top of page

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের হাল হকিকত


৪ মার্চ, ২০২৬: সৌদি আরবের সরকারি তেল পরিশোধন সংস্থা ‘আরামকো’র বৃহত্তম তৈল শোধনাগারে ফের চলল হামলা। তবে কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাস তানুরার এই তৈলশোধনাগারটি হল সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় সরকারি শোধনাগার। সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানান, রাস তানুরা তৈলশোধনগারে হামলার চেষ্টা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে একটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে শোধনাগারের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি বলেই জানাচ্ছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ওই মুখপাত্র।

এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানের রণতরীতে সাবমেরিনের হামলা হল। তাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত রণতরীটি ডুবে গিয়েছে সমুদ্রে। ঘটনায় শতাধিক মানুষ নিখোঁজ। আহত ৭৮ জন। জাহাজ থেকে সাহায্যের আবেদন পেয়ে তৎক্ষণাৎ শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে পাঠানো হয়েছে সাহায্য। সিংহভাগ জাহাজকর্মীই আহত। তাদের মধ্যে ৩০ জনকে দক্ষিণ শ্রীলঙ্কার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অপরদিকে হরমুজ প্রণালীতে হামলা হল এক পণ্যবাহী জাহাজে। ওমান উপকূলের কাছে হামলাটি হয়েছে বলে জানাচ্ছে ব্রিটেনের সমুদ্র-বাণিজ্য নজরদার সংস্থা। জাহাজটিতে মলটার পতাকা রয়েছে। তারা জানাচ্ছে ওই হামলার ফলে জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে আগুন ধরে গিয়েছে। যদিও হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণ দখল’ করে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছিল ইরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড’ (আইআরজিসি) বাহিনী।

কাতারে আমেরিকার ‘নার্ভ সেন্টার’ ধ্বংস করে দিল ইরান! কাতারের আমেরিকার ওই বেসের ল্যাবরেটরিতে বড়সড় ক্ষতি হয়েছে। কাতারের মধ্যপ্রাচ্যের আল-উদেইদ বেস-এ থাকা এই রাডার সিস্টেম গালফ এলাকায় থাকা আমেরিকার সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে দামী রেডার সিস্টেম। এই রেডার সিস্টেম ধ্বংস করে দেওয়ার অর্থ, গালফ রিজিয়নে আমেরিকাকে কার্যত ‘অন্ধ’ করে দেওয়া। শুধুমাত্র কাতারের আল-উদেইদ বেসেই নয়, আমেরিকার ইরাক, ইউনাইটেড আরব এমিরেটস, কুয়েত, ওমান জর্ডন, বাহারাইন, সৌদি আরবের একাধিক মার্কিন সেনা ঘাঁটিকে টার্গেট করেছে ইরান৷

এমন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের এক কূটনীতিবিদের দাবি করলেন, এশিয়ায় ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং শক্তিশালী অর্থনীতি আমেরিকার একক আধিপত্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ভারতকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং তার উন্নয়নকে সীমিত করতে আমেরিকা নানা ধরনের বাধার সৃষ্টি করছে। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন ‘আমেরিকার লক্ষ্য ইরান নয়। বরং ইরানের পরে অন্যান্য দেশে যাবে। অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বের সবথেকে দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠবে ভারত, চিন, রাশিয়া এবং আমেরিকাও। কিন্তু নিজেকে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী রাষ্ট্রের জায়গা থেকে কিছুতেই সরতে চায় না আমেরিকা। ওরা চায় না যে ভারত বা চিন শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠুক। ভবিষ্যতে সেই বিষয়টা আটকানোর জন্য ওরা প্রচুর যুদ্ধ বাধাচ্ছে।’


 
 
 

Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating

Top Stories

প্রতিদিনের খবর এবং বিভিন্ন ফিচার ভিত্তিক লেখা, যেখানে খবরের সত্যতা তথা লেখনীর উৎকৃষ্টতা প্রাধান্য পায়। ফিচার ছাড়াও যে কোনও রকম লেখনী শুধুমাত্র উৎকৃষ্টতার নিরিখে গুরুত্ব পাবে এই সাইটে

Thanks for subscribing!

  • Whatsapp
  • Youtube
  • Instagram
  • Facebook
  • Twitter

The Conveyor

bottom of page