২১ জুলাই মহাকাশ ঘুরতে যাচ্ছেন জেফ বেজোস, স্মরণীয় এই মুহূর্তের অংশীদার ভারতীয় মহিলা সঞ্জল গবান্ডে

দলবল নিয়ে মহাকাশ ঘুরতে যাচ্ছেন অ্যামাজন কর্তা জেফ বেজোস। ২০২১-এর ২০ জুলাই স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় পশ্চিম টেক্সাসের মরুভূমির ‘লঞ্চ সাইট ১’ থেকে চার জন যাত্রী-সহ উৎক্ষেপিত হবে ‘নিউ শেপার্ড’। তাঁদেরই এক জন হবেন জেফ নিজে। সেই স্বপ্নের উড়ানের অংশীদার হতে চলেছেন এক ভারতীয় মহিলা। সঞ্জল গবান্ডে।

অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফের জন্য নিজের হাতে মহাকাশযান বানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সঞ্জল স্বপ্ন দেখেছিলেন মহাকাশযান বানানোর। ৩০ বছরের এই ইঞ্জিনিয়ারের জন্ম মহারাষ্ট্রের কল্যাণের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে। বাবা মু্ম্বই কল্যাণ-দম্ভিবলি পুরসভায় কাজ করতেন। মা এমটিএনএল-এর অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। মুম্বইয়ের স্কুলেই পড়াশোনা সঞ্জলের। তার পর মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। ২০১১ সালে স্নাতকোত্তরের জন্য তিনি আমেরিকায় উড়ে যান। আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়েই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পর তিনি নাসায় কাজের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কিছু সমস্যার জন্য নাসায় চাকরি করা হয়ে ওঠেনি। দমে যাননি সঞ্জল। মেরিন এবং রেসিং কার সংস্থার জন্য কাজ শুরু করেন তিনি। তখন তিনি টয়োটায় কাজ করতেন। টয়েটোয় থাকাকালীন তিনি পাইলটের প্রশিক্ষণও নিতে শুরু করেছিলেন। সপ্তাহে ছুটির দিনে প্রশিক্ষণ নিতেন। ২০১৬ সালে পাইলটের লাইসেন্সও পেয়ে যান।

কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও মহাকাশযানের স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি সঞ্জল। সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপও পেল। অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মহাকাশযান দলের সদস্য হলেন তিনি। জেফের সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’ এই রকেট বানিয়েছে। রকেটটি বানানোর জন্য বাছাই করা দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়োগ করেছেন জেফ। ওই দলেরই একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন সঞ্জল। রকেটের ইঞ্জিন বানানোর দায়িত্ব ছিল তাঁরই উপর।

মহাকাশে মানুষের থাকার জন্য ‘স্পেস কলোনি’ বানানোর উদ্দেশ্যেই ২০০০ সালে ‘ব্লু অরিজিন’ সংস্থার সূচনা করেন জেফ। মহাকাশ পর্যটন-সহ বহু পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। আপাতত প্রচুর ওজন সমেত মহাকাশে যেতে পারে, ‘নিউ গ্লেন’ নামে এমন এক রকেট বানানো হচ্ছে সংস্থাটিতে। অ্যাপলো ১১-র চাঁদে অবতরণের ৫২তম বছরকে সম্মান জানাতেই এই দিনটি বেছে নিয়েছেন জেফ। এখনও অবধি কোনও যাত্রী ছাড়া অন্তত ১৫টি উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে স্বয়ংক্রিয় ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য এই যানের। জেফের সহযাত্রী হচ্ছেন ৮২ বছর বয়সি মহিলা বিমানচালক ওয়ালি ফাঙ্ক। সব ঠিক থাকলে তিনিই হবেন প্রবীণতম মহাকাশচারী। এছাড়াও অলিভার ডিমেন নামে এক ডাচ কিশোর হবেন সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশযাত্রী। ১৮ বছরের অলিভার নেদারল্যান্ডসের এক ধনকুবেরের ছেলে। আর এক সহযাত্রী হিসেবে থাকছেন জেফের ভাই মার্ক। ‘নিউ শেপার্ড’ ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশ ও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্যবর্তী কারম্যান লাইনে কিছু ক্ষণ অবস্থান করবে। পৃথিবীর কক্ষ পথ ছাড়িয়ে মহাকাশে ঘুরে বেড়ানোর জেফের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার অপেক্ষা মাত্র।

