'বিশ্ব কন্যা দিবস' উপলক্ষ্যে ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে


ভবানীপুর ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা পুরুলিয়ার চড়িদা গ্রামের ২৫০ শিশুদের বস্ত্র বিতরণ করে 'বিশ্ব কন্যা দিবস' পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের এবারের পুজোর থিম 'মানবিক'। এই থিমকে ভিত্তি করে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটি এবারে পুরুলিয়ার ছৌ-শিল্পীদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবার মনস্থ করেছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এই শিশুকন্যাদের নতুন বস্ত্র বিতরণের আয়োজন।

দক্ষিণ কলকাতার এই পুজোটির মাধ্যমে ৭৫ পল্লী দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা যে অভিনব থিমের মাধ্যমে প্রতি বছর সমাজের প্রতি একটি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে, তার জন্যই পুজোটি ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের সারিতে উঠে এসেছে। তারই রেশ ধরে এবারের থিম 'মানবিক'-এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর। রামায়ন, মহাভারত তথা ভারতের অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনী বর্ণনা করে নিজস্ব শৈলীতে নাচের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরেন ছৌ শিল্পীরা, যা দেশ তথা বিদেশের মাটিতেও যথেষ্ট জনপ্রিয়। পুরুলিয়া জেলার চড়িদা গ্রামটি ছৌ নৃত্যের মুখোশ তথা পোশাক তৈরির জন্য বিখ্যাত।লকডাউনের ফলে বাংলার এই অতি জনপ্রিয় লোকশিল্প 'ছৌ নৃত্য' প্রদর্শন একেবারে বন্ধ। তার ফলে শিল্পীরা আর্থিকভাবে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। সেদিকে দৃষ্টিপাত করেই পুজো কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

উল্লেখ্য, ভবানীপুর ৭৫ পল্লী এবারে ৫৭ তম দুর্গোৎসব পালন করছে, যার থিম রাখা হয়েছে 'মানবিক'। মন্ডপ সজ্জা, প্রতিমা, পুজোর মন্ডপের পরিবেশ, সুরক্ষা, সংহতি প্রভৃতির উৎকৃষ্ট মেলবন্ধনে এই পুজো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। 'মায়ের আঁচল', 'ও আমার দেশের মাটি', 'আরশিনগর', 'আমার স্বপ্ন ভবানীপুরে... লন্ডন', 'খুঁজে পাওয়া স্মৃতির খাতা- উল্টে পাতা শোনায় কথা', 'মা', 'নীল সাদায় এক টুকরো ভবানীপুর' এবং গত বছরের 'নাগর দোলায় সবার পুজো' প্রভৃতি প্রতিটা থিম প্রতি বছর যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে শহরের বিভিন্ন পুজোর মধ্যে এই পুজোর স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে। ক্লাবের তরফ থেকে আশা করা হচ্ছে এবারেও নিজেদের থিমের মাধ্যমে তারা শহরের পুজোগুলির মধ্যে আলাদা জায়গা করে নিতে সক্ষম হবেন।

Written BY

Swarnali Goswami

'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স' এবং সন্মার্গ যৌথভাবে দম্পতিদের একটি অভিনব প্রতিযোগিতা 'এমডিজে জোড়ি নং ওয়ান' (MDJ Jodi No 1) আয়োজন করেছিল

'মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স' এবং সন্মার্গ যৌথভাবে দম্পতিদের জন্য একটি অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল 'এমডিজে জোড়ি নং ওয়ান' (MDJ Jodi No 1) নামে। তবে এটি একটু অন্য ধারার দম্পতিদের জন্য আয়োজিত হয়েছিল। বর্তমান যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহের আগে কিছুদিন কোর্টশিপের একটি রেওয়াজ প্রচলিত হয়েছে। সেই সমস্ত Would Be Couple দের জন্য আয়োজিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা, যা ভারতে প্রথম। তারা যাতে বিয়ের আগেই সেই বিশেষ দিনটির জন্য নিজেদের পছন্দমতো গয়না পছন্দ করে নিতে পারে, সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রতিযোগিতা।

