ইউপিএসসির মেধা তালিকায় প্রথম দুশোর মধ্যে রাজ্যের তিন, শীর্ষে ঝাড়গ্রামের 'শুভঙ্কর বালা'

ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস পরীক্ষার মেধা তালিকায় প্রথম দুশো জনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তিন প্রার্থী ৷ ৭৯ তম স্থানে ঝাড়গ্রামের শুভঙ্কর বালা, ৮৭ তম স্থানে শিলিগুড়ির রিকি আগরওয়াল ও ১৫৯ তম স্থানে রয়েছেন বেলঘড়িয়ার ময়ূরী মুখোপাধ্যায় ৷

কোচিং ক্লাস না নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখে প্রতিদিন ১১ ঘণ্টার উপরে পড়াশোনা করে সর্বভারতীয় ইউপিএসসি পরীক্ষা ৭৯ তম স্থান করল ঝাড়গ্রামের ২৬ বছরের শুভঙ্কর বালা। ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুরের তাঁর বাড়ি।  শুভঙ্কর ছোট থেকেই বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন। ঝাড়গ্রাম কেকেআই স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে বেঙ্গালুরু চলে যান। ২০১৭ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেই বেঙ্গালুরুতে একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি জীবন শুরু করেন। ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি করার সময়েই বেঙ্গালুরুতে ২০১৯ শে প্রথম ইউপিএসসি পরীক্ষা দেন। প্রথম পরীক্ষা দিয়েই প্রিলিতে পাশ করে । কিন্তু মেইন পরীক্ষায় সাফল্য আসেনি সেবার। তারপরে ইউপিএসপি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ২০১৯ শে চাকরী ছেড়ে দিল্লি পাড়ি দেন শুভঙ্কর। দিল্লিতে ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু করেন ইউপিএসসির প্রস্তুতি। ২০২০ সমস্ত পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ন হয়ে ৭৯ রেঙ্ক করেন শুভঙ্কর।

শুভঙ্করের আদি বাড়ি গোপীবল্লভপুরের শাশড়ায়। শুভঙ্করের বাবা রাজনারায়ণ বালা পেশায় সরকারি হাসপাতালের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। এখন তিনি অবসর প্রাপ্ত। শুভঙ্করের দুই দিদি রয়েছে। শুভঙ্কররা যখন ছোট ছিলেন তাঁদের পড়াশোনার স্বার্থে তাঁর বাবা গ্রামের জমি বাড়ি বিক্রি করে ঝাড়গ্রামে চলে আসেন। বাবা সরকারি চিকিৎসক হওয়ার কারনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং থাকতো। তাই মা ছবি বালা তাঁদের পড়াশোনার পাশাপাশি সংসারের সব কিছু দেখতেন।

এদিন দিল্লি থেকেই ফোনে শুভঙ্কর বালা সংবাদমাধ্যমকে তাঁর লড়াইয়ের কথা জানান তিনি বলেন, "আমার প্রথমত আইএএস হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে যদি আইএএস না পাই তাহলে আমি আইপিএস হব। শুভঙ্কর বলেন, যখন স্কুল টিমের প্যারেড কমান্ডার ছিলাম তখন দেখতাম স্কুলের অনুষ্ঠানে এসডিও, এসডিপিওরা আসতেন তখন থেকে একটা ধারণা ছিল এটা খুব সম্মানীয় ও উচ্চ জায়গা এখানে পৌঁছানোর জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়। তার সঙ্গে এই কাজে অনেক দায়িত্ব রয়েছে এবং প্রচুর ক্ষমতাও রয়েছে। ছোট থেকে সিভিল সার্ভিস সম্পর্কে অতটা ধারণা ছিলনা কলেজ পাশ করার পর আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় সিভিল সার্ভিস সম্পর্কে। কলেজ পাশ করার পরেই আমি চাকরী পেয়ে যাই তারপরে দু'বছরের মাথায় আমি চাকরি ছেড়ে দিল্লি চলে আসি সিভিল সার্ভিসের পড়াশোনার জন্য। দিল্লিতে আমি কোন কোচিং সেন্টারে ভর্তি হইনি, নিজেই পড়াশোনা করেছি। কোচিং সেন্টারে গিয়ে কেবলমাত্র মকটেস্ট দিতাম। এখন অনলাইনে পড়াশোনার সমস্ত কিছু পাওয়া যায় আর দিল্লিতে যেখানে থাকতাম সেখানে সিভিল সার্ভিস পড়াশোনার জন্য সবকিছু সহজে পাওয়া যায়। নোট সহজে পাওয়া যায়। এই দুই বছর আমি আমার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসআপ সব বন্ধ রেখে ছিলাম।"

