top of page

উপনির্বাচনে ৪ কেন্দ্রে ভোটদানের গড় হার ৬২.৭১ শতাংশ, মানিকতলায় ৮৯টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি বিজেপির




কলকাতা, ১০ জুলাই, ২০২৪: বুধবার উপনির্বাচন সম্পন্ন হল রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্র কলকাতার মানিকতলা, নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ও উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে। বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া মোটের উপর নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হল রাজ্যের ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন।

রাজ্যে চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের গড় হার ৬২.৭১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে রায়গঞ্জে। এই কেন্দ্রে ভোটদানের হার ৬৭.১২ শতাংশ। এ ছাড়াও রানাঘাট দক্ষিণে ৬৫.৩৭ শতাংশ, বাগদায় ৬৫.১৫ শতাংশ এবং মানিকতলায় ৫১.৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।

মানিকতলায় ২৭৭ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ লাখ ১০ হাজার ৪৯৩। বাগদা কেন্দ্রে মোট ৩০১ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৫ হাজার ৪৪২। রানাঘাট দক্ষিণে মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ৩০৭। মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৯১ হাজার ৭৮১। রায়গঞ্জে মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ২১২। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬ হাজার ৯০০। অবাধ ও সুষ্ঠু উপনির্বাচনের জন্য এই ৪ কেন্দ্রে মোট ৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন। সেক্ষেত্রে রায়গঞ্জে ১৬ কোম্পানি, রানাঘাট দক্ষিণে ১৯ কোম্পানি, বাগদায় ২০ কোম্পানি ও মানিকতলায় ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাগদা। ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিনয়কুমার বিশ্বাসের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। এমনকি, তাঁকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসা জড়ালেন বাগদার ডিহিলদহের তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে আমাদের মারধর করাচ্ছে বিজেপি।’’ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। বাগদার বিজেপি প্রার্থীর আক্রান্তের ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে ফোর্স পাঠানোর নির্দেশ কমিশনের। ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের থেকে রিপোর্ট চাইল কমিশন।

মানিকতলায় ভোট লুঠের অভিযোগ তুলে ফুলবাগান থানার সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসে বিজেপি। মানিকতলায় ৮৯টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাল বিজেপি। যে তালিকা তারা নির্বাচন কমিশনে দিয়েছে, তাতে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডও রয়েছে। এদিকে বুধবার সকালে কুণাল ঘোষ বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবেকে কটাক্ষ করে বলেন, ”কল্যাণ চৌবে যেন খালি পেটে না থাকে। আজ যেন বেশি করে জল খায়। হারবে সবাই জানে। কিন্তু শরীরটা দেখে রাখুক। চোখ মুখের অবস্থা দেখেছেন, কালি পড়ে গেছে চোখের তলায়। সারারাত ঘুম হয়নি।” তবে বিজেপির প্রার্থী কল্যাণ চৌবের মাকে ভোট দিতে সাহায্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সুপ্তি পাণ্ডের মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট অনিন্দ্য কিশোর রাউত।

Commenti

Valutazione 0 stelle su 5.
Non ci sono ancora valutazioni

Aggiungi una valutazione

Top Stories

bottom of page