কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশনস (CISCE) এর জাতীয় ক্রীড়া ও গেমস টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বরঃ ভারতীয় স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (CISCE) ব্যবস্থাপনায় আজ কলকাতার বেঙ্গল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনে শুরু হল জাতীয় ক্রীড়া ও গেমস টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২।

সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক ছিল এই টুর্নামেন্টের মুখ্য আয়োজক। ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নেন। মোট ২৪০ জন প্রতিযোগী অনূর্ধ্ব ১৪, ১৭ এবং ১৯ বিভাগে প্রতিনিধিত্ব করেন। এই টুর্নামেন্টের বিজয়ীরা সরাসরি 'খেলো ইন্ডিয়া' গেমসে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

এইদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী মাননীয় মনোজ তিওয়ারি। উপস্থিত ছিলেন নীতিন কীর্তনে, টেনিস খেলোয়াড় ( স্বর্ণপদক প্রাপ্ত), শ্রী অরিজিৎ বসু, ডেপুটি সেক্রেটারি (অর্থ), শ্রী রঞ্জন মিত্তর, ফিউচার ফাউন্ডেশন স্কুলের অধ্যক্ষ এবং CISCE গেমসের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী, শ্রী সুজয় বিশ্বাস, সভাপতি, অ্যাসোসিয়েশন অফ স্কুলস ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট, এবং রাম মোহন মিশন স্কুলের অধ্যক্ষ; শ্রী অজয় চোপড়া, সচিব ও প্রশাসক, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক, শ্রী অনিল শ্রীবাস্তব, অধ্যক্ষ, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেক সহ অন্যান্য অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এই টুর্নামেন্টের সমাপ্তি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কিংবদন্তী প্রাক্তন টেনিস খেলোয়াড় জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। মধ্যবর্তী দিনগুলিতে, ম্যাচগুলি সকাল ১০ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী অজয় চোপড়া, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুল, সল্টলেকের সেক্রেটারি ও প্রশাসক বলেন, “সিআইএসসিই ন্যাশনাল লন টেনিস টুর্নামেন্ট ২০২২ আয়োজন করা সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুলের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সমগ্র ভারত এবং এমনকি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকেও প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেছেন। প্রায় ২৫০ জন প্রতিযোগীদের বারোটি জোনে ভাগ করে অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার স্কুলের ব্যবস্থাপনা, স্টাফ এবং শিক্ষার্থীরা এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হতে পেরে নিজেদের অত্যন্ত সন্মানিত বোধ করছে। আমরা চেষ্টা করবো পুরো টুর্নামেন্টে যথাযথ স্পোর্টসম্যানশিপ ধরে রাখতে"।

দ্য কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট (সংক্ষেপে 'কাউন্সিল') সর্বদাই শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যকর শিক্ষা প্রদানের উপর জোর দিয়েছে। তাই খেলাধুলা, CISCE অন্তর্ভুক্ত স্কুলের পাঠ্যক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাউন্সিলের লক্ষ্য একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং স্কুলে অধ্যয়নরত সমস্ত শিশুদের খেলাধুলার নানা শাখায় তাদের প্রতিভা এবং দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ প্রদান করা। একবার মনোনীত হবার পর পরবর্তী ধাপ হল বড় মঞ্চে খেলা এবং স্কুল গেমস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SGFI) দ্বারা পরিচালিত বার্ষিক জাতীয় স্কুল গেমসে কাউন্সিলের প্রতিনিধিত্ব করা এবং তারপরে যথাক্রমে 'খেলো ইন্ডিয়া' স্কুল গেমসে প্রতিনিধিত্ব করা।

Edited By

Swarnali Goswami

দৃষ্টিহীনদের জন্য ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ড এবং এনআইপি এনজিও দ্বারা আয়োজিত বিশেষভাবে সক্ষম ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কোভিড সেফ দুর্গোৎসব ২০২২ এর ঘোষণা

কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বরঃ "বাজলো তোমার আলোর বেণু, মাতলো রে ভুবন"। কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় আলোর রোশনাই মনে করিয়ে দিচ্ছে আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তারপরেই শারদোৎসবে সামিল হবে আপামর বাঙালি। কিন্তু যাঁরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রবীণ নাগরিক, তাঁরাও চান পুজোর আনন্দে সামিল হতে। তাঁদের জন্যই এনআইপি এনজিওর- ফোরাম ফর দুর্গোৎসব।

সাইনি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মমতা সুমিত বিনানী ফাউন্ডেশন, রোটারি ক্লাব অফ ক্যালকাটা ওল্ড সিটির সহযোগিতায় দৃষ্টিহীন, বিশেষভাবে সক্ষম ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ পুজো পরিক্রমার ব্যবস্থা হয়েছে। মোট ২৫০ টি পুজো কমিটি এতে অংশ নেবে। প্রবীণ নাগরিক ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের জন্য থাকবে পৃথক বন্দোবস্ত। এছাড়াও তিনটি পূজা প্যান্ডেল - হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটি, এস বি পার্ক এবং ইয়াং বয়েজ ক্লাব (চিৎপুর ক্রসিংয়ের কাছে) -এর জন্য দৃষ্টিহীনদের জন্য ব্রেইল ডিসপ্লে স্ট্যান্ড চালু করেছে।

আজকের এই অনুষ্ঠানে বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষিমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জি, NIP NGO-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং MSME ডেভেলপমেন্ট ফোরাম WB-এর সভাপতি মমতা বিনানি, সাইনি গ্রুপের সিইও শ্রী তপন পট্টনায়ক, কলকাতা ওল্ড সিটির রোটারি ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণ ভৌমিক, দুর্গোৎসব ফোরামের তরফে শ্রী সঞ্জয় মজুমদার, NIP NGO-এর সেক্রেটারি শ্রী দেবজ্যোতি রায় সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সংবাদমাধ্যমকে এনআইপি এনজিওর প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট ফোরাম ডব্লিউবি-এর সভাপতি মমতা বিনানি বলেন, “প্রতিবন্ধকতা একজন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য নয়, বরং সামাজিক পরিবেশ দ্বারা সৃষ্ট পরিস্থিতির একটি জটিলতা। যখন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্যান্ডেলে প্রবেশের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হবে না এবং পূজা প্রাঙ্গণে সরাসরি প্রবেশাধিকার থাকবে, তখন তা সত্যিই ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করবে। একটু ভাবনা-চিন্তা, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের একই অনুভূতি এবং আনন্দের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করার সুযোগ দিতে পারে। অনেক পূজা কমিটি এই দিকে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং অন্যরা শীঘ্রই অনুসরণ তা করবে এটাই আমরা আশা করি। আজকের বিশ্বে কিছু সক্ষম মানুষও কখনও কখনও তাদের চিন্তাভাবনা, আচরণ এবং অভিযোজন ক্ষমতার কারণে আরও বেশি প্রতিবন্ধী হয়।”

অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে হাজরা পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জি বলেন, “এই পুজোর মরসুমের শুরুতে, যখন সকলেই উৎসবের আনন্দে সামিল হতে চায় তখন আমরা মানবতার তাগিদ থেকেই একটি অনন্য লড়াইকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাইনি গ্রুপের সিইও শ্রী তপন পট্টনায়ক। তিনি বলেন, “দুর্গা পুজো পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ উৎসবটি দারুণ আড়ম্বর সহযোগে উপভোগ করে। কিন্তু মানুষ সমাজের অন্য অংশের, অর্থাৎ যাঁরা ভিন্নভাবে সক্ষম এবং প্রবীণ নাগরিক তাদের কথা ভুলে যায়। তাঁদেরও এই আনন্দে সামিল হতে মন চায়। তাঁদের পুজো প্যান্ডেলগুলিতে প্রবেশের বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা পুজো কমিটিদের এই মিশনে আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন করার জন্য অনুরোধ করছি"।

এনআইপি এনজিওর পটভূমি: (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ প্রফেশনালস) এনআইপি এনজিও - দৃষ্টিহীন এবং অন্যান্য ভিন্নভাবে সক্ষমদের জন্য একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। NIP ৩ ডিসেম্বর ২০২১ -এ "স্টেট অ্যাওয়ার্ড"-এ সন্মানিত হয়েছিল। এছাড়াও, এটি কলকাতার বিভিন্ন অংশে এবং পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে বেশ কয়েকটি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করছে। এনআইপির লক্ষ্য দৃষ্টিহীন এবং ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য করা। এটি অল বেঙ্গল দাবা প্রতিযোগিতা এবং দৃষ্টিহীনদের জন্য T-20 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ইত্যাদিরও আয়োজন করে আসছে।

Edited by

Swarnali Goswami

৫৪ বছরে পা দিল মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গোৎসব, চলতি বছরের থিম রাজস্থানের 'শীশমহল'

কলকাতা, ২২ সেপ্টেম্বরঃ মাঝে মাত্র একসপ্তাহ, তারপরেই ঢাকে পড়বে কাঠি। এই মুহূর্তে শহরের অধিকাংশ পুজো কমিটিগুলোর মধ্যে দর্শনার্থীদের সেরা থিম এবং মণ্ডপসজ্জা উপহার দেওয়ার জন্য যেন একটা অলিখিত প্রতিযোগিতা চলছে। কিন্তু এত সব কিছুর মধ্যেও আপনি যদি কলকাতায় বসেই রাজস্থানের শীশমহল চাক্ষুশ করতে চান আপনাকে আসতেই হবে মহম্মদ আলি পার্কের পুজো মন্ডপে। নিছক গ্লাস প্যালেসের প্রতিরূপই নয়, তার সঙ্গে রয়েছে আকর্ষণীয় মণ্ডপসজ্জাও।

করোনা মহামারির দাপট কাটিয়ে ফের ছন্দে ফিরছে জীবন। কমিটির সদস্যরা এ বছর তাই উদযাপনকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং সেইমতো তা বাস্তব রূপদানে ব্যস্ত রয়েছেন। ৫৪ বছরে পা দিল শহরের অন্যতম জনপ্রিয় এই পুজো।

শীশ মহল "মিরর প্যালেস" নামেও পরিচিত। মূল্যবান পাথর এবং কাঁচ, সুন্দর হাতে কারুকাজ করা ছবিগুলি যেন এর সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গোৎসব কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুরেন্দ্র কুমার শর্মা জানান, "আমরা এই বছর 'শীশমহল' থিম হিসেবে উপস্থাপিত করছি। এই ব্যাপারে অনেক মানুষ আমাদের অনুরোধ করেছিলেন। কারণ তাঁরা রাজস্থানে যেতে পারেননি কিন্তু কলকাতায় বসে সেই স্থাপত্যের স্বাদ নিতে চান। এই থিমের মধ্যে দিয়ে বিগত এক যুগের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অন্বেষণ করার এক প্রচেষ্টা করছি আমরা। আমরা আশাবাদী এই থিম দর্শনার্থীদের এক রাজকীয় অনুভূতি প্রদান করবে"।

শ্রী অশোক ওঝা, মহম্মদ আলী পার্ক দুর্গাপূজা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বলেন, "হাজার হাজার কাঁচের ঝিকিমিকি প্রতিফলন শীশ মহল মন্ডপের চারপাশকে আলোকিত এবং প্রাণবন্ত করে তুলবে। প্রাসাদের ইতিহাসকে পুনরুজ্জীবিত করবে। রাজস্থানের রাজকীয় সৌন্দর্য এবং জাঁকজমকের প্রতিফলন হবে এই পূজা মন্ডপে। ভিতরে বিভিন্ন চিত্রকর্ম এবং শিল্পকর্ম রয়েছে যা দর্শনার্থীদের বিস্মিত করবে। এই প্যান্ডেলের কারুকাজ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। মন্ডপ গাত্রে ম্যুরাল এবং স্বতন্ত্র আয়না ও কাঁচের কাজ মন্ডপটিকে আরও স্বতন্ত্র করেছে"।