ঝাড়গ্রামে ফিরে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি লেকচার অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চান শুভঙ্কর। তাঁর কথায় সিভিল সার্ভিস দেওয়ার সময় তিনি অনুভব করেছেন ক্লাস নাইন ও টেনের পড়াশোনা তার বিশেষ কাজে লেগেছে।  তাই তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিষয়ে অবগত করতে চান।

বাবা রাজনারায়ণ বালা বলেন, ছেলেকে কখনো কাজ করতে বা চাকরি করতে বলিনি।  তাকে তার ইচ্ছামত যতদূর চাইছে পড়াশোনা করতে পারে এটাই বলেছিলাম। তার ইচ্ছে ছিল আইএএস হওয়ার। আজ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। নিজেকে খুব গর্বিত মনে করছি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

ঝাড়গ্রাম

কাঠের সেতু বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় এখন একমাত্র ভরসা নৌকা, চলছে ঝুঁকির নদী পারাপার

বন্যার রেশ কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। কয়েকদিন আগেই ভারি বৃষ্টি ও ব্যারেজের ছাড়া জলে শিলাবতী ও কেঠিয়া নদীর একাধিক বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল চন্দ্রকোনার দুটি ব্লকের মোট ১২ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ৮ টির বহু গ্রাম। চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের চৈতন্যপুরে শিলাবতী নদীর উপর কাঠের সেতু জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে, এছাড়াও ওই গ্রাম পঞ্চায়েতেরই ধরমপোতা গ্রামে কেঠিয়া ও কানা নদীর সংযোগস্থলে থাকা অপর একটি কাঠের সেতু জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে এবং কৃষ্ণপুর এলাকায় কেঠিয়া নদীর উপর থাকা আরও একটি কাঠের সেতু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

নদী তীরবর্তী ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষের জরুরি পরিষেবা থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল চৈতন্যপুর ও ধরমপোতা এলাকায় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৈরি দুটি কাঠের সেতু।বন্যায় এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সেতু ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ২৫-৩০ টি গ্রামের মানুষ। পাশাপাশি এই দুই সেতুর উপর দিয়ে চলত ছোট চারচাকার যানবাহন, বর্তমানে তা সম্পুর্ন বন্ধ। নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে আবার জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এখন হাজারও মানুষের একমাত্র ভরসা নৌকা। চৈতন্যপুর ও ধরমপোতা দুই জায়গায় গ্রামবাসীরাই নিজেদের উদ্যোগে নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা করেছে বলে জানা যায়।নৌকায় সাইকেল, মোটরসাইকেল চাপিয়েও চলছে ঝুঁকির যাতায়াত, বন্যা কাটলেও বর্তমানে যাতায়াতে চরম সমস্যায় পড়েছে ২৫-৩০ টি গ্রামের মানুষ। তাদের দাবি, প্রশাসন দ্রুত ভেঙে পড়া গুরুত্বপূর্ণ এই দুই কাঠের সেতু মেরামত করে যাতায়াতের উপযুক্ত করে তুলুক।

যদিও এ বিষয়ে ভগবন্তপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইকবাল সরকার সমস্যার কথা স্বীকার করে জানান,"৪ টি কাঠের সেতুর মধ্যে দুটি ভেঙে গেছে, একটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মেরামত প্রয়োজন। চন্দ্রকোনা ২ পঞ্চায়েত সমিতি থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে এই সেতুগুলি নিয়ে, আমরা তা পাঠিয়ে দিয়েছি। এমনকি ঘাটালে রাজ্যসরকারের যে কমিটির সদস্যরা বন্যা পরিদর্শনে এসেছিল সেচ ও নিকাশি বিভাগের প্রধান সচিবের নেতৃত্বে মহকুমার সমস্ত আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সেখানেও এই ভেঙে পড়া সেতুগুলি নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। আশ্বাস মিলেছে জেলা পরিষদের মাধ্যমে দ্রুত এই সেতুগুলি মেরামত করার ব্যবস্থা করা হবে। প্রায় একমাস হতে চললো, বন্যা পরবর্তী যাতাযাতের ক্ষেত্রে নিত্যদিন হাজারও মানুষ এমনই চরম দুর্ভোগের শিকার চন্দ্রকোনায়।

Carousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

সোনার গহনায় QR কোড চালুর প্রতিবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

একদিকে কোভিড বিপর্যয় অন্যদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় এই দুইয়ের মধ্যেখানে সোনার গহনার ওপর হলমার্কের পাশাপাশি এবার QR কোড চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার আর তাতেই সমস্যায় পড়তে চলেছে দেশের ক্ষুদ্র ছোট-বড় হাতে গড়া সোনার কারিগররা।যারা সামান্য টাকার মূল্যের বিনিময়ে ছোটখাটো কাজ করে সংসার চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এরকমই ঘটনার পেক্ষিতে পূর্ব ঘোষিত ঘোষণা অনুযায়ী আজ ভারত বনধের ডাক দিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি।

প্রসঙ্গক্রমে বলা যায় চাকরি না পেয়ে জন্য ছোট-বড় মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পাশ ছেলেরা হাতে গড়া সোনার কারিগরের দিকে নজর দিয়েছে। সেই হিসেবে তারা কেউ সোনার কারিগর কেউ বা বিভিন্ন ধরনের দোকান খুলেছে বা ব্যবসা করছে। তবে ছোট থেকে হাতের কাজ শিখে তারা সোনার কারিগর তৈরি হয়েছে। সোনার দোকানিরা ছোট বড় কাজ করে দিনাতিপাত করছিলেন এতদিন। গোটা দেশজুড়ে নয়টি রাজ্যের সঙ্গে জঙ্গলমহল পশ্চিম মেদিনীপুরে সোনার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটা বিরাট পরিমাণ সংখ্যায় রয়েছে। যারা এই ছোট বড় কাজ করে নিজের সংসার চালিয়ে আসছেন।

এই গহনা বিক্রি করতে গেলে মূলত এখন হলমার্রককেই সোনার মান নির্ধারক হিসেবে দেখা হয়। এই গহনা মূলত ২২ ক্যারাট ২৪ ক্যারাট হলমার্ক এর উপর ক্রেতাদের বিক্রি করা হয়। সোনার জিনিসপত্র ক্রয় করেন ক্রেতারা এবং সেই হলমার্ক নির্ধারণ করা হয় এলাকার কোনও হলমার্ক সেন্টার থেকে। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে, সেই নির্দেশিকা বলা হয়েছে এই সোনার জিনিসপত্রে হলমার্কের পাশাপাশি থাকবে QR code যে কোড দেখে অনলাইনে ওই গহনার সমস্ত তথ্য আপলোড করা থাকবে। যাতে করে কোনভাবেই ক্রেতাকে ঠকানো না হয়। এরই পাশাপাশি ওই সোনার গহনার তথ্য নির্দিষ্টভাবে সরকারি দফতরে জমা হবে। ফলে ওই গহনা কোন দিনে কার কাছে বিক্রি হয়েছে বা কার কাছে কত সোনা মজুত রয়েছে সেটাও জানা যাবে। নির্দেশিকায় এই সিস্টেমকে HUID বা hallmarking unique identification system বলা হচ্ছে।

নির্দেশিকা জারি হতেই সমস্যায় পড়েছেন সোনার কারিগর থেকে ছোট বড় দোকানিরা। কারণ এই নির্দেশিকা মানতে গেলে একটা সোনার জিনিস বিক্রি করতে অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন লাগবে এই QR করে গ্রাহকের কাছে তুলে দিতে। যার ফলে ব্যবসার ক্ষেত্রে যেমন সমস্যা হবে তেমনি একটা জিনিস বিক্রি করতে সমস্যায় পড়বেন তারা। এর পাশাপাশি রয়েছে আরও নানাবিধ সমস্যা। সেসব সমস্যা নিয়ে এবার আন্দোলনে নামতে চলেছে তারা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী আজকে অবিভক্ত মেদিনীপুরের সমস্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা একদিনের প্রতীকী ধর্মঘট শুরু করেছে আজকে। যদি সরকার দাবী দাওয়া না মানে তবে আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের রাস্তায় নামার প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি।

