কলকাতায় কাজ শুরু করলো 'Premanu Foundation'

কলকাতার শ্যামবাজারের অঞ্চলের ১০০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করলো প্রেমানু ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।

দিল্লীতে দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজকরা সংগঠনটি এই প্রথম কাজ শুরু করলো কলকাতায়। কোভিড অতিমারীর সম্মুখীন হয়ে বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছেনা কেউ ই। এই পরিস্থিতিতে ছাত্র -ছাত্রী দের শিক্ষার আঙ্গিনায় ধরে রাখতে সচেষ্ট হল প্রেমানু ফাউন্ডেশন। শিক্ষা সামগ্রী ও এন ৯৫ মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে ছাত্র -ছাত্রী এবং অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সচেনতনতার প্রচার করলো সংগঠনটি।

Carousel imageCarousel imageCarousel image

সংগঠনটির কলকাতার প্রতিনিধি শুভজিৎ দত্তগুপ্ত জানান, "প্রেমানু ফাউন্ডেশন বহুদিন ধরে দিল্লীর বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করলেও কলকাতায় এই প্রথম কোনো কর্মসূচী পালিত হলো। আমরা আগামী দিন আরো ব্যাপক কর্মকান্ড নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে যাওয়ার চেষ্টা করবো।"


Written By

Subhajit Duttagupta

রাজ্যে বিধিনিষেধ চলবে ৩০ জুলাই পর্যন্ত। চলবে না লোকাল ট্রেন, তবে মেট্রো চলবে আংশিকভাবে

১৫ জুলাই শেষ হচ্ছে আগের ঘোষণা করা বিধিনিষেধ। তবে ফের ৩০ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে বিধিনিষেধ বহাল থাকল। আপাতত বন্ধই থাকছে লোকাল ট্রেন। আন্তঃরাজ্য ট্রেন চলাচলও বন্ধ থাকবে। জেলায় কোভিড সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখে সেই পথে না হাঁটার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। তবে আংশিক খুলছে মেট্রো। ৫০% যাত্রী নিয়ে শনি ও রবিবার বাদে চালু হচ্ছে মেট্রো।

এছাড়া স্থানীয় এবং আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ, ট্যাক্সি, অ্যাপক্যাব, অটো ইত্যাদি পরিষেবা ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চালু থাকবে। জরুরি পরিষেবায় যুক্ত অফিস আগের মতোই খোলা থাকবে। প্রত্যক্ষ ভাবে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে চালু থাকবে সরকারি অফিসগুলি। টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে এমন ৫০ শতাংশ লোক নিয়ে চালু রাখতে হবে বেসরকারি অফিস। টিকা নিয়েছেন এমন ব্যক্তিরাই প্রাতঃভ্রমণে পার্কে যেতে পারবেন সকাল ছ'টা থেকে ন'টার মধ্যে। ৫০ শতাংশ আসন নিয়ে খোলা থাকবে রেস্তোরাঁ। সকাল ছ'টা থেকে দশটা আবার বিকেল চারটে থেকে আটটা অবধি ৫০ শতাংশ লোক নিয়ে চালু রাখা যাবে জিম। ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে সকাল দশটা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত। ই-কমার্সের হোম ডেলিভারি চালু থাকবে। বিধি মেনে খুলতে হবে দোকান বাজার। স্বাভাবিক ভাবে দোকান খুলে রাত ন'টা পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। সিনেমা হল স্পা সুইমিংপুল বন্ধ থাকবে। জাতীয়, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীরা যেখানে প্রশিক্ষণ নেন বা প্র্যাকটিস করেন, তাঁরা সকাল ছ'টা থেকে সকাল দশটা পর্যন্ত সুইমিংপুল ব্যবহার করতে পারবেন। সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধই থাকছে এই পর্বে। সমস্ত ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকছে। করা যাবে না কোনওরকম জমায়েত। ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান করা যাবে, শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারবেন ২০ জন। ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে শুটিং চলবে।

মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৩ জন। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৭.৮৮ শতাংশ। একদিনে বাংলায় সুস্থ হয়েছেন ১১৮৬ জন। এই মুহূর্তে রাজ্যে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ১৪ হাজার ১৯১। বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৭। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৪২। মোট মৃতের সংখ্যা ১৭ হাজার ৯৪৪।



Written By

Swarnali Goswami

We are The Common People এবং Gunj এর খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হলো শ্যামবাজারে

করোনা ভাইরাস এর কারনে দিন আনা খেটে খাওয়া মানুষগুলো কাজ হারিয়ে চরম অসহায় জীবন যাপন করতে বাধ্য হয়েছে। এই মহামারীর প্রকোপে কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম "রাহাত " কর্মসূচীর মাধ্যমে রেশন পৌঁছে দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াস করলো We are The Common People এবং Gunj .করোনার সময়কালে, অভাবীদের খাদ্যশস্য সরবরাহের কাজ করে চলছে গুঞ্জ এবং We are The Common People। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৬ জুলাই) এবং শুক্রবার (৯ জুলাই)কলকাতা পুরসভার ৮ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হয়, পাশাপাশি পথ শিশুদের হাতে বিশেষ ভাবে তুলে দেওয়া হয় মাস্ক, জুস এবং কেক।

Carousel imageCarousel image

সংগঠন দুটির তরফ থেকে We are The Common People এর সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ দত্তগুপ্ত বলেন "যেহেতু মহামারীটি প্রান্তিক মানুষকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে তাই "রাহাত " কর্মসূচী তাদের পাশে দাঁড়ানোর একটি প্রয়াস, যার মধ্যে সামিল শহরের প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষেরাও। রাজ্যে নির্বাচন পরবতী সময় হওয়া লকডাউনে এর আগেও 'রাহাত' কর্মসূচীর অধীনে আমরা ও 'গুঞ্জ' এই খাদ্য সামগ্রী বন্টনের কাজ করেছি। 'গুঞ্জ' এর সমর্থন ছাড়া এত বড় আকারে কাজ করা ছাত্র -যুব কেন্দ্রিক সংগঠন 'We are The Common People' এর পক্ষে সম্ভব হতো না। 'গুঞ্জ' সারাদেশে ব্যাপক ভাবে যে ত্রাণকার্য চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এই কর্মসূচী তারই একটা অংশমাত্র। এই কর্মসূচীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ প্রাপ্য গুঞ্জ টীমের ইফতেকার আহমদ, অর্পিতা মল্লিক, সুরেন্দ্র সিং এবং সৌম্যদীপ চ্যাটার্জী। যাদের সহযোগীতা ছাড়া এত বড় পরিকল্পনা গ্রহণ সম্ভব ছিলোনা।


By

Subhajit Duttagupta

বুধবার থেকেই রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ‘স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড’ প্রকল্প চালু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সকলের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিলেন, ‘‘ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু করা ‘স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড’ নিয়ে কোনও রকম জালিয়াতি যেন না হয়।’’ তিনি জানান, ‘স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড’ প্রকল্পে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। দেশের এবং বিদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেই ঋণের সাহায্যে পড়াশোনা এবং গবেষণা করা যাবে। কেনা যাবে শিক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও।

দশম শ্রেণি থেকে শুরু করে স্নাতক এমনকি, প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রশিক্ষণের জন্যও পড়ুয়ারা ঋণ পাবেন। গ্যারান্টার রাজ্য সরকার। ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন ছাত্রছাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঋণের টাকায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর, পেশাভিত্তিক পাঠ্যক্রম, ডিপ্লোমা পাঠ্যক্রম, ডক্টরাল এবং পোস্ট ডক্টরাল স্তরে গবেষণার খরচ চালানো যাবে। কোর্স ফি, টিউশন ফি, ল্যাপটপ, কম্পিউটারের জন্যও ঋণ দেওয়া হবে এই কর্মসূচিতে। চাকরি পাওয়ার পর এক বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা ঋণশোধের পর্ব শুরু করার জন্য। ১৫ বছরের মধ্যে শোধ করতে হবে ঋণ।



Written by

Swarnali Goswami