উল্লেখ্য, স্বর্গীয় মহাবীর প্রসাদ সোনির মাধ্যমে ১৯৭০ সালে মহাবীর দানওয়ার জুয়েলার্স-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তাঁর পুত্র বিনোদ, কৈলাশ এবং জীবন। সঙ্গে রয়েছেন নাতিরাও- বিজয়, অরবিন্দ, অমিত এবং সন্দীপ। সোনা, কুন্দন, জড়োয়া এবং হীরের গয়নার সম্ভার রয়েছে তাঁদের শোরুম-এ। কলকাতার বড়বাজার, সিটি সেন্টার মল ছাড়াও নতুন দিল্লির পীতমপুরায় এই জুয়েলারির শোরুম রয়েছে।

২০২১-এর ১৫ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। আজ রবিবার আইটিসি রয়াল-এ গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। অনুষ্ঠানে জুড়ি মেম্বার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিচা শর্মা (অভিনেত্রী), ডলি জৈন (স্বনামধন্য শাড়ি ড্রেপিস্ট), নয়না মোরে (বিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পিকার)। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোপামুদ্রা মন্ডল সাহা, মডেল অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি, মোহর দত্ত এবং আরও বিশিষ্ট জন।

যে সকল প্রতিযোগী এখানে অংশগ্ৰহণ করতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাঁদের কোর্টশিপের ছবি প্রতি সপ্তাহে পাঠাতে বলা হয়েছিল, এবং তার মধ্যে থেকে সেরাটা বাছাই করে নেওয়া হয়েছিল। তার পাশাপাশি তাঁদের একটি স্ক্রিনিং রাউন্ডের মধ্যে দিয়েও যেতে হয়েছিল প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে। সপ্তাহের সেরা কাপল এমডিজে- শো রুমে এসে একটি ডিসকাউন্ট কুপন জিতে নিয়েছিলেন। গ্র্যান্ড ফিনালে-র জন্য ৯ জন কাপল মনোনীত হয়েছিলেন। গোটা প্রতিযোতা থেকে 'টপ জোড়ি' বেছে নিতে তিন মাস সময় লেগেছিল। 'জোড়ি অফ দ্য মান্থ' এবং ফাইনাল 'বিজয়ী জোড়ি' রা মহাবীর দানোয়ার জুয়েলারির গয়না পরে সেখানকারই স্টোর-এ ফটোশ্যুট করলেন ফিনালে পর্ব শেষে। বিজয়ী কাপল পেলেন একটি I Phone 12 (64GB)| এছাড়াও মোট ৪ জন অর্থাৎ ২ রানার-আপ বিজয়ী জোড়ি পেলেন ৫স্টার হোটেলের একটি ডিনার ডেট।

মহাবীর দানওয়ার জুয়েলারির ডিরেক্টর মিঃ বিজয় সোনি সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "ফাইনালের জন্য ৫ টি জোড়ি নির্বাচন যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রায় প্রতিদিন অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়েছে। কফি রাউন্ড, প্রশ্নোত্তর পর্ব, স্ক্রিনিং এবং প্রফেশনাল ফটোশ্যুটের মাধ্যমে দম্পতি নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত কাপলদের গিফট হ্যাম্পার দেওয়ার পাশাপাশি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কোন ধরনের গয়না তাঁদের বিয়ের সেই বিশেষ দিনের জন্য মানানসই হবে"।

সন্মার্গের ডিরেক্টর মিসেস রুচিকা গুপ্তা জানান, "সন্মার্গ এই অভিনব আইডিয়ার মাধ্যমে নতুন যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে এক জোরালো বন্ডিং তৈরি করতে চেয়েছে। অতীতের যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বর্তমানের যুব সম্প্রদায়ের মানসিকতার মেলবন্ধন ঠিক কিভাবে কাজ করে, তা বুঝতে এই ইভেন্ট যথেষ্ট সাহায্য করেছে আমাদের"।