মহম্মদ আলি পার্কের যুব সংঘ সম্পর্কে: মধ্য কলকাতার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুর্গা পূজাগুলির মধ্যে একটি, যা অবশ্যই দেখতে হবে। মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গাপুজো প্রতি বছর দুর্দান্ত মণ্ডপসজ্জার প্রদর্শন করে। মহম্মদ আলি পার্ক দুর্গা পূজা সমিতি বিভিন্ন বিভাগে বেশ কয়েকটি পুরস্কারও জিতেছে এবং তাই এটি কলকাতার, বিশেষ করে মধ্য কলকাতার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দুর্গাপুজো হিসাবে বিবেচিত হয়। ১৯৬৯ সালে এই পুজোর পথ চলা শুরু হয়।

Edited By

Swarnali Goswami

৫৩ তম বছরে ইয়াং বয়েজ ক্লাবের এ বছরের থিম 'ময়ূরপঙ্খী নৌকা'

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বরঃ এ বছরে ৫৩ তম বছরে পদার্পণ করল ইয়াং বয়েজ ক্লাবের দেবী আরাধনা। চলতি বছরে তাদের থিম ''ময়ূরপঙ্খী নৌকা''। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত এই থিম। ইয়ং বয়েজ ক্লাবের সদস্যরা প্রতিবারের মতো এবারেরও প্রাসঙ্গিক এবং সামাজিক সমস্যাগুলিকে থিম হিসেবে তুলে ধরেছেন।

এই পুজো মধ্য কলকাতার তারা চাঁদ দত্ত স্ট্রিটের কাছে অবস্থিত। সেন্ট্রাল আ্যভিনিউ এবং রবীন্দ্র সরণির মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই পুজো মধ্যকলকাতার অন্যতম আকর্ষণ।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময়, প্রধান সংগঠক শ্রী রাকেশ সিং বলেন, “এই বছর ইয়াং বয়েজ ক্লাব তাদের দুর্গা পুজোর মন্ডপসজ্জার উপকরণ হিসাবে হোগলা পাতা, পাটকাঠি এবং শুকনো ফল ব্যবহার করে তা ময়ূরপঙ্খী নৌকার রূপ দিচ্ছে। পাঁচদিনব্যাপী দুর্গাপূজার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ অতিমারীজনিত কারণে দুই বছরের বিরতির পর, সিটি অফ জয় কলকাতা আবারও শারদোৎসবে সামিল হতে চলেছে"।

ইয়াং বয়েজ ক্লাবের যুব সভাপতি শ্রী বিক্রান্ত সিং এর কথায় "দর্শনার্থীরা যখন মন্ডপে প্রবেশ করবেন তখন তাঁরা বাংলার কিছু অনন্য হস্তশিল্পের সাক্ষী হবেন। মন্ডপের ভিতরে থাকবে নবদূর্গা। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবার চেষ্টা করি নামকরা শিল্পীদের পাশাপাশি যেন স্থানীয় শিল্পীরাও সমানভাবে গুরুত্ব পান"।

এক নজরে:


  • শুরুর বছর: ১৯৭০

  • শিল্পী: মেদিনীপুরের দেব শঙ্কর মহেশ

  • মন্ডপের উচ্চতাঃ ৪০ ফুট

  • অবস্থান: সেন্ট্রাল কলকাতা (ইয়ং বয়েজ ক্লাব) - ৭ নম্বর তারাচাঁদ দত্ত স্ট্রিট, চিৎপুর ক্রসিংয়ের কাছে, কোল - ৭৩।

  • নিকটতম মেট্রো স্টেশন: মহাত্মা গান্ধী রোড মেট্রো স্টেশন।

Edited By

Swarnali Goswami

রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২

কলকাতা, ১১ সেপ্টেম্বরঃ 'রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২' - শর্মিষ্ঠা আচার্যের একটি উদ্যোগ এবং অঙ্কিত শ - এর দ্য জংশন হাউস দ্বারা উপস্থাপিত। ১১ সেপ্টেম্বর কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হল।

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে নারীরা নিজেদের অবদান রেখেছেন, স্বকীয়তাকে তুলে ধরেছেন, তাঁদের সন্মানিত করা হয় রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২ এর মধ্যে দিয়ে।

আজাদি কা অমৃত মহোৎসব, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের গর্বিত ৭৫ বছরের উদযাপনকে মনে রেখেই আয়োজিত হয় এই সম্মাননা প্রদান।

এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার এবং ছপাক মুভির অন্যতম চরিত্র লক্ষ্মী আগরওয়াল; সংসদ সদস্য বিহার, চিরাগ পাসোয়ান; বলিউড অভিনেতা সলিল আচার্য; বলিউড অভিনেতা বিশাল সিং; পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনের সদস্য ডঃ মারিয়া ফার্নান্দেস; বিধায়ক মদন মিত্র; পুরপিতা, কাউন্সিলর রাজেশ সিনহা।

অনুষ্ঠানে বাংলার সোনা মা পুরস্কার বিজয়ীরা ছিলেন: অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার এবং ছপাক মুভির মুখ্য চরিত্র লক্ষ্মী আগরওয়াল; পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশন এবং ভিসি WBFDCL ডঃ মারিয়া ফার্নান্দেস; অভিনেত্রী রিচা শর্মা; টলিউড অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা।

জেসিকা গোমেস সুরানা, শিক্ষাবিদ; মল্লিকা ব্যানার্জি, টলিউড অভিনেত্রী; তনুশ্রী চক্রবর্তী, টলিউড অভিনেত্রী; উষি সেনগুপ্ত, মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া; ইলা পাল, বিশিষ্ট ভারতীয় সাঁতারু; উরওয়াস জয়সওয়াল, মিস এশিয়া ওয়ার্ল্ড ২০২২; ডাঃ রূপালী বসু, এমডি এবং সিইও উডল্যান্ডস হাসপাতাল; শান্তি দাস, অতিরিক্ত বিশেষ সুপারিনটেনডেন্ট সিআইডি, পশ্চিমবঙ্গ; রঞ্জিতা সিনহা, ট্রান্সজেন্ডার অ্যাক্টিভিস্ট; মেঘ সায়ন্তনী ঘোষ, ট্রান্সজেন্ডার আইনজীবী, ক্লাসিক্যাল নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার; সঞ্চয়িতা যাদব, অ্যাসিড অ্যাটাক সারভাইভার; পিয়ালী বসাক, পর্বতারোহী; শম্পা গুহ, আন্তর্জাতিক পাওয়ারলিফটার এবং কলকাতা পুলিশের আধিকারিক। সুদেষ্ণা রায়, প্রখ্যাত টলিউড অভিনেত্রী এবং শিশু অধিকার ক্রুসেডার; পৌলোমী ঘটক, আন্তর্জাতিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড়, অলিম্পিয়ান এবং অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত; শ্রাবন্তী বন্দ্যোপাধ্যায়, সহপ্রতিষ্ঠাতা, বেঙ্গল ঘরানা।


মিডিয়ার সাথে কথা বলার সময়, সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট মিসেস শর্মিষ্ঠা আচার্য বলেন, " আমরা সেই নারীকে স্যালুট জানাই যিনি আমাদের দেশকে এমনভাবে গর্বিত করেছেন। আপনি যখন একটি শক্তিশালী কন্যার সঙ্গে দেখা করবেন, তখন আত্মবিশ্বাসের স্পন্দন এক মাইল দূর থেকেই অনুভব করতে পারবেন। তিনি জানেন যে তিনি জীবনে কী চান, তিনি যা চান তার জন্য অন্য কারও উপর নির্ভর করেন না, তাই আমরা লক্ষ্মী আগরওয়ালের মতো আমাদের দেশের গর্বিত কন্যা এবং বিভিন্ন প্রজন্মের আরও অনেককে সন্মানিত করছি যাঁরা দেশ এবং সমাজের কাছে দৃষ্টান্ত স্বরূপ "।

পশ্চিমবঙ্গের সেলিব্রেটি অ্যাঙ্কর এবং জাতীয় রেকর্ডধারী শ্রী অঙ্কিত 'শ বলেছেন, “রাষ্ট্র বিজয় উৎসব বাংলার সোনা মা ২০২২ হিসাবে দেশের কন্যাদের সম্মান জানিয়ে ৭৫ তম আজাদী কা অমৃত মহোৎসব উদযাপন করতে পেরে আমরা সম্মানিত৷ এমন কন্যাদের সম্মান জানানো হল যারা জাতির জন্য অবদান রেখেছেন। আমি এই সম্মানিত অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও আয়োজন করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি কারণ উপজাতি সম্প্রদায়ের নারীরা আমাদের সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ - এটি সমাজের জন্য একটি মহৎ বার্তা।"


অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় দ্য জংশন হাউসের পরিচালক মিঃ রাজ রায় বলেন, “মহিলারা একরকম অবহেলিত এবং সমাজে অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে তাঁদের যেতে হয়, সমস্ত সম্প্রদায়কে এক প্লাটফর্মে নিয়ে বিপ্লব আনতে এই উদ্যোগ। উপজাতীয় নারী, ট্রান্সজেন্ডার, অ্যাসিড ভিকটিম, আমলা, ক্রীড়াবিদরা অবদান রেখে চলেছেন। কিন্তু নারীদের মধ্যে এমন আরও অনেকেই আছেন যাঁরা এখনও পিছিয়ে আছেন। আমাদের এগিয়ে আসতে হবে সেই সমস্ত নারীদের জন্য এবং তাদের এগিয়ে নিতে যেতে হবে। আমরা খুব খুশি যে লক্ষ্মী আগরওয়াল এবং অন্যান্য প্রধান অতিথিরাও এই বিষয়টিকে সমর্থন জানাতে এগিয়ে এসেছেন।”

Edited By

Swarnali Goswami

'দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস' (আইসিএসআই)-এর ৫০ তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল

দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস (আইসিএসআই), কলকাতায় তাদের ৫০তম জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ২রা সেপ্টেম্বর। সারা দেশ থেকে এই সম্মেলনে এদিন উপস্থিত ছিলেন ১১০০ জন সদস্য এবং ভার্চুয়ালি অংশগ্রহন করেছিলেন ৪,৫০০ জন সদস্য। এ বছরের সম্মেলনের থিম ছিল " কোম্পানি সেক্রেটারি: আ বিশ্বগুরু ইন গভর্নেন্স অ্যান্ড সাস্টেইনিবিলিটি "। এর মাধ্যমে পরিবেশের দ্রুত বদলের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি সচিব (সিএস) দের নতুন ভূমিকা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধের বিষয় ছিল, "সিএস : ফস্টারিং গভর্নেন্স অ্যান্ড কর্পোরেট এক্সেলেন্স ইন ইন্ডিয়া ইনকর্পোরেট "। আইসিএসআই এর তরফ থেকে আয়োজিত ৫০ তম রাষ্ট্রীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন প্যানেলিস্ট হিসেবে ছিলেন সিএস ডঃ মমতা বিনানি (আইসিএস এর পূর্বতন অধ্যক্ষ), সিএস বি মুরলি (জেনারেল কাউন্সিল এবং কোম্পানি সেক্রেটারি নেসলে ইন্ডিয়া লিমিটেড), সিএস এমইবি সেলভম (পূর্বতন কোম্পানি সেক্রেটারি এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার ওএনজিসি লিমিটেড)। অনুষ্ঠানটি মধ্যস্থতা করেছিলেন সিএস বিনীত কে চৌধুরী (কাউন্সিল মেম্বার) এবং সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন সিএস দেবেন্দ্র দেশপান্ডে (আইসিএসই প্রেসিডেন্ট)।