নিজস্ব প্রতিনিধি

পশ্চিম মেদিনীপুর


চারটি সংগঠনের উদ্যোগে ঘাটালে‌ দুর্গতদের ত্রাণ বিলি

চারটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মঙ্গলবার দুর্গতদের ত্রাণ বিলি করা হলো ঘাটাল মহকুমার সুলতানপুর এলাকায়। মঙ্গলবার ঘাটালের সুলতানপুর এলাকায় ত্রাণ বিলি করা হলো 'ছত্রছায়া গ্রুপ', 'উড়ান পিপলস্ ফাউন্ডেশন', 'মানবিক সংস্থান' ও 'ওয়েষ্ট মিদনাপুর সাইক্লার্স ক্লাব' নামে এই চারটি সংস্থার উদ্যোগে। ওই সংস্থা গুলির পক্ষ থেকে সুলতানপুর এলাকার ২৪০ টি পরিবারের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়। এই কাজে বিশেষ সহযোগিতা করেন ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস সহ ঘটাল মহাকুমা প্রশাসন এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী শিক্ষক মণিকাঞ্চান রায়। ত্রাণবিলির পাশাপাশি এদিন সংগঠনগুলির তরফে ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাসের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা হয়। এদিনের ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মণিকাঞ্চান রায়,সংস্থাগুলির তরফে উপস্থিত ছিলেন নতুন ঘোষ, সন্তোষ ভকত, সম্রাট ঘোষ, অনুপম রায়, ঋক চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। ওই সংস্থা গুলির হাত থেকে খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুশি ঘাটাল এর সুলতানপুর এলাকার বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা। সংগঠন গুলির পক্ষ থেকে আগামী দিনেও ঘাটালের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে দুর্গত মানুষদের হাতে ত্রাণ তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়।

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এক অভিনব উদ্যোগ নিল 'ওসাজ'

স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এক অভিনব উদ্যোগ নিল 'ওসাজ'। সুন্দরবনের সন্দেশখালি অঞ্চলের জেলিয়াখালির হালদার পাড়ায় স্বাধীনতা দিবস পালিত হলো সিলিকোসিস আক্রান্ত মৃত্যুপথযাত্রী অসহায় মানুষদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে। অভাবের তাড়নায় নিজের গ্রাম ছেড়ে শহরে রেমিং মাস কারখানায় কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকেরা শ্বাসকষ্ট আর বুকের যন্ত্রনা নিয়ে গ্রামে ফিরে একে একে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে। চিকিৎসা করতে গিয়ে জানা যায় এরা সব ফুসফুসের ‌ভয়ংকর মারনরোগ সিলিকোসিস আক্রান্ত। নরম ফুসফুস পাথরের গুঁড়োর ধুলোয় জমাট বাধা। এখনো পর্যন্ত য়ার কোনো চিকিৎসা নেই। 'শ্রমিকের পাশে শ্রমিকের সাথে' এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে এই সব অসহায় মানুষদের পাশে এগিয়ে এসেছে 'ওসাজে'র সমিত কুমার কর ও তার সহযোগীরা।

উল্লেখ্য, সন্দেশখলী ব্লক ১ ও ব্লক ২ নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অসহায় শ্রমিকদের পক্ষে দুটো আলাদা কেস করেন সমিত কুমার কর। এর ফলস্বরূপ ব্লক ২ এর দুজন শ্রমিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যে সুপারিশ মানবাধিকার কমিশন করে তা রাজ্য সরকার মেনে নেয়। এদের জন্য মাসে পাঁচ হাজার টাকা পেনশনের সুপারিশও করা হয়েছে ।

নিজস্ব সংবাদদাতা,

কলকাতা

অভাব-অনটনের কারনে গোয়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনে বাধার মুখে নৈহাটির দুই খুদে প্রতিযোগী