অভিনেত্রী রিচা শর্মা জানান, " এমডিজে' এবং 'সন্মার্গ' যৌথভাবে 'MDJ Jodi No 1' এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাপল দের খুব সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে দিয়েছে নিজেদের মধ্যে সাহচর্য এবং বন্ধন দৃঢ় করার। প্রিলিমিনারি রাউন্ডে আমরা কাপলদের মধ্যে বন্ধুত্ব কতটা রয়েছে, তা যাচাই করেছি এবং গ্র্যান্ড ফিনালেতে মেধার যাচাই হয়েছে"।

শাড়ি ড্রেপিস্ট ও স্টাইলিস্ট ডলি জৈন অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করে জানালেন, "প্রত্যেক কাপল তাঁদের সেরাটা দিয়েছেন। সকলের মধ্যে থেকে সেরা কাপল বাছাই করা সত্যিই কষ্টসাধ্য ছিল"।

মোটিভেশনাল স্পিকার নয়না মোরে সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, "প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দম্পতি একে অন্যের পরিপূরক ছিলেন, যেন 'স্বর্গের সৃষ্ট দম্পতি'। এমডিজে শুরু থেকে যেভাবে প্ল্যান করে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য"।



Winner Jodi No 1

আকাশ জয়সওয়াল এবং রিতু সরফ



List of Winners: Consolation Prizes

১) নিকিত বেগওয়ানি এবং হর্ষিতা ঝাওয়ার (১ম রানার আপ)

২) মুকুন্দ রাঠী এবং প্রিয়া হলওয়ায়ি (২য় রানার আপ)

৩) রজনীশ কুমার শ্রীবাস্তব এবং নর্মদা শ্রীবাস্তব (৩য় রানার আপ)

৪) গীতেশ আগরওয়াল এবং নিকিতা আগরওয়াল (৪র্থ রানার আপ)

৫) রোহিত সুরানা এবং ইয়াংকি সেঠিয়া (৫ম রানার আপ)

Written By

Swarnali Goswami

রবিবার ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর ৫৭ তম দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল

রবিবার ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর ৫৭ তম দুর্গোৎসবের খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। নেতাজী ভবন মেট্রোর একেবারে কাছে শহরের উল্লেখযোগ্য এই পুজো প্রতিবারই নতুন ভাবনার আঙ্গিকে আমাদের দুর্গাপুজো উপহার দেয়, এবারও তার অন্যথা হবেনা। বিভিন্ন থিমে মন্ডপ সজ্জার পাশাপাশি বিভিন্ন রকম সামাজিক কাজকর্মের জন্যও সুনাম রয়েছে এই পুজোর।

এছাড়া যেটা উল্লেখ না করলেই নয় তা হল এই ক্লাবের একটি বিশেষত্ব তাদের সামাজিক কাজকর্ম। এখানে বিনামূল্যে হেলথ চেক-আপ, রক্তদান শিবির, চক্ষুদান শিবির প্রভৃতি ছাড়াও দরিদ্রদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ, কম্বল বিতরণ, দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পড়ার বই বিতরণ প্রভৃতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথেষ্ট গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি এই পুজোকে সমৃদ্ধ করে প্রতিবছর।

এবারের খুঁটিপুজোতেও তার অন্যথা হলনা। খুঁটিপুজোয় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ ববি হাকিম, বিধায়ক দেবাশিষ কুমার, বিধায়ক মদন মিত্র, সমাজসেবী কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজসেবী পাপিয়া সিং, কেএমসি ৭১ নং ওয়ার্ডের কো -অর্ডিনেটর প্রমুখ।

জানা গেল এবারের পুজোর থিম ‘মানবিক’। ক্লাবের সেক্রেটারি সুবীর দাস জানালেন, ”কোভিড যেমন আমাদের শারিরিক ভাবে একে অন্যের থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে, ঠিক তেমনি আন্তরিকভাবে অনেকটাই কাছাকাছি এনে দিয়েছে। আমরা এই সময় একে অন্যের পাশাপাশি দাঁড়াবার চেষ্টা করছি। তাই আমাদের থিমের নাম ‘মানবিক’। ভবানীপুরে একটুকরো পুরুলিয়া। পুরুলিয়া এখানে কোনো জায়গা বা গ্রাম নয়, পুরুলিয়ার ছৌ শিল্পীদের তুলে ধরার চেষ্টা করছি আমরা। সেই শিল্পীদের পাশে কিভাবে দাঁড়ানো যায় তারই একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস আমাদের।”

