাতা

দার্জিলিং

কেশিয়াড়িতে সুগন্ধী ধান ও কৃষিজ সামগ্রী বিতরণ শিবির