অভাব-অনটন ওদের নিত্যসঙ্গী। তবুও প্রতিভাবান ক্যারাটে হবার লক্ষ্যে লড়াই জারি নৈহাটির মিত্র পাড়ার বাসিন্দা দুই খুদের। রাজ্য ও জেলা স্তরের প্রতিযোগিতায় ইতিমধ্যেই সাফল্য এনেছে দুই ভাই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের গোড়ায় গোয়ায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ কর্পোরেট এফেয়ার্স বিভাগ দ্বারা স্বীকৃত জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। নৈহাটির মিত্র পাড়ার বাসিন্দা ১০ বছরের সঞ্জিত রায় ও সাত বছরের স্বর্ণজিৎ রায় প্রতিযোগিতার মার্শাল আর্ট বিভাগে ডাক পেয়েছে। কিন্তু অর্থের অভাবে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বাধার সম্মুখীন দুই ভাই। খুদে-দের বাবা ইন্দ্রজিৎ রায় উত্তরবঙ্গে বৈদ্যুতিন মিস্ত্রীর কাজ করেন। মা সংগীতা রায় গৃহবধূ। পূর্ণ লকডাউনে অতি কষ্টে দিন কেটেছে রায় পরিবারের। প্রতিযোগিতায় যাতে ওরা অংশগ্রহণ করতে পারে, তার জন্য আর্থিক সহযোগিতার কাতর আর্জি দুই খুদের পরিবারের।

নিজস্ব প্রতিনিধি

ব্যারাকপুর

ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতির পরিদর্শনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মঙ্গলবার ঘাটালের কুশপাতা বঙ্গবাসী ক্লাবের মাঠে হেলিকপ্টারে নামেন। এরপর সেখান থেকে সড়কপথে ঘাটাল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের আড়গোড়া ১নং চাতালে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘাটাল পুরসভার 8টি ওয়ার্ড এখনও জলমগ্ন আছে। বন্যা পরিস্থিতির পরিদর্শন করে তিনি দুর্গতদের হাতে রাজ্য সরকারের ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন এদিন। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভূইঁয়া, সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সহ মন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শিউলি সাহা শ্রীকান্ত মাহাত এবং ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ও মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া এবং জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভয়াবহ অবস্থার জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একে ‘ম্যান মেড’ বন্যা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা সত্ত্বেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন। এই প্রসঙ্গে দলের সাংসদদের নির্দেশ দেন, দিল্লি গিয়ে যেন কেন্দ্রকে এই বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়। তিনি নিজেও আলাদা করে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরির জন্য কেন্দ্রকে আবেদন জানাবেন। পাশাপাশি এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বন্যা দুর্গত মানুষদের পাশে থাকার জন্য জেলা প্রশাসনকে, তথা দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন তিনি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, নাচের তালে পা মেলালেন মমতা, বাজালেন ধামসা

"আদিবাসীদের জমি হস্তান্তর বন্ধ করেছে আমাদের সরকার, আমরা চাই সারা ভারতে এই আইন হোক" ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর৷ তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার জঙ্গলমহলের জেলা ঝাড়গ্রামে আসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে আজ ঝাড়গ্রামে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে একদিকে যেমন তিনি ধামসা বাজালেন, অন্যদিকে নাচের তালে পা মেলাতেও দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। একই সঙ্গে, সবুজ সাথী, কন্যাশ্রী, জয় জোহর প্রকল্পের আওতায় থাকা ১৯ জনের হাতে শংসাপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতি ১৩ জনকে সংবর্ধনা জানান মুখ্যমন্ত্রী।


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, "আমরা ধর্মে-ধর্মে, মানুষে-মানুষে ভাগ করি না। সবাই আমরা একসঙ্গে কাজ করি। আপনারা ভাল থাকলে, আমি ভাল থাকবো। আপনাদের কখনও কিছু অসুবিধা হলে আমাকে বলবেন, আমি দেখে নেবো। কিন্তু আমাকে দয়া করে ভুল বুঝবেন না। আপনারা আমাদের অনেক আশীর্বাদ দিয়েছেন। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনে জিতিয়েছেন। ঝাড়গ্রাম জেলা প্রকৃতি মায়ের জেলা। তবুও অনেক জেলায় বন্যা হয়েছে। ডিভিসির জল ছেড়ে দিয়েছে। জল ছাড়ার কারণে বন্যা হয়েছে। ডিভিসি-র ছেড়ে দেওয়া জলে বাগনান-সহ বিস্তৃর্ণ এলাকা জলমগ্ন। আমি আসার সময় ছবি তুলেছি। মুখ্যসচিব কে পাঠিয়েছি।"


মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, "ঝাড়গ্রামকে নতুন জেলা করেছে আমাদের সরকার। ঝাড়গ্রাম, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুরে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল হয়েছে। ঝাড়গ্রামে সাধুরাম চাঁদ বিশ্ববিদ্য়ালয় হচ্ছে। ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকরণ হয়েছে। সুবর্ণরেখা নদীর উপর জঙ্গল সেতু হয়েছে। স্পোর্টস কমপ্লেক্স হয়েছে। মাও হানায় মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করেছি। ৩ কোটি মানুষ দুয়ারে সরকারের আওতায় এসেছে।"

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা

ঝাড়গ্রাম

রাস্তার ধারে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বৃহদাকার একটি গাছ, নির্বিকার প্রশাসন

রাস্তার ধারে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বৃহদাকার একটি গাছ। তার নিচ দিয়ে চলছে ঝুঁকিবহুল যাতায়াত। প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার ঠাকুরচক এলাকায়। জানা যায় বেলদা কাঁথিগামী রাজ্য সড়কের কাছে ঠাকুরচকে বিশ্রামাগার সংলগ্ন স্থানে এক বৃহদাকার পূর্ণবয়স্ক শিরীষগাছ দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে মৃত অবস্থায় রয়েছে। যার কয়েকটি ডাল ইতিমধ্যে খসে পড়ছে। বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন পথচলতি মানুষেরা। তবে সে যাত্রায় বড় কোনও বিপদের সম্মুখীন না হলেও বৃহত্তর বিপদের সম্মুখীন হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওই গাছটি। যা জেনেও উদ্যোগ নিচ্ছে না প্রশাসন বলে অভিযোগ সচেতন এলাকাবাসীদের। তবে কি বৃহত্তর ঘটনা ঘটলে তার পরেই টনক নড়বে প্রশাসনের? এখন এটাই প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এলাকাবাসীদের মনে। ঘটনায় আরও জানা যায় গাছটি রাজ্য সড়কের ধারে পিডব্লিউডি অর্থাৎ পরিবহন দফতরের সীমানার মধ্যে পড়ে যাওয়ায় পঞ্চায়েত বা প্রধানের তরফ থেকে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। তবে এটি পঞ্চায়েত এলাকায় হোক বা পরিবহন দপ্তরের এলাকায়, বিপদ কিন্তু পথচলতি মানুষের সন্নিকটে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধুমাত্র গাছটি শুকনো অবস্থায় রয়েছে তাই নয় তার কাছেই রয়েছে উচ্চ বৈদ্যুতিক সম্পন্ন কিছু বিদ্যুতের তার ও খুঁটি, যা যে কোনো সময় ওই গাছের ডাল বা গাছটি ভেঙে পড়লে তা আরও বৃহত্তর বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সংকেত দিচ্ছে। যদিও এসব দেখেও ঘুম ভাঙেনি প্রশাসনের এমনটাই অভিযোগ খোদ এলাকাবাসীদের। এখন দেখার এই বিপদ থেকে কবে নিস্তার পান এলাকার মানুষেরা। সেই দিকে তাকিয়ে এলাকাবাসীরা।

Carousel imageCarousel imageCarousel image

নিজস্ব সংবাদদাতা,

পশ্চিম মেদিনীপুর

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট দেখার পর সরকারের পদত্যাগ করা উচিত বললেন শুভেন্দু অধিকারী

বৃহস্পতিবার আচমকা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতির পদ ও মোর্চার সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিনয় তামাং


শালবনীর গোয়ালডিহিতে 'শিশু আলয়' নামে একটি মডেল অঙ্গনওয়াড়ির শুভ উদ্বোধন করলেন জেলাশাসক

বিজেপি কর্মীর বাড়িতে দুষ্কৃতীদের বোমাবাজি ব্যারাকপুরে

পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চন্দ্রকোনারোড শহরে প্রতিবাদ মিছিল ব্লক তৃণমূলের ST সেলের

ভাটপাড়া পুরসভার মধ্যে গুলি কাণ্ডে ধৃত যুবক

পুরসভা কম্পাউন্ডে গুলি, ক্ষোভে পদত্যাগ ভাটপাড়ার পুর প্রশাসকের

পেলাগেড়িয়াতে দুর্ঘটনার কবলে মাল বোঝাই কন্টেনার,হতাহতের কোনো খবর নেই

ভারতীয় জনতা পার্টি শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার তরফে একাধিক দাবি নিয়ে স্মারকলিপি