খুঁটি পুজোয় এসে ফিরহাদ হাকিম বলেন দুর্গাপুজো মিলনের উৎসব। এটি এমন এক মিলন তীর্থ, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে উৎসবে সামিল হন। সারাবছর ধরে মানুষ অপেক্ষায় থাকে কবে দুর্গাপুজো আসবে। তবে করোনা বিধি মেনেই যে উৎসবে সামিল হতে হবে সে কথা মনে করিয়ে দেন ফিরহাদ হাকিম।

ক্লাবের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে সজাগ। করোনা বিধি পালন করে পুজো সম্পন্ন করার মাধ্যমেই তাঁরা নিজেদের সাফল্য দেখতে চাইছেন। ক্লাবের তরফ থেকে প্রত্যেককে সপরিবারে এবং সবান্ধব পুজো দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

১৬তম বর্ষের 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১'- এর আয়োজন করল 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন'

'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' তাদের ষোড়শ তম বর্ষের 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১'- এর আয়োজন করল ২৫ অগাস্ট। এই অনুষ্ঠানে সমগ্র ভারতের হিন্দি ভাষায় উৎকর্ষতার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দি ভাষার প্রচলন বা গুরুত্ব বাড়াতেই সন্মার্গের এই ব্যবস্থাপনা। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হিন্দুস্তান ক্লাব-এ এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল খুব স্বল্প পরিসরে। উল্লেখ্য, এবারেই প্রথম শিলিগুড়িতেও এই অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্যানডেমিকের কারনে শিক্ষায় এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। তার মধ্যে থেকেই বিভিন্ন বোর্ডের (সিআইএসসিই, সিবিএসই, ডব্লিউ বি বোর্ড) ৩০ জন বাছাই করা পড়ুয়াকে তাদের হিন্দি ভাষার উৎকর্ষতার নিরিখে পুরস্কৃত করা হল। মোট ৫০০০+ ছাত্র-ছাত্রী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। তার মধ্যে থেকে হিন্দি ভাষা এবং সেই ভাষার ভিত্তিতে যাদের এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিতে দক্ষতা রয়েছে, তেমন ১০ ও ১২ ক্লাসের তিনটি বোর্ডের থেকে পড়ুয়াদের সন্মার্গ বাছাই করেছে পুরস্কৃত করার জন্য। এছাড়াও প্রতিটি বোর্ডের ১ম এবং ২য় টপারদের স্কলারশিপ প্রদান করল সন্মার্গ ফাউন্ডেশন। এই অতিমারির সময়ে বহু পড়ুয়া স্মার্টফোন বা কম্পিউটার না থাকার দরুন ক্লাস করতে পারেনি, তাদের কথা ভেবে এমন পড়ুয়াদের ট্যাব বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সন্মার্গ ফাউন্ডেশন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব ভারতে হিন্দি দৈনিক হিসেবে সন্মার্গ এখন সবচেয়ে পরিচিত নাম। মানবিকতা এবং ধার্মিকতার ওপর ভিত্তি করে 'স্বামী করপত্রীজি মহারাজ' এই দৈনিকটির সূচনা করেন, যার সদর দফতর অবস্থিত কলকাতায়। বর্তমানে এটি রাজ্যের ২৩টি জেলার পাশাপাশি পটনা, ভুবনেশ্বর এবং রাঁচি থেকেও প্রকাশিত হচ্ছে। প্রিন্ট এবং ডিজিটাল উভয় মাধ্যমেই সন্মার্গ বর্তমানে পরিচিত নাম।

'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা' নামে ২০০১ সালে যার পথচলা শুরু, তাই পরে 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান সর্বসাধারণের মধ্যে হিন্দি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষার প্রসারের জন্য কাজ করছে। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক স্বৰ্গীয় শ্রী রাম অবতার গুপ্তর নামে এটি 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার' নামে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম উৎকর্ষতামূলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে থাকে।

