শিক্ষকদের স্কুলের পঠন-পাঠন বজায় রেখেই জনগণনার কাজ করতে হবে
- The Conveyor
- Aug 3
- 1 min read

কলকাতা, ৩ অগস্ট, ২০২৬: জনগণনার কাজে শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে যোগ দেওয়ার কথা আগেই জানানো হয়েছিল। এবারে বলা হল স্কুলের পঠন-পাঠন বজায় রেখেই জনগণনার কাজ করতে হবে। সোমবার রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এমনভাবে জনগণনার কাজ করতে হবে, যাতে স্কুলের সাধারণ কাজকর্ম বা পঠনপাঠন ব্যাহত না হয়। স্কুল বা ক্লাসের সময়ের পরে অথবা সপ্তাহান্তে তাঁদের জনগণনার কাজ করতে হবে বলে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ অন-ডিউটি পাচ্ছেন শিক্ষকরা।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর শুরু হল জনগণনা ২০২৭-এর প্রস্তুতি। দেশে এই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা চলছে। এবারে নিজের নাম নিজেই অনলাইনে নথিভুক্ত করতে পারছেন সাধারণ মানুষ। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ১ থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রত্যেকেই অনলাইনে নিজেদের পরিবারের নাম, তথ্য নথিভুক্ত করতে পারবেন। ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গণনাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। গণনাকারীদের স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকা বাধ্যতামূলক। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে শুরু হবে জনগণনার দ্বিতীয় পর্ব। ৭০০ থেকে ৮০০ জন বাসিন্দা পিছু একজন গণনাকারী কাজ করবেন। ২০১১ সালের পর প্রথমবার পূর্ণাঙ্গ জনগণনার প্রক্রিয়া শুরু হল এবার।
শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করতে হবে। যাঁরা এই কাজে অনীহা প্রকাশ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হতে পারে জরিমানা এবং জেলও। কোনও যুক্তি না দিয়েই জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করলে সেন্সাস অ্যাক্ট, ১৯৪৮ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। নির্দেশিকায় বলে দেওয়া হয়েছে, ২০২৭ সালের জনগণনা- র কাজে শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও ক্লার্কদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। নির্দেশিকাটি রাজ্যের সমস্ত জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের (DPSC) চেয়ারম্যান/সচিব এবং জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকদের (DI of Schools-PE) পাঠানো হয়েছে।









Comments