এই অনুষ্ঠানে সিএস ডঃ মমতা বিনানি (আইসিএস এর পূর্বতন অধ্যক্ষ) বলেন, যে কোনও কর্পোরেট কালচার ছড়িয়ে দেওয়া বা তার মূল গুরুত্ব উদ্ঘাটন করার জন্য প্রয়োজন শাসন এবং স্থিরতা। বর্তমান সময়ে দুনিয়া চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট বদলে যাচ্ছে। দ্য ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিস (আইসিএসআই)-এর ৫০ তম জাতীয় সম্মেলনের জন্য কলকাতা শহরকে নির্বাচন করার জন্য আমি কার্যকর্তাদের অভিবাদন জানাচ্ছি এবং আমার তরফ থেকে সংস্থার সকল সদস্যদের শুভকামনা জানাচ্ছি। এই অনুষ্ঠানে আমি একটি জিএসটি-র ওপরে বই প্রকাশ করেছি এবং ভ্যালুয়েশন অফ ফিনান্সিয়াল অ্যাসেট্স অ্যান্ড সিকিউরিটিজ-এর ওপর একটি সার্টিফিকেট কোর্স শুরু করেছি। সেক্রেটারিয়াল অডিট-এর ওপর একটি বইও প্রকাশ করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানে। আইসিএসআই, তাদের সদস্যদের জন্য কার্যকর গবেষণামূলক বিভিন্ন বিষয় উপলব্ধ করাচ্ছে, যা যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে।

Written By

Swarnali Goswami

কলকাতায় 'হেক্সাগন ইন্ডিয়া সামিট' সম্পন্ন হল

কলকাতাঃ হেক্সাগন ইন্ডিয়ার বহু প্রত্যাশিত প্রযুক্তিগত শীর্ষক সম্মেলন কলকাতার নভোটেলে অনুষ্ঠিত হল আজ ২৬ আগস্ট ২০২২-এ। রাজ্যব্যাপী মাইনিং এবং জিওস্পেশিয়াল প্রোডাক্ট এবং হেক্সাগনের পোর্টফোলিও সমাধান নিয়ে আলোচনা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য সদস্যরা এদিন একত্রিত হন উক্ত অনুষ্ঠানে। কীভাবে হেক্সাগন শিল্প, উৎপাদন, অবকাঠামো, পাবলিক সেক্টরে গতিশীলতা আনতে পারা, উৎপাদনশীলতা, গুণমান এবং সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য ডেটা কে কিভাবে ব্যবহার করা যায় তাই নিয়ে অনুষ্ঠানটিতে আলোচনা করা হয়।

হেক্সাগন ইন্ডিয়া সামিটটি উদ্বোধন করেন রণধীর কুমার, আইএএস, সচিব - আইটি এবং ইলেকট্রনিক্স বিভাগ, ডব্লিউবি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক WEBEL। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রমোদ কৌশিক, প্রেসিডেন্ট হেক্সাগন ইন্ডিয়া; মনোজ শর্মা, ডিরেক্টর মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস এক্সিলেন্স; ভাস্কর জেভি, আইএফএস, প্রধান বন সংরক্ষক, ওয়ার্কিং প্ল্যান এবং জিআইএস সার্কেল, বিভাগ। পরিবেশ ও বন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, আশীষ কুমার জেনা, যুগ্ম সচিব ওড়িশা।

এই শীর্ষ সম্মেলনে, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি যা জরিপকারীদের দ্রুত জরিপ করতে সহায়তা করে তা নিয়ে আলোচনা হয়। অসামান্য গুণমানের সঙ্গে ক্লায়েন্টদের চাহিদা মেটাতে নয়া দিশার উদ্ভাবন নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়াও জিআইএস, রিমোট সেন্সিং এবং ফটোগ্রামমেট্রি সফ্টওয়্যারের হেক্সাগনের পাওয়ার পোর্টফোলিওতে সর্বশেষ প্রযুক্তির অগ্রগতির দিকটিও তুলে ধরা হয় সুচারু ভাবে।

ভারতে, হেক্সাগনের ২১০০ এর বেশি কর্মচারী রয়েছে, ১৪টি শহরে অফিস এবং হায়দরাবাদ ও পুনেতে দুটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে৷ ২৫ আগস্ট কলকাতায়, হেক্সাগন ইন্ডিয়া একটি অত্যাধুনিক পরিষেবা কেন্দ্র সহ সেক্টর ৫এ ইকো সেন্টারের সন্নিকটে তার নতুন অফিস খুলেছে।

এই উপলক্ষে, হেক্সাগন ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রমোদ কৌশিক বলেন, “ হেক্সাগনের ডিএনএ-তে ডেটা রয়েছে। আমরা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেন্সর সলিউশনে একজন নেতা হিসাবে কাজ করে চলেছি। ভারত বরাবরই হেক্সাগনের প্রতি মনোযোগী। প্রযুক্তি গ্রহণ এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন উভয় ক্ষেত্রেই এটি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং আমরা আমাদের দেশের সরকার, বেসরকারি উদ্যোগ, কৃষক এবং নাগরিকদের সাহায্য ও সেবা করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রযুক্তির মাধ্যমে এই বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখার একটি বড় সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কয়েক দশক ধরে আমরা প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগকারী, ম্যাপিং সংস্থা, তেল ও গ্যাস, শিল্প উৎপাদন, খনি, বন ও কৃষি, অটোমোবাইল শিল্প, পরিবহন, নগর রূপান্তর ইত্যাদিতে আমাদের গ্রাহকদের সেবা প্রদান ও সহযোগিতা করে আসছি।”

Edited By

Swarnali Goswami

'দোবারা' মুক্তির আগে সকালে কালীঘাটে 'টিম দোবারা'

আজ থেকে মুক্তি পাচ্ছে তাপসী পান্নু- পাভেল গুলাটি অভিনীত ফিল্ম 'দোবারা'।

সকালে ছবির সাফল্য কামনায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন তাপসী পান্নু এবং পাভেল গুলাটি।

উল্লেখ্য, গতকাল শহরে পৌঁছে গিয়েছিল 'টিম দোবারা' এবং একটি স্পেশাল স্ক্রিনিং-এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল ছবিটির, যেখানে হোস্ট করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

'দোবারা' পরিচালনা করেছেন 'অনুরাগ কাশ্যপ' এবং প্রযোজনা করেছে 'কাল্ট মুভিজ'।

আজ ১৯ আগস্ট থেকে বিভিন্ন সিনেমা হলে দেখা যাচ্ছে 'দোবারা'।

'অরবিন্দ দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের এক অনন্য উপহার

কলকাতা: ১৫ অগস্ট দেশ জুড়ে পালিত হবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। আজাদি কা অমৃত মহোৎসব উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে একাধিক কর্মসূচি। ১৫ অগস্ট যেমন দেশের স্বাধীনতা দিবস, পাশাপাশি বরেণ্য বিপ্লবী ঋষি অরবিন্দের জন্মদিবসও। শ্রীঅরবিন্দের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্বাধীনতা দিবসে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'শ্রী অরবিন্দ: দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' প্রদর্শন করবে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব। পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সুরজ কুমার পরিচালিত, শর্ট ফিল্মটি মনীশ কুমার প্রাণের চিত্রনাট্যের উপর ভিত্তি করে নির্মিত।

ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিক্রান্ত চৌহান। ১৫ই আগস্ট ২০২২-এ ভারতীয় দূতাবাস, প্যারিস, ভারত, সিজিআই বার্মিংহাম, সুইজারল্যান্ড, কলম্বিয়া এবং ইকুয়েডর, ইউনেস্কো এবং বাহরাইনে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি দল সহ বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় ছবিটির প্রিমিয়ার হচ্ছে।

অরবিন্দ ঘোষের কারাগার জীবনের (১৯০৮-১৯০৯) উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই ছবি। যার কিছু শুটিং হয়েছিল কলকাতার আলিপুর জেলে, যেখান থেকে তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। শ্রী অরবিন্দ ১৯০৮ সালের ৫ই মে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জন্য গ্রেফতার হন এবং আলিপুর জেলে পুরো এক বছর অতিবাহিত করেন। ব্রিটিশ সরকার একটি আদালত বিচারের নামে প্রহসন করে তাঁকে বিভিন্ন জড়িত করার চেষ্টা করে। এটি আলিপুর বোমা মামলা নামে পরিচিতি পায়। অবশেষে ১৯০৯ সালের ৬মে তিনি মুক্তি পান।

স্বাধীনতা দিবস ২০২২ এ ঋষি অরবিন্দের ১৫০ বছর পূর্ণ হবে। অরবিন্দ ১৫ই আগস্ট, ১৮৭২ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যা শর্ট ফিল্মটিকে আরও বিশেষিত করে তোলে৷ ফিল্মটি শ্রী অরবিন্দের জীবন যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের উপর আলোকপাত করে যাকে প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়।

ফিল্ম সম্পর্কে তাঁর চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিয়ে সুরজ কুমার বলেন, “শ্রী অরবিন্দ ঘোষ যখন জেলে ছিলেন, তাঁর আধ্যাত্মিক রূপান্তর শুরু হয়েছিল মাত্র ২-৩ দিনের জেল জীবনের পর। আমার শর্ট ফিল্ম 'শ্রী অরবিন্দ: দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' আলিপুর জেলে তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা শুরুর গল্প বলে"। তিনি আরও বলেন “আমার আইআইএমসি বন্ধুদের একজন এবং কারা সংস্কারক ডক্টর ভার্তিকা নন্দা যখন ২০২১ সালের শুরুর দিকে আমার সাথে এটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, তখন সংক্ষিপ্ত করার ধারণাটি তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে, আমি ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম। শ্রী অরবিন্দের কারাবাস সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ নিবন্ধগুলি নিয়ে দীর্ঘ পড়াশোনা করি, তথ্য নথিবদ্ধ করি।

'শ্রী অরবিন্দ: দ্য বিগিনিং অফ স্পিরিচুয়াল জার্নি' আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশে সাড়া ফেলবে বলে আত্মবিশ্বাসী পরিচালক।

সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের তরফে 'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন ২০২২'-এর ১৭ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হল

'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন ২০২২'-এর ১৭ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হল ৩০ জুলাই সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের তরফে। এই পুরস্কারের অনুষ্ঠানটি ভারতের মধ্যে একমাত্র অনুষ্ঠান, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের হিন্দি বিষয়ে ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়। মূলতঃ হিন্দি ভাষার প্রতি নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই সন্মার্গ ফাউন্ডেশন এই উদ্যোগ নিয়েছে। কলকাতার জি ডি বিড়লা সভাঘরে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ বছর শিলিগুড়ি এবং দক্ষিণবঙ্গ সংস্করণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছিলেন প্রখ্যাত টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ঋত্বিক ধনজানি। এছাড়াও শহরের পড়ুয়াদের কথা ভেবে আয়োজন করা হয়েছিল রেভোলিউশন ব্যান্ডের রক পারফরম্যান্স।

সিআইএসসিই, সিবিএসই এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড মিলে মোট ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয় এদিন। ৩ টি বোর্ডের ১০ এবং ১২ -এর প্রত্যেকটি থেকে ১২ জন করে শীর্ষস্থানাধিকারীদের এই পুরস্কার দেওয়া হল। প্রত্যেক বোর্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারীদের সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে স্কলারশিপ দেওয়া হল। এছাড়াও ৪টি শীর্ষস্থানীয় স্কুল, ৬ জন শীর্ষস্থানীয় শিক্ষক এবং ৪ জন কলেজের শীর্ষস্থানীয়দেরও পুরস্কৃত করা হল এদিন। 'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন' রাজ্যের প্রায় ৫০০০ স্কুলে এবং দেশের প্রায় ১০০০ এরও বেশি স্কুলে নিজেদের ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে পড়ুয়ারা হিন্দি ভাষায় তাদের স্কুল পারফর্মেন্স, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি এবং পার্সোনাল ইনিশিয়েটিভ-এর মাধ্যমে এই পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে পারে। হিন্দি শিক্ষক যাঁরা পড়ুয়াদের ভিত মজবুত করতে সাহায্য করছেন, তাঁরা সহ উদ্যোগী বিদ্যালয়গুলিকেও পুরস্কৃত করা হয় হিন্দি ভাষায় তাদের অবদানের জন্য। শারীরিক ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সক্ষম, মানসিক দিক দিয়ে বিশেষভাবে সক্ষম, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পড়ুয়াদেরও এ বছর সাফল্যের নিরিখে পুরস্কৃত করা হল। এগুলি 'অজয়' এবং 'অপরাজয়' এই বিভাগে ছিল।