সন্মার্গ অ্যান্ড ট্রাস্টি, সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, "এই পুরস্কার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে হিন্দি ভাষা সম্প্রসারণের এবং গুরুত্ব আরোপনের জন্য প্রদান করা হয়। আমরা এই উদ্দেশ্যে যথেষ্ট সফল। এই পুরস্কারের জন্য পড়ুয়াদের মধ্যে বেশি নম্বর আনার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। আগের তুলনায় বিভিন্ন বোর্ডে এখন যথেষ্ট বেশি পার্সেন্টাইল পাচ্ছে পড়ুয়ারা হিন্দি সাহিত্যে। যেখানে ২০০৬-০৭ সালে ৯০-৯২ উঠত সর্বোচ্চ নম্বর, সেখানে এখন ১০০ নম্বর পাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। তিনি আরও জানান, যদি কেউ এই সাহিত্যে উচ্চতর ক্ষেত্রে পড়াশোনা করতে চায়, তাহলে আমরা তাদের স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে অনুরোধ করছি। আমরা যথাসম্ভব তাদের সাহায্য করব।"

Carousel imageCarousel image

Written By

Swarnali Goswami

মহম্মদ আলি পার্কের খুঁটি পুজো সম্পন্ন হল বুধবার ১১অগস্ট

ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক ১১ অগস্ট বুধবার তাদের খুঁটি পুজো সম্পন্ন করল। কলকাতার অন্যতম স্বনামধন্য পুজো হিসেবে মহম্মদ আলি পার্কের নাম ইতিমধ্যেই সকলের কাছে পরিচিত। বিভিন্ন রকম সমাজসেবামূলক কাজ এবং মন্ডপ সজ্জার অভিনবত্বের কারণে প্রতি বছর এই পুজো আলাদা জায়গা করে নেয়।

এ বছর ৫৩ তম বর্ষের পুজো উদযাপন করবে ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক। খুঁটি পুজোর দিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ছিলেন কাউন্সিলর তথা বরো কো-অর্ডিনেটর রেহানা খাতুন, কাউন্সিলর শগুফত পরভীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুজো কমিটির বিভিন্ন সদস্য যথা রামচন্দ্র বাদোপালিয়া (প্রধান পৃষ্ঠপোষক), ওম প্রকাশ পোদ্দার (ভাইস চেয়ারম্যান), প্রমোদ চন্দক (ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট), দুলাল মৈত্র (ভাইস প্রেসিডেন্ট), জি সি শাহ, বিমল ঝুনঝুনওয়ালা, মহম্মদ শাহিদ (সংগঠক), পবন কুমার বনসল, দেওকি নন্দন ঢেলিয়া, অশোক ওঝা, রাজু গুপ্তা, গনেশ শর্মা, পবন শর্মা (যুগ্ম সচিব), সুভাষ চন্দ্র গোয়েঙ্কা (কোষাধ্যক্ষ), সুরেন্দ্র কুমার শর্মা (সচিব)।

ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন অফ মহম্মদ আলি পার্ক প্রতি বছরের মত এ বছরও তাদের মন্ডপসজ্জা, প্রতিমা, পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, সুরক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুনাম এবং খ্যাতি বজায় রাখবে এমনটা বলাই যায়। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মধ্য কলকাতার এই পুজো বহু বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কার অর্জন করেছে।

সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র কুমার শর্মা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "আমরা আমাদের পুরোনো জায়গা মহম্মদ আলি পার্কে ফের পুজো করার অনুমতি পেয়েছি এ বছর। সেই কারনে আমরা ফিরহাদ হাকিম, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্তার কাছে যথেষ্ট কৃতজ্ঞ। পুরোনো জায়গায় পুজো হচ্ছে বলে পুরো টিম যথেষ্ট উদ্দীপনার সঙ্গে কাজ করছে। করোনার বিধি হিসেবে শারীরিক দূরত্ব যেহেতু বাধ্যতামূলক, তাই এবারে আমরা মন্ডপসজ্জায় এমন কিছু ভাবছি, যা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করবে। প্রতিবারের মত আমরা এবারেও যথেষ্ট সাফল্য পাব এমনটাই আশা করছি।" তিনি সকলকে সপরিবারে, বন্ধুবান্ধব নিয়ে তাঁদের পুজো দেখতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যম মারফত।