নিমতায় এক মাঝবয়সীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ধৃত রিহ্যাব সেন্টারের দুইজন


এক ব্যবসায়ীর উদ্যোগে বেলাকোবার নাবালিকাকে বাড়ি ফেরানো গেল

দার্জিলিঙের ম্যালে কবি ভানুভক্ত আচার্য -র ২০৭ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

নিজস্ব সংবাদদাতা

দার্জিলিং

কেশিয়াড়িতে সুগন্ধী ধান ও কৃষিজ সামগ্রী বিতরণ শিবির

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

টিটাগড় জুটমিল এবং পানিহাটি শিল্পাঞ্চলের কোভিড টিকাকরণ কর্মসূচী


নিজস্ব সংবাদদাতা

ব্যারাকপুর

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেশপুরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের প্রতি মন্ত্রী শিউলি সাহা

পেট্রোপণ্যের লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি, তারই প্রতিবাদে রাজ্য তৃণমূলের নির্দেশ অনুসারে রাজ্য জুড়ে চলছে প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচি।

সেই মতই রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহার নেতৃত্বে কেশপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তুঘলকি শাসনের বিরুদ্ধে এবং পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন প্রতীকী প্রতিবাদ হিসাবে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহা কাঠের উনুনে জাল দিয়ে ভাত রান্না করেন মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সাথে। তারপর অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি তে অংশগ্রহণ করেন।

সেই সঙ্গে কেশপুর ব্লকের ১১ নং অঞ্চলের কলাগ্রামে নরেন্দ্র মোদীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

কুশপুতলে আগুন দেন ১১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি কাজী শাহাদাত। রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শিউলি সাহা বলেন পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ফলে প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। যার ফলে অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে সাধারন মানুষদের। কিন্তু কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমাতে ব্যর্থ। তাই প্রতিদিন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ছে।তা সত্ত্বেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে ।তাই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রবিবার কেশপুরে পেট্রল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়

এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেনরাজের প্রতি মন্ত্রী শিউলি সাহা ছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেসের কেশপুর ব্লক এর সভাপতি উত্তমানন্দ ত্রিপাঠী, জেলা নেতৃত্ব চিত্ত রঞ্জন গরাই, সেখ হবিবুর রহমান সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্বরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

পশ্চিম মেদিনীপুর

এবছর তিস্তা নদী ভয়ানক রূপ নিয়েছে, জলস্তর বাড়ছে প্রতি ঘন্টায়

আমাদের দেশ অনেকটাই নদীমাতৃক আর নদীকে ঘিরেই জীবন যাপন করে বহু মানুষ। জীবিকার অঙ্গ হিসেবে নদী তীরে বসবাসকারীদের নানা কাজ করতে দেখা যায়। আবার এই নদীই জীবন কেড়ে নেয়় তার ভয়াল রুদ্র রূপের কবলে পড়লে| সিকিম থেকে উৎপওি হয়েছে তিস্তা নদী যা অনেক জায়গা দিয়ে বয়ে বাংলাদেশের গিয়ে পড়েছে| শিলিগুড়ি থেকে কালীঝোড়া হয়ে সেবককে পিছনে ফেলে সিকিম যাওয়ার রাস্তায় পড়ে তিস্তা নদী গভীর খাতে বয়ে যাওয়া নদীর রূপ ভয়ঙ্কর হয় পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি হলে| বহু বছর ধরে এই নদীর দু ধারে বসতি গড়ে উঠেছে। সিকিম থেকে বয়ে যাওয়া নদীর উপড় বাঁধ দিয়ে গড়ে উঠেছে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ভারত সরকারের উদ্যোগে বেশ কয়েক বছর পর জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় তখন থেকে এই এলাকাবাসীরা নানা অসুবিধার মধ্যে পড়েন। জীবিকার অধিকার কেড়ে নেয় সরকারী কিছু অবাস্তব পরিকল্পনা যার পেছনে রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকার সমানভাবে দায়ী। আজও বহু মানুষ জমির পাট্টা পায় নি| প্রতিবছর জলস্তর বাড়ার ফলে ঘর বাড়ী ভেসে যায় সরকার তাদের অন্য জায়গায় জমির ব্যবস্থা করেনি তাই তাদের সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় | জলবিৎদ্যুৎ প্রকল্পের জন্যে কালীঝোড়ায় ধ্বস নামে একটু বৃষ্টি হলেই বলে অভিযোগ|