সমগ্র পূর্ব ভারতে কলকাতা কেন্দ্রিক একটি বিখ্যাত হিন্দি দৈনিক হিসেবে ১৯৪৬ সাল থেকে 'সন্মার্গ' প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। মানবিকতা এবং ন্যায়পরায়ণতার ওপর ভিত্তি করে স্বামী করপত্রীজি মহারাজ এই সংবাদপত্রের সূচনা করেছিলেন। বর্তমানে এটি রাজ্যের ২৩টি জেলার প্রতিটি কোনায় একমাত্র হিন্দি দৈনিক হিসেবে পৌঁছে যাচ্ছে। সন্মার্গ পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা এবং রাঁচি থাকে প্রকাশিত হয়। শুধুমাত্র প্রিন্ট নয়, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটি বর্তমানে ডিজিটাল মাধ্যমেও প্রকাশিত হচ্ছে। 'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা' হিসেবে পূর্বে প্রচারিত 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' ২০০১ সালে হিন্দি ভাষার মাধ্যমে উন্নত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

সন্মার্গের ডিরেক্টর এবং সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা মিডিয়াকে জানালেন, "ভারতের ভাষা হিন্দি। আমরা যখন দেশের ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছি, সেই সময় দেশের কোনও রাষ্ট্রভাষা নেই। ভারতের অফিশিয়াল ভাষা হিন্দি। 'রাম অবতার গুপ্ত হিন্দি প্রোৎসাহন' নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই ভাষাটির প্রতি গর্ব অনুভব করার সুযোগ করে দিচ্ছে। আজকে তারা যা অনুসরণ করবে, দেশ ভবিষ্যতে সেদিকেই এগোবে- এই নীতির ওপর আস্থা রেখে চলছি আমরা।"

গ্রামীণ ভারতে সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে পথে নামছে লোটাস টিএমটি মোবাইল মেডিকেল বাস


কলকাতা, ৩১ জুলাইঃ গ্রামীণ ভারতে চিকিৎসা পরিষেবা যাতে আরও সহজে পাওয়া যায় তার জন্য বাস্তবায়ন হতে চলেছে মেডিকেল বাসের। পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল অন হুইলস চালু করার এই উদ্যোগ নিতে চলেছে। লোটাস টিএমটি মেডিকেলের এই বাসটি হবে দৈর্ঘ্যে ৩২ ফুট।

বিডিজি মেটাল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের তৈরি বিডিজি রমেশ গয়াল সেবা সংস্থা এবং আনন্দলোক হাসপাতাল (সল্টলেক) এর যৌথ উদ্যোগে চিকিৎসা পরিষেবা দেবে এই বাস। প্রত্যন্ত, সুবিধা বঞ্চিত এলাকার মানুষদের চিকিৎসায় সহায়তা দেবে এই মেডিকেল বাস।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন কৃষিমন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের দমকল মন্ত্রী শ্রী সুজিত বোস, আনন্দলোক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শ্রী দেব কুমার সরফ, গয়াল গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী রমেশ চাঁদ গয়াল, কার্ডিওলজির বিভাগীয় প্রধান এবং মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ কুনাল সরকার, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জি, সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

চোখ, দাঁত ও ইএনটি চেক-আপ এবং সাধারণ চেক-আপ, প্যাথলজিকাল ল্যাবরেটরি, সাধারণ ওপিডি, ইসিজি এবং এক্স-রে পরিষেবা সহ অন্যান্য অনেক পরিষেবা মিলবে এই বাসে। এই মোবাইল হাসপাতালে যাদের প্রয়োজন তাদের ওষুধ ও চশমাও দেওয়া হবে। নামমাত্র টাকা দিয়ে (দশ টাকা) ডাক্তারের পরামর্শ প্রদান করা হবে। প্রথমবার ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে, ২০ টাকায় চশমা। ২০ টাকার বিনিময়ে যেখানে প্যাথলজি, ইসিজি এবং এক্স-রে পরিষেবাও পাওয়া যাবে। বাসের ভিতরে ৪ জন ডাক্তার, ল্যাব এবং এক্স-রে টেকনিশিয়ান এবং একজন রোগীর পরামর্শদাতার একটি দল উপস্থিত থাকবে।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় গয়াল গ্রুপের চেয়ারম্যান রমেশ চাঁদ গয়াল বলেন, “এই বাসটি চালু করার পেছনে আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বঞ্চিত মানুষের সেবা করা এবং প্রযুক্তির একীকরণ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা। এটি বিডিজি রমেশ গয়াল সেবা সংস্থার একটি উদ্যোগ। দরিদ্রদের কাছে পৌঁছানোর জন্য আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং বাংলার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাথে সহযোগিতার সুযোগগুলিও অন্বেষণ করছি"।

রমেশ গয়াল সেবা সংস্থার ম্যানেজিং ট্রাস্টি অলোক গয়াল বলেছেন, “এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল মূল্য-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রচার করা এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সাথে সংযুক্ত করা। এই উদ্যোগের লক্ষ্য অপ্রচলিত স্থানে চিকিৎসা সুবিধা জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন লোকদের কাছে পৌঁছানো।

বিডিজি মেটাল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের পটভূমি: বিডিজি মেটাল অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড, গয়াল গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ কোম্পানি, যে গ্রুপটি প্রতিশ্রুতি, সততা এবং দৃঢ় নীতির সাথে ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে আয়রন অ্যান্ড স্টিলের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। গ্রুপটি বড়জোড়ায় ইস্পাত উৎপাদন সংস্থাপনকে সমন্বিত করেছে, রেলওয়ে হুইল প্রক্রিয়াকরণ দুর্গাপুরকে একত্রিত করেছে। গ্রুপটির বিভিন্ন ব্যবসায়িক স্বার্থ রয়েছে, তারা FEELEX ব্র্যান্ডের নামে স্লিপিং ম্যাট্রেস ও বাংলায় তাদের ৩টি ইউনিটে এবং ভারতের পশ্চিমে দমনে একটি ইউনিটে কমফেক্সের নামে ফোম তৈরি করছে। দুটি ব্র্যান্ডই জনপ্রিয় এবং ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ। সম্প্রতি গ্রুপটি দুর্গাপুরে ইউনিট স্থাপন করেছে, যা অন্যান্য বিভিন্ন শিল্প ছাড়াও ভারতের সমস্ত শীর্ষস্থানীয় সিমেন্ট, সার ব্র্যান্ডগুলিতে সরবরাহ করবে।

খুঁটি পুজোর মাধ্যমে ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজোর সূচনা হয়ে গেল

২৪ জুলাই শরৎকালীন উৎসবের সূচনা করল ভবানীপুর ৭৫ পল্লী। রবিবার তাদের খুঁটি পুজো সম্পন্ন হল নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনের কাছে ভবানীপুরের ১/১সি দেবেন্দ্র ঘোষ রোডে। উদযাপনের অভিনবনত্ব এবং উদ্ভাবনী ধারণার জন্য ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর দুর্গাপুজো, শহরের একটি উল্লেখযোগ্য দুর্গাপুজো হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। তাদের মন্ডপ সজ্জা এবং সামাজিক কার্যকলাপও প্রতি বছর পুজোটিকে আলাদা মাত্রা দেয়। প্রতি বছর বরিষ্ঠ রাজনীতিবিদ, টলিউডের নামজাদা ব্যক্তিত্ব, থিয়েটার ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট সাহিত্যিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা এই পুজো দেখতে আসেন।

রবিবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পরিবহন, নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক মন্ত্রী জনাব ফিরহাদ হাকিম, কৃষি মন্ত্রী শ্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক শ্রী দেবাশিস কুমার, সমাজকর্মী শ্রী কার্তিক ব্যানার্জী, কাউন্সিলর শ্রীমতি পাপিয়া সিং, কাউন্সিলর শ্রী সন্দীপ রঞ্জন বক্সী, কাউন্সিলর শ্রী অসীম বসু, পশ্চিমবঙ্গ যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সচিব শ্রী সায়ন দেব চ্যাটার্জী, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি শ্রী বাবুন ব্যানার্জী সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে তাদের পুজোর ৫৮তম বর্ষ উদযাপন করছে। প্রতিমা, মন্ডপসজ্জা, পরিবেশ, সুরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তথা সামগ্রিক ভাবনার দিক দিয়ে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী শহরের পুজোগুলির মধ্যে নিজেদের আলাদা বৈশিষ্ট্য রাখার চেষ্টা করে প্রতি বছর। এ বছরও তার অন্যথা হবেনা এমনটা আশা করা যায়।

ক্লাব সেক্রেটারি মিঃ সুবীর দাস জানালেন, "প্রতি বছর বিভিন্ন বিভাগে প্রচুর পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি সাফল্যের সঙ্গে পুজো সম্পন্ন হয় বলে আমরা সব সময় উজ্জীবিত থাকি, প্রতি বছর আরও ভালো করার চেষ্টা করি।

এবারে দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই আলাদা একটা ব্যাপার থাকবে এবারের দুর্গাপুজোয়। আমরা আশা করছি বিদেশ থেকেও বহু পর্যটক তথা দর্শক পাব আমরা। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কি নির্দেশ আসে, এই ইউনেস্কো স্বীকৃত দুর্গাপুজো উদযাপনের ক্ষেত্রে তার জন্যও অপেক্ষা করছি আমরা। এই মুহূর্তে যদিও করোনাগ্রাফ ফের উর্দ্ধমুখী হয়েছে, তাই কিছু নির্দেশাবলী আমাদের মেনে চলতেই হবে, যাতে কোভিড বাড়তে না পারে, আশা করব দর্শকরা সেই সম্বন্ধে সচেতন থাকবেন।" তিনি সকলকে পরিবার ও বন্ধু বান্ধব নিয়ে তাঁদের পুজো দেখতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

ভবানীপুর ৭৫ পল্লী তাদের এই বিশিষ্ট পুজো পরিচালনার মধ্যেও কিন্তু সামাজিক কর্তব্য ভুলে যায়না। সারা বছর ধরেই তারা বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজে নিজেদের আবদ্ধ রাখে। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, দেহদান-চক্ষুদান শিবির, রক্তদান শিবির ছাড়াও দুর্গাপুজোয় সমাজের অনগ্রসর সম্প্রদায়ের জন্য নতুন শাড়ি এবং নতুন বস্ত্র প্রদান, বাচ্চাদের পড়ার সামগ্রী বিতরণ, শীতকালে কম্বল বিতরণ প্রভৃতি সমাজসেবামূলক কাজ করে এই সংস্থা।

Written By

Swarnali Goswami

টাওয়ার ব্রিজ অফ লন্ডনে রঙের উৎসব দোল পালিত হল


ব্রিটেনের বাঙালিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি নন প্রফিট অর্গানাইজেশন 'হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল (HBG)' ভারতের ঐতিহ্যমন্ডিত উৎসব দোল উদযাপন করল টাওয়ার ব্রিজ অফ লন্ডনে। টাওয়ার ব্রিজে দোল উৎসব উদযাপন এই প্রথম। পোস্ট কোভিড আবহে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বার্তা নিয়ে দোল উদযাপন এক অন্য পেল তা বলাই যায়।

ফ্ল্যাশ ডান্স-এর মাধ্যমে বাংলার আঞ্চলিক সঙ্গীতকে এই অনুষ্ঠানে তুলে ধরেছিল এইচবিজি। অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা, সেমন্তী, তমালিকা, আনজি, নমন, নির্লিপ্তা, শ্রেয়া, পিয়ালী, দোয়েল, কার্তিকা, ধ্রুবি এবং দেবশ্রী। ফ্ল্যাশ ডান্স-এর কোরিওগ্রাফিতে ছিলেন অরিত্রি। গোটা অনুষ্ঠানটির দায়িত্বে ছিলেন এইচবিজি-র সহ সভাপতি মহুয়া বেজ এবং অরিজিৎ সরকারএবং তাঁদের সঙ্গী হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন চান্দ্রেয়ী, ইয়াস্মিতা এবং পদ্মদাস।

