top of page

দল ছাড়লেন বরানগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায়, পদও ছাড়লেন তিনি



কলকাতা, ৪ মার্চ: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়। আজ সোমবার বরানগরের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা তাপস রায় তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করলেন পাশাপাশি দিলেন বিধায়ক পদেও ইস্তফা। বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে পদত্যাগ পত্র পেশ করলেন তিনি।

দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছিল কয়েকদিন থেকেই। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেই দলের বিরুদ্ধেই উষ্মা প্রকাশ করলেন তাপস। সাংবাদিকদের তিনি জানান, তিনি দলে অবহেলিত, উপেক্ষিত এবং অসম্মানিত। সাংবাদিকদের সামনে তাপস রায় বলেন, 'এত দুর্নীতি, সন্দেশখালি আমাকে তাড়না দিচ্ছে। এই প্রথম বাজেট অধিবেশন ঠিক করে করলাম না। দলের সঙ্গে আমার দীর্ঘ ২৩-২৪ বছরের সম্পর্ক। আমার বাড়িতে গত ১২ জানুয়ারি ইডি এসেছিল। দল আমার পাশে দাঁড়ায়নি। কেউ ফোন করে আমার পরিরবারের কাউকে সমবেদনা জানায়নি। অনেকে আমায় বলেছে, এর পেছনে দলেরই কেউ কেউ আছে। যখন আমার বাড়িতে ইডি রেড চলছে, তখন তাদের মধ্যে উল্লাস দেখা যায়। যদিও মুখ্য বিষয় দুর্নীতি এবং সন্দেশখালি। সাংবাদিক বৈঠকের পরেই বিধানসভার উদ্দেশে রওনা দেন তাপস রায়।

বিধানসভায় যাওয়ার সময় তিনি উপমুখ্যসচেতকের গাড়ি ব্যবহার করেননি। নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে বিধানসভায় পৌঁছলেন। সকালেই তাপসের বৌবাজারের বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁরা বেরিয়ে যাওয়ার পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তাপস। মূলত দলে বিদ্রোহী হয়ে দল ছাড়তে পারেন তিনি তার আঁচ তৃণমূল আগেই পেয়েছিল। তাই রবিবার থেকেই দলের ‘দূত’ দফায় দফায় তাপসের বাড়িতে গিয়েছেন। মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক রবিবার তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন।

ঘনিষ্ঠ সূত্রদের কাছ থেকে জানা যাচ্ছে, প্রবীণ এই রাজনীতিক বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। অনেকে একাধিক ধাপ এগিয়ে এমন বলছেন যে, তাপস উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থীও হয়ে যেতে পারেন। যদিও উত্তর কলকাতার জন্য সজল ঘোষের নাম প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। তবে তাপস নিজে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

উত্তর কলকাতার তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাপসের ক্ষোভ দীর্ঘ দিনের এবং তা কারও অজানা নয়। সম্প্রতি কুনাল ঘোষ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বলার পর তাপস রায়ও বেশ কিছু কথা বলেন সুদীপের বিরুদ্ধে। তারপর এই সিদ্ধান্ত।



Comments

Rated 0 out of 5 stars.
No ratings yet

Add a rating

Top Stories

bottom of page