এক নাগাড়ে বৃষ্টিপাতের জন্যে তিস্তা নদীর জলস্তর বাড়ার ফলে তিস্তা নদীর তীরে বসবাস করে এমন একটি পরিবার তাদের অন্য জায়গায় চলে যেতে হয়েছে | বিশেষ করে সিকিমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের জন্যে বুধবার থেকে তিস্তা নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিস্তা নদীর জলস্তর বিপদ সীমা অতিক্রম করে তিস্তার নদীর দু পাশে বসবাসকারীরা আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। ঘরে বসবাসকারী পরিবারের সদস্যরা আগেই ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় চলে যাওয়াতে জীবন হানি হয়নি তবে ঘরের সমস্ত অসবাবপত্র নদীর জলে ভেসে যায়, পরিবারের সদস্যরা নিজেদের আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নেয়| উল্লেখ্য ত্রিবেনীতে কোভিড হাসপাতালের রাস্তায় জল চলে আসে। এবছর তিস্তা নদী ভয়ানক রূপ নিয়েছে, জলস্তর বাড়ছে প্রতি ঘন্টায়|


নিজস্ব সংবাদদাতা

দার্জিলিং


ব্লকের অর্থলগ্নি সংস্থাগুলো থেকে নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে কেশিয়াড়িতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনা

ব্লকের অর্থলগ্নি সংস্থাগুলো থেকে যাতে কেউ প্রতারিত না হন সেই বিষয়ে এবং তাদের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আলোচনা করল পুলিশ প্রশাসন। বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ির রবীন্দ্রভবনে কেশিয়াড়ী থানার পুলিশ, ব্লকের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, গ্রাহক সেবা কেন্দ্র, পেট্রোল পাম্প এবং জুয়েলারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসে। তাদের নিরাপত্তা বিষয়ে খোঁজ নেয় পুলিশ। একই সঙ্গে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয় যেন কেউ এই সব অর্থলগ্নি সংস্থাগুলি থেকে প্রতারিত না হয়। অনেক গ্রাহক সেবা কেন্দ্র থেকে টাকা জমা এবং তোলার বিষয়ে বিভিন্ন অসঙ্গতির অভিযোগ আসে। সেগুলি যাতে না হয় তাই নিয়ে আলোচনা করে এদিন পুলিশ। শুধু তাই নয়, ব্যাঙ্ক ও গ্রাহক সেবা কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা বিষয়ে খোঁজ নেয় পুলিশ এবং সংস্থাগুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়। গ্রাহকদের আরও সচেতন থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




নিজস্ব প্রতিনিধি

পশ্চিম মেদিনীপুর








ডেবরা ব্লকের লোয়াদা ব্রিজ সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার অনুমতি দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর

বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা ব্লকের লোয়াদা ব্রিজ পরিদর্শন করেন রাজ্যের মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর। ওই ব্রিজ পরিদর্শনের পর ব্রিজটি জনগণের জন্য খুলে দেওয়ার অনুমতি দিলেন ডেবরার বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কারিগরী শিক্ষা দফতরের স্বাধীন দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ড: হুমায়ুন কবীর। উল্লেখ্য, বাম রাজত্ব কাল থেকেই অসম্পূর্ণ হয়ে দীর্ঘদিন পড়েছিল এই ব্রিজ। যাতায়াতের সমস্যায় পড়তে হত বহু মানুষকে। অবশেষে মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর এর চেষ্টায় লোয়াদা ব্রিজ টি চালু হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা।

লোয়াদা ব্রিজটি বৃহস্পতিবার থেকে জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এবার থেকে এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে ছোট গাড়ি ও বাইক। ব্রিজে নিরাপত্তার জন্য থাকবে পুলিশ।

এদিন ব্রিজ পরিদর্শন করার সময় মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর এর সাথে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর মহকুমার মহকুমা শাসক আজমল হোসেন, ডেবরা থানার ওসি সহ স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিক গণ।




নিজস্ব প্রতিনিধি

পশ্চিম মেদিনীপুর