হেরিটেজ বেঙ্গল গ্লোবাল এর ডিরেক্টর মিঃ অনির্বান মুখোপাধ্যায় জানান, "এই অনুষ্ঠানটির মূল উপপাদ্য বিষয় ছিল ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ উদযাপন। ফ্ল্যাশ ডান্স-এ ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা প্রদর্শন করা হয়েছিল এবং বাংলার সাংস্কৃতিক পর্যটন তথা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হিসেবে দূর্গা পুজাও ছিল অনুষ্ঠানে প্রদর্শনের অঙ্গ হিসেবে"।

লন্ডনের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেও বিভিন্ন মানুষ উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন। এক কথায় বলতে গেলে এই দোল উৎসবে ব্রিটেনের বিভিন্ন অঞ্চল নির্বিশেষে মানুষের অংশগ্ৰহণ তথা উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মত। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানের শেষে কোকিলকণ্ঠী লতা মঙ্গেশকর এবং বলিউডের ডিস্কো কিং বাপ্পি লাহিড়ির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন এইচবিজি-র সদস্যরা।

Written By

Swarnali Goswami

গত ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার 'দ্য ললিত গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে' অনুষ্ঠিত হল AIFTP- র ইস্টার্ন জোনের ন্যাশনাল ট্যাক্স কনফারেন্স

গত ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন অফ ট্যাক্স প্র্যাক্টিশনার্স (AIFTP) তাদের ইস্টার্ন জোনের ন্যাশনাল ট্যাক্স কনফারেন্সের আয়োজন করেছিল দ্য ললিত গ্রেট ইস্টার্ন হোটেল কলকাতায়। “New Tax Laws Impact and Promotion”- এই থিমের ওপরে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্ৰহণ করেছিলেন গোটা দেশের প্রায় ৪০০ স্বনামধন্য ট্যাক্স প্র্যাক্টিশনার্স। মূলত ট্যাক্স প্র্যাক্টিশনারদের প্রতিযোগিতার বাজারে আদালতের মামলা সংক্রান্ত বা অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে পেশাদারি হিসেবে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা বাড়ানোর জন্য তথা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযুক্ত হিসেবে নিজেদের তৈরী রাখার জন্য এই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


Eastern Zone's National Tax Conference of AIFTP-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদ্ঘাটন করেছিলেন কর্ণাটক হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মাননীয় বিচারক শুভ্র কমল মুখার্জী, পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টরেট অফ কমার্শিয়াল ট্যাক্সেস -এর কমিশনার মিঃ খালিদ আজিজ আনোয়ার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন AIFTP-র জাতীয় সভাপতি মিঃ ডি কে গান্ধী, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারক মাননীয় মহঃ নিজামুদ্দিন, কনফারেন্স চেয়ারম্যান মিঃ অচিন্ত্য ভট্টাচার্য্য, কনফারেন্স সেক্রেটারি এবং ন্যাশনাল জয়েন্ট সেক্রেটারি মিঃ বিবেক আগরওয়াল।

উল্লেখ্য, AIFTP’র মূল উদ্দেশ্য হল হিসাববিজ্ঞান, কর সংক্রান্ত আইন তথা অন্যান্য আইন সম্পর্কে বিস্তারিত শিক্ষা প্রদান। ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা স্বতন্ত্র অধিভুক্তিকরণের বর্তমান সময়ে যাঁরা কর আইন নিয়ে কাজকর্ম করছেন, তাঁদের Direct and Indirect Taxes বিষয়ে সম্যক জ্ঞান, শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করার এক সর্বভারতীয় মঞ্চ তৈরী করেছে এই প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে বাজেট পূর্ব এবং বাজেট পরবর্তী স্মারকলিপি প্রদান করে। তার মধ্যে বহু পরামর্শ এবং সুপারিশ গৃহীতও হয়। ১৯৯৮-এর 'কর বিবাদ সমাধান স্কিম'-এর পরামর্শ এই ফেডারেশন থেকেই দেওয়া হয়েছিল। জনসাধারণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কর আইনে আরও সরলিকীকরণ আনার জন্য ফেডারেশন ২০ টিরও বেশি রিট পিটিশন ইতিমধ্যেই দাখিল করেছে। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে সাধারনের বোঝার উপযোগী হিসেবে প্রশ্নোত্তরের ভিত্তিতে বই বের করে যথেষ্ট কম দামে। এখনও পর্যন্ত তাদের ৩৫ হাজারেরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

উদ্বৃত্ত আলু রাজ্যের বাইরে বাজারজাত করার দাবি তুললো ওয়েস্ট বেঙ্গল কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন

পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন এর ৫৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হল হাওড়ার দ্য লেক ল্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে। এই বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃষি উপদেষ্টা তথা বিধায়ক ড. প্রদীপ কুমার মজুমদার। উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দফতরের অধিকর্তা আতমিকা ভারতী। সংগঠনের তরফে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরুণ কান্তি ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি রাজেশ কুমার বনসাল, পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি পতিত পবন দে। এছাড়াও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিপণন দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র।

বুধবার আয়োজিত সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তরুণ কান্তি ঘোষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে উল্লেখ করেন "আলু চাষের আওতাধীন এলাকা বাড়ছে এবং কোল্ড স্টোরেজ ইউনিটগুলি পণ্য বাজারজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, কিন্তু কোল্ড স্টোরেজে আলুর আনুমানিক স্টক সম্পর্কে বিকৃত তথ্য প্রদান করার ফলে ২০২১ এর মরশুমের শেষের দিকে আলু বিক্রি সংক্রান্ত যথেষ্ট দুর্ভোগ পোয়াতে হয়েছে। তিনি কর্তৃপক্ষকে উৎপাদন, ব্যবহার এবং সংরক্ষণের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার জন্য আলুর সুষম চাষ বিবেচনা করার অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমান মরশুমে ৮৫- ৯০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হবে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ব্যবহারে ৬৫ লক্ষ টন খরচ হবে বাকি স্টক রাজ্যের বাইরে বাজারজাত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়াও বাজারের দিকে নজর রেখে আনলোড করার সময় তিনি প্রতি মাসে ১২% হারে স্টক রাখা আলু ছাড়ার কথা কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করেছেন।

তরুণ বাবু চাষের উপর প্যান ইন্ডিয়ার ব্যাপক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের সুপারিশ করেন, প্রয়োজনীয় কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য ফসল সংগ্রহ, সঞ্চয় ও বিপণন এবং রিয়েল টাইম ভিত্তিতে স্টক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার ওপরেও জোর দেন। কোল্ড স্টোরেজের জন্য ইনপুট খরচ এবং মূলধনের ব্যয়ের পর্যায়ক্রমিক বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে, অন্যান্য আলু উৎপাদনকারী রাজ্যগুলির ভাড়ার হিসাবে কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া বাড়ানোর দাবি করা হয়েছিল। যেখানে বর্তমান ভাড়ার শতকরা হার প্রতি কুইন্টাল ২২০/- থেকে ২৬০/- টাকা। আরও এটি প্রস্তাব করা হয়েছিল যে কোল্ড স্টোরেজে ১০০% স্টোরেজ ক্ষমতার পরিবর্তে ৮৫% স্টোরেজ ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে আলু রাখা উচিত, কারণ ১০০% স্টোরেজের ব্যবহার তেমন লাভদায়ক হয়না।

সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় কোল্ড স্টোরেজ অ্যাক্ট ১৯৬৬-এর পর্যালোচনার আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত।

১) মজুতযোগ্য আলুর মানের বিষয়ে ভাড়াদারদের দায়িত্ব।

২) স্টোরেজ সিজন শেষ হওয়ার পরে স্টোর ইউনিটগুলিতে অবশিষ্ট আলু স্টক নিষ্পত্তি করার জন্য প্রক্রিয়াটির সরলীকরণ পর্যবেক্ষণ করা।

৩) কোল্ড স্টোরেজ লাইসেন্সের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো।


সংগঠনের রাজ্য সভাপতি জোর দিয়েছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গের স্টোর ইউনিটগুলি দ্বারা প্রদত্ত বর্তমান সঞ্চয় ক্ষমতা রাজ্যে উৎপাদিত আলু সংরক্ষণের জন্য যথেষ্ট এবং ঝাড়খণ্ড এবং বিহারের মতো রাজ্যগুলিতে পশ্চিমবঙ্গের পণ্যগুলির চাহিদা হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে, রাজ্যের উপলব্ধ স্টোরেজ ক্ষমতা কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য বর্তমান স্তরে সীমাবদ্ধ রাখাই উচিত হবে। তিনি রাজ্যে শিল্প-বান্ধব ব্যবসায়িক পরিবেশের উপর বিশেষ জোর দেন এবং বিভিন্ন নিয়ম-কানুন শিথিল করা, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, স্বচ্ছতা এবং যুক্তিপূর্ণ ভাবে ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব আরোপ করেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

কলকাতা

দম্পতিদের দাম্পত্যকে স্মরণীয় করে রাখতে 'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স কাপল নং ১' প্রতিযোগিতা আসতে চলেছে

বিবাহিত দম্পতিদের বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স কাপল নং ১ প্রতিযোগিতা আনতে চলেছে। ভারতের সংস্কৃতিতে বিবাহ সুখী দাম্পত্য জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কিন্তু এই দাম্পত্য বজায় রাখতে পারাও একটা আর্ট। সেই ব্যাপারটিকে মাথায় রেখে মজা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জুড়ি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রিচা শর্মা (অভিনেত্রী), ডলি জৈন (স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট), নয়না মোরে (বিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার), মিঃ বিজয় সোনি (ডিরেক্টর মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স), মিঃ অরবিন্দ সোনি (ডিরেক্টর মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স)।

বিবাহ পরবর্তী দাম্পত্যের ছবি পাঠিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্ৰহণ করতে পারবেন যে কোনও বিবাহিত দম্পতি। প্রত্যেক প্রতিযোগীদের স্ক্রিনিং রাউন্ডের মাধ্যমে বাছাই করা হবে। প্রতি সপ্তাহের বাছাই করা দম্পতিরা MDJ

Showroom-এ এসে ডিসকাউন্ট ভাউচার নেবার সুযোগ পাবেন।

এ বিষয়ে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি এবং মিঃ অরবিন্দ সোনি সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, আমরা কিছুদিন আগেই জোড়ি নং ১ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম এবং এবার আরও নতুন ভাবে বিবাহিত দম্পতিদের জন্য এই প্রতিযোগিতা আসতে চলেছে। এই ভালোবাসার মরশুমে আমরা দম্পতিদের প্রতিটি মুহূর্ত আরও স্পেশাল করার চেষ্টা করব আনন্দ প্রদানের মধ্যে দিয়ে।

অভিনেত্রী রিচা শর্মা জানান, দুই নারী-পুরুষের বিবাহ স্বর্গেই ঠিক হয়ে থাকে, তবে প্রতিবীতে সেই বিশেষ মুহূর্ত আমরা আনন্দের মাধ্যমে ধরে রাখি। এই ভালোবাসার মরশুমে আমরা সমস্ত দম্পতিদের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্ৰহণ করতে আহ্বান জানাচ্ছি। এই অতিমারি দম্পতিদের কাছাকাছি আসতে সাহায্য করেছে, একে অপরের পরিপূরক এবং ভরসা এমনটা আশ্বাস পেয়েছেন বিভিন্ন দম্পতি এবং জীবনের মানে খুঁজে পেয়েছেন নতুনভাবে। এই ব্যাপারটাই আমরা কিছু বিশেষ মুহূর্তের মাধ্যমে সেলিব্রেট করে স্মরণীয় করে রাখতে চাইছি।

বিশিষ্ট শাড়ি ড্রেপিস্ট এবং স্টাইলিস্ট ডলি জৈন বলেন, এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। দম্পতিদের দাম্পত্যকে বিশেষ করে তুলতে একটি প্ল্যাটফর্ম করা হয়েছে, এর মাধ্যমে তাদের একে অন্যের প্রতি ভালোবাসার বেশ কিছু মুহূর্ত স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা তাদের বিবাহের মত বেশ কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত উপহার দেব, যা অবশ্যই সেই সমস্ত প্রতিযোগী দম্পতিদের দাম্পত্য জীবনে বিশেষ মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