Written By

Swarnali Goswami


সন্মার্গ ফাউন্ডেশন তাদের পুরস্কার প্রদান উৎসবের ১৬ তম পর্বে কিছুটা পরিবর্তন করে 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন ২০২১' নামে প্রকাশিত হতে চলেছে

১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কলকাতা কেন্দ্রীক হিন্দি 'দৈনিক সন্মার্গ' পূর্ব ভারতের একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। স্বাধিকার এবং মানবতার ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টি করেছিলেন 'স্বামী করপতরি জি মহারাজ'। বাংলার ২৩টি রাজ্যের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি এই দৈনিক বর্তমানে পাটনা, ভুবনেশ্বর, কলকাতা এবং রাঁচি থেকে প্রকাশিত হয় এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ডিজিটাল মিডিয়াতেও সমান প্রতিষ্ঠিত।

'সন্মার্গ রিলিফ ফান্ড কলকাতা', যা বর্তমানে 'সন্মার্গ ফাউন্ডেশন' নামে খ্যাত, তা গড়ে ওঠে ২০০১ সালে। হিন্দি ভাষায় শিক্ষাদান, সামগ্রিকভাবে সকলের জন্য শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে গড়ে ওঠে এই প্রতিষ্ঠান। হিন্দি সাহিত্যে উৎকর্ষতার পুরস্কার হিসেবে তথা এই বিষয় নিয়ে এগিয়ে যাবার জন্য পড়ুয়াদের 'প্রতিভা পুরস্কার' প্রদান শুরু হয় ২০০৬ সালে। পরে প্রয়াত সম্পাদক শ্রী রাম অবতার গুপ্তের নামে এই পুরস্কারটির নামকরণ করা হয় 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার' নামে। সংস্থাটি সমাজের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। বিগত দেড় দশক ধরে এই পুরস্কার হিন্দি ভাষাকে অনন্য সম্মান প্রদান করেছে এবং হিন্দি ভাষা নিয়ে ছাত্রদের উচ্চস্তরীয় পড়াশোনা করতে, বৃত্তি প্রদান করেছে তথা ছাত্র, শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিন্দি ভাষাকে মান্যতা দেওয়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য ভূমিকা নিয়েছে।

এই বছর ১৬তম পুরস্কার প্রদান উৎসব বর্ষের মুহূর্তে 'রাম অবতার গুপ্ত প্রতিভা পুরস্কার', 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন পুরস্কার' নামে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এছাড়াও এই বছর 'গুরু প্রণাম' নামে নতুন একটি পুরস্কারের শুরু হতে চলেছে, হিন্দি ভাষায় শিক্ষা প্রদানকারী শিক্ষকদের পুরস্কৃত করার লক্ষ্যে এবং এ বিষয়ে উত্তরবঙ্গে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সন্মার্গ এন্ড ট্রাস্টি তথা সন্মার্গ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর শ্রীমতি রুচিকা গুপ্তা জানান, "এই পুরস্কারের যোগ্যতার মানদন্ড অতিমারির কারণে একটু পাল্টানো হয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রচুর আবেদন এসেছে সারা দেশ থেকে, যার কারনে আমরা সত্যিই আপ্লুত। ২০০৬-০৭ সালে যেখানে হিন্দিতে সর্বোচ্চ নম্বর আসত ৯০-৯২, সেখানে বর্তমানে পড়ুয়ারা ফুল মার্কস পাচ্ছে। এটি একটি যথেষ্ট সম্ভাবনাময় দিক হিন্দি সাহিত্যের ক্ষেত্রে। এই পুরস্কার হিন্দিতে আরও বেশি নম্বর তোলার জন্য সকলকে উৎসাহিত করছে। এই অতিমারির আবহে অনুষ্ঠানের কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু মূল ব্যাপার একই থাকছে এবং এই বছর থেকে 'রাম অবতার গুপ্ত প্রোৎসাহন' নামে পুরস্কারটির প্রচার করা হবে"।


Written By

Swarnali Goswami