Written By

Swarnali Goswami

Carousel imageCarousel imageCarousel imageCarousel image

২,৩,৪ চলছে ভার্চুয়াল আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলন

Carousel imageCarousel imageCarousel image

আমেরিকায় শুরু হল ৪১ তম বঙ্গ সম্মেলন। যার পোশাকি নাম 'গ্লোবাল কনফারেন্স ২০২১'। চলবে ২ থেকে ৪ জুলাই। এবারে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্ল্যাটফর্মে হচ্ছে 'নর্থ আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্স' (এন এ বি সি) গ্লোবাল ২০২১। প্রতিবছরই মার্কিন দেশে চাঁদের হাট বসে এই বিশ্ব বঙ্গ সম্মেলনকে ঘিরে।

তবে স্বাভাবিকভাবেই অতিমারীর কারনে গত বছর থেকে ছবিটা একটু বদলেছে। হাট বসছে ঠিকই, কিন্তু ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, স্মার্ট টিভি অথবা মুঠোফোনের পরিসরে। পরিসর ছোট হলেও তার ব্যাপ্তি কিন্তু পৌঁছে যাচ্ছে বহুদূর। ভৌগোলিক সীমারেখা টপকে যোজন দূরের বাঙালি আত্মাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে এই 'গ্লোবাল' কনফারেন্স। গত এক বছরের পরিশ্রমে তৈরি হয়েছে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্ল্যাটফর্ম। https://nabcglobal.org/ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্টার করে, ক্লিক করলেই ঘুরে বেড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ এক্সপো জোন থেকে নানা অডিটোরিয়ামে। থ্রিডি ফরম্যাটের অডিটোরিয়ামের এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যেতে যেতে ভার্চুয়াল ও রিয়েলিটি কোথাও যেন মিলেমিশে যাবে।

প্রায় চল্লিশ ঘণ্টার অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ অমিত কুমার সন্ধ্যা। থাকছেন শ্রীকান্ত আচার্য্য, শুভমিতা, উষা উথ্থুপ, রাঘব, উজ্জ্বয়িনী, ক্যাকটাস, অন্বেষা, দুর্নিবার, মনোজ মুরলি নায়ার -সহ বাংলার একদল শিল্পী ও কলাকুশলীরা। সারেগামাপা খ্যাত নবীন শিল্পীরাও থাকছেন গান নিয়ে। পরিচিত মুখ বাংলা পডকাস্টের পিয়া রায় থাকছেন অনুষ্ঠান সাজানোর দায়িত্বে। প্রতিদিনই থাকছে চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী!

Written By

Swarnali Goswami


তাপপ্রবাহ এবং দাবানলে নাভিশ্বাস কানাডার। মৃত অন্তত ৫০০


গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে কানাডায় ৷ ভ্যাঙ্কুভারের পাশাপাশি লিটন, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া-সহ একাধিক জায়গার তাপমাত্রা উঠেছে ৪৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপপ্রবাহে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৮৬ ৷ গত কয়েকদিনে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে কানাডায় ৷ সরকারি সূত্রে এই হিসেব হলেও আসলে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা ৷ ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশে তাপমাত্রা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে ৷ অধিক তাপমাত্রার কারণেই ব্রিটিশ কলম্বিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে প্রায় ১০০রও বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। আগামী কয়েকদিনও তাপমাত্রায় কোনও হেরফের হবে না বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা৷ এই প্রচণ্ড গরমে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷ ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় এই মুহূর্তে কোভিড-১৯ এর জায়গায় দাবানল এমার্জেন্সির জায়গা দখল করে নিয়েছে।

Written By

Swarnali Goswami

আন্টার্কটিকা থেকে উধাও ১১ বর্গ কিলোমিটার এলাকার হ্রদ


আন্টার্কটিকা থেকে উধাও হয়ে গেল ১১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থাকা সুবিশাল একটি হ্রদ। উধাও হয়ে যাওয়া হ্রদটিতে থাকা জলের পরিমাণ ছিল ৬০ থেকে ৭৫ কোটি ঘন মিটার। উপগ্রহচিত্রে ধরা পড়া সেই উদ্বেগজনক খবর দিয়েছে একটি গবেষণাপত্র। যা প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’-এ। সেই হ্রদের জল গিয়ে মিশে গেছে অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগরে। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরেই এমনটা ঘটেছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Written by

Swarnali Goswami