প্রখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে জানালেন, ভালোবাসার ব্যাপারে বা হৃদয়ের কাছাকাছি আসার ব্যাপারে অনেকে যেমন গ্র্যান্ড কিছু করতে ভালোবাসেন আবার অনেকে খুব সাধারণভাবেই একে অপরের কাছাকাছি আসতে পছন্দ করেন। এই অতিমারি আমাদের জীবনকে দেখার ধারণাই বদলে ফেলেছে এবং সম্পর্কের ছোট ছোট বিশেষ মুহূর্তগুলোকেও উদযাপন করতে শিখিয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বর্গীয় মহাবীর প্রসাদ সোনির মাধ্যমে ১৯৭০ সালে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁর পুত্র বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন। সঙ্গে রয়েছেন নাতিরাও- বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপ। সোনা, কুন্দন, জড়োয়া এবং হীরের গয়নার সম্ভার রয়েছে তাঁদের শোরুম-এ। কলকাতার বড়বাজার, সিটি সেন্টার মল ছাড়াও নতুন দিল্লির পীতমপুরায় এই জুয়েলারির শোরুম রয়েছে। এই কোম্পানির পণ্যের গুণমানের উৎকৃষ্টতার জন্য তারা কেন্দ্রীয় আদিবাসী মন্ত্রী পি কে কিন্ডিয়ার তরফ থেকে ইন্ডিয়ান অ্যাচিভার্স ফোরাম এবং অল ইন্ডিয়া বিজনেস এন্ড কমিউনিটি ফাউন্ডেশন-এর পুরস্কার “Indian Achievers Award for Quality & Excellence 2008”-এ পুরস্কৃত হয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২২- র ফাইনাল বাছাই পর্ব শুরু হতে চলেছে

নিজের ভাগ্য নির্ধারণ করার সময় আবার এসে গেলো। ভারতের প্রতিভা অন্বেষণ করতে আমরা মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন আবার চলে এসেছি। ভারতের যুব সমাজে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ভেঙে মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় সামিল হতে আমরা উদ্বুদ্ধ করি। প্রত্যেকের মধ্যে 'পাওয়ার অফ দ্য ক্রাউন' খুঁজতে সাহায্য করি আমরা।

মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন ডিজিটাল মাধ্যমে নিজেদের সম্প্রসারিত করেছে। VLCC presents Femina Miss India 2022- এই ডাইনামিক ফরম্যাটে মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন ভারতের যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করছে আন্তর্জাতিক মানে নিজেদের মেলে ধরার জন্য।

২৮টি রাজ্য তথা দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং অন্যান্য কেন্দ্রশাসিত রাজ্যগুলি থেকে ফাইনাল প্রতিযোগীদের বাছাই করার কাজ শুরু হচ্ছে প্রতিযোগিতার ভার্চুয়াল ২য় পর্বের জন্য। মোট ৩১ জনকে শীর্ষ বাছাই করা হবে ফাইনাল পর্বের জন্য। 'মোজ অ্যাপে' অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে দিয়ে ভিডিওর মাধ্যমে অডিশন দেওয়া যাবে বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রতিযোগী হিসেবে।

বিগত ছয় দশক ধরে ভারতের প্রতিভাসম্পন্ন তরুণীদের জীবন পাল্টে দিয়ে গ্ল্যামার এবং ফ্যাশন জগতের আইকন তৈরী করে দিয়েছে এই প্রতিযোগিতা। সেই ধারা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর সেফোরা, মোজ এবং রজনীগন্ধা পার্লস- এর সহযোগিতায় সম্পন্ন হতে চলা 'ভিএলসিসি প্রেসেন্টস ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২২'।

এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে নেহা ধুপিয়া বলেন, "প্রতি বছর ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হওয়ার সময় আমি নস্টালজিক হয়ে যাই। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার সময় আমি যে শিক্ষার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলাম, তা আমার সারা জীবনের সম্পদ হয়ে রয়ে যাবে। প্রতি বছর নতুন এনার্জেটিক তরুণ প্রজন্মকে দেখি তারা বিশ্বের সামনে নিজেদের মেলে ধরতে প্রস্তুত। সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে এগুলি সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে"।

এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে নেহা ধুপিয়া বলেন, "প্রতি বছর ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হওয়ার সময় আমি নস্টালজিক হয়ে যাই। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার সময় আমি যে শিক্ষার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলাম, তা আমার সারা জীবনের সম্পদ হয়ে রয়ে যাবে। প্রতি বছর নতুন এনার্জেটিক তরুণ প্রজন্মকে দেখি তারা বিশ্বের সামনে নিজেদের মেলে ধরতে প্রস্তুত। সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে এগুলি সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে"।

মিস ইন্ডিয়ায় বিজয়িনীকে মিস ওয়ার্ল্ড সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি প্রতিযোগিতার বিজয়িনী বিনোদন এবং গ্ল্যামারের শহর মুম্বইতে থাকার সুযোগ পান। এই প্রতিযোগিতা থেকেই আমরা ৬ জন মিস ওয়ার্ল্ড কে পেয়েছি। রিতা ফারিয়া (১৯৬৬), ঐশ্বর্য রাই (১৯৯৪), ডায়না হেডেন (১৯৯৭), যুক্তামুখী (১৯৯৯), প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (২০০০) এবং মানুষী চিল্লার (২০১৭)। এই ধারা আগামীতেও বজায় থাকবে এমনটাই আশা।

উল্লেখ্য, স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার এই প্রতিযোগিতা মিস ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করে তা জানতে প্রতি বছর উন্মুখ হয়ে থাকে গোটা বিশ্ব। সৌন্দর্য, ভদ্রতা, কমনীয়তা এবং বুদ্ধিমত্তার মিশেলে সম্পূর্ণ এক নারীকে ভারত পেশ করে মিস ওয়ার্ল্ডের আঙিনায়। এখান থেকেই আমরা পেয়েছি ঐশ্বর্য রাই, সুস্মিতা সেন, লারা দত্তা, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দিয়া মির্জা প্রমুখকে যাঁরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।

Written By

Swarnali Goswami

১৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার অলকা জালান ফাউন্ডেশন-এ অনুষ্ঠিত হল 'সন্মার্গ বাদ সম্বাদ'-এর তৃতীয় বর্ষের উদযাপন

পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বেশি প্রকাশিত হিন্দি সংবাদপত্রের নাম বলতে গেলে অবশ্যই বলতে হবে সন্মার্গ সংবাদপত্রের কথা। হেডকোয়ার্টার তথা মূল অফিস কলকাতা থেকেই দীর্ঘ ৭৫ বছর যাবৎ এই সংবাদপত্র সকলকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। সত্যের পথে চলাই এই সংবাদপত্রের মূল উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য। বিভিন্ন রকম মতামত, ভাবনা কে সঙ্গী করে গণতন্ত্রে আস্থা রেখে স্বাধীন চিন্তা এবং মতাদর্শকে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে এই সংবাদপত্র। এইভাবেই এগিয়ে চলার পথে সন্মার্গ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিদগ্ধ জনেদের নিয়ে 'বাদ সংবাদ' নামক আলোচনা ভিত্তিক একটি অনুষ্ঠান শুরু করেছে। এবারে ১৮ ফেব্রুয়ারি সেই অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হল কলকাতার অলকা জালান ফাউন্ডেশন-এ।

বিভিন্ন ভাষা এবং ধর্মের সমন্বয়ে আমাদের দেশ ভারত। আমরা প্রায়ই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হই- আমাদের দেশের ধর্ম কী ভাষার সঙ্গে জড়িত? এই বিষয়কে সামনে রেখে এবারের সন্মার্গ বাদ সংবাদের আলোচ্য বিষয় ছিল 'এখনকার ভারত কী India' (क्या आज का भारत India है)? এই বিষয়ে আলোচনায় অংশগ্ৰহণ করেছিলেন পরিচালক এবং প্রযোজক অতুল সত্য কৌশিক, গায়িকা মালিনী অবস্থি, সাংবাদিক সাজিয়া ইলমি, লেখক তুহিন এ সিনহা, ট্যাগ ম্যাংগো-র কো ফাউন্ডার এবং সিইও দিব্যাংশু দামিনী, আইনজীবী উজ্জয়িনী চ্যাটার্জী, সামাজিক এবং রাজনৈতিক কর্মী প্রিয়দর্শিনী ঘোষ বাওয়া, সামাজিক কর্মী সুপ্রিয় সত্যম এবং আরও বিশিষ্ট জনেরা। অনুষ্ঠানটি মধ্যস্ততা করেছিলেন সাংবাদিক অনুরাগ পুনেথা, এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী রিচা শর্মা, সন্মার্গ গ্ৰুপের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক বিবেক গুপ্তা, সন্মার্গ গ্ৰুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রুচিকা গুপ্তা, মোটিভেশনাল স্পিকার তথা সেলিব্রিটি নয়না মোরে প্রমুখ।

সন্মার্গ গ্ৰুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রুচিকা গুপ্তা সাংবাদিকদের বলেন, হিন্দি অভিব্যক্তির, আবেগের ভাষা। এই ভাষা আমাদের পুরো দেশকে এক বন্ধনে বেঁধে রাখার কাজ করে। ভারতের স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ উদযাপনের মুহূর্তে সন্মার্গ এই বাদ সম্বাদ-এর মাধ্যমে সম্মান প্রদান করছে 'ভারতীয় in every Indian' বা অন্যভাবে বলতে গেলে 'The Indian in every ভারতীয়' -র মধ্যে।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালে স্বামী কারপত্রী জি পূর্ব ভারতের এই স্বনামধন্য সংবাদপত্রটির সূচনা করেন। মানবিকতা এবং ন্যায়পরায়নতা কে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে এটির সূচনা হয়। মূলত হিন্দি ভাষাভাষী পাঠকদের কথা মাথায় রেখেই পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা, শিলিগুড়ি এবং রাঁচি থেকে এই সংবাদপত্রটি প্রকাশিত হয়।

Written By

Swarnali Goswami

সহযোগী সংগঠন কে নিয়ে প্রান্তিক মানুষদের পাশে GOONJ

সামাজিক সংস্থা Goonj এর আহ্বানে এবং We Are The Common People এর উদ্যোগে শ্রমের মর্যাদাদানের মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগে সামিল হলো কোলকাতা পুরসভার দশ নম্বর ওয়ার্ডের অধিবাসীরা।

৮ এবং ২৯ জানুয়ারী ওয়ার্ডের বস্তি অঞ্চলগুলির স্যানিটাইজেশন এর পাশাপাশি স্বচ্ছতা অভিযান চালানো এবং মাস্ক বিতণের মাধ্যমে শক্তিশালী করবার চেষ্টা হলো করোনা বিরোধী অভিযানকে।

অংশগ্রহনকারীদের ফ্যামিলি সাপোর্ট কীট দিয়ে তাঁদের পাশে থাকার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করবে Goonj। সংগঠনটির তরফ থেকে জ্ঞানেশ্বর এবং সুরিন্দর সিং কর্মসূচীর পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।

এই কর্মসূচীতে অঞ্চলের ১৫০ পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

শুভজিৎ দত্তগুপ্ত,

কলকাতা

কৃষিকার্যের শুভ সূচনা দিয়েই আদিবাসী কুড়মি সম্প্রদায়ের নববর্ষ উদযাপন

শনিবার কুড়মালী নববর্ষ। ২৭৭২ কুড়মাব্দ। ভারতবর্ষের আদিমতম অধিবাসী মাহাত কুড়মী সম্প্রদায় ১২মাসে বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক আচার অনুষ্ঠানে মেতে থাকেন।সবগুলোই মূলত প্রকৃতি কেন্দ্রিক। এই নববর্ষের প্রথম দিনটিকে এরা খুবই শুভদিন হিসেবে গণ‍্য করেন, তাই এই দিনে বিভিন্ন শুভকাজও শুরু করা হয়। মকরসংক্রান্তিতে টুসু পরব শেষে পিঠে পুলি খেয়ে টুসু ভাসিয়ে বছর শেষ হয়েছে। আজ অর্থাৎ শনিবার সূর্য দক্ষিণায়ণ থেকে উত্তরায়ণ যাত্রা শুরু করে অর্থাৎ অক্ষায়ণ হয় আর এই অক্ষায়ণ থেকেই পালিত হয় "আইখ‍্যান যাত্রা"। আদিবাসী কুড়মি সম্প্রদায় প্রকৃতির পুজারী, এরা কৃষিভিত্তিক তাই মূলত কৃষি কাজের সূচনা করা হয় এই আইখ‍্যান যাত্রার দিনকে বলা হয় হালচার বা হালপুইন‍্যা। সকালে সারা বাড়িতে লাতা দিয়ে পরিস্কার করে স্নান সেরে ভিজে কাপড়ে গরু বা মোষকে লাঙ্গল জুড়ে জমিতে আড়াই পাক লাঙ্গল করে বাড়িতে ফেরা হয়।স্নান সেরে ভিজে কাপড়ে বাড়িতে বরণ উপাচার হাতে অপেক্ষা করেন বাড়ির বউ। তাদের পা ধুইয়ে সিঙে তেল সিন্দুর মাখিয়ে বরণ করে বেতের তৈরী পাত্রে খাওয়ানো হয়।

জঙ্গলমহলের জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ছাড়াও উড়িষ্যা, বিহার,ঝাড়খণ্ড এবং আসাম অর্থাৎ সমগ্র ছোটনাগপুরের কুড়মী সম্প্রদায়ের মানুষ পালন করে এই রীতি।পেশায় শিক্ষক,আদিবাসী কুড়মী যুবক বিপ্লব মাহাত বলেন, আমরা কৃষি ভিত্তিক। তাই আমাদের এই কুড়মাব্দের প্রথম দিনটিকে আমরা শুভদিন হিসাবেই ধরি। তাই এই দিনেই কৃষি কার্যের শুভসূচনা করে থাকি তাছাড়াও আজ বিভিন্ন জায়গায় গরাম পূজাও হয়। গরাম ঠাকুর সারাগ্রামের সবার মঙ্গল করেন বলে মানা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা,

পশ্চিম মেদিনীপুর

'বিশ্ব কন্যা দিবস' উপলক্ষ্যে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে


ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করে 'বিশ্ব কন্যা দিবস' পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের এবারের পুজোর থিম 'মানবিক'। এই থিমকে ভিত্তি করে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটি এবারে পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবার মনস্থ করেছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এই শিশুকন্যাদের নতুন বস্ত্র বিতরণের আয়োজন।

দক্ষিণ কলকাতার এই পুজোটির মাধ্যমে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা যে অভিনব থিমের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজের প্রতি একটি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তার জন্যই পুজোটি ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের সারিতে উঠে এসেছে। তারই রেশ ধরে এবারের থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর। রামায়ন, মহাভারত তথা ভারতের অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে নিজস্ব শৈলীতে নাচের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেন ছৌ শিল্পীরা, যা দেশ তথা বিদেশের মাটিতেও যথেষ্ট জনপ্রিয়। পুরুলিয়া জেলার চড়িদা গ্রামটি ছৌ নৃত্যের মুখোশ তথা পোশাক তৈরির জন্য বিখ্যাত।লকডাউনের ফলে বাংলার এই অতি জনপ্রিয় লোকশিল্প 'ছৌ নৃত্য' প্রদর্শন একেবারে বন্ধ। তার ফলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সেদিকে দৃষ্টিপাত করেই পুজো কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে ৫৭ তম দুর্গোৎসব পালন করছে, যার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মন্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, পুজোর মন্ডপের পরিবেশ, সুরক্ষা, সংহতি প্রভৃতির উৎকৃষ্ট মেলবন্ধনে এই পুজো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। 'মায়ের আঁচল', 'ও আমার দেশের মাটি', 'আরশিনগর', 'আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে... লন্ডন', 'খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা- উল্টে পাতা শোনায় কথা', 'মা', 'নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর' এবং গত বছরের 'নাগর দোলায় সবার পুজো' প্রভৃতি প্রতিটা থিম প্রতি বছর যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে শহরের বিভিন্ন পুজোর মধ্যে এই পুজোর স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে। ক্লাবের তরফ থেকে আশা করা হচ্ছে এবারেও নিজেদের থিমের মাধ্যমে তারা শহরের পুজোগুলির মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিতে সক্ষম হবেন।

Written BY

Swarnali Goswami

'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স' এবং সন্মার্গ যৌথভাবে দম্পতিদের একটি অভিনব প্রতিযোগিতা 'এমডিজে জোড়ি নং ওয়ান' (MDJ Jodi No 1) আয়োজন করেছিল

'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স' এবং সন্মার্গ যৌথভাবে দম্পতিদের জন্য একটি অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল 'এমডিজে জোড়ি নং ওয়ান' (MDJ Jodi No 1) নামে। তবে এটি একটু অন্য ধারার দম্পতিদের জন্য আয়োজিত হয়েছিল। বর্তমান যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহের আগে কিছুদিন কোর্টশিপের একটি রেওয়াজ প্রচলিত হয়েছে। সেই সমস্ত Would Be Couple দের জন্য আয়োজিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা, যা ভারতে প্রথম। তারা যাতে বিয়ের আগেই সেই বিশেষ দিনটির জন্য নিজেদের পছন্দমতো গয়না পছন্দ করে নিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রতিযোগিতা।

উল্লেখ্য, স্বর্গীয় মহাবীর প্রসাদ সোনির মাধ্যমে ১৯৭০ সালে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁর পুত্র বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন। সঙ্গে রয়েছেন নাতিরাও- বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপ। সোনা, কুন্দন, জড়োয়া এবং হীরের গয়নার সম্ভার রয়েছে তাঁদের শোরুম-এ। কলকাতার বড়বাজার, সিটি সেন্টার মল ছাড়াও নতুন দিল্লির পীতমপুরায় এই জুয়েলারির শোরুম রয়েছে।

২০২১-এর ১৫ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। আজ রবিবার আইটিসি রয়াল-এ গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। অনুষ্ঠানে জুড়ি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিচা শর্মা (অভিনেত্রী), ডলি জৈন (স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট), নয়না মোরে (বিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার)। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোপামুদ্রা মন্ডল সাহা, মডেল অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি, মোহর দত্ত এবং আরও বিশিষ্ট জন।

যে সকল প্রতিযোগী এখানে অংশগ্ৰহণ করতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাঁদের কোর্টশিপের ছবি প্রতি সপ্তাহে পাঠাতে বলা হয়েছিল, এবং তার মধ্যে থেকে সেরাটা বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। তার পাশাপাশি তাঁদের একটি স্ক্রিনিং রাউন্ডের মধ্যে দিয়েও যেতে হয়েছিল প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে। সপ্তাহের সেরা কাপল এমডিজে- শো রুমে এসে একটি ডিসকাউন্ট কুপন জিতে নিয়েছিলেন। গ্র্যান্ড ফিনালে-র জন্য ৯ জন কাপল মনোনীত হয়েছিলেন। গোটা প্রতিযোতা থেকে 'টপ জোড়ি' বেছে নিতে তিন মাস সময় লেগেছিল। 'জোড়ি অফ দ্য মান্থ' এবং ফাইনাল 'বিজয়ী জোড়ি' রা মহাবীর দানোয়ার জুয়েলারির গয়না পরে সেখানকারই স্টোর-এ ফটোশ্যুট করলেন ফিনালে পর্ব শেষে। বিজয়ী কাপল পেলেন একটি I Phone 12 (64GB)| এছাড়াও মোট ৪ জন অর্থাৎ ২ রানার-আপ বিজয়ী জোড়ি পেলেন ৫স্টার হোটেলের একটি ডিনার ডেট।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলারির ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "ফাইনালের জন্য ৫ টি জোড়ি নির্বাচন যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রায় প্রতিদিন অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়েছে। কফি রাউন্ড, প্রশ্নোত্তর পর্ব, স্ক্রিনিং এবং প্রফেশনাল ফটোশ্যুটের মাধ্যমে দম্পতি নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত কাপলদের গিফট হ্যাম্পার দেওয়ার পাশাপাশি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কোন ধরনের গয়না তাঁদের বিয়ের সেই বিশেষ দিনের জন্য মানানসই হবে"।

সন্মার্গের ডিরেক্টর মিসেস রুচিকা গুপ্তা জানান, "সন্মার্গ এই অভিনব আইডিয়ার মাধ্যমে নতুন যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে এক জোরালো বন্ডিং তৈরি করতে চেয়েছে। অতীতের যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বর্তমানের যুব সম্প্রদায়ের মানসিকতার মেলবন্ধন ঠিক কিভাবে কাজ করে, তা বুঝতে এই ইভেন্ট যথেষ্ট সাহায্য করেছে আমাদের"।

অভিনেত্রী রিচা শর্মা জানান, " এমডিজে' এবং 'সন্মার্গ' যৌথভাবে 'MDJ Jodi No 1' এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাপল দের খুব সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছে নিজেদের মধ্যে সাহচর্য এবং বন্ধন দৃঢ় করার। প্রিলিমিনারি রাউন্ডে আমরা কাপলদের মধ্যে বন্ধুত্ব কতটা রয়েছে, তা যাচাই করেছি এবং গ্র্যান্ড ফিনালেতে মেধার যাচাই হয়েছে"।

শাড়ি ড্রেপিস্ট ও স্টাইলিস্ট ডলি জৈন অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করে জানালেন, "প্রত্যেক কাপল তাঁদের সেরাটা দিয়েছেন। সকলের মধ্যে থেকে সেরা কাপল বাছাই করা সত্যিই কষ্টসাধ্য ছিল"।

মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দম্পতি একে অন্যের পরিপূরক ছিলেন, যেন 'স্বর্গের সৃষ্ট দম্পতি'। এমডিজে শুরু থেকে যেভাবে প্ল্যান করে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য"।



Winner Jodi No 1

আকাশ জয়সওয়াল এবং রিতু সরফ



List of Winners: Consolation Prizes

১) নিকিত বেগওয়ানি এবং হর্ষিতা ঝাওয়ার (১ম রানার আপ)

২) মুকুন্দ রাঠী এবং প্রিয়া হলওয়ায়ি (২য় রানার আপ)

৩) রজনীশ কুমার শ্রীবাস্তব এবং নর্মদা শ্রীবাস্তব (৩য় রানার আপ)

৪) গীতেশ আগরওয়াল এবং নিকিতা আগরওয়াল (৪র্থ রানার আপ)

৫) রোহিত সুরানা এবং ইয়াংকি সেঠিয়া (৫ম রানার আপ)

Written By

Swarnali Goswami

রবিবার ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর ৫৭ তম দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল

রবিবার ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর ৫৭ তম দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। নেতাজী ভবন মেট্রোর একেবারে কাছে শহরের উল্লেখযোগ্য এই পুজো প্রতিবারই নতুন ভাবনার আঙ্গিকে আমাদের দুর্গাপুজো উপহার দেয়, এবারও তার অন্যথা হবেনা। বিভিন্ন থিমে মন্ডপ সজ্জার পাশাপাশি বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজকর্মের জন্যও সুনাম রয়েছে এই পুজোর।

এছাড়া যেটা উল্লেখ না করলেই নয় তা হল এই ক্লাবের একটি বিশেষত্ব তাদের সামাজিক কাজকর্ম। এখানে বিনামূল্যে হেলথ চেক-আপ, রক্তদান শিবির, চক্ষুদান শিবির প্রভৃতি ছাড়াও দরিদ্রদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ, কম্বল বিতরণ, দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পড়ার বই বিতরণ প্রভৃতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথেষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি এই পুজোকে সমৃদ্ধ করে প্রতিবছর।

এবারের খুঁটিপুজোতেও তার অন্যথা হলনা। খুঁটিপুজোয় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ ববি হাকিম, বিধায়ক দেবাশিষ কুমার, বিধায়ক মদন মিত্র, সমাজসেবী কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজসেবী পাপিয়া সিং, কেএমসি ৭১ নং ওয়ার্ডের কো -অর্ডিনেটর প্রমুখ।

জানা গেল এবারের পুজোর থিম ‘মানবিক’। ক্লাবের সেক্রেটারি সুবীর দাস জানালেন, ”কোভিড যেমন আমাদের শারিরিক ভাবে একে অন্যের থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে, ঠিক তেমনি আন্তরিকভাবে অনেকটাই কাছাকাছি এনে দিয়েছে। আমরা এই সময় একে অন্যের পাশাপাশি দাঁড়াবার চেষ্টা করছি। তাই আমাদের থিমের নাম ‘মানবিক’। ভবানীপুরে একটুকরো পুরুলিয়া। পুরুলিয়া এখানে কোনো জায়গা বা গ্রাম নয়, পুরুলিয়ার ছৌ শিল্পীদের তুলে ধরার চেষ্টা করছি আমরা। সেই শিল্পীদের পাশে কিভাবে দাঁড়ানো যায় তারই একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের।”

খুঁটি পুজোয় এসে ফিরহাদ হাকিম বলেন দুর্গাপুজো মিলনের উৎসব। এটি এমন এক মিলন তীর্থ, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে উৎসবে সামিল হন। সারাবছর ধরে মানুষ অপেক্ষায় থাকে কবে দুর্গাপুজো আসবে। তবে করোনা বিধি মেনেই যে উৎসবে সামিল হতে হবে সে কথা মনে করিয়ে দেন ফিরহাদ হাকিম।

ক্লাবের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে সজাগ। করোনা বিধি পালন করে পুজো সম্পন্ন করার মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের সাফল্য দেখতে চাইছেন। ক্লাবের তরফ থেকে প্রত্যেককে সপরিবারে এবং সবান্ধব পুজো দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

১৬তম বর্ষের 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১'- এর আয়োজন করল 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন'

'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' তাদের ষোড়শ তম বর্ষের 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১'- এর আয়োজন করল ২৫ অগাস্ট। এই অনুষ্ঠানে সমগ্র ভারতের হিন্দি ভাষায় উৎকর্ষতার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দি ভাষার প্রচলন বা গুরুত্ব বাড়াতেই সন্মার্গের এই ব্যবস্থাপনা। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হিন্দুস্তান ক্লাব-এ এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল খুব স্বল্প পরিসরে। উল্লেখ্য, এবারেই প্রথম শিলিগুড়িতেও এই অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্যানডেমিকের কারনে শিক্ষায় এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। তার মধ্যে থেকেই বিভিন্ন বোর্ডের (সিআইএসসিই, সিবিএসই, ডব্লিউ বি বোর্ড) ৩০ জন বাছাই করা পড়ুয়াকে তাদের হিন্দি ভাষার উৎকর্ষতার নিরিখে পুরস্কৃত করা হল। মোট ৫০০০+ ছাত্র-ছাত্রী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে থেকে হিন্দি ভাষা এবং সেই ভাষার ভিত্তিতে যাদের এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিতে দক্ষতা রয়েছে, তেমন ১০ ও ১২ ক্লাসের তিনটি বোর্ডের থেকে পড়ুয়াদের সন্মার্গ বাছাই করেছে পুরস্কৃত করার জন্য। এছাড়াও প্রতিটি বোর্ডের ১ম এবং ২য় টপারদের স্কলারশিপ প্রদান করল সন্মার্গ ফাউন্ডেশন। এই অতিমারির সময়ে বহু পড়ুয়া স্মার্টফোন বা কম্পিউটার না থাকার দরুন ক্লাস করতে পারেনি, তাদের কথা ভেবে এমন পড়ুয়াদের ট্যাব বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সন্মার্গ ফাউন্ডেশন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব ভারতে হিন্দি দৈনিক হিসেবে সন্মার্গ এখন সবচেয়ে পরিচিত নাম। মানবিকতা এবং ধার্মিকতার ওপর ভিত্তি করে 'স্বামী করপত্রীজি মহারাজ' এই দৈনিকটির সূচনা করেন, যার সদর দফতর অবস্থিত কলকাতায়। বর্তমানে এটি রাজ্যের ২৩টি জেলার পাশাপাশি পটনা, ভুবনেশ্বর এবং রাঁচি থেকেও প্রকাশিত হচ্ছে। প্রিন্ট এবং ডিজিটাল উভয় মাধ্যমেই সন্মার্গ বর্তমানে পরিচিত নাম।

'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা' নামে ২০০১ সালে যার পথচলা শুরু, তাই পরে 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান সর্বসাধারণের মধ্যে হিন্দি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষার প্রসারের জন্য কাজ করছে। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক স্বৰ্গীয় শ্রী রাম অবতার গুপ্তর নামে এটি 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার' নামে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম উৎকর্ষতামূলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে থাকে।

সন্মার্গ অ্যান্ড ট্রাস্টি, সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, "এই পুরস্কার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে হিন্দি ভাষা সম্প্রসারণের এবং গুরুত্ব আরোপনের জন্য প্রদান করা হয়। আমরা এই উদ্দেশ্যে যথেষ্ট সফল। এই পুরস্কারের জন্য পড়ুয়াদের মধ্যে বেশি নম্বর আনার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। আগের তুলনায় বিভিন্ন বোর্ডে এখন যথেষ্ট বেশি পার্সেন্টাইল পাচ্ছে পড়ুয়ারা হিন্দি সাহিত্যে। যেখানে ২০০৬-০৭ সালে ৯০-৯২ উঠত সর্বোচ্চ নম্বর, সেখানে এখন ১০০ নম্বর পাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। তিনি আরও জানান, যদি কেউ এই সাহিত্যে উচ্চতর ক্ষেত্রে পড়াশোনা করতে চায়, তাহলে আমরা তাদের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে অনুরোধ করছি। আমরা যথাসম্ভব তাদের সাহায্য করব।"

Carousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

মহম্মদ আলি পার্কের খুঁটি পুজো সম্পন্ন হল বুধবার ১১অগস্ট

ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক ১১ অগস্ট বুধবার তাদের খুঁটি পুজো সম্পন্ন করল। কলকাতার অন্যতম স্বনামধন্য পুজো হিসেবে মহম্মদ আলি পার্কের নাম ইতিমধ্যেই সকলের কাছে পরিচিত। বিভিন্ন রকম সমাজসেবামূলক কাজ এবং মন্ডপ সজ্জার অভিনবত্বের কারণে প্রতি বছর এই পুজো আলাদা জায়গা করে নেয়।

এ বছর ৫৩ তম বর্ষের পুজো উদযাপন করবে ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক। খুঁটি পুজোর দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ছিলেন কাউন্সিলর তথা বরো কো-অর্ডিনেটর রেহানা খাতুন, কাউন্সিলর শগুফত পরভীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুজো কমিটির বিভিন্ন সদস্য যথা রামচন্দ্র বাদোপালিয়া (প্রধান পৃষ্ঠপোষক), ওম প্রকাশ পোদ্দার (ভাইস চেয়ারম্যান), প্রমোদ চন্দক (ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট), দুলাল মৈত্র (ভাইস প্রেসিডেন্ট), জি সি শাহ, বিমল ঝুনঝুনওয়ালা, মহম্মদ শাহিদ (সংগঠক), পবন কুমার বনসল, দেওকি নন্দন ঢেলিয়া, অশোক ওঝা, রাজু গুপ্তা, গনেশ শর্মা, পবন শর্মা (যুগ্ম সচিব), সুভাষ চন্দ্র গোয়েঙ্কা (কোষাধ্যক্ষ), সুরেন্দ্র কুমার শর্মা (সচিব)।

ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক প্রতি বছরের মত এ বছরও তাদের মন্ডপসজ্জা, প্রতিমা, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, সুরক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুনাম এবং খ্যাতি বজায় রাখবে এমনটা বলাই যায়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মধ্য কলকাতার এই পুজো বহু বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কার অর্জন করেছে।

সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমরা আমাদের পুরোনো জায়গা মহম্মদ আলি পার্কে ফের পুজো করার অনুমতি পেয়েছি এ বছর। সেই কারনে আমরা ফিরহাদ হাকিম, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্তার কাছে যথেষ্ট কৃতজ্ঞ। পুরোনো জায়গায় পুজো হচ্ছে বলে পুরো টিম যথেষ্ট উদ্দীপনার সঙ্গে কাজ করছে। করোনার বিধি হিসেবে শারীরিক দূরত্ব যেহেতু বাধ্যতামূলক, তাই এবারে আমরা মন্ডপসজ্জায় এমন কিছু ভাবছি, যা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করবে। প্রতিবারের মত আমরা এবারেও যথেষ্ট সাফল্য পাব এমনটাই আশা করছি।" তিনি সকলকে সপরিবারে, বন্ধুবান্ধব নিয়ে তাঁদের পুজো দেখতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যম মারফত।

Written By

Swarnali Goswami


সন্মার্গ ফাউন্ডেশন তাদের পুরস্কার প্রদান উৎসবের ১৬ তম পর্বে কিছুটা পরিবর্তন করে 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১' নামে প্রকাশিত হতে চলেছে

১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতা কেন্দ্রীক হিন্দি 'দৈনিক সন্মার্গ' পূর্ব ভারতের একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। স্বাধিকার এবং মানবতার ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করেছিলেন 'স্বামী করপতরি জি মহারাজ'। বাংলার ২৩টি রাজ্যের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি এই দৈনিক বর্তমানে পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা এবং রাঁচি থেকে প্রকাশিত হয় এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ডিজিটাল মিডিয়াতেও সমান প্রতিষ্ঠিত।

'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা', যা বর্তমানে 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' নামে খ্যাত, তা গড়ে ওঠে ২০০১ সালে। হিন্দি ভাষায় শিক্ষাদান, সামগ্রিকভাবে সকলের জন্য শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে গড়ে ওঠে এই প্রতিষ্ঠান। হিন্দি সাহিত্যে উৎকর্ষতার পুরস্কার হিসেবে তথা এই বিষয় নিয়ে এগিয়ে যাবার জন্য পড়ুয়াদের 'প্রতিভা পুরস্কার' প্রদান শুরু হয় ২০০৬ সালে। পরে প্রয়াত সম্পাদক শ্রী রাম অবতার গুপ্তের নামে এই পুরস্কারটির নামকরণ করা হয় 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার' নামে। সংস্থাটি সমাজের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। বিগত দেড় দশক ধরে এই পুরস্কার হিন্দি ভাষাকে অনন্য সম্মান প্রদান করেছে এবং হিন্দি ভাষা নিয়ে ছাত্রদের উচ্চস্তরীয় পড়াশোনা করতে, বৃত্তি প্রদান করেছে তথা ছাত্র, শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিন্দি ভাষাকে মান্যতা দেওয়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য ভূমিকা নিয়েছে।

এই বছর ১৬তম পুরস্কার প্রদান উৎসব বর্ষের মুহূর্তে 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার', 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন পুরস্কার' নামে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এছাড়াও এই বছর 'গুরু প্রণাম' নামে নতুন একটি পুরস্কারের শুরু হতে চলেছে, হিন্দি ভাষায় শিক্ষা প্রদানকারী শিক্ষকদের পুরস্কৃত করার লক্ষ্যে এবং এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সন্মার্গ এন্ড ট্রাস্টি তথা সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা জানান, "এই পুরস্কারের যোগ্যতার মানদন্ড অতিমারির কারণে একটু পাল্টানো হয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রচুর আবেদন এসেছে সারা দেশ থেকে, যার কারনে আমরা সত্যিই আপ্লুত। ২০০৬-০৭ সালে যেখানে হিন্দিতে সর্বোচ্চ নম্বর আসত ৯০-৯২, সেখানে বর্তমানে পড়ুয়ারা ফুল মার্কস পাচ্ছে। এটি একটি যথেষ্ট সম্ভাবনাময় দিক হিন্দি সাহিত্যের ক্ষেত্রে। এই পুরস্কার হিন্দিতে আরও বেশি নম্বর তোলার জন্য সকলকে উৎসাহিত করছে। এই অতিমারির আবহে অনুষ্ঠানের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু মূল ব্যাপার একই থাকছে এবং এই বছর থেকে 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন' নামে পুরস্কারটির প্রচার করা হবে"।


Written By

Swarnali Goswami